শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ভিপি ওয়াসিম ও নিজাম তৃণমূল থেকে উঠে আসা দলের পরীক্ষীত সৈনিক অপপ্রচারের জবাব দিলেন ফরিদ আলী

ফরিদ আলী : প্রকাশিত: শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩, ৯:৩২ এএম
ভিপি ওয়াসিম ও নিজাম তৃণমূল থেকে উঠে আসা দলের পরীক্ষীত সৈনিক অপপ্রচারের জবাব দিলেন ফরিদ আলী
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

 

কুমিল্লা যুবদলের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা ইফতার মাহফিলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য পুলিশি বাধা প্রতিবাদ করেন প্রথমে নিজাম উদ্দীন কায়সার তা নিয়ে অপপ্রচার সাবেক ছাত্রনেতা ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম ও নিজাম উদ্দিন কায়সার এর বিরুদ্ধে দুই একটা অনলাইন ভুয়া নিউজ ও ভুয়া আইডির মাধ্যেমে যা আমার চোখে আসলে তাদের উদ্দেশ্য কিছু কথা লিখলাম সবার জানা দরকার কুমিল্লার ছাত্র-রাজনীতির ইতিহাস……
গত ০৪ এপ্রিল ২০২৩ কুমিল্লা বিভাগীয় যুবদলের প্রতিনিধি সভা ইফতার মাহফিলের শুরু থেকেই কুমিল্লা পুলিশের ব্যাপক চাপ ছিলো যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর কোন ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য প্রচার করা যাবে না লাইভে যারা আয়োজক ছিলো সবাই শুরুতেই সতর্ক ছিলো কোন বক্তব্য বা প্রোগ্রামে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কথা ও বলা হয়নি এর মধ্যে পুলিশের ১-২ জন সদস্য প্রোগ্রামে বার বার আসে দেখে ইফতারের ১৫-২০ মিনিট আগে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লাইভে আসে তখনই পুলিশের ০৪ -০৫ সদস্য লাইভ সম্প্রচার বন্ধ করার জন্য মিডিয়া সেলের কাছে আসার মুহুর্তে কুমিল্লা ছাত্র আন্দোলনের অহংকার নিজাম উদ্দিন কায়সার পুলিশ কে প্রথমে বাধা দেয় এবং সে সময় ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম সহ কুমিল্লার কিছু নেতৃবৃন্দু বাধা দেয় পুলিশ কে বাধা দেয় এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ৫-৭ মিনিটের মধ্যে বক্তব্য দেয় এই ইস্যু কে কেন্দ্র করে পরবর্তী ইফতারের সময় যুবদল ছাত্রদলের ২২ নেতাকর্মী গ্রেফতার এবং ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, উদবাতুল বারী আবু,ইউসুফ মোল্লা টিপু, রেজাউল কাইয়ুম, ভিপি জসিম উদ্দিন এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয় সেদিন যদি পুলিশ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য বন্ধের সুযোগ পেলে সারাদেশব্যপী আরও উৎসাহ নিয়ে তা করতো ভুলে গেলে চলবে না আমার নেত্রী আমার মা বন্দী থাকতে দিবোনা স্লোগান অনেক দিয়েছি বাস্তবে উনি এখন গৃহবন্দী যদি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বক্তব্য বন্ধ হত তাও মিডিয়া প্রচার করতো ফ্যাসিবাদী সুযোগ পেত বিষয়টি অনেক প্রত্যক্ষভাবে দেখেছে কিন্ত অত্যান্ত লজ্জার কিছু ষড়যন্ত্রকারী ও অপপ্রচার কারী ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম ও নিজাম উদ্দিন কায়সার কে নিয়ে অপপ্রচার করছে ভুয়া আইডি ও ভুয়া অনলাই নিউজের মাধ্যমে এরা কারা যারা জানে ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজপথের পরীক্ষীত সৈনিক আর নিজাম উদ্দিন কায়সার যার কাছে ইতিমধ্যে অনেক কুমিল্লার ধান্দাবাজ গুলো যারা দলকে লুটেপুটে খেয়েছে তারা আজ দলের বাহিরে এরাই অপপ্রচার করছে!

