মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

কুসিক নির্বাচনে প্রার্থী হলেন যারা

বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২, ১১:০৪ এএম
কুসিক নির্বাচনে প্রার্থী হলেন যারা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ১৭মে মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে মেয়র পদে- ৬, কাউন্সিলর পদে ১২০ ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৩৮ জন মনোনয়ন দাখিল করেন।
মেয়র পদে যে ৬ জন মনোনয়ন ফরম দাখিল করেছেন তারা হলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ পারভেজ খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ মনিরুল হক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ নিজাম উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের রাশেদুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান বাবুল।

এছাড়া সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১ নং ওয়ার্ডে ৪ জন তারা হলেন, কাজী গোলাম কিবরিয়া, আবুল হোসাইন ছোটন, ইকবাল হোসেন ও মোঃ আবুল কালাম আজাদ ।

২ নং ওয়ার্ডে ৫ জন তারা হলেন, মাসুদুর রহমান মাসুদ, নাহিদা আক্তার, মোহাম্মদ বিল্লাল, গাজী গোলাম সারওয়ার, আব্দুল মোন্নাফ।
৩নং ওয়ার্ডে ৮ জন,তারা হলেন মোঃ এনামুল হক ভূইয়া, মোঃ শাহজাহান, মনিরুল আলম, আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, মোঃ স্বপন আলী,সরকার মাহমুদ জাবেদ, আব্দুল্লাহ আল মোমেন,মোঃ মুরাদ মিয়া।

৪ নং ওয়ার্ডে ৫ জন তারা হলেন, কবির আহমেদ,রোখসানা আক্তার, আব্দুল জলিল, মোসলেম উদ্দিন,মোঃনাসির উদ্দিন নাজিম।

৫ নং ওযার্ডে সৈয়দ রায়হান আহমেদ।

৬ নং ওয়ার্ডে মোঃমোশারফ হোসেন ও মোঃ আমিনুল ইসলাম।

৭ নং ওয়ার্ডে ৪ জন তারা হলেন আব্দুর রহমান, মোঃ শাহ আলম খান,ফরহাদ হোসেন ও রিয়াজ উদ্দিন খান।

৮ নং ওয়ার্ডে ৫ জন তারা হলেন বিকাশ চন্দ্র দাস,সৈয়দ মহসিন আলী,মোঃ জহিরুল কামাল,মোঃ একরাম হোসেন ও রাজন পাল ।

৯ নং ওযার্ডে ৫ জন তারা হলেন মোঃ আশিকুর রহমান, মোঃ কাউছার,মোঃ মিজানুর রহমান মিলন,জমির উদ্দিন খান জম্পি,মোঃ কামাল হোসেন ।

১০ নং ওযার্ডে মোঃ মঞ্জুর কাদের মনি ।

১১ নং ওয়ার্ডে ৪জন তারা হলেন কাজী শামসুল আলম, হাবিবুর আল আমিন সাদী,মোঃ পারভেজ হানিফ ও এ কে এম সিদ্দিকুর রহমান ।

১২ নং ওয়ার্ডে ৩ জন তারা হলেন মোঃ ওমর ফারুক মোঃ ইমরান,কাজী জিয়াউল হক।

১৩ নং ওয়ার্ডে ৪ জন,তারা হলেন মোঃ কাউসার খন্দকার,মোঃ নুরে আলম,মোঃ রাজিউর রহমান, মোঃ শাখাওয়াত উল্লাহ।

১৪ নং ওয়ার্ডে ৩ জন তারা হলেন,আবুল কালাম আজাদ, আহাদ হোসেন বিশ্বাস ও মোঃ সেলিম খান।

১৫ নং ওয়ার্ডে ৪ জন তারা হলেন মোঃ আরমানুর রহমান,মোঃ হুমায়ুন কবির, সাইফুল ইসলাম ও সাইফুল বিন জলিল।

১৬ নং ওয়ার্ডে ৪জন তারা হলেন মোঃ আমির হোসেন,মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বাবুল,জাহাঙ্গীর আলম ও মোঃ আনোয়ার হোসেন খোকন।

১৭ নং ওয়ার্ডে ৬জন তারা হলেন,সাইফুল ইসলাম, রুনা বেগম, হানিফ মাহমুদ, সৈয়দ রুমণ আহমেদ,মোহাম্মদ হাবিব ও মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।

১৮ নং ওয়ার্ডে ৩ জন তারা হলেন শওকত আকবর, মোহাম্মদ নাসিম হোসেন ও আফসান মিয়া।

১৯ নং ওয়ার্ডে ৬জন তারা হলেন নাজমুল হাসান চৌধুরি, জুয়েল, আলমগীর রহমান, মোজাম্মেল হোসেন, মোহাম্মদ জাকির হোসেন ও রেজাউল করিম।

২০ নং ওয়ার্ডে ৩ জন তারা হলেন হারুনুর রশিদ, মোহাম্মদ মাহে আলম ও মোঃ আনোয়ার হোসেন ।

