সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

হিন্দু সম্পত্তি দখল করে কোটিপতি টিটুর ‘অস্ত্রবাড়ি-মাদক, হত্যা ও গ্যাং রাজত্বের গোপন ফাঁদ!

মোহাম্মদ কাজী নুর আলম : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫, ৯:৪০ এএম
হিন্দু সম্পত্তি দখল করে কোটিপতি টিটুর ‘অস্ত্রবাড়ি-মাদক, হত্যা ও গ্যাং রাজত্বের গোপন ফাঁদ!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

হিন্দুদের সম্পত্তি জবরদখল করে তৈরি হয়েছে এক রহস্যময় বিলাসবহুল বাড়ি—৭টি কক্ষ, ৬টি এসি, চোখধাঁধানো নির্মাণশৈলী। অনুসন্ধানে জানা গেছে, একসময় গাড়ি চালিয়ে দিন কাটানো আব্দুর রহিম মিয়ার পুত্র টিটু, বর্তমানে একজন কুখ্যাত যুবলীগ নেতা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার জন্য পরিচিত।

 

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরাইশ বড় পুকুর পূর্ব পাড় এবং সালেহা স্কুল সংলগ্ন গলির শেষ মাথায় বিশাল জায়গাজুড়ে তাদের প্রভাব বিস্তার। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মহানগর যুবলীগের শীর্ষ নেতাদের সখ্যতায় টিটু দলবলে আওয়ামী বাহার লীগের কর্মসূচি পালন করে ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত হন। ১৬ বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাড়ি, জমি, সম্পদ গড়ে তোলেন তিনি।

 

স্থানীয়দের মতে, টিটুর নেতৃত্বে ভয়ংকর কিশোর গ্যাং ছিনতাই, অপহরণ, নারীবিদ্রোহ, ভুয়া মামলা, এবং দলিল জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি জায়গা দখলে নেমেছে। ৫ আগস্টের আগে টিক্কার কবরস্থান গেইট থেকে সংরাইশমুখী সড়কের ৫ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্প দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়। বাড়ির পাশে নিয়মিত মাদকের বাজার বসে।

 

বিএনপি ও জামায়াতপন্থী ত্যাগী কর্মীদের মতে, টিটুর আস্তানায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা জরুরি। জননিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, গোমতী নদীর নৌপুলিশ না থাকায় নৌকা দিয়ে ভারতীয় মাদক-অস্ত্র এ অঞ্চলে প্রবেশ করে, গাড়িতে লোড হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছায়। ১৬ বছরে বাহার লীগের টেন্ডার, অস্ত্র, ও মাদক সিন্ডিকেট কোটি কোটি টাকার পাহাড় গড়েছে।

 

ফ্যাসিস্ট শাসনের আমলে কুমিল্লায় গণহত্যা, সন্ত্রাস, এবং চরম সহিংসতার মধ্যে কিশোর গ্যাং টিটু বাহিনী ব্যাপক ভূমিকা রাখে। ৫ আগস্টের পরবর্তী সরকার আমলেও ভয়ংকর গ্যাংটি সক্রিয় রয়েছে। এলাকাবাসী জানায়, টিটু (৩৮), পিতা: আব্দুর রহিম, সাং: সংরাইশ, থানাঃ কোতোয়ালি মডেল, জেলাঃ কুমিল্লা—অস্ত্র ও মাদক কারবারের চিহ্নিত ব্যক্তি।

 

অভিযোগ অস্বীকার করে টিটু বলেন, তিনি ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসের মহুরী এবং তার বিএনপি-জামায়াত লাইনে আছে, “আপনি লিখলেও আমার কিছু হবে না” বলে মন্তব্য করেন।

 

কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহিনুল ইসলাম জানান, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান জনসেবায় প্রশংসিত হচ্ছে।

 

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতা মতিন সর্দারকে (৬৯) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সাবেক কাউন্সিলর সোহেল ও হরিপদ সাহা কে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা, মহসিন হত্যাকাণ্ডের মামলায় বাদী সহিদ খুন, হৃদয়, জনু—সবাই জমি বা ব্যক্তিগত বিরোধে গ্যাং দ্বারা হত্যার শিকার।

 

গণহত্যা, সাংবাদিক নির্যাতন, ব্যবসায়ী কুদুস মিয়াকে ছিনতাইয়ের সময় ছুরিকাঘাতে হত্যা—সব মিলিয়ে ২০টিরও অধিক লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডে রক্তাক্ত হয়েছে কুমিল্লা শহর। স্থানীয়রা বলছেন, এখনই ব্যবস্থা না নিলে এ অঞ্চল ভয়ংকর বিপদের মুখে।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

কুমিল্লার চান্দিনায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. মনির হোসেন (৩১) নামে ওই শিক্ষককে স্থানীয়রা আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে রাখার পর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি দোল্লাই নবাবপুর বাজারসংলগ্ন মারকাজুল নূরে মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরকে মাদ্রাসাটির দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সে মাদ্রাসাতেই থাকত। সেখানে অভিযুক্ত মনির হোসেন আরবি বিষয়ে পাঠদান করতেন।

পরিবারের ভাষ্য, গত ১১ আগস্ট দিবাগত রাত অর্থাৎ ১২ আগস্ট রাতের খাবার শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মনির হোসেন ওই কিশোরকে ডেকে নিজের খাটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শরীর ম্যাসেজ করাতে বাধ্য করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে তাকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই কক্ষে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার পর আতঙ্কে কিশোরটি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। ১২ আগস্ট বিকেলে মোবাইল ফোনে মাকে বিষয়টি জানালেও বিস্তারিত কিছু বলেনি। পরদিন তাকে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে মোবাইল ফোনে বাবাকে ঘটনার কথা জানায় সে। ১৭ আগস্ট রাতে ছেলের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন মা।

ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, ছেলের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ঘটনার পর টানা তিন দিন তার পায়ুপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। পরে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর প্রবাসী বাবা অভিযুক্ত শিক্ষক মনির হোসেনকে ফোন করেন। এ সময় মনির হোসেন বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেন। পরে পরিবারটি স্থানীয়দের বিষয়টি জানালে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এদিকে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রাম্য সালিশ বসে।

সালিশ চলাকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাটি জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হন। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চান্দিনা থানার পুলিশ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে যায় এবং অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রাম্য সালিশে বসার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, “উভয় পক্ষ আমার পরিষদে এসে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাইলে আমরা সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।”

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, “স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসিক মাদ্রাসায় থাকা শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

×