আসুন এইবার আপনারা যেহেতু ভুলে গেছেন তাদের রাজনীতির ইতিহাস জেনে নিন নিজাম উদ্দিন কায়সারের এর অতীত সাহস একটু জেনে নেই!!

১/১১ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কে যখন বাথরুমে পেলে দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছিলো সেদিন সেনা সমর্থিত সরকারের সময় নিজাম উদ্দিন কায়সার ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদল সহ সেদিন আন্দোলন করেছিলেন সেদিন কুমিল্লার ওসি বলেছিলেন আপনি উত্তেজনা ছড়াচ্ছেন।

২০১৩-১৪ কান্দির পাড়ে যখন ছাত্রদল কে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে স্থানীয় সংসদ সে দিন নিজাম উদ্দিন কায়সারের নেতৃত্ব ছাত্রদল মিছিল করে।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাজা ঘোষণা হলে একমাত্র উদবাতু ল বারী আবু নিজাম উদ্দিন কায়সারের নেতৃত্ব ঢাকা চট্রগ্রাম রোড অবরোধ করে কুমিল্লা একমাত্র জেলা হরতাল পালন করে পরবর্তী তে বগুড়া জেলা হরতাল পালন করে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের রাজনীতি নিষিদ্ধ ও ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন সে সময় উদবাতুল বারী আবু ও নিজাম উদ্দিন কায়সারের নেতৃত্ব হাজার হাজার ছাত্র নিয়ে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অবস্থান এবং ছাত্রদলের রাজনীতি সূচনা করা হয়।

* বিগত কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কুমিল্লা টাওন হল অডিটোরিয়াম নির্বাচন কমিশন, ডিসি, এসপি, রাজনৈতিক নেতাদের সামনে একমাত্র নিজাম উদ্দিন কায়সার ২০১৮ ও বিগত ভোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেন এবং এই সরকারের বিনা ভোট, রাতের ভোট ভোট কেন্দ্র দখল প্রশাসনের নগ্ন হস্তক্ষেপ সব তুলে ধরেন যা সারা বিশ্ব ও এই দেশের জনগণ দেখেছে, ভুয়া আইডি ও অনলাইন নিউজ তোমরা চাইলে ভিডিও দেখতে পার উনার কেমন সাহস এই সব ভুয়া প্রচার দেখে হাসি পায়।

* উপরের ছবিটি দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন কুমিল্লা টাওন হল সমাবেশ এসে সার্কিট হাউজে অবস্থান করে সে সময় একজন তরুন মেধাবী ছাত্রনেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার বেগম খালেদা জিয়ার সামনে সাহন নিয়ে বক্তব্য বলেন টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া সিন্ডিকেট দলের বিএনপির কমিটি নিয়মিত না হওয়ার কথা তুলে ধরেন সেদিন বেগম খালেদা জিয়া ঘোষণা দেন সারাদেশব্যপী সাংগঠনিক কমিটি করার যে বক্তব্য সে সময় ব্রেকিং নিউজ হিসেবে প্রচার করা হয় সাহস আছে বলেই উনি আজ ২৯ হাজার ৯৯ জন জনতার ভোটার যে মানুষ কে ইতিমধ্যে কুমিল্লার মানুষ আপন করে নিয়েছে আপনারা যারা প্রচার করেন ভয় পাইয়েন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান উনার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করে নিবেন এবং উনি আগামী দিনে কুমিল্লা মেয়র হবেন।

ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম ১৯৯৮ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদল-শিবির ছাত্র ঐক্যের মাধ্যমে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত ভিপি যিনি পরবর্তী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ -সভাপতি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কুমিল্লার রাজপথে যিনি মূলধারার রাজনীতি করেছেন বার বার কারা নির্যাতিত হয়েছেন অসংখ্য মামলার স্বীকার হয়েছেন আজ কিছু ষড়যন্ত্রকারী উনার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে যাদের কোন ভিত্তি নেই তার পাশাপাশি আজকে যারা অপপ্রচার করছে এদের সবচেয়ে বড় বাধা কুমিল্লা হাজারো মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের আশ্রয়স্থল ছাত্রদলের অভিভাবক নিজাম উদ্দিন কায়সার আসেন আপনারা যারা রাত হলে নিজাম উদ্দিন কায়সারের কথা মনে হলে শরীর চুলকানি, খাউজানি,মাদক,ইয়াবা গাজা খেয়ে ঘুমান আপনারা লেখাপড়া জানলে পড়ুন নিজাম উদ্দিন কায়সার আমি যখন গ্রাম থেকে শহরে এসে নিজের মেধার মাধ্যমে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ উচ্চমাধ্যমিক শাখায় যখন ২০০১ সালে বানিজ্য বিভাগে ভর্তি হই।

