সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

দ্রুত পুলিশ ফাঁড়ি পুনরায় চালুর দাবি মাদক ও ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য কুমিল্লার হাউজিং এস্টেট

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৭:৩৫ পিএম
দ্রুত পুলিশ ফাঁড়ি পুনরায় চালুর দাবি মাদক ও ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য কুমিল্লার হাউজিং এস্টেট
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা নগরীর হাউজিং এস্টেট আবাসিক এলাকায় সন্ধ্যা নামলেই বসে মাদক সেবনকারী ও মাদক বিক্রেতাদের আড্ডা। এর সঙ্গে যোগ দেয় ছিনতাইকারীরা। ফলে মাদক সেবনকারী, ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীদের অভ্যায়ণ্যে পরিনত হয়েছে নগরীর অন্যতম আবাসিক এলাকা হাউজিং এস্টেট।

স্থানীয় সূত্রের প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, হাউজিং স্টেটের ১, ২, ৩ ও ৪ নং সেকশনে বর্তমানে বসবাসের জন্য চরম ঝুঁকি। এখানে মাদক সেবনকারীদের উৎপাত বেশি। হাউজিং এস্টেটকে নিরাপদ রাখার জন্য ১৯৯১ সালে হাউজিং এস্টেট পুলিশ ফাঁড়ি নামের একটি ফাঁড়ি উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন পুলিশ সুপার মোঃ সিরাজুল ইসলাম। এই পুলিশ ফাঁড়ি উদ্বোধনের পর হাউজিং এস্টেট এলাকায় মাদক, ছিনতাই, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু ২০০৯ সালে বিভিন্ন সমস্যার কারণে এই পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে হাউজিং এস্টেট, নূরপুর, ২য় মুরাদপুর, বারপাড়া এলাকার মানুষ অনিরাপদ হয়ে উঠে। সন্ধ্যা নামলেই চলে বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে নানা অসামাজিক কার্যকলাপ। ভোরের দিকে চলে চোর ও ছিনতাইকারীদের দাপট।

এলাকাবাসী আরো জানান, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই হাউজিং এলাকা বিভিন্ন অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়। ফলে হাউজিংয়ের প্রায় ১৭ টি ছোট বড় স্পটে বসে মাদকসেবীদের ভয়াবহ আড্ডা। সন্ধ্যার পর এদের কারণে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ায় সমস্যা হয় বলে কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করেন।

বিশেষ করে হাউজিং এস্টেট স্কুল এন্ড কলেজের সামনে বখাটেদের আড্ডা জমেই থাকে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুলিশ ফাঁড়ির প্রতিটি দরজা-জানালা ভাঙ্গা। ভেতরে মাদকের বিভিন্ন সরঞ্জাম পড়ে আছে। রাতে ভেতরে মোমবাতি জালিয়ে চলে মাদক সেবন। এই এলাকার জামদিঘীর উত্তর-পূর্ব, দক্ষিণ পাড়, হাইকোর্ট কলনীসহ কয়েকটি রাস্তার বিভিন্ন স্পটে মাদকসেবীরা ছোট ছোট দলে বসে মাদক সেবন করছে। এই রাস্তা গুলি মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের পছন্দের স্থান বলে জানান সচেতন মহল।

স্থানীয় বাসিন্দা ডা.খায়ের জানান, আমি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। অফিসের কাজে আমার অনেক রাত হয় বাসায় ফিরতে। কখনো এই রাস্তায় হাটতে ভয় পাইনি, কিন্তু এখন পাই। স্থানীয়রা কোনো প্রকার বাধা দিলে তাদের বাসার সামনে এসে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ সহ ভয় দেখানো হয়। ওই এলাকার ইমন নামে এক দোকানদার বলেন, কিছু বহিরাগত ছেলে-মেয়ে ইদানিং গোলমার্কেটের আশেপাশে আড্ডা দেয়। তাদের কর্মকান্ড দেখে লজ্জায় মাথা নিচু করে চলতে হয়। এদের কারণে আমার স্ত্রী স্কুলে ছেলেকে নিতে চায়না। কষ্ট করে আমাকে নিয়ে যেতে হয়।

