সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

ভিপি ওয়াসিম ও নিজাম তৃণমূল থেকে উঠে আসা দলের পরীক্ষীত সৈনিক অপপ্রচারের জবাব দিলেন ফরিদ আলী

ফরিদ আলী : প্রকাশিত: শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩, ৯:৩২ এএম
ভিপি ওয়াসিম ও নিজাম তৃণমূল থেকে উঠে আসা দলের পরীক্ষীত সৈনিক অপপ্রচারের জবাব দিলেন ফরিদ আলী
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

 

কুমিল্লা যুবদলের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা ইফতার মাহফিলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য পুলিশি বাধা প্রতিবাদ করেন প্রথমে নিজাম উদ্দীন কায়সার তা নিয়ে অপপ্রচার সাবেক ছাত্রনেতা ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম ও নিজাম উদ্দিন কায়সার এর বিরুদ্ধে দুই একটা অনলাইন ভুয়া নিউজ ও ভুয়া আইডির মাধ্যেমে যা আমার চোখে আসলে তাদের উদ্দেশ্য কিছু কথা লিখলাম সবার জানা দরকার কুমিল্লার ছাত্র-রাজনীতির ইতিহাস……
গত ০৪ এপ্রিল ২০২৩ কুমিল্লা বিভাগীয় যুবদলের প্রতিনিধি সভা ইফতার মাহফিলের শুরু থেকেই কুমিল্লা পুলিশের ব্যাপক চাপ ছিলো যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর কোন ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য প্রচার করা যাবে না লাইভে যারা আয়োজক ছিলো সবাই শুরুতেই সতর্ক ছিলো কোন বক্তব্য বা প্রোগ্রামে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কথা ও বলা হয়নি এর মধ্যে পুলিশের ১-২ জন সদস্য প্রোগ্রামে বার বার আসে দেখে ইফতারের ১৫-২০ মিনিট আগে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লাইভে আসে তখনই পুলিশের ০৪ -০৫ সদস্য লাইভ সম্প্রচার বন্ধ করার জন্য মিডিয়া সেলের কাছে আসার মুহুর্তে কুমিল্লা ছাত্র আন্দোলনের অহংকার নিজাম উদ্দিন কায়সার পুলিশ কে প্রথমে বাধা দেয় এবং সে সময় ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম সহ কুমিল্লার কিছু নেতৃবৃন্দু বাধা দেয় পুলিশ কে বাধা দেয় এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ৫-৭ মিনিটের মধ্যে বক্তব্য দেয় এই ইস্যু কে কেন্দ্র করে পরবর্তী ইফতারের সময় যুবদল ছাত্রদলের ২২ নেতাকর্মী গ্রেফতার এবং ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, উদবাতুল বারী আবু,ইউসুফ মোল্লা টিপু, রেজাউল কাইয়ুম, ভিপি জসিম উদ্দিন এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয় সেদিন যদি পুলিশ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য বন্ধের সুযোগ পেলে সারাদেশব্যপী আরও উৎসাহ নিয়ে তা করতো ভুলে গেলে চলবে না আমার নেত্রী আমার মা বন্দী থাকতে দিবোনা স্লোগান অনেক দিয়েছি বাস্তবে উনি এখন গৃহবন্দী যদি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বক্তব্য বন্ধ হত তাও মিডিয়া প্রচার করতো ফ্যাসিবাদী সুযোগ পেত বিষয়টি অনেক প্রত্যক্ষভাবে দেখেছে কিন্ত অত্যান্ত লজ্জার কিছু ষড়যন্ত্রকারী ও অপপ্রচার কারী ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম ও নিজাম উদ্দিন কায়সার কে নিয়ে অপপ্রচার করছে ভুয়া আইডি ও ভুয়া অনলাই নিউজের মাধ্যমে এরা কারা যারা জানে ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজপথের পরীক্ষীত সৈনিক আর নিজাম উদ্দিন কায়সার যার কাছে ইতিমধ্যে অনেক কুমিল্লার ধান্দাবাজ গুলো যারা দলকে লুটেপুটে খেয়েছে তারা আজ দলের বাহিরে এরাই অপপ্রচার করছে!

আসুন এইবার আপনারা যেহেতু ভুলে গেছেন তাদের রাজনীতির ইতিহাস জেনে নিন নিজাম উদ্দিন কায়সারের এর অতীত সাহস একটু জেনে নেই!!