সে সময় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতি আগেই আমার দুর্বলতা ছিলো সে প্রিয় নেতার উচ্চমাধ্যমিক নবীন বরনে বক্তব্য যার সাথে প্রথম কথা তারপর ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদলের রাজনীতি শুরু সালে যার হাত ধরে ভিক্টোরিয়া কলেজ ভারপ্রাপ্ত দপ্তর, যুগ্ন আহবায়ক, সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক ববর্তমানে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমি ইদানীং লিখিনা ফেইসবুকে লিখলে অনেকের ঘুম হয়না কিন্ত না লিখে পারলাম না তাই আজকে আবার ষড়যন্ত্র কারী ও অপপ্রচার কারীদের বিরুদ্ধে লিখতে বসলাম নিজাম উদ্দিন কায়সার কুমিল্লা আদর্শ সদরের এই সন্তান যিনি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান উনাকে যারা চিনেন জানেন নিজাম উদ্দিন কায়সার রাজনীতির অন্তপ্রান মানুষ, এই রাজনীতি করতে গিয়ে উনাকে দীর্ঘ ভঙ্গুর পথ পাড়ি দিতে হয়েছে এখন পাড়ি দিচ্ছে দিন রাত পিচ্ছিল পথ যার পরিবারের অর্থ খরচের অবদান যারা খেয়ে আবার দলীয় সুযোগ সুবিধা নিয়ে স্বীকার করেন না আপনারা কি সবাই জানে কুমিল্লার মির-জাফর যে মানুষটির রাজনৈতিক অভিভাবক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কেন্দ্রীয় বিএনপির ত্রান ও পুনঃবাসন বিষয়ক সম্পাদক হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন যিনি অর্থ উপার্জনের জন্য রাজনীতি করেন না কুমিল্লা গণমানুষের নেতা পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি ১৯৯৪ সালে তদানিন্তন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন সারা দেশে ট্রেইন মার্চ করেন সেই সময় কুমিল্লা -৯ কোতয়ালী লাকসাম এলাকার সভানেত্রী সাবেক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সভানেত্রী বেগম রাবেয়া চৌধুরীর অনুরোধে সাংগঠনিক দায়িত্ব হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন লাল- মাই রেল স্টেশনে নেন।

সেদিন হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন লাল মাই রেক স্টেশন সর্বাদিক লোকের সমাগম ঘটান ট্রেইন মার্চে যিনি বার বার সরকার থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন।

সফল ব্যবসায়ী করদাতা হিসেবে এরপর ১৯৯৬ সালে তিনি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছেন। যে মানুষ টি আজ পর্যন্ত দলের জন্য কাজ করছেন মরহুম আকবর হোসেন ও বেগম রাবেয়া চৌধুরী বিএনপিতে তরুন নেতৃত্ব সৃষ্টি করেন কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার আহবায়ক হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন বুড়িচং এডভোকেট আহম তাইফুর আলম লাঙ্গলকোট আব্দুল গফুর ভুইয়া চৌদ্দগ্রাম কাজী নাসিমুল হক লাকসামে মরহুম ইঞ্জিনিয়ার নাসির হোসেন ব্রামনপাড়া জসিম উদ্দিন কুমিল্লা পৌরসভা আব্দুর রউফ চৌধুরী ফারুক মোস্তাক মিয়া বরুরাতে মরহুম আবু তাহের সাহেব এই নেতৃত্ব এর কারনে বিএনপি অল্প সময়ের মধ্যে ঘুরে দাঁড়ায় যার কারনে কুমিল্লা দক্ষিণ ৭টি সহ ১২ টি আসনে বিএনপি জয়লাভ করে ১৯৯৭ সাল থেকেই নিজাম উদ্দিন কায়সার দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে সামনের সারিতে ছিলো কুমিল্লা-৯ এলাকার ছাত্রদল যুবদল গোছানোর জন্য আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম,নজরুল ইসলাম সরওয়ার জাহান দোলন, জাহাঙ্গীর, বিপ্লব, উদবাতুল বারী আবু সহ যিনি অসংখ্য মিটিং করেছেন।

