সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

ফকির বাজার ইসলামিয়া সুন্নিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ প্রাক্তন ছাত্রদের প্রতিবাদ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২২, ৬:৩৯ এএম
ফকির বাজার ইসলামিয়া সুন্নিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ প্রাক্তন ছাত্রদের প্রতিবাদ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার ফকির বাজার ইসলামিয়া সুন্নিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ, বুড়িচং উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সম্মানিত সভাপতি, জাতীয় ইমাম সমিতি বুড়িচং উপজেলার সভাপতি, জমিয়তুল মোদার্রেছিন বুড়িচং উপজেলার সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট বুড়িচং উপজেলার সভাপতি, তিন বারের উপজেলার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ (মাদ্রাসা পর্যায়ে) মাওলানা মুফতি কাজী আবুল বাশার-এর বিরুদ্ধে গত ০২/১০/২০২২ ইং তারিখে “আজকের সংবাদ” এবং “খবর বাংলাদেশ” পত্রিকায় “বুড়িচং-এ এক অধ্যক্ষের জালিয়াতি” শিরোনামে মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রনোদিত, ষড়যন্ত্রমূলক খবর প্রকাশের তীব্র নিন্দা, ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মাদরাসাটির সাবেক সভাপতি- মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক তার একক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে কমিটির অন্যান্য সদস্যদেরকে অপমান করায় ০৯ জন সদস্য পদত্যাগ করেন। বিষয়টি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড মাদরাসাটির কমিটি ভেঙে দেয়।

কমিটি ভেঙ্গে দেয়ায় পদ হারিয়ে সাবেক এই সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে মিথ্যা অভিযোগও দাখিল করেন। যেটির শুনানি উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক ধার্য করা হয়েছিল ২৭/০৯/২০২২ ইং তারিখ বেলা ২ ঘটিকায়। তার নিকট কোন প্রকার প্রমাণাদি না থাকায় তিনি সেখানে উপস্থিত হননি। উল্লেখ্য তিনি অধ্যক্ষ মহোদয়কে একাধিকবার অবৈধ কাজে বাধ্য করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিল। তারপর থেকে বিভিন্ন ভাবে অধ্যক্ষ মহোদয়কে হয়রানির চেষ্টা করে আসছিল।

এমনকি এই সভাপতির অন্যান্য সদস্যদের সাথে পারস্পরিক সম্পর্কের দূরত্ব থাকায় গত ৬ মাস যাবৎ কোন সভা করেননি, অধ্যক্ষ মহোদয় এ বিষয়টি এমপি মহোদয়কে জানিয়ে প্রতিষ্ঠান সুচারুরূপে পরিচালনার জন্য অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে কয়েকটি সভা করেন। সভাপতি হঠাৎ একদিন মাদ্রাসায় গিয়ে অফিস সহকারীকে ভীতি প্রদর্শনপূর্বক রেজুলেশন বই নিয়ে কয়েকটি রেজুলেশন এর পাতা সবার সামনে ছেড়ে ফেলে।

এ বিষয়টি মাননীয় এমপি মহোদয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জ্ঞাত আছেন।

আনীত মিথ্যা অভিযোগের মধ্যে বলা হয় অধ্যক্ষ অবৈধভাবে তার পুত্রকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়। কিন্তু স্বঘোষিত এই শিক্ষাবিদ এটাই জানেন না এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে চাইলেই কমিটি অথবা অধ্যক্ষ কোন শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার ক্ষমতা রাখেন না। এটি তৃতীয় গণ বিজ্ঞপ্তিতে NTRCA- এ কর্তৃক সুপারিশের ভিত্তিতে আরবি প্রভাষক পদে নিয়োগ দেয়া হয়। এ বিষয়টি নিয়ে NTRCA- এর শরণাপন্ন হলে তারা বিষয়টি সরকারি একটি সুপারিশ অবমাননার শামিল উল্লেখ করে অতি দ্রুত মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেন এবং তাদের পক্ষ থেকে যথাযথ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
মোহাম্মদ আলী আরো অভিযোগ করেন, তিনি এবং তার কথিত আইনজীবী অধ্যক্ষের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন এবং পুত্রের সাথে যোগাযোগ হয়েছে বলে জানান। এই তথ্যটিও সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং শতভাগ মিথ্যা।