১/১১ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কে যখন বাথরুমে পেলে দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছিলো সেদিন সেনা সমর্থিত সরকারের সময় নিজাম উদ্দিন কায়সার ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদল সহ সেদিন আন্দোলন করেছিলেন সেদিন কুমিল্লার ওসি বলেছিলেন আপনি উত্তেজনা ছড়াচ্ছেন।

২০১৩-১৪ কান্দির পাড়ে যখন ছাত্রদল কে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে স্থানীয় সংসদ সে দিন নিজাম উদ্দিন কায়সারের নেতৃত্ব ছাত্রদল মিছিল করে।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাজা ঘোষণা হলে একমাত্র উদবাতু ল বারী আবু নিজাম উদ্দিন কায়সারের নেতৃত্ব ঢাকা চট্রগ্রাম রোড অবরোধ করে কুমিল্লা একমাত্র জেলা হরতাল পালন করে পরবর্তী তে বগুড়া জেলা হরতাল পালন করে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের রাজনীতি নিষিদ্ধ ও ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন সে সময় উদবাতুল বারী আবু ও নিজাম উদ্দিন কায়সারের নেতৃত্ব হাজার হাজার ছাত্র নিয়ে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অবস্থান এবং ছাত্রদলের রাজনীতি সূচনা করা হয়।

* বিগত কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কুমিল্লা টাওন হল অডিটোরিয়াম নির্বাচন কমিশন, ডিসি, এসপি, রাজনৈতিক নেতাদের সামনে একমাত্র নিজাম উদ্দিন কায়সার ২০১৮ ও বিগত ভোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেন এবং এই সরকারের বিনা ভোট, রাতের ভোট ভোট কেন্দ্র দখল প্রশাসনের নগ্ন হস্তক্ষেপ সব তুলে ধরেন যা সারা বিশ্ব ও এই দেশের জনগণ দেখেছে, ভুয়া আইডি ও অনলাইন নিউজ তোমরা চাইলে ভিডিও দেখতে পার উনার কেমন সাহস এই সব ভুয়া প্রচার দেখে হাসি পায়।

* উপরের ছবিটি দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন কুমিল্লা টাওন হল সমাবেশ এসে সার্কিট হাউজে অবস্থান করে সে সময় একজন তরুন মেধাবী ছাত্রনেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার বেগম খালেদা জিয়ার সামনে সাহন নিয়ে বক্তব্য বলেন টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া সিন্ডিকেট দলের বিএনপির কমিটি নিয়মিত না হওয়ার কথা তুলে ধরেন সেদিন বেগম খালেদা জিয়া ঘোষণা দেন সারাদেশব্যপী সাংগঠনিক কমিটি করার যে বক্তব্য সে সময় ব্রেকিং নিউজ হিসেবে প্রচার করা হয় সাহস আছে বলেই উনি আজ ২৯ হাজার ৯৯ জন জনতার ভোটার যে মানুষ কে ইতিমধ্যে কুমিল্লার মানুষ আপন করে নিয়েছে আপনারা যারা প্রচার করেন ভয় পাইয়েন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান উনার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করে নিবেন এবং উনি আগামী দিনে কুমিল্লা মেয়র হবেন।

ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম ১৯৯৮ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদল-শিবির ছাত্র ঐক্যের মাধ্যমে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত ভিপি যিনি পরবর্তী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ -সভাপতি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কুমিল্লার রাজপথে যিনি মূলধারার রাজনীতি করেছেন বার বার কারা নির্যাতিত হয়েছেন অসংখ্য মামলার স্বীকার হয়েছেন আজ কিছু ষড়যন্ত্রকারী উনার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে যাদের কোন ভিত্তি নেই তার পাশাপাশি আজকে যারা অপপ্রচার করছে এদের সবচেয়ে বড় বাধা কুমিল্লা হাজারো মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের আশ্রয়স্থল ছাত্রদলের অভিভাবক নিজাম উদ্দিন কায়সার আসেন আপনারা যারা রাত হলে নিজাম উদ্দিন কায়সারের কথা মনে হলে শরীর চুলকানি, খাউজানি,মাদক,ইয়াবা গাজা খেয়ে ঘুমান আপনারা লেখাপড়া জানলে পড়ুন নিজাম উদ্দিন কায়সার আমি যখন গ্রাম থেকে শহরে এসে নিজের মেধার মাধ্যমে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ উচ্চমাধ্যমিক শাখায় যখন ২০০১ সালে বানিজ্য বিভাগে ভর্তি হই।

