সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

ব্রাহ্মনপাড়ায় প্রধান শিক্ষিকার পদত্যাগের দাবীতে বিক্ষোভ

ফয়েজ আহাম্মদ ভুইয়া : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ২:০৩ পিএম
ব্রাহ্মনপাড়ায় প্রধান শিক্ষিকার পদত্যাগের দাবীতে বিক্ষোভ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা এক দফা এক দাবি হারুনের বউ তুই কবে যাইবি এই স্লোগান নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল ও মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয় কুমিল্লার ব্রাহ্মনপাড়ার চন্ডিপুর, অলুয়া, মনোহরপুরে।

স্থানীয সূত্র থেকে জানা যায় স্থানীয় প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ বর্তমান ছাত্রছাত্রীদের একাংশ। এসময় জনতার স্লোগান ছিল মূলতঃ প্রধান শিক্ষিকা আনোয়ারার বিরুদ্ধে। বিক্ষোভ কারীরা বলেন, অযোগ্য অবৈধ প্রধান শিক্ষিকার পদত্যাগের দাবিতে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মনোহরপুর অলুয়া চন্ডিপুর রেজাউল হক উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানব বন্ধন করছেন।এসময় বিক্ষোভে অংশ গ্রহন করেন প্রান্তিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা, তারা তাদের স্লোগানে বলেন এক দফা এক দাবি হারুনের বউ তুই কবে যাইবি, অযোগ্য অবৈধ প্রধান শিক্ষিকার পদত্যাগের জন্য থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করছে মনোহরপুর অলুয়া চন্ডিপুর রেজাউল হক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসী প্রধান যিনি আগে যিনি অবৈধ সহকারী প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন তার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায় ১৯ সেপ্টেম্বর ২৪ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ব্রাহ্মণ পাড়া উপজেলার মনোহরপুর অলুয়া চন্ডিপুর রেজাউল হক উচ্চ বিদ্যালয়টির মাঠে সহস্রাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। বেলা২টা পর্যন্ত এ প্রতিবেদন লেখার সময় বিক্ষোভ চলছিল। এসময় কিছু মেয়ে শিক্ষার্থী প্রধান শিক্ষিকার পক্ষে স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে,এতে দু পক্ষ দন্দ সৃষ্টি হয়,এক পর্যায় বিদ্যালয় কতৃপক্ষ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় বিদ্যালয় ছুটির ঘোষণা দেন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিদ্যালয় বন্ধের ঘোষণা দেন। বৃহস্পতিবারদুপুরে উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে দেখা যায়, সহস্রাধিক সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী জড়ো হয়েছেন। কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানব বন্ধন করছেন।

এ সময় স্কুলটির ক্লাস বন্ধ করে দিয়ে বর্তমান শিক্ষার্থীদেরও বিক্ষোভে অংশ নিতে দেখা যায়।স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মোসাম্মদ আনোয়ার (হারুন) অপসারণের দাবিতে প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রী এলাকাবাসীর মানববন্ধন করে।

এ বিষয় জানতে চাইলে আবদু রব নামে অলুয়া গ্রামের বৃদ্ধ স্থায়ী বাসিন্দা বলেন,এক ধরনের পোলাপাইন আছে স্কুলের নাম হতে হবে মনোহরপুর অলুয়া চনডিপুর রেজাউল হক উচ্চ বিদ্যালয় যাহা বিগত বছরগুলোতে এভাবেই ছিলো ।মানব বন্ধনে এলাকাবাসী ও প্রাক্তন ছাত্ররা বক্তব্যে বলেন,প্রতিষ্ঠাতা হারুনুর রশীদ ভুইয়া স্কুলের নীতিমালা অমান্য করে নিজের মনগড়া প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেছেন।

গত জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাথে কয়েক বার কথা বলে ও নাম সংশোধন করার ব্যাপারে কোন আশ্বাস পাওয়া যায়নি পরবর্তীতে কতৃপক্ষের হস্তখেপে সংশোধন হয়। প্রতিষ্ঠাতা হারুন বিদ্যালয়ে বাসস্থান অসালীন পুষাকে ঘুরা ঘুরি মিথ্যা মামলা নিজের স্ত্রী কে অবৈধ ভাবে নিয়োগ ইত্যাদির কারনে আজকের এই মানব বন্ধন।

মানব বন্ধনে প্রধান শিক্ষিকা বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ তুলে বলেন এবং আগেও ক্লিনার নিয়োগে বড় অংকের ঘোষ বানিজ্য করেন অভিযোগ তুলে স্থানীয় জনগন প্রতিষ্ঠাতা হারুনুর রশিদ ভুইয়ার বিরুদ্ধে।

বক্তব্যে আরো বলেন প্রতিষ্ঠাতা নিজের সহধর্মিণী কে ও অনিয়ম করে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন।কমিটির কিছু সদস্যকে এ ব্যাপারে জিগ্যাস করা হলে কমিটির সদস্যগণ বলেন নাম পরিবর্তন করার ব্যাপারে আমাদের কমিটির কাউকে অবগত করা হয়নি, স্কুল কমিটির মিটিং এ বিষয়ে বসলে বিস্তারিত জানতে পারি বলে আমাদের জানান।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্ররা বলেন, ‘ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রধান শিক্ষক যিনি সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিলেন তিনি তার স্বামী মিলে অনেক ষড়যন্ত্র করেছেন। তাঁরা দুজনে মিলে স্কুলের সহকারী শিক্ষক যাঁরা আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছেন, সেসব শিক্ষক ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হুমকি–ধমকি দিতেন। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক আনোয়ারা কে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে রিসিভ করেনি এবং বিদ্যালয়েও আসেননি,স্থানীয় অভিভাবকরা ও শিক্ষার্থীদের দাবি প্রধান শিক্ষক কে অপসারণ করে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হোক।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

কুমিল্লার চান্দিনায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. মনির হোসেন (৩১) নামে ওই শিক্ষককে স্থানীয়রা আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে রাখার পর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি দোল্লাই নবাবপুর বাজারসংলগ্ন মারকাজুল নূরে মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরকে মাদ্রাসাটির দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সে মাদ্রাসাতেই থাকত। সেখানে অভিযুক্ত মনির হোসেন আরবি বিষয়ে পাঠদান করতেন।

পরিবারের ভাষ্য, গত ১১ আগস্ট দিবাগত রাত অর্থাৎ ১২ আগস্ট রাতের খাবার শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মনির হোসেন ওই কিশোরকে ডেকে নিজের খাটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শরীর ম্যাসেজ করাতে বাধ্য করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে তাকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই কক্ষে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার পর আতঙ্কে কিশোরটি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। ১২ আগস্ট বিকেলে মোবাইল ফোনে মাকে বিষয়টি জানালেও বিস্তারিত কিছু বলেনি। পরদিন তাকে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে মোবাইল ফোনে বাবাকে ঘটনার কথা জানায় সে। ১৭ আগস্ট রাতে ছেলের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন মা।

ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, ছেলের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ঘটনার পর টানা তিন দিন তার পায়ুপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। পরে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর প্রবাসী বাবা অভিযুক্ত শিক্ষক মনির হোসেনকে ফোন করেন। এ সময় মনির হোসেন বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেন। পরে পরিবারটি স্থানীয়দের বিষয়টি জানালে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এদিকে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রাম্য সালিশ বসে।

সালিশ চলাকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাটি জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হন। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চান্দিনা থানার পুলিশ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে যায় এবং অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রাম্য সালিশে বসার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, “উভয় পক্ষ আমার পরিষদে এসে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাইলে আমরা সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।”

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, “স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসিক মাদ্রাসায় থাকা শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

×