সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

কুমিল্লায় ফোনে ডেকে নিয়ে যুবককে হত্যা ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৩, ৮:০৭ এএম
কুমিল্লায় ফোনে ডেকে নিয়ে যুবককে হত্যা ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা নগরীর বাদুড়তলা ডাক্তারপাড়া এলাকায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এই মরদেহ উদ্ধার নিয়ে তৈরী হয়েছে ধ্রুমজাল। কে তাকে হত্যা করলো কেনো করলো পুরো বিষয়টাই রহস্যবৃত। তবে পুলিশ বলছে ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে মতবিরোধে প্রতিপক্ষের হাতে খুনের এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ৩৮ বছর বয়সী আল আমিনের বাড়ি ঢাকার চিটাগাং রোড এলাকায়। কুমিল্লা দক্ষিণ চর্থা (থিরা পুকুর পাড়) এলাকার মাংস ব্যবসায়ী মোহন মিয়ার মেয়ের জামাই আল-আমিন গেলো পাঁচ বছর ধরে কুমিল্লায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। তার দুটি দোকান রয়েছে। একটি রাজগঞ্জে একটি ঢুলি পাড়া এলাকার ভাঙ্গা বিল্ডিংয়ের পাশে।

নিহত আল আমিনের শশুড় চর্থা এলাকার বাসিন্দা মোহন মিয়া বলেন, ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী আমার মেয়ে মাহমুদা আক্তার জুথির সাথে আল-আমিনের বিয়ে হয়। গেলো ২০১৮ সালে আল আমিন ও মাহমুদা আক্তার জুথি কুমিল্লায় চলে আসে। এখানে তারা স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে।
স্বামী হারিয়ে পাগল প্রায় জুথি বলেন, আমার তিন সন্তান। আমি এখন কি করবো কোথায় যাবো। ঘটনার রাতের বর্নণা দিয়প জুথি বলেন, রাত ৯ টা থেকে সাড়ে ৯ টার সময় আল আমিন ভাঙ্গা বিল্ডিং এলাকায় নিজের দোকানে যান। রাত ১০ টায় জনি নামে এক লোক তাকে জরুরী দেখা করতে বলেন। সে জনির ডাকে বাদুড়তলা যায়। পরে রাত পৌনে ১২ টায় জনির বউ ফোনে আমাকে বলে ভাবি আপনার জামাইর মাথা ফেটে গেছে আপনি তাড়াতাড়ি আসেন। পরে আবার জনির বউ আমাকে ফোন করে বলেন ভাবি রওনা দিছেন আমি প্রতিত্তরে বলি আপনারা আল আমিনকে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যান দেরী করবেন না এই তো আমি পথেই আছি। পরে বাদুড়তলায় এসে দেখি আমার জামাইর মরদেহ পরে আছে। আমার জামাইর সাথে কারো কোন শত্রুতা নেই। কে আমার জামাইকে মারলো কেন মারলো আমি বুঝতেছি না। তবে আমি জানি পুলিশ চাইলে আমার জামাইর খুনিদের গ্রেফতার করতে পারবে। আমি আমার জামাই হত্যার বিচার চাই। একটা জলজ্যান্ত মানুষকে ফোনে ডেকে এনে খুন করে ফেলবে এটা কিভাবে সম্ভব। আপনার জামাইকে ফোনে ডেকে নিয়ে গেলো জনির সাথে আপনাদের পরিচয় কি? এমন প্রশ্নের জবাবে জুথি বলেন, জনি আমার মামার পরিচিত। আমাদের একটা জায়গা সংক্রান্ত ঝামেলার সমাধানের বিষয়ে কথা বলার পরেই জনির সাথে আমাদের পরিচয় ঘটে।

জুথির বাবা মোহন মিয়া বলেন, আমার মেয়ের জামাইকে হত্যার ঘটনায় আমার মেয়ে বাদি হয়ে ৫ জনের নামোল্লেখ সহ আরো ৪ জন কে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার তিনদিন পার হলেও পুলিশের তেমন কোনো অগ্রগতি নেই।

মামলার তদন্তের বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ির (ইনচার্জ) পরিদর্শক তপন বাগচী বলেন, এ ঘটনায় আমরা এজাহার নামীয় দুই আসামী রনি ও লিটনকে গ্রেফতার করেছি। তাদের একজনের বাড়ি চর্থা এলাকায় আরেক জনের বাড়ি ঘটনাস্থলের পাশে। প্রাথমিক তদন্তে আমরা এতটুকু জানতে পেরেছি ব্যবসায়িক লেনদেনের বিষয়ে তাদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরী হয়। পরে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। তবে আরো অধিকতর তদন্ত শেষে হত্যাকান্ডের মূল রহস্য উন্মেচিত হবে বলে আমার বিশ্বাস।

উল্লেখ্য, গেলো ১৩ এপ্রিল রাতে কুমিল্লা নগরীর বাদুরতলা এলাকা থেকে পুলিশ আল আমিন নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার জুথি বাদি হয়ে ওই রাতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

কুমিল্লার চান্দিনায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. মনির হোসেন (৩১) নামে ওই শিক্ষককে স্থানীয়রা আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে রাখার পর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি দোল্লাই নবাবপুর বাজারসংলগ্ন মারকাজুল নূরে মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরকে মাদ্রাসাটির দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সে মাদ্রাসাতেই থাকত। সেখানে অভিযুক্ত মনির হোসেন আরবি বিষয়ে পাঠদান করতেন।

পরিবারের ভাষ্য, গত ১১ আগস্ট দিবাগত রাত অর্থাৎ ১২ আগস্ট রাতের খাবার শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মনির হোসেন ওই কিশোরকে ডেকে নিজের খাটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শরীর ম্যাসেজ করাতে বাধ্য করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে তাকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই কক্ষে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার পর আতঙ্কে কিশোরটি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। ১২ আগস্ট বিকেলে মোবাইল ফোনে মাকে বিষয়টি জানালেও বিস্তারিত কিছু বলেনি। পরদিন তাকে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে মোবাইল ফোনে বাবাকে ঘটনার কথা জানায় সে। ১৭ আগস্ট রাতে ছেলের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন মা।

ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, ছেলের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ঘটনার পর টানা তিন দিন তার পায়ুপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। পরে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর প্রবাসী বাবা অভিযুক্ত শিক্ষক মনির হোসেনকে ফোন করেন। এ সময় মনির হোসেন বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেন। পরে পরিবারটি স্থানীয়দের বিষয়টি জানালে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এদিকে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রাম্য সালিশ বসে।

সালিশ চলাকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাটি জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হন। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চান্দিনা থানার পুলিশ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে যায় এবং অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রাম্য সালিশে বসার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, “উভয় পক্ষ আমার পরিষদে এসে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাইলে আমরা সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।”

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, “স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসিক মাদ্রাসায় থাকা শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

×