সে সময় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতি আগেই আমার দুর্বলতা ছিলো সে প্রিয় নেতার উচ্চমাধ্যমিক নবীন বরনে বক্তব্য যার সাথে প্রথম কথা তারপর ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদলের রাজনীতি শুরু সালে যার হাত ধরে ভিক্টোরিয়া কলেজ ভারপ্রাপ্ত দপ্তর, যুগ্ন আহবায়ক, সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক ববর্তমানে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমি ইদানীং লিখিনা ফেইসবুকে লিখলে অনেকের ঘুম হয়না কিন্ত না লিখে পারলাম না তাই আজকে আবার ষড়যন্ত্র কারী ও অপপ্রচার কারীদের বিরুদ্ধে লিখতে বসলাম নিজাম উদ্দিন কায়সার কুমিল্লা আদর্শ সদরের এই সন্তান যিনি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান উনাকে যারা চিনেন জানেন নিজাম উদ্দিন কায়সার রাজনীতির অন্তপ্রান মানুষ, এই রাজনীতি করতে গিয়ে উনাকে দীর্ঘ ভঙ্গুর পথ পাড়ি দিতে হয়েছে এখন পাড়ি দিচ্ছে দিন রাত পিচ্ছিল পথ যার পরিবারের অর্থ খরচের অবদান যারা খেয়ে আবার দলীয় সুযোগ সুবিধা নিয়ে স্বীকার করেন না আপনারা কি সবাই জানে কুমিল্লার মির-জাফর যে মানুষটির রাজনৈতিক অভিভাবক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কেন্দ্রীয় বিএনপির ত্রান ও পুনঃবাসন বিষয়ক সম্পাদক হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন যিনি অর্থ উপার্জনের জন্য রাজনীতি করেন না কুমিল্লা গণমানুষের নেতা পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি ১৯৯৪ সালে তদানিন্তন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন সারা দেশে ট্রেইন মার্চ করেন সেই সময় কুমিল্লা -৯ কোতয়ালী লাকসাম এলাকার সভানেত্রী সাবেক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সভানেত্রী বেগম রাবেয়া চৌধুরীর অনুরোধে সাংগঠনিক দায়িত্ব হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন লাল- মাই রেল স্টেশনে নেন।

সেদিন হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন লাল মাই রেক স্টেশন সর্বাদিক লোকের সমাগম ঘটান ট্রেইন মার্চে যিনি বার বার সরকার থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন।

সফল ব্যবসায়ী করদাতা হিসেবে এরপর ১৯৯৬ সালে তিনি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছেন। যে মানুষ টি আজ পর্যন্ত দলের জন্য কাজ করছেন মরহুম আকবর হোসেন ও বেগম রাবেয়া চৌধুরী বিএনপিতে তরুন নেতৃত্ব সৃষ্টি করেন কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার আহবায়ক হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন বুড়িচং এডভোকেট আহম তাইফুর আলম লাঙ্গলকোট আব্দুল গফুর ভুইয়া চৌদ্দগ্রাম কাজী নাসিমুল হক লাকসামে মরহুম ইঞ্জিনিয়ার নাসির হোসেন ব্রামনপাড়া জসিম উদ্দিন কুমিল্লা পৌরসভা আব্দুর রউফ চৌধুরী ফারুক মোস্তাক মিয়া বরুরাতে মরহুম আবু তাহের সাহেব এই নেতৃত্ব এর কারনে বিএনপি অল্প সময়ের মধ্যে ঘুরে দাঁড়ায় যার কারনে কুমিল্লা দক্ষিণ ৭টি সহ ১২ টি আসনে বিএনপি জয়লাভ করে ১৯৯৭ সাল থেকেই নিজাম উদ্দিন কায়সার দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে সামনের সারিতে ছিলো কুমিল্লা-৯ এলাকার ছাত্রদল যুবদল গোছানোর জন্য আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম,নজরুল ইসলাম সরওয়ার জাহান দোলন, জাহাঙ্গীর, বিপ্লব, উদবাতুল বারী আবু সহ যিনি অসংখ্য মিটিং করেছেন।

