সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

জামায়াতের দুই নৌকায় পা

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: রবিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৩, ৮:৪৯ পিএম
জামায়াতের দুই নৌকায় পা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

 

জামায়াত দুই নৌকায় পা দিয়েছে। একদিকে তারা বিএনপির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ঘোষণা দিচ্ছে, বিএনপি সঙ্গে এক সাথে সমান্তরাল কর্মসূচি ঘোষণা করছে অন্যদিকে তারা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির সাথে সুর মিলিয়ে জামায়াতও শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ ডেকেছিল। কিন্তু শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ করতে পারেনি। আরামবাগ মোড়ে তারা মহাসমাবেশ করেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বিএনপি সহিংস তৎপরতা জড়ালেও জামায়াত সহিংস তৎপরতা জড়ায়নি। বরং তারা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করে ঘরে ফিরে গেছে।

 

জামায়াতের এই আচরণকে রহস্যময় মনে করছেন বিএনপি নেতারা। ওই ঘটনার পর জামায়াত আবার প্রকাশ্যে বিএনপির ২৯ অক্টোবরের হরতাল এবং ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত অবরোধও সমর্থন দিয়েছে। এসব অবরোধ বা হরতাল কর্মসূচিতে জামায়াতের কোনো নেতাকর্মীকে দেশের কোথাও পিকেটিং করতে দেখা যায়নি। বরং পিকেটিং বা গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগে জড়িত যারা ধরা পড়েছেন তারা সবাই বিএনপির কর্মী। বিএনপির বিভিন্ন স্থানের কর্মীরাই অগ্নিসংযোগ করেছে, বাসে আগুন দিয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাস করার জন্য বিক্ষিপ্ত ভাবে চেষ্টা করেছে। অথচ সন্ত্রাসী, ফ্যাসিস্ট সংগঠন জামায়াতে ইসলাম এ ব্যাপারে ছিল সম্পূর্ণ নীরব। জামায়াত তাহলে কেন এই নীরবতা পালন করল।

 

বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে, জামায়াত একদিকে যেমন বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক রেখে কাজ করতে চাইছে অন্যদিকে তারা গোপনে গোপনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিএনপি ওপর যখন ধরপাকড় চলছে সেই সময় জামায়াত নিজেদেরকে গুছিয়ে নিচ্ছে

নির্বাচনের জন্য। তাহলে কি জামায়াত বিএনপিকে ধোঁকা দিচ্ছে?

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, না, জামায়াত এখন দ্বিমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। জামায়াত একদিকে বিএনপিকে মদদ দিচ্ছে, তাদেরকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য বলছে, অন্যদিকে জামায়াত মাঠে না নেমে তাদের যারা সম্ভাব্য প্রার্থী হবে তাদেরকে নির্বাচনে প্রস্তুত হওয়ার জন্য নির্দেশ দিচ্ছে।

 

২৮ অক্টোবর বিএনপির এই তাণ্ডবের ফলে এখন পুরো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি বিএনপির ওপর। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, যারা সন্ত্রাসী তৎপরতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা এ সমস্ত ঘটনা নির্দেশদাতা তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। আর এসব থেকে নিরাপদ দূরত্বে আছে জামায়াত।

 

কিছুদিন আগেও এই সন্ত্রাসী সংগঠনটির মধ্যে সশস্ত্র গ্রুপগুলো সোচ্চার ছিল এবং তারা বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল। কিন্তু এখন বিএনপিকে সামনে দিয়ে তারা সংগঠন গোছাতে চেষ্টা করছে। জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা মনে করছেন যে এতদিন সরকারের প্রধান দৃষ্টি ছিল জামায়াতের বিরুদ্ধে। এখন সরকার বিএনপির ব্যাপারে বেশি নজর দিচ্ছে। ফলে জামায়াত সংগঠন গোছাতে পারে। এছাড়াও এটি একটি কৌশলগত অবস্থানও বলে অনেকে মনে করছেন যে জামায়াত বিএনপিকে সামনে দিয়ে নিজেরা ভালো সেজে সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠ এমন একটি ভাব আন্তর্জাতিক মহলে দিতে চাচ্ছে। যার ফলে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের অনৈতিক সম্পর্ক সেটিও চেয়েও বড় হয়ে উঠছে হচ্ছে যে সরকার কি তাহলে জামায়াতকে প্রশ্রয় দিচ্ছে? অর্থাৎ সরকার সম্বন্ধে একধরনের বিভ্রান্তি এবং নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টির কৌশল হিসেবেই জামায়াত এইরকম দ্বিমুখী আচরন করছে এবং দুই নৌকায় পা দিচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে বোঝা যাবে জামায়াতের আসলে রাজনৈতিক কৌশল কি।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

কুমিল্লার চান্দিনায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. মনির হোসেন (৩১) নামে ওই শিক্ষককে স্থানীয়রা আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে রাখার পর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি দোল্লাই নবাবপুর বাজারসংলগ্ন মারকাজুল নূরে মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরকে মাদ্রাসাটির দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সে মাদ্রাসাতেই থাকত। সেখানে অভিযুক্ত মনির হোসেন আরবি বিষয়ে পাঠদান করতেন।

পরিবারের ভাষ্য, গত ১১ আগস্ট দিবাগত রাত অর্থাৎ ১২ আগস্ট রাতের খাবার শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মনির হোসেন ওই কিশোরকে ডেকে নিজের খাটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শরীর ম্যাসেজ করাতে বাধ্য করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে তাকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই কক্ষে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার পর আতঙ্কে কিশোরটি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। ১২ আগস্ট বিকেলে মোবাইল ফোনে মাকে বিষয়টি জানালেও বিস্তারিত কিছু বলেনি। পরদিন তাকে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে মোবাইল ফোনে বাবাকে ঘটনার কথা জানায় সে। ১৭ আগস্ট রাতে ছেলের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন মা।

ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, ছেলের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ঘটনার পর টানা তিন দিন তার পায়ুপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। পরে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর প্রবাসী বাবা অভিযুক্ত শিক্ষক মনির হোসেনকে ফোন করেন। এ সময় মনির হোসেন বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেন। পরে পরিবারটি স্থানীয়দের বিষয়টি জানালে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এদিকে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রাম্য সালিশ বসে।

সালিশ চলাকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাটি জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হন। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চান্দিনা থানার পুলিশ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে যায় এবং অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রাম্য সালিশে বসার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, “উভয় পক্ষ আমার পরিষদে এসে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাইলে আমরা সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।”

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, “স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসিক মাদ্রাসায় থাকা শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

×