এমন জায়গা ছিলো যেখানে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ থাকতো না কুপি দিয়ে স্কুলে মিটিং করেছেন এইভাবেই কুমিল্লা-৯ জাতীয়তাবাদী দলের শক্তিশালী ইউনিট হয়।

২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচন কে কেন্দ্র করে সকল মামলা হামলা মোকাবেলা করে মরহুম আকবর হোসেনের অনুরোধে হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন কথা রাখেন তখন জাতীয় রাজনীতির নানা পরিবর্তন এর কারনে সে সময় জাতীয়পার্টির নেতা মনিরুল হক চৌধুরী সুয়াগাজী মাঠে হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন এর সভাপতিত্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন ২০০১ সালে নির্বাচন ধানের শীষের মনোনয়ন নিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন ৩৭ টি ওয়ার্ডে এবং অফিস ভাড়া যা হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন পরিশোধ করে আগেই।

২০০৫ সালে মরহুম আকবর হোসেনের মৃত্যুর পরে কুমিল্লা সদর-৬ আসনে হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন দায়িত্ব নেয়। সে থেকে আজ পর্যন্ত বিডিআর হত্যা সহ কুমিল্লার রাজপথে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে যিনি নেতাকর্মীদের মামলা হামলা গ্রেফতারে পাশে ছিলেন যারা বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে কোটি পতি হয়েছেন তারা আত্নগোপন করেন হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন এর কথা লেখার কারণ যিনি অর্থ উপার্জনের জন্য রাজনীতি করেন না যিনি দলকে ভালোবাসে রাজনীতি করেন তাই কথায় কথায় হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন এর নাম নেওয়া ষড়যন্ত্র কারীদের কাজ।

নিজাম উদ্দিন কায়সার নিজেই একটা প্রতিষ্ঠান যে মানুষ টি যেখানে দাঁড়ায় সেখানেই ইতিহাস সৃষ্টি হয় তাই একটা পরিবারের মেধা যোগ্যতা থাকলে কয়েকজন রাজনীতি করতেই পারেন, এই-বার আসি আমার রাজনৈতিক অভিভাবক নিজাম উদ্দিন কায়সারের এর কথা যে মানুষ টি ১৯৯৮ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রছাত্রী সংসদ নির্বাচনে সর্ব কনিষ্ঠ হিসেবে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতির দায়িত্ব পালন করে একটা কথা বললে না হয় দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক ছাত্রনেতাই অর্থ উপার্জন করে।

একমাত্র নিজাম উদ্দিন কায়সার ছিলেন ব্যতিক্রম যে মানুষ টি ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদল কে শক্তিশালী করার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করেছেন অনেক মেধাবীদের ভর্তি তে সহযোগিতা করেছেন ক্যাম্পাসে যিনি ফ্রী মডেল টেস্ট পরীক্ষা নিয়েছেন ভর্তির যার প্রতিটি কার্যক্রম আমি প্রশ্ন করা থেকে শুরু করে প্রতিটি কাজে পাশে ছিলাম, যে মানুষটি অনেক সময় পরিবারের চাপ ছিলো তারপরও পরিবারের অর্থ ব্যয় করে দলের জন্য কাজ করেছে, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে শত শত মেধাবী ছাত্রনেতা তৈরি করেছেন শুধু ভিক্টোরিয়া কলেজ নয় কুমিল্লা সরকারি কলেজ, কুমিল্লা অজুতগুহ কলেজ,কুমিল্লা মহিলা কলেজ কুমিল্লা মেডিকেল, সেন্ট্রাল মেডিকেল, পরবর্তী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা পলি টেকনিক্যাল প্রতিটি ক্যাম্পাস জাতীয়বাদী ছাত্রদলের বহু নেতাকর্মী যার হাত ধরে হয়েছে তার পরবর্তী সময়ে সকলের প্রত্যক্ষ ভোটে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। কুমিল্লা মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ছিলেন যারা কুমিল্লা ১/১১ তে অনেক নেতা আত্নগোপন যায়, সে সময় আমরাই প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিদ্রোহের পর ভিক্টোরিয়া কলেজ প্রতিবাদ করেছি নিজাম উদ্দিন কায়সারের বাসায় বসে শত শত প্রেস বিজ্ঞপ্তি লিখে কুমিল্লার কাগজ আমাদের কুমিল্লা রুপসি বাংলায় দিয়ে আসতাম, রাজনীতি ছিলো সীমিত সে সময় নেতা বলতো তুই দাপ্তরিক কাজ ভালো জানিস তুই হলি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক এইভাবে উনি উৎসাহ দিয়ে দলের দু:সময়ে কাজ করেছেন।

