মজু গ্রুপের কারণে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়া পরাজিত হন
পাহাড় সম জনপ্রিয়তা থাকার পরও মজু (মদ,জুয়ার) গ্রুপের সদস্যদের কারণে ২০০১ সালে জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়া পরাজিত হন । এখন সেই সকল লোকেরা উদোরপিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা । এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান মজুমদার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন । এ মজু গ্রুপের সদস্য কারা জানতে চাইলে তিনি না বললেও উপস্থিত সবাই বুঝতে পারেন । তারা হলেন নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন কালু ও জেলা পরিষদের সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক আবু ।
সংবাদ সম্মেলনে শাহজাহান মজুমদার বলেন, জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়াকে মজু গ্রুপ জিম্মি করে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আদায় করছেন । এতে নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিলে শেষের দিকে জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়া এ জিম্মিদশা থেকে বের হয়ে পড়েন । জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়ার পরিবারের সদস্যরাও মজু গ্রুপের শীর্ষদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্দ হয় দু’চার কথা বললে মজু গ্রুপের মূল হোতা মদ্যপ অবস্থায় জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়ার বাসায় হামলা চালাতে গিয়ে দরজায় লাথি মেরে ভাঙ্গচুর করে । তখন থেকে মজু গ্রুপ জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকেন । মদ্যপ ব্যক্তিটা কে ? জানতে চাইলে তিনি নাম বলতে অপরাগতা প্রকাশ করেন । কারণ তারা এখন ক্ষমতার মসনদে ।
তখন উপস্থিত সাংবাদিকেরা বুঝতে পারেন । জেলা পরিষদ সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক ।
লিখিত বক্তব্যে শাহজাহান মজুমদার বলেন, পাঁচ বছর নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম, এক টাকার দুর্নীতি করিনি ।আপনারা সাংবাদিকগণ খবর নেন । কেউ বলতে পারলে যে কোন শাস্তি ভোগ করতে রাজী আছি । আর একই জায়গায় থেকে কেউ কেউ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হচ্ছে । সেটারও একটু খবর নিয়ে দেখেন ।
মুক্তিযুদ্ধে তাদের পরিবারের অবদানের বিভিন্ন ব্যাখ্যা দেন।



