তিনি আরো বলেন, এখানে যারাই এমন অপরাধমূলক কাজ করছে তারা সবাই এলাকার ও এলাকার বাইরের মাদকসেবনকারী। রাতে যারাই আড্ডা দেয় এবং নেশা করে তাদের দেখা যায় এ রাস্তায়। এ রাস্তাগুলোতে লাইট থাকলেও তারা ভেঙে ফেলে, এতে কিছুটা অন্ধকার হওয়াতে তারা এমন সুযোগ পায়। প্রশাসনের উচিত যতদ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়া।

সালাউদ্দিন নামে স্থানীয় আরেক বাসিন্দা জানান, এইতো কিছুদিন আগে হাউজিং ২ নং সেকশনে সামান্য টাকা ছিনতাই করতে জীবন্ত একটি মানুষকে খুন করেছে কিছু বখাটে। এর আগে ৩নং সেকশনে এজাজ নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা খুন হয়েছে।এরকম প্রায় খুন, ছিনতাই, মাদকের রাজধানী হয়ে উঠছে হাউজিং। প্রশাসনের নিকট দাবি দ্রুত পুলিশ ফাঁড়িটি চালু করে দিন।

হাউজিং উন্নয়ন কমিটির সাবেক সেক্রেটারি এম.আর খান বলেন, এই হাউজিং এস্টেট উন্নয়নের জন্য ১০১৬ সালে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় ও হাউজিং উন্নয়ন কমিটির সমন্বয়ে আমি একটি আবেদন করেছিলাম। তখন সিটি কর্পোরেশন ও হাউজিং এস্টেট উন্নয়ন কমিটির সমন্বয়ে ২০ কোটি টাকার একটি বরাদ্দ পায় হাউজিং এস্টেট। এর পর থেকে ছোট বড় প্রায় ৩২ টি রাস্তা, ড্রেন ও লাইটিং ব্যবস্থা করা হয়। এই উন্নয়ন হলেও আমাদের পুলিশ ফাঁড়িটি অকেজো হয়ে আছে। এতে আমাদের হাউজিং এখন চুরি, ছিনতাই, মাদক ও ইভটিজিং বেড়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, এই পুলিশ ফাঁড়িটি যদি পূণরায় চালু হতো তাহলে হাউজিং এস্টেটের মানুষ অনেকটাই এসব অপকর্ম থেকে পরিত্রাণ পেতো।

কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জহিরুল আলম বলেন, আগে আমার স্কুলের মেয়েদের উত্তাক্ত করতো কিছু বখাটে। এখন বাউন্ডারি ওয়াল হওয়াই অনেকটা কমেছে। তবে আমার ও হাউজিং বাসীর প্রানের দাবি এখানের পুলিশ ফাঁড়িটি আগের মতো চালু হোক।

১৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এড.শওকত আকবর বলেন, একটি পুলিশ ফাঁড়ির জন্য অনেক যুদ্ধ করতে হয়েছিলো। পরে ২০১৭ সালের দিকে এই পুলিশ ফাঁড়িটি বাউন্ডারি করা হয়েছিলো। পরে এটার প্রতি কেউ তেমন নজড় দেয়নি। আমরা সবাই প্রশাসনকে সকল সহযোগিতা করতে রাজি। তবুও এই পুলিশ ফাঁড়ি চালু চাই। এটা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ছে।

কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কামরান হোসেন বলেন, ওই এলাকায় মাদকের আনা গুনা থাকার কারনেই আমাদের পুলিশ সুপার স্যার আসার পরেই এই ফাঁড়ির ব্যাপারে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করেছে। অতিশীঘ্রই পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম চালু হবে।

তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে সিটি কর্পোরেশন বলেছে এই ফাঁড়িটি চালুর জন্য সকল সহযোগিতা করবে। আশাকরি এই ফাঁড়ি চালু থাকলে মাদক, হত্যা, ছিনতাইসহ সকল ধরনের অন্যায় কাজ বন্ধ হবে। মাদক সেবনকারী ও মাদক বিক্রেতাদের আড্ডার ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের বিরুদ্বে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

কুমিল্লা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বিপিএম বলেন, আমি আসার পর এটা চালু রাখার জন্য অলরেডি প্রস্তাব করেছি। কিছু কাজ করতে হলে সময়ের প্রয়োজন। এখন মাটি ভরাট ও পরিষ্কার করার কাজটি হলে বাকি কাজ গুলোও হয়ে যাবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×