সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

কুমিল্লায় ঘুসের মহাযজ্ঞ : সাবরেজিস্ট্রারের ২৫ কোটি টাকা গ্রহণের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: রবিবার, ৯ জুন, ২০২৪, ৬:৫৮ পিএম
কুমিল্লায় ঘুসের মহাযজ্ঞ : সাবরেজিস্ট্রারের ২৫ কোটি টাকা গ্রহণের অভিযোগ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লার আদর্শ সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে দুই বছরে ২৫ কোটি টাকা ঘুস গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এই অফিসটি নগরীর ফৌজদারি এলাকায় অবস্থিত এবং এর কর্ম এলাকা গোটা নগর এবং শহরতলি জুড়ে। প্রতিদিন এখানে কোটি টাকা থেকে শতকোটি টাকার দলিল সম্পাদন হয়ে থাকে। সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, দলিল সম্পাদন, নকল (সার্টিফায়েড) কপি, টিপসইসহ নানা খাতে প্রতি মাসে সাবরেজিস্ট্রারকে কমপক্ষে এক কোটি টাকা ঘুস দিতে হয়। এরপরও পদে পদে হয়রানির শিকার হতে হয়।

গত ২ বছরের বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করে এ কার্যালয়ের সাবরেজিস্ট্রার মো. হানিফ প্রায় ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। নিজস্ব অনুসন্ধান, সেবাগ্রহীতা, অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, দলিল লেখক, দালাল সবার সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র পাওয়া গেছে। সম্প্রতি চারদিকে দুর্নীতিবিরোধী খবর এবং উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেখে নিজের এসব অপকর্ম ঢাকতে আখের গোছানোর চেষ্টা করছেন ওই সাবরেজিস্ট্রার। এ অফিস থেকে তিনি দ্রুত বদলি হওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ চালিয়ে যাচ্ছেন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে কুমিল্লার আদর্শ সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে। ৭০ জন নকলনবিশ কাজ করছেন অবিরাম। অফিস সহকারী, অফিস সহায়ক, টিসি মোহরার ও মোহরারসহ ডজনখানেক কর্মচারী এবং পিয়ন রয়েছেন। দালাল সিন্ডিকেটের সদস্যরা মহা ব্যস্ত। শতাধিক দলিল লেখক এবং তাদের পাঁচ শতাধিক সহকারী আরও বেশি ব্যস্ত। এ কার্যালয়ে ২০২২ সালের শুরুতে যোগদান করেন সাবরেজিস্ট্রার মো. হানিফ। যোগদানের পরপরই উত্তরসূরির পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিনিও ঘুসের পাইপলাইনে যুক্ত হয়ে পড়েন।

অভিযোগ রয়েছে, এখানে ছোটখাটো দলিলের সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও সাবরেজিস্ট্রারকে প্রতি দলিলে সেরেস্তার নামে ৩ হাজার টাকা, দলিলের টিপসই বাবদ ৫শ থেকে ১ হাজার টাকা ও প্রতিটি দলিলের নকল কপিতে স্বাক্ষর করতে দিতে হয় অতিরিক্ত এক হাজার টাকা। পাশাপাশি বিভিন্ন কাগজের প্রকারভেদ এবং দলিলের মূল্যের ওপর সাবরেজিস্ট্রারকে দিতে হয় ১০ হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত। এই উপজেলা এবং নগরীর প্রতিটি জায়গা মূল্যবান হওয়ায় পান থেকে চুন খসলেই লাখ টাকা ঘুস দিয়েও সাবরেজিস্ট্রারের মন জয় করতে কষ্ট হয়। অ্যাপার্টমেন্ট কিংবা দলিলের মূল্য কোটি টাকা ছাড়ালেই শুরু হয় ঘুসের দরকষাকষি।