এমন জায়গা ছিলো যেখানে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ থাকতো না কুপি দিয়ে স্কুলে মিটিং করেছেন এইভাবেই কুমিল্লা-৯ জাতীয়তাবাদী দলের শক্তিশালী ইউনিট হয়।

২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচন কে কেন্দ্র করে সকল মামলা হামলা মোকাবেলা করে মরহুম আকবর হোসেনের অনুরোধে হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন কথা রাখেন তখন জাতীয় রাজনীতির নানা পরিবর্তন এর কারনে সে সময় জাতীয়পার্টির নেতা মনিরুল হক চৌধুরী সুয়াগাজী মাঠে হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন এর সভাপতিত্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন ২০০১ সালে নির্বাচন ধানের শীষের মনোনয়ন নিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন ৩৭ টি ওয়ার্ডে এবং অফিস ভাড়া যা হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন পরিশোধ করে আগেই।

২০০৫ সালে মরহুম আকবর হোসেনের মৃত্যুর পরে কুমিল্লা সদর-৬ আসনে হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন দায়িত্ব নেয়। সে থেকে আজ পর্যন্ত বিডিআর হত্যা সহ কুমিল্লার রাজপথে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে যিনি নেতাকর্মীদের মামলা হামলা গ্রেফতারে পাশে ছিলেন যারা বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে কোটি পতি হয়েছেন তারা আত্নগোপন করেন হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন এর কথা লেখার কারণ যিনি অর্থ উপার্জনের জন্য রাজনীতি করেন না যিনি দলকে ভালোবাসে রাজনীতি করেন তাই কথায় কথায় হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন এর নাম নেওয়া ষড়যন্ত্র কারীদের কাজ।

নিজাম উদ্দিন কায়সার নিজেই একটা প্রতিষ্ঠান যে মানুষ টি যেখানে দাঁড়ায় সেখানেই ইতিহাস সৃষ্টি হয় তাই একটা পরিবারের মেধা যোগ্যতা থাকলে কয়েকজন রাজনীতি করতেই পারেন, এই-বার আসি আমার রাজনৈতিক অভিভাবক নিজাম উদ্দিন কায়সারের এর কথা যে মানুষ টি ১৯৯৮ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রছাত্রী সংসদ নির্বাচনে সর্ব কনিষ্ঠ হিসেবে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতির দায়িত্ব পালন করে একটা কথা বললে না হয় দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক ছাত্রনেতাই অর্থ উপার্জন করে।

একমাত্র নিজাম উদ্দিন কায়সার ছিলেন ব্যতিক্রম যে মানুষ টি ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদল কে শক্তিশালী করার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করেছেন অনেক মেধাবীদের ভর্তি তে সহযোগিতা করেছেন ক্যাম্পাসে যিনি ফ্রী মডেল টেস্ট পরীক্ষা নিয়েছেন ভর্তির যার প্রতিটি কার্যক্রম আমি প্রশ্ন করা থেকে শুরু করে প্রতিটি কাজে পাশে ছিলাম, যে মানুষটি অনেক সময় পরিবারের চাপ ছিলো তারপরও পরিবারের অর্থ ব্যয় করে দলের জন্য কাজ করেছে, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে শত শত মেধাবী ছাত্রনেতা তৈরি করেছেন শুধু ভিক্টোরিয়া কলেজ নয় কুমিল্লা সরকারি কলেজ, কুমিল্লা অজুতগুহ কলেজ,কুমিল্লা মহিলা কলেজ কুমিল্লা মেডিকেল, সেন্ট্রাল মেডিকেল, পরবর্তী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা পলি টেকনিক্যাল প্রতিটি ক্যাম্পাস জাতীয়বাদী ছাত্রদলের বহু নেতাকর্মী যার হাত ধরে হয়েছে তার পরবর্তী সময়ে সকলের প্রত্যক্ষ ভোটে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। কুমিল্লা মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ছিলেন যারা কুমিল্লা ১/১১ তে অনেক নেতা আত্নগোপন যায়, সে সময় আমরাই প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিদ্রোহের পর ভিক্টোরিয়া কলেজ প্রতিবাদ করেছি নিজাম উদ্দিন কায়সারের বাসায় বসে শত শত প্রেস বিজ্ঞপ্তি লিখে কুমিল্লার কাগজ আমাদের কুমিল্লা রুপসি বাংলায় দিয়ে আসতাম, রাজনীতি ছিলো সীমিত সে সময় নেতা বলতো তুই দাপ্তরিক কাজ ভালো জানিস তুই হলি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক এইভাবে উনি উৎসাহ দিয়ে দলের দু:সময়ে কাজ করেছেন।

