সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে হাইওয়ে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩, ৮:০৪ এএম
যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে হাইওয়ে পুলিশ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

সারাদেশের যোগাযোগব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখছে হাইওয়ে পুলিশ। বিশেষ করে ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবে দায়িত্ব বেড়ে যায় পুলিশের এই স্বতন্ত্র ইউনিটটির।

আসন্ন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে পশুবাহী যানবাহনের নিরাপদ চলাচল ও চাঁদাবাজিমুক্ত মহাসড়ক নিশ্চিত করতে শক্ত অবস্থানে রয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে কোথাও কোনও সংগঠন বা কোনও চক্রকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না।

কারও বিরুদ্ধে কোরবানির পশুবাহী যানবাহনে চাঁদাবাজির তথ্য পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়ন।
এছাড়া আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নির্বিঘ্নে গাড়ি চলাচল, যাত্রীর নিরাপত্তা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও স্বস্তির ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে হাইওয়ে পুলিশ।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন যানবাহনের মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় সভা হয়েছে।
হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়নের অধীনে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও কক্সবাজারসহ সবমিলিয়ে ২২টি থানা ও ফাঁড়ির ২ পালায় ৬৬টি পেট্রোল টিমের পাশাপাশি কোনও জরুরি কাজ সামাল দিতে মাঠে থাকছে ৩০টি কুইক রেসপন্স টিম।

দুর্ঘটনা বা প্রতিবন্ধকতা দূর করতে ৫টি সরকারি ও ১২টি বেসরকারি রেকার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও পর্যাপ্ত সংখ্যক অ্যাম্বুলেন্স থাকছে দুর্ঘটনায় হতাহতদের সেবার জন্য। এই সময়ে মহাসড়কে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কোনও যানবাহন না থামানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে। পাশাপাশি ২টি গোয়েন্দা টিম কাজ করবে ঈদের আগে ও পরের সপ্তাহব্যাপী। একটি পূর্ণাঙ্গ কন্ট্রোল রুমের পাশাপাশি থাকবে ৫টি সাব কন্ট্রোল রুম। হাইওয়ে পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি এবারও বিশেষ ইউনিফর্মে থাকবে হাইওয়ে কমিউনিটি পুলিশিং এর ১০০ প্রশিক্ষিত সদস্য। এবারও হাইওয়ে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ নিজেই একটি স্পেশাল টিমসহ মহাসড়কের শৃঙ্খলা তদারকি করবেন বলে জানিয়েছেন।

হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ বলেন, ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে মহাসড়কগুলোর বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা করে আমরা বিভিন্ন প্রস্তুতি এরই মধ্যে গ্রহণ করেছি। পণ্যবাহী বা গরুবাহী ট্রাক যাতায়াত করবে। সেসব যানবাহনের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে হাইওয়ে থানাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়নের অধীনে ৮২১ কিলোমিটার জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে কোথাও কোনও সংগঠন বা কোনও চক্রকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না। চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া মাত্রই নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা। এছাড়াও নির্দিষ্ট গন্তব্য ব্যতীত কোরবানির পশুবাহী গাড়ি ভিন্ন কোনও জায়গায় জোরপূর্বক নামানো যাবে না। প্রয়োজনে হাইওয়ে পেট্রোল সেই গাড়িকে তার নির্দিষ্ট হাটে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, মহাসড়কে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনও দুর্ঘটনা না ঘটলে ঘরমুখো মানুষকে এবারও স্বস্তির ও নিরাপদ ঈদযাত্রা উপহার দিতে পারবো বলে আশা করি। এছাড়াও বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা মহাসড়কে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করছে। মহাসড়কগুলোতে স্পিড গানের ব্যবহার আমরা চালিয়ে যাচ্ছি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মহাসড়কগুলোকে বেছে নিয়ে বেপরোয়া গতির গাড়িকে স্পিড গানের মাধ্যমে শনাক্ত করা হচ্ছে। যেসব মহাসড়কে যে গতি নির্ধারণ করা হয়েছে তার বেশি গতিতে চলাচলকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ বিশেষ নজর রাখছে।

চট্টগ্রাম হাইওয়ে সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাসিম খান বলেন, মহাসড়কের আশেপাশে গরুর হাটগুলোতে জোর করে কোনও ইজারাদার যেন গরুর ট্রাক থেকে গরু নামাতে না পারে সে বিষয়গুলো কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। এছাড়া গরুর ট্রাকে চাঁদাবাজির কোনও ঘটনা ঘটলে, চাঁদাবাজির সঙ্গে হাইওয়ে পুলিশের কোনও সদস্যের বিষয়ে অভিযোগ এলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে মহাসড়কে গরুর বাজারকেন্দ্রিক কোনও ধরনের যানজট হবে না। ঘরমুখো মানুষকে নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে ঈদ আনন্দে সহায়তা করার জন্য যাতায়াতের পথ নির্বিঘ্ন করতে চট্টগ্রামে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা মাঠে রয়েছে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×