মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

সিএনজি স্ট্যান্ডের জিপির টাকা নিয়ে খুনের অভিযোগ!

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৩, ৭:০১ এএম
সিএনজি স্ট্যান্ডের জিপির টাকা নিয়ে খুনের অভিযোগ!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বুড়িচং নিমসার বাজারে সিএনজির জিবির ( চাঁদা) টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে আবুল কাসেম নামে এক ব্যাক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আবুল কালামকেও পিটিয়ে আহত করা হয়।

এঘটনায় নিমসার – কংশনগর বাজার সড়কের শিকার পুর এলাকার শত শত নারী পুরুষ হত্যা কান্ডের বিচার ও জিবির চাঁদা বন্ধের দাবীতে লাশ নিয়ে দুই ঘন্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাহেব আলী, পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মোঃ জাবেদুল ইসলাম এবং ইউপি সদস্যদের আশ্বাসে স্থানীয় লোকজন অবরোধ তুলে নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজারে সিএনজি স্টেশনের জিবির ( চাঁদা) টাকা নিয়ে শনিবার সকালে আবুল কালাম (৬০) নামের এক সিএনজি চালককে স্থানীয় বাজারের জিবি আদায় কারী মিজান, বাকির সায়েদুল সহ ৫-৭ জন সংঘবদ্ধ হয়ে পিটিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করে।

স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। বড় ভাই আবুল কালাম কে হাসপাতালে দেখে দুপুর ৩ টায় ছোট ভাই আবু কাসেম বাড়ি ফেরার পথে সংঘবদ্ধ ওই জিবির চাঁদা উত্তোলন কারী সন্ত্রাসীরা তার পথ রোধ করে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় নিমসার – কংশনগর বাজার সড়কের শিকার পুর এলাকার শত শত নারী পুরুষ হত্যা কান্ডের বিচার ও জিবির চাঁদা বন্ধের দাবীতে লাশ নিয়ে দুই ঘন্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে।

পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাহেব আলী, পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মোঃ জাবেদুল ইসলাম এবং ইউপি সদস্যদের আশ্বাসে স্থানীয় লোকজন অবরোধ তুলে নেন।

নিহতের বড় ভাই সিএনজি চালক উপজেলার ভারিকোঠাগ্রামের মৃত আরব আলীরছেলে আবুল কালাম বলেন সকাল সাড়ে ৭ টায় তিনি নিমসার বাজারে সিএনজি নিয়ে আসেন। এসময় নিমসার বাজারে জিবির ( চাঁদা) টাকা কে কেন্দ্র করে সায়েদুল, মিজান, বাকির সহ ৫-৭ জন সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী পূর্ববিরোধের জেরে তারা আমার উপর হামলা চালিয়ে মারাত্মকভাবে ভাবে আহত করে। স্থানীয় লোকজন আমাকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। এদিকে আবুল কালাম এর ছেলে সিএনজি চালক মোঃ আল আমিন জানান তার পিতাকে রক্তাক্ত জখম করে দুপুরের দিকে উল্টো তাদের উপর মিথ্যা অভিযোগ এনে দেবপুর ফাঁড়ি থেকে পুলিশ নিয়ে ভাড়িকোঠা তাদের বাড়িতে যায়। বাড়িতে কাউকে না পেয়ে পুলিশ ফিরে আসেন।

পরে দুপুর ৩ টায় আবুল কালাম এর ছোট ভাই আবু কাসেম (৩৭) চান্দিনা হাসপাতাল থেকে বড় ভাই কে দেখে বাড়ি ফেরার পথে শিকারপুর মালি বাড়ির এলাকায় সায়েদুল, মিজান, বাকির সহ৫-৭ জন পথ রোধ করে পিটিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করে। তার আত্ম চিৎকারে এলাকা বাসী এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে কাবিলা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্য রত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ভারিকোঠা শিকার পুর এলাকায় নিমসার -কংশনগর সড়কে শত শত নারী পুরুষ সড়ক দুই ঘন্টা অবরোধ করে রাখে এবং দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করে। খবর পেয়ে স্থানীয় মোকাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাহেব আলী, দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ জাবেদুল ইসলাম সঙ্গীয় পুলিশ অফিসার এস আই রাজীব চৌধুরী, কাজী হাসান উদ্দিন, রুহুল আমিন, সায়েদুল ইসলাম এবং ইউপি সদস্য মোঃ জাকির হোসেন, মনির হোসেন লোকজন কে ন্যায় বিচারের আশ্বাস দেয়। এসময় দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ জাবেদুল ইসলাম এবং চেয়ারম্যান মোঃ সাহেব আলী ও লোকজন কে বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাহেব আলী বলেন জিবির নামে চাদা বাজী এটি একটি হয়রানি। এ নিয়ে প্রতিনিয়ত অঘটন ঘটে থাকে। চাঁদা বাজী বন্ধ না করলে দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পাবে না। প্রথমে বড় ভাই আবুল কালাম পিটিয়ে আহত করে। ছোট ভাই আবু কাসেম কে হাসপাতাল থেকে দেখে বাড়ি ফেরার পথে তাকেও পিটিয়ে হত্যা করে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করে।

এ হত্যা কান্ডের ন্যায় বিচার দাবী করছে এলাকাবাসী।

এব্যপারে বুড়িচং থানার দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ জাবেদুল ইসলাম জানান খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে কুমেকে ময়না তদন্তের জন্য লাশ প্রেরন করা হয়েছে। সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয় নি।

বুড়িচং থানার ওসি মোঃ ইসলাম হোসেন বলেন জিবির টাকা নিয়ে মারা মারির ঘটনায় একজন নিহতের খবর পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করে কুমেকে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরন করেছি।

এ বিষয়ে থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

×