এই বিষয়ে অধ্যক্ষ মহোদয়ের বড় ছেলে মাওলানা কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বাশারী “আজকের সংবাদ” পত্রিকার সম্পাদক জনাব এস এম আবু সাঈদ সাহেবের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, মোহাম্মদ আলী মানিক গত ০২/১০/২০২২ ইং তারিখে আমার একজন রিপোর্টারের মাধ্যমে স্বহস্তে বানানো কিছু কাগজপত্র দেখিয়ে মিথ্যা এই রিপোর্টটি প্রকাশ করে, যেটি আপনার আনীত মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অনলাইনে প্রকাশিত কমিটি ভেঙে দেয়ার চিঠি এবং অধ্যক্ষ কর্তৃক উপজেলা প্রশাসনের নিকট মিথ্যা অভিযোগের খন্ডন দাখিলকৃত পত্রটির মাধ্যমে প্রমাণিত। আমার পত্রিকার মাধ্যমে এমন একটি মিথ্যা, সম্পূর্ণ বানোয়াট এই সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ায় আমি অনুতপ্ত এবং আমার পত্রিকার মাধ্যমে প্রতিবাদ শিরোনামে এই বিষয়টির সত্য ঘটনা প্রকাশে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।

মাওলানা কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বাশারী আরো দাবি করেন, ইতিপূর্বে এই সমাজ প্রত্যাখ্যাত এই ব্যক্তি বিভিন্ন মিথ্যা প্রচারণার মাধ্যমে কুমিল্লা-৫ আসনের এমপি, সাবেক সফল নেতা মরহুম আব্দুল মতিন খসরু সাহেবের কাছ থেকে ১ মেয়াদে ফকির বাজার স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতির মনোনয়ন নিয়ে সভাপতি হন। সভাপতি হওয়ার পর সেখানে ও শিক্ষকদের মধ্যে গ্রুপিং দলাদলি ও অনেক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিলেন। ফকির বাজার স্কুল এন্ড কলেজ থেকে বিতাড়িত হওয়ার পরও একই পন্থায় নাম সর্বস্য কিছু পত্রিকায় ঐতিহ্যবাহী ফকির বাজার স্কুল এন্ড কলেজের সুনাম সুখ্যাতি নষ্ট করার অপচেষ্টা, অধ্যক্ষ এবং শিক্ষকদের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছিল।

এই স্বঘোষিত শিক্ষাবিদ-সভাপতি হিসেবে যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে থাকেন সেই প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়ে আসেন! তার এই এহেন কর্মকান্ডের কারণে সেখান থেকে অপমানিত হয়ে আসতে হয়েছে এলাকার মানুষ এই বিষয়গুলি সম্পর্কে অবগত আছেন। এ বিষয়টি এমপি মহোদয়ের দৃষ্টিগোচর হলে পরবর্তীতে সভাপতি হিসেবে তাকে আর মনোনয়ন দেননি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ নষ্ট করা এই ব্যক্তি যেন বিভিন্ন মিথ্যা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আর কোন প্রতিষ্ঠানের কমিটিতে স্থান না পায় এ ব্যাপারে আমাদের কুমিল্লা-৫ আসনের মাননীয় এমপি, জননন্দিত নেতা এডভোকেট আবুল হাশেম খান মহোদয়ের সজাগ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

প্রাক্তন ছাত্র সংসদ
ফকির বাজার ইসলামিয়া সুন্নিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসা, বুড়িচং, কুমিল্লা।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×