এরপরে হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে ভিক্টোরিয়া ক্যাম্পাসে বার বার প্রতিবাদ করে আমি তো প্রত্যক্ষদর্শী কুমিল্লা অনেকে হরতাল, অবরোধ, মিছিল মিটিং যে মানুষ টি সকাল ৬.০০ কান্দির পাড় এসে কুমিল্লার রাজপথে কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত থাকতো এবং যার সাথে আমিও ছিলাম এমন ও ছিলো টানা ২-৩ ঘন্টা স্লোগান দিতাম এইভাবে যে মানুষ টি কুমিল্লার রাজনীতি তারুন্যদিপ্ত হয়ে উঠে প্রতিটি মানুষ তার মেধা যোগ্যতায় এগিয়ে যায় সমালোচনা থাকবেই নিন্দুকের লাভ কি নিজাম উদ্দিন কায়সার কে তো ধমিয়ে রাখা যাবেনা, যার কাছ থেকে বক্তব্য দেওয়া, মাইকিং করা, স্লোগান দেওয়া, প্রেস বিজ্ঞপ্তি লেখা অনেক কিছুই শিখেছি আজকে যারা ষড়যন্ত্র করছেন আপনারাই আওয়ামীলীগের সাথে আঁতাত করে কমিশন বানিজ্য করেছেন দিনের পর দিন, যারা মূল ধারার রাজনীতি করেছে মিথ্যা মামলা নির্যাতন করা সব কিছুই করেছেন তাইতো নেতা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কুমিল্লা মহানগরীতে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন করেছেন কুমিল্লা শহর ও আশেপাশের এলাকার বিএনপিতে যার প্রভাব আছে জাতীয়তাবাদী আদর্শের লোক,তরুন ভোটার, সরকার বিরোধী অংশ এবং পারিবারিক ঐতিহ্য বন্ধু দীর্ঘ এক যুগ ছাত্র-রাজনীতি হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীদের প্রিয় মুখ ও পরিবারের ভোটেই যিনি ২৯ হাজার ৯৯ ভোট পেয়েছেন তবে যারাই ফেইসবুক ভুয়া আইডি ও ভুয়া নিউজ ব্যবহার করছেন আপনাদের চিনে জানে নেতা আপনারা কারা শুধু সময় হলেই জবাব পাবেন এই সব ষড়যন্ত্র কারীদের কালোটাকার ব্যবহার, নৌকা ঠেকাও, বাহার ঠেকাও স্লোগান দিয়ে চক্রান্ত কারীরা ভোটারদের বিভ্রান্ত করে শেষ মহুর্তে জনতার মেয়র নিজাম উদ্দিন কায়সারের জয় চিনিয়ে নিয়েছে তবে উনি বেচে থাকলে কুমিল্লার মেয়র হবে ইনশাআল্লাহ
নিজাম উদ্দিন কায়সার কুমিল্লা মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের সহ সাংগঠনিক হয়ে কুমিল্লা বিভাগে ভার্চ্যুয়াল প্রোগ্রামের মাধ্যমে দেশনায়ক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে কথা বলে প্রতিটি জেলা,উপজেলা,ওয়ার্ড কমিটি সফল ভাবে করেছিলেন, যারা অপপ্রচার করেন আপনারা তো ব্যর্থ দায়িত্ব পেয়ে কয়টা ইউনিট কমিটি করেছেন?

আগামী দিনের রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমান জানেন নিজাম উদ্দিন কায়সার ক্যারিশমাটিক নেতা একজন সংগঠক রাজপথের পরীক্ষীত সৈনিক যেহেতু কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন একটা জাতীয় ইস্যু বহিষ্কার করা স্বাভাবিক উনি তা হাসি মুখে গ্রহণ করে দলের প্রতি আদর্শিক হয়ে প্রতিটি কর্মসূচি পালন করছেন পিছনে থেকে এবং কুমিল্লা মহানগর প্রতিটি সামাজিক কাজ অংশ গ্রহণ করছেন আজকে যারা অপপ্রচার করছেন আপনাদের ইতিহাস জানা দরকার তাই লিখলাম নিজাম উদ্দিন কায়সার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি আদর্শিক বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশমাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি মুক্তির সিপাহসালা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কে দেশে আনার ভ্যানগার্ড উনার বিরুদ্ধে লিখে উনাকে আগামী দিনে জনতার মেয়র বানানোর জন্য ধন্যবাদ একসময় আপনারা বলবেন আমরা ভুল করছি নিজাম উদ্দিন কায়সার বিগত কুমিল্লার প্রতিটি আন্দোলনে ছিলো আগামী তেও থাকবে আগামী দিনের রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমান নিজাম উদ্দিন কায়সার সম্পর্কে ভালো করেই অবগত ভয় পাবেন না উনি আমৃত্যু দলের প্রতি রাজনীতি করবেন।