এরপরে হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে ভিক্টোরিয়া ক্যাম্পাসে বার বার প্রতিবাদ করে আমি তো প্রত্যক্ষদর্শী কুমিল্লা অনেকে হরতাল, অবরোধ, মিছিল মিটিং যে মানুষ টি সকাল ৬.০০ কান্দির পাড় এসে কুমিল্লার রাজপথে কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত থাকতো এবং যার সাথে আমিও ছিলাম এমন ও ছিলো টানা ২-৩ ঘন্টা স্লোগান দিতাম এইভাবে যে মানুষ টি কুমিল্লার রাজনীতি তারুন্যদিপ্ত হয়ে উঠে প্রতিটি মানুষ তার মেধা যোগ্যতায় এগিয়ে যায় সমালোচনা থাকবেই নিন্দুকের লাভ কি নিজাম উদ্দিন কায়সার কে তো ধমিয়ে রাখা যাবেনা, যার কাছ থেকে বক্তব্য দেওয়া, মাইকিং করা, স্লোগান দেওয়া, প্রেস বিজ্ঞপ্তি লেখা অনেক কিছুই শিখেছি আজকে যারা ষড়যন্ত্র করছেন আপনারাই আওয়ামীলীগের সাথে আঁতাত করে কমিশন বানিজ্য করেছেন দিনের পর দিন, যারা মূল ধারার রাজনীতি করেছে মিথ্যা মামলা নির্যাতন করা সব কিছুই করেছেন তাইতো নেতা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কুমিল্লা মহানগরীতে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন করেছেন কুমিল্লা শহর ও আশেপাশের এলাকার বিএনপিতে যার প্রভাব আছে জাতীয়তাবাদী আদর্শের লোক,তরুন ভোটার, সরকার বিরোধী অংশ এবং পারিবারিক ঐতিহ্য বন্ধু দীর্ঘ এক যুগ ছাত্র-রাজনীতি হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীদের প্রিয় মুখ ও পরিবারের ভোটেই যিনি ২৯ হাজার ৯৯ ভোট পেয়েছেন তবে যারাই ফেইসবুক ভুয়া আইডি ও ভুয়া নিউজ ব্যবহার করছেন আপনাদের চিনে জানে নেতা আপনারা কারা শুধু সময় হলেই জবাব পাবেন এই সব ষড়যন্ত্র কারীদের কালোটাকার ব্যবহার, নৌকা ঠেকাও, বাহার ঠেকাও স্লোগান দিয়ে চক্রান্ত কারীরা ভোটারদের বিভ্রান্ত করে শেষ মহুর্তে জনতার মেয়র নিজাম উদ্দিন কায়সারের জয় চিনিয়ে নিয়েছে তবে উনি বেচে থাকলে কুমিল্লার মেয়র হবে ইনশাআল্লাহ
নিজাম উদ্দিন কায়সার কুমিল্লা মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের সহ সাংগঠনিক হয়ে কুমিল্লা বিভাগে ভার্চ্যুয়াল প্রোগ্রামের মাধ্যমে দেশনায়ক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে কথা বলে প্রতিটি জেলা,উপজেলা,ওয়ার্ড কমিটি সফল ভাবে করেছিলেন, যারা অপপ্রচার করেন আপনারা তো ব্যর্থ দায়িত্ব পেয়ে কয়টা ইউনিট কমিটি করেছেন?

