লাকসাম মডেল কলেজ জামায়াত – রাজাকারের নিয়ন্ত্রণে
কুমিল্লা জেলা লাকসাম উপজেলায় লাকসাম পৌরসভায় ১৯৯৪ইং “ব্রাড মডেল কলেজ” এমপিও নাম্বার-০৮১১০৬৩১০২. যা প্রতিষ্ঠা করেন ব্রাডের প্রতিষ্ঠাতা, বিশিষ্ট আওয়ামী লীগার, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ বশির আহমদ এবং কলেজ কে ১০৬ শতক জমি দেন। যাহা শুরু তে “ব্রাড মডেল কলেজ” নামে পরিচালিত হয়। পরবর্তী তে কোন অজ্ঞান কারণে প্রতিষ্ঠানের নাম বদলে “লাকসাম মডেল কলেজ” (কলেজ কোড- ৮৪৩০) হয়ে যায়। কিন্তু দানকৃত দলিল শর্ত ছিল কোন অবস্থায় নাম পরিবর্তন করা যাবে না।
এ ছাড়া “লাকসাম মডেল কলেজের” অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের, দূর্নীতি, কলেজ প্রধান অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে আবেদন করেন সাবেক অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রাডের প্রতিষ্ঠাতা বশির আহমদের সহধর্মিণী মিসেস খোদেজা বেগম লীনা।
দীর্ঘদিন এ বিষয়ে তদন্ত করে জানা যায় অধ্যক্ষ আবু তাহের একজন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ একজন রোকন বা সক্রিয় সদস্য এ কারণে গত জোট সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন প্রভাব খাটিয়ে বারবার একক বা মনগড়া সিদ্ধান্তে পরিচালিত করে আসছেন। এমনকি অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জমি দাতাদের বিরুদ্ধে বারবার উল্টো হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।
মহামান্য হাইকোর্ট এই মর্মে মিসেস খোদেজা বেগম লীনার পক্ষে রায় দেন রীট পিটিশন নং ৩২২৭/২০ এর অনুকূলে ২৬/০১/২০২১ ইংরেজি ক.প/কমিটি /কুম/২০২১/১৭/১ নির্দেশনা দেন।
সরজমিন তদন্ত করে জানা যায় অধ্যক্ষ আবু তাহের নিয়ম বহির্ভূত ছাএ-ছাএীদের কাছ থেকে বেতন, টিউশন ফি, তিন-চার গুন অর্থ নেয়ার অভিযোগ এসেছে। এমনকি দান অনুদানের টাকা, উপবৃওি, কলেজের আয় ব্যয়ের হিসাবে অসামঞ্জস্যতা রয়েছে বলে জানা যায় এবংকি মহিলা হিসাব রক্ষক নিয়োগ অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে।
বিশ্বস্ত সূএে জানা যায় মূলতঃ কলেজ ১০৬ শতাংশ জমি আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে একটি মহল “ব্রাড মডেল কলেজ” নাম পরিবর্তন করতেও দ্বিধা করেননি। যাহা গুরুতর প্রতারণা।
গত ২০১৫ ইংরেজী কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড অপকর্মের দায়ে অধ্যক্ষ আবু তাহের কে শো-কজ করেছিল। যাহা বর্তমান ২০২২ইংরেজী পর্যন্ত এই শো কজ এখনো চলমান।
কিন্তু সে বহাল তবিয়তে কলেজ প্রতিষ্ঠাতাদের সাথে অসহযোগিতা করে আসছে শিক্ষা বোর্ড কেও পাত্তা দিচ্ছে না ২০১৩ ইং থেকে কোন রকম পরিচালনা কমিটি ছাড়া কলেজ পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই হাইকোর্ট রায় প্রদান করেন অন্যতম প্রতিষ্টা সদস্য খোদেজা বেগম লীনা কে সভাপতি করে নির্দেশনা পাওয়া পর জরুরী সভার তারিখ নির্ধারণ করার সভায় অধ্যক্ষ আবু তাহের অনুপস্থিত থাকেন।
স্হানীয় এলাকা বাসীর সাথে আলোচনা করে জানা যায় এখানে অনেক শিল্পপতি থাকলেও এত কোটি টাকার সম্পওি কলেজ কে দেয়ার নজির খুব একটা নেই। মানুষের প্রত্যাশা প্রতিষ্ঠাতা বশির আহমদ সহধর্মিণী বা পরিবারের যথাযথ মর্যাদায় কলেজ পরিচালনায় রাখা উচিত।
স্হানীয় জনপ্রতিনিধি মোহাম্মদ খলিল বলেন এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও সব সম্পওির মালিক অধ্যক্ষ বশির আহমদ এটা সত্যি আমরা আশা করি সবাই মিলে একটা সমন্বয় করে প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হবে এটাই প্রত্যাশা।
লাকসাম ব্রাড কলেজ বা লাকসাম মডেল কলেজ অধ্যক্ষ আবু তাহের বলেন অধ্যক্ষ বশির আহমদ কলেজ প্রতিষ্ঠাতা এবং জমির মালিক এটা সত্যি আমরা বিষয় টা সমঝোতা করে নিব। জামায়াতে ইসলামীর রোকন বিষয়ে বলেন সরাসরি জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত নহে তবে জামায়াতের অনেক নেতার সঙ্গে ভাল সম্পর্ক আছে বলে জানান।

















