সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রফেসর জামাল উদ্দিনের দাফন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৩, ৭:৪৩ পিএম
প্রফেসর জামাল উদ্দিনের দাফন সম্পন্ন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লার খ্যাতনামা পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর মো. জামাল উদ্দিন আর নেই। আপাদমস্তক একজন আদর্শবান শিক্ষক প্রফেসর মো জামাল উদ্দিন গত ১২ এপ্রিল বুধবার সন্ধ্যা ৬:৫৭ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা বারডেম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্রী তাহমিনা শবনম, এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তান সহ অনেক আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় কুমিল্লা সরকারি কলেজ মাঠে ও বাদ জোহরা শাসনগাছা মহাজন বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষ শাসনগাছা পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। চিরনিদ্রায় শায়িত মহান শিক্ষক জামাল উদ্দিনের মৃত্যুতে কুমিল্লার শিক্ষা প্রশাসনে শোকের ছায়া নেমে আসে। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান কুমিল্লার বিভিন্ন দফতর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগন।

কুমিল্লা সরকারি কলেজ ময়দানে দুপুর ১২ টায় অনুষ্ঠিত প্রথম জানাযায় উপস্হিত ছিলেন কুমিল্লা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ বাহাদুর হোসেন,কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল নাসের, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবু জাফর খান, কুমিল্ল সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হাসনাত আনোয়ার উদ্দীন আহমদ, জেলা বিসিএস সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জোবায়ের সহ কুমিল্লার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ,সহকর্মীবৃন্দ ও স্নেহের শিক্ষার্থীবৃন্দ। এছাড়া কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর মো আবদুস ছালাম, প্রফেসর মো রুহুল আমীন ভূইয়া, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল হোসেন সহ অনেকে শোক প্রকাশ করছেন।

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক ফারুক আহমেদ এর ফেসবুক পোস্ট থেকে নেওয়া অধ্যাপক

জামাল উদ্দিন এর সংক্ষিপ্ত জীবনী:

” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ছিলেন মো জামাল উদ্দিন । এপ্লাইড ফিজিক্স এন্ড ইলেকট্রনিক্স থেকে পাস করে ১৬ তম বিসিএস-এর মাধ্যমে যোগদান করেন পদার্থবিজ্ঞানের লেকচারার হিসেবে। একজন মেধাবী শিক্ষক, শিক্ষার্থী অন্তঃপ্রাণ শিক্ষক ছিলেন। গতানুগতিক শিক্ষকদের মত ছিলেন না। ক্লাস-শিক্ষক ছিলেন। ক্লাসেই জ্ঞান বিলিয়ে দিতেন। কিছু বাকি রাখতেন না। ফলে আর্থিকভাবে এগোতে পারেননি।

তবে উনার ঔদার্য, শিক্ষার্থীদের জ্ঞানতৃষ্ণা নিবারণের অদম্য আগ্রহের কারণে শিক্ষার্থীদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছেন।

চাকরি হওয়ার পর আমি প্রথম যখন কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে যোগদান করি তখন জামাল উদ্দীন স্যারকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পাই। প্রথম দেখাতেই স্যারকে আমার ভালো লেগে গেল। স্যার আমাকে ছোট ভাইয়ের মত দেখতেন। স্যারকে আমার কেবল সহকর্মী মনে হত না, সর্বদা একজন অভিভাবক মনে হত। কয়েকদিন আগে বারডেম হাসপাতালে স্যারকে যখন দেখতে গিয়েছিলাম আমার চােখে জল চলে এলো। বিদায় নেয়ার প্রাক্কালে ছলছল চোখে স্যারকে আমি পা ছুঁয়ে সালাম করে এলাম। কেন জানি, আমার কাছে তখনই মনে হল এ বড় ভাইকে বোধ হয় আর বেশিদিন হাতের নাগালে পাব না। তিনি দেবিদ্বার সরকারি কলেজ ও কুমিল্লা সরকারি কলেজে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক ছিলেন। সর্বশেষ প্রফেসর পদে পদোন্নতি পেয়ে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের বিভাগীয় প্রধান হন।

সহজ-সরল, উন্নত মননশীলতার জন্য স্যার সহকর্মী থেকে শুরু করে সকল শ্রেণির মানুষের কাছে বরণীয় হয়ে উঠেছেন। সহকর্মীদের দোষ-ত্রুটি কখনো খুঁজতেন না। যার যেটা ভালো দিক আছে সেটি বের করে জনসম্মুখে প্রশংসা করতেন। এমন জ্ঞানী, নিরহংকার শিক্ষক আমি খুব কমই দেখেছি।

২০১৪ সালে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় সততা ও নিষ্ঠার সহিত নির্বাচনী দায়িত্ব (প্রিসাইডিং অফিসার) পালন করতে গিয়ে তিনি ছুরিকাহত হন। যতদূর জানি, একদল দুর্বৃত্ত কেন্দ্র দখল করে ব্যালটবাক্স ছিনতাই করতে গেলে তিনি চরমভাবে বাধা দেন। চরম সাহসিকতার সাথে এ অন্যায় কাজে প্রতিরোধ গড়ে তুললে দুর্বৃত্তরা না পেরে শেষে উপর্যুপরি ছুরি দিয়ে আঘাত করে তাঁকে রক্তাক্ত করেন। সেই যাত্রায় কোনোভাবে স্যারের জীবনরক্ষা পেলেও অসুস্থতা স্যারকে আর ছাড়েননি।

জাতীয় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে স্যারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হলো এবং স্যার দীর্ঘবছর অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে শেষে মুত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন। “অনেকের মতে মো. জামাল উদ্দিন ছিলেন এদেশের একজন বীরসন্তান, বীরশিক্ষক।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

×