সূত্র জানায়, সাবরেজিস্ট্রার এসব ঘুষের টাকা নিজের হাতে নেন না। সেরেস্তার টাকাটা নেওয়া হয় মোক্তারদের মাধ্যমে। নকল স্বাক্ষরের টাকা নকলনবিশদের মাধ্যমে আর টিপসইয়ের টাকা নেওয়া হয় পিয়নের মাধ্যমে। উচ্চমূল্যের দলিল এবং ছোটখাটো ত্রুটিযুক্ত দলিলের ক্ষেত্রে কন্ট্রাক্ট করার জন্য রয়েছে দালাল সিন্ডিকেট। অফিস সহকারী এবং পিয়নদের মাধ্যমে কন্ট্রাক্ট হওয়ার সিগন্যাল পেলেই দলিলে স্বাক্ষর করে দেন সাবরেজিস্ট্রার।

এই সাবরেজিস্ট্রি অফিসে প্রতি মাসে গড়ে দলিল রেজিস্ট্রি হয় প্রায় ১ হাজার। দলিলের নকলের চাহিদা বেশি থাকায় স্বাক্ষর হয় প্রায় ১ হাজারের অধিক। হিসাব করে দেখা যায়, এসব রেজিস্ট্রিকৃত দলিল থেকে সেরেস্তা, নকল, টিপসই ও বিভিন্ন অজুহাতে প্রতি মাসে সর্বনিম্ন ১ কোটি টাকা ঘুস নিচ্ছেন সাবরেজিস্ট্রার মো. হানিফ। যার পুরো টাকাটাই আদায় করা হয় সরকার নির্ধারিত দলিল ফির বাইরে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ডেভেলপার কোম্পানির প্রতিনিধি জানান, সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও প্রতিটি ফ্ল্যাট দলিল করতে সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে নানা অজুহাতে ৫-১০ হাজার টাকা ঘুস দিতে হয়। আর জমি রেজিস্ট্রি হলে কোনো কথাই নেই। অনেক খুঁটিনাটি দেনদরবার করতে হয় রেজিস্ট্রি করতে। কারণ কুমিল্লা শহরের জমি অত্যন্ত মূল্যবান। নগরীতে ১ থেকে ২০ কোটি টাকা শতাংশ পর্যন্ত জমির মূল্য রয়েছে।

বেশ কয়েকজন সেবাপ্রত্যাশীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এখানে দলিল লেখকরা সাবরেজিস্ট্রার এবং অফিস খরচের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন। তবে মুখ খুললে মূল্যবান জমি এবং ফ্ল্যাট নিয়ে সমস্যা হতে পারে-এমন আশঙ্কায় কথা বলছেন না সেবাপ্রত্যাশীরা। এ বিষয়ে সাবরেজিস্ট্রার মো. হানিফ বলেন, এখানে অতিরিক্ত কাজের চাপ। আমি যোগদান করেছি ২ বছরের বেশি হয়ে গেছে। এখন বদলি হওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে আমরা কোনো টাকা-পয়সা নেই না। দলিল লেখক এবং দালাল সিন্ডিকেট সেবাপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেয় বলে শুনেছি। কিন্তু এর দায় আমার না। আমার কাছে কেউ অভিযোগ করলে আমি ব্যবস্থা নিতাম। তিনি আরও বলেন, যতদিন দলিল সাবমিট প্রসেস ডিজিটালাইজড না হবে ততদিন পর্যন্ত গ্রাহকদের নানাভাবে হয়রানির শিকার এবং অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হবে।

সূত্র: যুগান্তর

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার (জিআর ওয়ারেন্ট) ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আজিজুল মোঃ সম্রাট (২০) চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি জিআর ওয়ারেন্ট থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার মোঃ আনিসুজ্জামান তুহিন (২২) চান্দিনা উপজেলার লেবাস এলাকার মোঃ কামাল হোসেনের ছেলে। মোবাইল কোর্ট তাঁকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।

এ ছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার গমরাহদহ এলাকার রাজেন্দ্র দাসের ছেলে দিলীপ দাস (১৯) এবং রুহিয়া থানার কানীকশানগাঁও এলাকার সুশীল বর্মনের ছেলে অরূন কুমার বর্মন (১৯)-কে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়। মোবাইল কোর্ট তাঁদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত অরূন কুমার বর্মনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

×