সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে উপজেলা বন কর্মকর্তার যোগসাজসে চলছে বহু অবৈধ করাত কল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫, ৩:৩৭ পিএম
চৌদ্দগ্রামে উপজেলা বন কর্মকর্তার যোগসাজসে চলছে বহু অবৈধ করাত কল
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্রার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে সরকাররের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বহু দিন ধরে অবৈধভাবে করাত কল চালাচ্ছে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা। কোনো নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই শুধু উপজেলা বন কর্মকর্তা মো: শাহিন আলমকে খুশি করেই তারা এসব করাত কল চালাচ্ছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এতে বছরে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। সঠিক তদারকি না থাকায় যত্রতত্র গড়ে উঠা এসব করাত কল থেকে মাসোয়ারা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রায় ৪৫ কিলোমিটার সীমান্তবর্তী এ গুরুত্বপূর্ণ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১২৫টি করাত কল চালু রয়েছে। বিধি না মেনে ও লাইসেন্সবিহীন গড়ে উঠা প্রশাসনের নাকের ডগায় চালুকৃত এসব করাত কল পরিবেশের জন্য ব্যাপক হুমকির কারণ বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

উপজেলা বন কর্মকার্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ১০৮টি করাত কল রয়েছে। যার মধ্যে লাইসেন্স আছে শুধুমাত্র ১৪টির। যত্রতত্র গড়ে উঠা এসব করাত কলের চলমান কার্যক্রমের ফলে সামাজিক বনায়ন বিপন্ন হওয়া সহ পরিবেশে দেখা দিয়েছে চরম বিপর্যয়। বিরামহীনভাবে চলা এসকল কল থেকে ভেসে আসা ভয়ঙ্কর আওয়াজে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে যাতায়াতরত বিভিন্ন স্কুল, মাদরাসা ও কলেজের শিক্ষার্থীদের পড়তে হচ্ছে চরম বেকায়দায়। কিছু অসাধু মালিক তাদের কলগুলো চালাচ্ছে ডিজেল চালিত সেলু মেশিন দিয়ে। যারফলে ভয়ংকর শব্দ দূষণে ব্যাঘাত হচ্ছে স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম। যা এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জন্য গলার কাঁটা হয়ে জনমনে আতংক ছড়াচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে চলা করাত কলগুলোর কারণে একদিকে যেমন ধ্বংস হচ্ছে সামাজিক বনায়ন অন্যদিকে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া ছড়ানোর ফলে পরিবেশের গুনগত মান নষ্ট হচ্ছে।

সরকারি নীতিমালায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে কমপক্ষে ৫ কিলোমিটার দূরত্বে করাত কল বসানোর বিধান থাকলেও বাস্তবে এখানে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। পৌরসভা এলাকায় সীমান্তের দেড়-দুই কিলোমিটারের মধ্যেই একাধিক করাত কল থাকলেও উপজেলা বন কর্মকর্তা এই বিষয়ে কিছুই জানেন না। অপরদিকে ঘোলপাশা ইউনিয়নের হাঁড়িসর্দার, বাবুচি, কালিকাপুর ইউনিয়নের নোয়াবাজার ও ছুপুয়া বাজার, উজিরপুর ইউনিয়নের শিবের বাজার, মিয়াবাজার, আব্দুল্লাহপুর, কাশিনগরের কলাবাগান, জয়মঙ্গলপুর, রাণীরবাজার, দরবেশ বাজার, কাশিনগর বাজার, পশ্চিম বসন্তপুর, শ্রীপুর ইউনিয়নের পুদুয়ার বাজার, শ্রীপুর, চৌমুহনী, শুভপুর ইউনিয়নের কাদৈর বাজার, শুভপুর, ধনিজকরা, মুন্সীরহাট ইউনিয়নের মুন্সীরহাট বাজার, যুগিরহাট, খিরনশাল বাজার, দেড়কোটা বাজার, বাতিস ইউয়িনের একতা বাজার, বাতিসা দৈনিক বাজার, পাতড্ডা বাজার, কনকাপৈত ইউনিয়নের তারাশাইল বাজার, চাঁনখারদীঘি, শাহজাহানপুর, কনকাপৈত বাজার, চিওড়া ইউনিয়নের ধোড়করা বাজার, চিওড়া কাজীর বাজার, জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের কালিয়াতল বাজার, চৌধুরী বাজার, গুনবতী ইউনিয়নের ল²ীপুর বাজার, পদুয়া রাস্তার মাথা, গুনবতী বাজার, আলকরা ইউনিয়নের আলকরা বাজার, নোয়াজ্জা বাজার ও বান্দেরজলা সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত এসকল করাত কলগুলোতে সামাজিক বনায়ন ধ্বংসযজ্ঞ চলছে। বিধি না মেনে অসংখ্য অবৈধ করাত কল গড়ে উঠায় জনমনে নানান প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। পরিবেশ ধ্বংশের শঙ্কায় জনমনে বিরাজ করছে আতঙ্ক।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বন কর্মকর্তা মো: শাহিন আলমকে অবৈধ করাত কলের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, ১০৮টি কলের মধ্যে মাত্র ১৪টির লাইসেন্স আছে ,বাকিগুলোর নেই। এক উপজেলায় এতগুলো অবৈধ কল কিভাবে চলে প্রশ্ন করা তিনি কোন সঠিক জবাব দিতে পারেননি। অবৈধ করাত কল মালিকদের কাছ থেকে টাকার নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। কোন মায়ের পোলা বলতে পারবে না, কারো থেকে অনৈতিক কোনো সুবিধা নিয়েছি।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: জামাল হোসেন বলেন, ‘অবৈধ করাত কলের বিষয়ে কেউ আমাকে অবহিত করেনি। অতিদ্রুত অবৈধ করাত কল মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

×