আগামী দিনের রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমান জানেন নিজাম উদ্দিন কায়সার ক্যারিশমাটিক নেতা একজন সংগঠক রাজপথের পরীক্ষীত সৈনিক যেহেতু কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন একটা জাতীয় ইস্যু বহিষ্কার করা স্বাভাবিক উনি তা হাসি মুখে গ্রহণ করে দলের প্রতি আদর্শিক হয়ে প্রতিটি কর্মসূচি পালন করছেন পিছনে থেকে এবং কুমিল্লা মহানগর প্রতিটি সামাজিক কাজ অংশ গ্রহণ করছেন আজকে যারা অপপ্রচার করছেন আপনাদের ইতিহাস জানা দরকার তাই লিখলাম নিজাম উদ্দিন কায়সার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি আদর্শিক বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশমাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি মুক্তির সিপাহসালা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কে দেশে আনার ভ্যানগার্ড উনার বিরুদ্ধে লিখে উনাকে আগামী দিনে জনতার মেয়র বানানোর জন্য ধন্যবাদ একসময় আপনারা বলবেন আমরা ভুল করছি নিজাম উদ্দিন কায়সার বিগত কুমিল্লার প্রতিটি আন্দোলনে ছিলো আগামী তেও থাকবে আগামী দিনের রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমান নিজাম উদ্দিন কায়সার সম্পর্কে ভালো করেই অবগত ভয় পাবেন না উনি আমৃত্যু দলের প্রতি রাজনীতি করবেন।

উনি ভালো মানুষ কোন বহর নিয়ে ঘুরাফেরা করা পছন্দ করেন না উনি সাধারণ ভাবে চলেন সাধারণ জনগণের সাথে মিশেন উনি জানে কিভাবে সংগঠন করতে হয়,কিভাবে নির্বাচন করতে হয়, কিভাবে আন্দোলন করতে ইতিমধ্যে কুমিল্লা মহানগরীর সাধারণ মানুষ উনাকে গ্রহণ করেছে আপনাদের অপপ্রচার জবাব আমার এক লেখায় যথেষ্ট সব শেষে যারা এই অপপ্রচার করছেন আপনাদের বলি নিজাম উদ্দিন কায়সারের পাশেই ছিলাম সেদিন নিজাম উদ্দিন কায়সার বক্তব্য ছিলো নেতার ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য যদি পুলিশ বন্ধ করে তা যদি না ঠেকাতে পারি এই জীবন রেখে লাভ কি!

তাই নিজের জীবনের জুকি নিয়ে সেদিন প্রতিবাদ করেছিলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেখেছেন বক্তব্য দিয়েছেন।

বিদ্র: নিজাম উদ্দিন কায়সার ২৯ হাজার ৯৯ জনের ভোটে জনতার মেয়র উনার তুলনা সুবিধাভোগীর সাথে হয়না উনি আগামী দিনের মেয়র মনে রাইখেন।

নিজাম উদ্দিন কায়সারের সাথে যারা রাজনীতি করেন পাশে থাকেন এরা নি:সন্দেহে মেধাবী সবাই যার যার স্থানে প্রতিষ্ঠিত অতএব আমি যা লিখেছি ব্যক্তিগত উপলব্ধি থেকে।।

সংবাদ সম্মেলনে জানাল পুলিশ, উদ্ঘাটিত জান্নাত হ-ত্যা রহস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০১ পিএম
সংবাদ সম্মেলনে জানাল পুলিশ, উদ্ঘাটিত জান্নাত হ-ত্যা রহস্য

কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চট্টগ্রাম থেকে সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত শিক্ষার্থীর ব্যবহৃত আইফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে জান্নাতকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত।

শনিবার (১০ অক্টোবর) কুমিল্লার পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ অক্টোবর সকালে লালমাই উপজেলার ভোরাজগৎপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইলের পাশে এক কিশোরীর মরদেহ পড়ে থাকার খবর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ আসে। খবর পেয়ে লালমাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত কার্যক্রম শুরু করে। পরে নিহতের বাবা মরদেহ শনাক্ত করেন।

নিহত জান্নাতুল তাজমিনের স্থায়ী বাড়ি যশোর জেলায়। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় বসবাস করতেন তিনি। জান্নাত নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