উনি ভালো মানুষ কোন বহর নিয়ে ঘুরাফেরা করা পছন্দ করেন না উনি সাধারণ ভাবে চলেন সাধারণ জনগণের সাথে মিশেন উনি জানে কিভাবে সংগঠন করতে হয়,কিভাবে নির্বাচন করতে হয়, কিভাবে আন্দোলন করতে ইতিমধ্যে কুমিল্লা মহানগরীর সাধারণ মানুষ উনাকে গ্রহণ করেছে আপনাদের অপপ্রচার জবাব আমার এক লেখায় যথেষ্ট সব শেষে যারা এই অপপ্রচার করছেন আপনাদের বলি নিজাম উদ্দিন কায়সারের পাশেই ছিলাম সেদিন নিজাম উদ্দিন কায়সার বক্তব্য ছিলো নেতার ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য যদি পুলিশ বন্ধ করে তা যদি না ঠেকাতে পারি এই জীবন রেখে লাভ কি!

তাই নিজের জীবনের জুকি নিয়ে সেদিন প্রতিবাদ করেছিলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেখেছেন বক্তব্য দিয়েছেন।

বিদ্র: নিজাম উদ্দিন কায়সার ২৯ হাজার ৯৯ জনের ভোটে জনতার মেয়র উনার তুলনা সুবিধাভোগীর সাথে হয়না উনি আগামী দিনের মেয়র মনে রাইখেন।

নিজাম উদ্দিন কায়সারের সাথে যারা রাজনীতি করেন পাশে থাকেন এরা নি:সন্দেহে মেধাবী সবাই যার যার স্থানে প্রতিষ্ঠিত অতএব আমি যা লিখেছি ব্যক্তিগত উপলব্ধি থেকে।।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

কুমিল্লার চান্দিনায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. মনির হোসেন (৩১) নামে ওই শিক্ষককে স্থানীয়রা আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে রাখার পর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি দোল্লাই নবাবপুর বাজারসংলগ্ন মারকাজুল নূরে মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরকে মাদ্রাসাটির দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সে মাদ্রাসাতেই থাকত। সেখানে অভিযুক্ত মনির হোসেন আরবি বিষয়ে পাঠদান করতেন।

পরিবারের ভাষ্য, গত ১১ আগস্ট দিবাগত রাত অর্থাৎ ১২ আগস্ট রাতের খাবার শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মনির হোসেন ওই কিশোরকে ডেকে নিজের খাটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শরীর ম্যাসেজ করাতে বাধ্য করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে তাকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই কক্ষে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার পর আতঙ্কে কিশোরটি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। ১২ আগস্ট বিকেলে মোবাইল ফোনে মাকে বিষয়টি জানালেও বিস্তারিত কিছু বলেনি। পরদিন তাকে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে মোবাইল ফোনে বাবাকে ঘটনার কথা জানায় সে। ১৭ আগস্ট রাতে ছেলের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন মা।

ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, ছেলের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ঘটনার পর টানা তিন দিন তার পায়ুপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। পরে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর প্রবাসী বাবা অভিযুক্ত শিক্ষক মনির হোসেনকে ফোন করেন। এ সময় মনির হোসেন বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেন। পরে পরিবারটি স্থানীয়দের বিষয়টি জানালে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এদিকে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রাম্য সালিশ বসে।

সালিশ চলাকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাটি জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হন। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চান্দিনা থানার পুলিশ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে যায় এবং অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রাম্য সালিশে বসার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, “উভয় পক্ষ আমার পরিষদে এসে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাইলে আমরা সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।”

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, “স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসিক মাদ্রাসায় থাকা শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

×