২১ নং ওয়ার্ডে ৬জন তারা হলেন আক্তার হোসেন, মোহাম্মদ মিন্টু,, কাজী মাহবুবুর রহমান, মোঃ গোলাম মোস্তফা মজুমদার, মোঃ জামাল হোসেন কাজল ও মোঃ মাহবুবুর রশিদ মাহবুব ।

২২ নং ওয়ার্ডে ৩জন তারা হলেন বিজয় রতন দেবনাথ মোঃ শাহ আলম মজুমদার ও মোহাম্মদ আজাদ হোসেন।

২৩ নং ওয়ার্ডে ৮ জন তারা হলেন নুরুল ইসলাম, মোঃ আনিসুজ্জামান, আবুল হাসান, মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন, মাহবুব আলম, নুর মোহাম্মদ, মোহাম্মদ শাহজালাল, মোঃ আবুল কালাম।

২৪ নং ওয়ার্ডে ৬জন তারা হলেন মোঃ মুহিবুর রহমান, মোহাম্মদ ফজল খান, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন,মোঃ মোস্তফা কামাল, আব্দুল মতিন খান,মোঃ আবু হানিফ।

২৫ নং ওয়ার্ডে ৬জন তারা হলেন মোঃ খলিলুর রহমান,মোঃ এমদাদ উল্ল্যাহ,মোঃ জহিরুল ইসলাম, আব্দুল খালেক,মোঃ অহিদুর রহমান,মোঃ রফিকুল ইসলাম।

২৬ নং ওয়ার্ডে ৫ জন তারা হলেন কামাল হোসেন, মোঃ জহিরুল ইসলাম, মোঃ আব্দুস সাত্তার মোঃ গোলাম সারোয়ার কাউসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এবং

২৭ নং ওয়ার্ডে ৬জন তারা হলেন মোঃ মকবুল আহমেদ,মোঃ ওসমান গনি, মোহাম্মদ সাইফুল হক, মোঃ আবুল হাসান, হোসাইন মোশারফ, জামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন।

এছাড়াও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১,২,৩(১) নং ওয়ার্ডে ৬ জন তারা হলেন কাউসারা বেগম, শাহিনুর আক্তার টিটু,সফুরা সুলতানা এ্যানি, মমতাজ বেগম, রোকসানা ইসলাম, আহিয়া মাহজাবিন খান(নিশু)।

৪,৫,৬(২) নং ওয়ার্ডে ৪ জন তারা হলেন দিলরুবা আক্তার, কোহিনুর আক্তার কাকলি, নাদিয়া নাসরিন ও বৃষ্টি আক্তার।

৭,৮,৯(৩) নং ওয়ার্ডে ৪ জন তারা হলেন উম্মে কুলসুম,মোসাঃ ফারজানা আক্তার,রাশেদা এমরান ও ফাতেমা আক্তার।

১০,১১,১২(৪) নং ওয়ার্ডে ৫ জন তারা হলেন রুমা আক্তার, নাসরিন সুলতানা, টিলটি সেনগুপ্তা, অনিতা সরকার ও ফাতেমা আক্তার

১৩,১৪,১৫(৫) নং ওয়ার্ডে ৪ জন তারা হলেন নুরজাহান আলম(পুতুল),মোসাঃ ফরিদা আক্তার,স্বপ্না বিনতে সাত্তার ও শিউলি আক্তার।

১৬,১৭,১৮(৬) নং ওয়ার্ডে ৩ জন তারা হলেন রোকেয়া আক্তার, নেহার বেগম ও মোসাঃ হাসনা হেনা লিলি।

১৯,২০,২১(৭) নং ওয়ার্ডে ৪ জন তারা হলেন উম্মে সালমা, তাহমিনা আক্তার, নাসরিন আক্তার ও ফারজানা আক্তার।

২২,২৩,২৪নং(৮) ওযার্ডে ৪জন তারা হলেন খোদেজা বেগম, আমেনা বেগম, ফারহানা পারভীন ও মোসাম্মৎ রোকসানা হক বিউটি ।

২৫,২৬,২৭ নং(৯) ওয়ার্ডে ৪ জন তারা হলেন রুবি আক্তার, মোসাম্মৎ লাকি বেগম, সেলিনা আক্তার, শাহীনা আক্তার মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন।

এ বিষযে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহেদুন্নবী চৌধুরী বলেন, মনোনয়ন জমাদানের শেষ তারিখে মেয়র পদে ৬,,কাউন্সিলর পদে ১২০ ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৩৮ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। আমরা একটি উৎসব মুখর পরিবেশে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরেপক্ষ নির্বাচন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করি।

আগামীকাল ১৯ মে মনোনয়ন বাছাই কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হব, যাচাই বাছাই শেষে ২৭ তারিখ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং আগামী ১৫ জুন সকাল আটটা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ইভিএম।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

×