যেভাবে নির্জন এলাকায় নেওয়ার অভিযোগ

পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৮ অক্টোবর রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকার তিশা বাস কাউন্টারের সামনে থেকে বাসায় ফেরার জন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন জান্নাত। চালক সুমন মিয়ার সঙ্গে ৩০০ টাকায় ভাড়া ঠিক হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, যাত্রাপথে জান্নাত চালককে ১০০ টাকা দিয়ে কলা ও রুটি কিনে আনেন। পরে সংক্ষিপ্ত পথে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চালক তাঁকে নির্ধারিত পথ থেকে অন্যদিকে নিয়ে যান।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নূরজাহান হোটেলের সামনে থেকে ইউটার্ন নিয়ে চাঁদপুরগামী সড়ক ধরে বিজরা বাজার হয়ে একটি নির্জন এলাকায় পৌঁছান সুমন।

সেখানে অটোরিকশা থামানোর পর জান্নাত জায়গাটি সম্পর্কে জানতে চান। এটি বাসায় ফেরার পথ নয় বুঝতে পেরে তিনি ভয় পেয়ে অটোরিকশা থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করেন বলে পুলিশের দাবি।

পুলিশ জানায়, এ সময় জান্নাতকে আটকে অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থের চেষ্টা করা হলে তিনি চিৎকার করেন। পরে অভিযুক্ত তাঁর গলায় গামছা পেঁচিয়ে ধরেন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে জান্নাত দুর্বল হয়ে পড়েন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ পুলিশের

 

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে সুমন জান্নাতকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাঁকে ধানক্ষেতে নিয়ে মাথা পা দিয়ে চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করার কথাও জানিয়েছেন বলে পুলিশ উল্লেখ করেছে।

তবে এসব অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতে উপস্থাপিত প্রমাণ ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

 

আইফোন নিয়ে পালানোর অভিযোগ

Oplus_131072

পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঘটনার পর জান্নাতের হাতব্যাগ থেকে তাঁর ব্যবহৃত আইফোন নিয়ে ব্যাগটি ধানক্ষেতে ফেলে দেন অভিযুক্ত। পরে ঘটনাস্থলে অটোরিকশা রেখে কাচিকাটা মসজিদের সামনে একটি পুকুরে গোসল করেন তিনি।

এরপর ভাড়ায় চালিত আরেকটি সিএনজিতে করে বাখরাবাদ এলাকায় যান। সেখানে একটি পুকুরপাড়ের জঙ্গলে আইফোনটি লুকিয়ে রেখে চট্টগ্রামে চলে যান বলে পুলিশের ভাষ্য।

 

চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার, উদ্ধার আইফোন

 

পুলিশ জানায়, ৯ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে বাখরাবাদ এলাকার একটি পুকুরপাড়ের জঙ্গল থেকে জান্নাতের ব্যবহৃত আইফোনটি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় লালমাই থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার তদন্তে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও থানা পুলিশ যৌথভাবে কাজ শুরু করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের মর্মান্তিক মৃত্যু কুমিল্লায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

মামলার তদন্তের অগ্রগতি ও আদালতে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিচারিক নিষ্পত্তি হবে।

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হ-ত্যা : সন্দেহভাজন সিএনজিচালক চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৮ পিএম
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হ-ত্যা : সন্দেহভাজন সিএনজিচালক চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার

