সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কুমিল্লার যুবলীগ নেতা কামাল হোসেনকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩, ১০:৩০ এএম
কুমিল্লার যুবলীগ নেতা কামাল হোসেনকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে কুমিল্লার যুবলীগ নেতা মো.কামাল হোসেনকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। যুবলীগ নেতা মো.কামাল হোসেন এসব সংবাদকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে- মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। কামাল হোসেন মনে করেন- সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা না মেনে মনগড়া ভাবে এসব ভিত্তিহীন সংবাদে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো- এসব সংবাদে ঢালাওভাবে মিথ্যাচার করা হলেও এক্ষেত্রে কামাল হোসেনের কোন বক্তব্য নেওয়া হয়নি। এতেই প্রমাণিত হয় সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলকভাবেই একটি পক্ষের প্ররোচণায় এই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। দায়িত্বশীল কোন সংবাদমাধ্যম এভাবে প্ররোচিত হয়ে সংবাদ প্রকাশ করে কোনভাবেই একজন মানুষের সম্মানহানী করতে পারেন না। এসব সংবাদের উদ্দেশ্যই হলো ওই যুবলীগ নেতাকে সামাজিকভাবে হেওপ্রতিপন্ন করা।
রবিবার বিকেলে এক প্রতিবাদলিপিতে এসব কথা উল্লেখ্য করে মো.কামাল হোসেন আরো বলেন, সম্প্রতি ঢাকার কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এবং সবশেষ কুমিল্লার একটি অনলাইন পোর্টালে ‘কুমিল্লায় পাসপোর্টের দালাল কামালের আছে আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ! এবং কুমিল্লার পাসপোর্টের দালাল কামাল এখন শতকোটি টাকার মালিক’ এমন মানহানীকর শিরোনামে এসব সংবাদ প্রকাশ করা হয়। ঢালাওভাবে মিথ্যাচার করা এই সংবাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে তথ্য-প্রযুক্তি (ডিজিটাল নিরাপত্তা) আইনেও দেশের একজন নাগরিকের অধিকার হরণ করা হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদগুলোতে আমার শিক্ষাযোগ্যতা নিয়ে ভিত্তিহীন কথা বলা হয়েছে। সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ওই সংবাদটি একটি কুচক্রিমহলের নোংরা রাজনীতিরই বহি:প্রকাশ। আমাকে সমাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করাই তাদের মূখ্য উদ্দেশ্য। এক্ষেত্রে চক্রটি কোথাও কোন প্রকার সুবিধা করতে না পেরে ভুল তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদেরও বিভ্রান্ত করেছেন। আর কোন প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই গণমাধ্যমে এসব সংবাদ প্রকাশ হওয়া আমাকে রীতিমতো অবাক করেছে। প্রকাশিত সংবাদে খুলনার আদালতে যেই মামলার কথা বলা হয়েছে- সেটিও ছিলো ওই কু-চক্রি মহলের ষড়যন্ত্রের আরেকটি অংশ। ইতিমধ্যে মিথ্যা ও বানোয়াট পরিচয়ে করা মামলাটি খুলনার আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। যার সকল প্রমাণও আমার কাছে রয়েছে।
কামাল হোসেন আরও বলেন, আমি তৃণমূল থেকে উঠে আসা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের একজন সৈনিক। ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন শেষে এখন যুবলীগের রাজনীতি করছি। সংবাদে আমার সম্পত্তির যেসব হিসেব বা তথ্য তুলে ধরা হয়েছে- তা-ও ওই ষড়যন্ত্রকারীদের মনগড়া তথ্য ছাড়া আর কিছুই না। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওই কুচক্রি মহলের ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এরই মধ্যে কারা কারা এসব ষড়যন্ত্র করছে, সেই মুখোশধারী কুচক্রিমহলের পরিচয়ও আমার কাছে পরিষ্কার। অচীরেই আমি এসব ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
আমি একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান, সুতরাং কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে দালালি করতে যাবো কেন? আমার বড় ভাইয়েরা দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে ব্যবসায়ীকভাবে প্রতিষ্ঠিত। আমি কোন অসহায় পরিবারের সন্তান নই যে- আমাকে পাসপোর্ট অফিসের দালালি করতে হবে। সংবাদে শত কোটি টাকা, বাড়ি, ফ্ল্যাট, জায়গা সম্পত্তি, ব্যাংক হিসাবসহ অনেক কিছুই মনগড়া ও তাদের ইচ্ছেমতো প্রকাশ করা হয়েছে- যা যাচাই করা ছাড়া কোন গণমাধ্যম প্রকাশ করাও বেআইনী। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো- ওই ষড়যন্ত্রকারীরা আমাকে হেওপ্রতিপন্ন করতে গিয়ে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নামও ব্যবহার করেছেন। যার তীব্র নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই।
কামাল হোসেন আরো বলেন, প্রকাশিত সংবাদগুলোতে বলা হয়- কুমিল্লার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরসহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের টেন্ডার ভাগাভাগির বিষয়টি আমি নিয়ন্ত্রণ করি। এখন সকল টেন্ডারই অনলাইনে হয়। এতেই বোঝা যায় এসব তথ্য সম্পূর্ণ ভুয়া। আর যমুনা ব্যাংকের সাথে ও বদলির বিষয়ের সাথে আমার কোন সখ্যতা নেই। আমার কাছে বিষয়টি হাস্যকর মনে হয়েছে। সরকারি ইপিজি টেন্ডারের পে-অর্ডার, বিভিন্ন ধরণের ভাতা, উৎসব বোনাস ও ব্যাংকের বিভিন্ন হেডের মাধ্যমে সরকারি ফান্ড আত্মসাৎ বিষয়টিও সম্পন্ন মিথ্যা কাল্পনিক ও বানোয়াট। এছাড়া ব্যাংক গ্রাহকের টাকা- গ্রাহক ছাড়া কীভাবে উত্তোলন করা যায়, সেটি আমার জানা নেই। এসব ভিত্তিহীন সংবাদের মাধ্যমে আমাকে হেওপ্রতিপন্ন করা ব্যক্তিরা খুব বেশি সফল হয়েছেন বলে আমি মনে করি না। কারণ কোন সুস্থমস্তিষ্কের মানুষ এমন মিথ্যাচার কখনো বিশ^াস করতে পারেন না। আমরা সব কিছুই পর্যবেক্ষণ করছি। সামনে আইনগতভাবেই এসব ষড়যন্ত্রের উচিত জবাব দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ। আমি সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধে করবো- আপনারা ষড়যন্ত্রকারীদের এসব মনগড়া মিথ্যাচার কোন প্রকার যাচাই না করে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকবেন। কারণ গণমাধ্যমের কাজ সত্য তুলে ধরা, কিন্তু মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করা অবশ্যই না। আমি সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত এসব মিথ্যাচারমূলক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সকলের জন্য শুভ কামনা।

মো. কামাল হোসেন
পিতা: নুর মোহাম্মদ
সাং- লক্ষনপুর, মনোহরগঞ্জ, কুমিল্লা।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×