Oplus_131072

কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান। তিনি জানান, গ্রেপ্তার সুমনকে কুমিল্লায় আনা হচ্ছে। এ ঘটনায় তিনি একাই জড়িত, নাকি অন্য কেউ জড়িত, তা জিজ্ঞাসাবাদের পর বিস্তারিত জানানো হবে।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা অটোরিকশার নিবন্ধনের সূত্র ধরে এর মালিককে শনাক্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে অটোরিকশার মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি জানান, সুমন গাড়িটি ভাড়ায় চালাতেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সুমনের বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায়। কয়েক বছর আগে বিয়ে করে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জয়নগর গ্রামে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস শুরু করেন তিনি। পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রায় এক মাস আগে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চলে যান বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগৎপুর গ্রামের একটি ফসলি জমি থেকে সপ্তম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থীর মুঠোফোনের কললিস্ট ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে তার চলাচলের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। গত ৪ অক্টোবর বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল সে। তবে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সেদিন সে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যায়। পরদিন ৫ অক্টোবর কুমিল্লায় ফিরে ভোররাতে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, ৭ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে রওনা হয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে নূরজাহান হোটেলের সামনে নামে ওই শিক্ষার্থী। সিসিটিভি ফুটেজে তাকে একটি গাড়ি থেকে একা নামতে দেখা যায়। আশপাশের কয়েকটি ক্যামেরার ফুটেজে মুঠোফোন হাতে ও কাঁধে ব্যাগ নিয়ে তাকে চলাফেরা করতেও দেখা গেছে। পরে সড়কের দিকে চলে যাওয়ার পর আর তার চলাচল ক্যামেরায় ধরা পড়েনি।

মরদেহ উদ্ধারের পর নিহত শিক্ষার্থীর বাবা সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, বুধবার গভীর রাতে মেয়ে তাকে মুঠোফোনে বার্তা ও লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে আটকে রাখার কথা জানায় এবং উদ্ধারের অনুরোধ করে। তবে তিনি তখন ঘুমিয়ে থাকায় বার্তাটি দেখতে পারেননি। ভোরে বার্তা দেখে লাইভ লোকেশন অনুসরণ করে সেখানে গিয়ে মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পারেন।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থীর বাবা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার সুমনকে কুমিল্লায় আনার পর জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।

৩২ বছরের ইমামতির অধ্যায় শেষ, আবেগঘন বিদায়ে মাওলানা আঃ রব

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৫ পিএম
৩২ বছরের ইমামতির অধ্যায় শেষ, আবেগঘন বিদায়ে মাওলানা আঃ রব

একটি মসজিদ, অসংখ্য স্মৃতি, আর দীর্ঘ ৩২ বছরের এক আত্মিক বন্ধন—বিদায়বেলায় আবেগ আর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন থিরাপুকুর পাড় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আঃ রব সাহেব। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি এই মসজিদে ইমামতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কণ্ঠে আজান, নামাজে ইমামতি, ধর্মীয় শিক্ষা ও মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা আন্তরিক সম্পর্কের স্মৃতি মসজিদপ্রাঙ্গণে রেখে গেল এক আবেগঘন অধ্যায়।

তাঁর দীর্ঘদিনের সেবার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়ে আয়োজন করা হয় বিদায়ী সংবর্ধনার। এ সময় একই সঙ্গে থিরাপুকুর পাড় জামে মসজিদের নতুন ইমাম হিসেবে মাওলানা সাইফুল ইসলামকে বরণ করে নেন মসজিদ কমিটির সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মসজিদ, মার্কেট ও মাদ্রাসা উন্নয়ন পরিচালনা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক কাউন্সিলর রাজিউর রহমান রাজিব, কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম, সিনিয়র সহসভাপতি হাজী আব্দুস সালাম মাসুক, সাধারণ সম্পাদক বদরুল হাসান রাব্বু, কমিটির অন্যান্য সম্মানিত সদস্য এবং স্থানীয় মুসল্লিরা।

দীর্ঘ ৩২ বছরের ইমামতির দায়িত্ব পালন শেষে মাওলানা আঃ রব সাহেবের বিদায় কেবল একজন ইমামের বিদায় নয়; এটি একটি এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে থাকা একজন মানুষের কাছ থেকে সাময়িক বিচ্ছেদের মুহূর্ত। তাঁর নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও ধর্মীয় সেবার স্মৃতি স্থানীয় মুসল্লিদের হৃদয়ে দীর্ঘদিন অমলিন হয়ে থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

অন্যদিকে, নতুন ইমাম মাওলানা সাইফুল ইসলামের আগমনে মসজিদের ধর্মীয় কার্যক্রম আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত মুসল্লি ও কমিটির সদস্যরা। বিদায়ী ইমামের সুস্থতা ও কল্যাণ কামনার পাশাপাশি নতুন ইমামের দায়িত্ব পালনে মহান আল্লাহর রহমত ও সহযোগিতা কামনা করা হয়।

×