শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে সামাজিক শালিস-বৈঠকে দুবাই প্রবাসীর ওপর হামলা, থানায় মামলা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:২৫ পিএম
চৌদ্দগ্রামে সামাজিক শালিস-বৈঠকে দুবাই প্রবাসীর ওপর হামলা, থানায় মামলা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সামাজিক শালিস-বৈঠকে মমিনুল ইসলাম মজুমদার নামে এক দুবাই প্রবাসীর উপর ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হন ওই প্রবাসী। পরে স্থানীয়রা তাকে হামলাকারীদের থেকে উদ্ধার করে প্রথমে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানেও তিনি সেখানে চিকিৎসাধিন রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার সকালে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের পাইকোটা মজুমদার বাড়িতে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি প্রবাসীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম থানায় এজাহার দায়ের করেন। এ ঘটনায় থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে শাহআলম মজুমদার নামে একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে বয়স বিবেচনায় মুছলেকা নিয়ে তাকে স্থানীয় গণ্যমান্য লোকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম থানার পরিদর্শক মো. গুলজার আলম।

থানায় দায়েরকৃত এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জান গেছে, দুবাইয়ে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের মো. শাহআলম মজুমদারের পরিবার ও ভুক্তভোগি প্রবাসী মমিনুল ইসলাম মজুমদারের পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি শাহআলমের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, সামাজিক সিদ্ধান্ত অমান্য করা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে অশোভন আচরণের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ নিয়ে মীমাংশার উদ্দেশ্যে শনিবার সকালে গ্রামে একটি শালিস-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক চলাকালে শাহআলমের ছোট ছেলে নাঈম গ্রাম্য সর্দারদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করে। এ সময় সে তাদেরকে দেখে নেওয়ার হুমকি-ধমকি দেয়। প্রতিবাদে প্রবাসী মমিনুল ইসলাম তাকে এমন অশোভন আচরণ থেকে বিরত থাকতে বলে। এতে নাঈম ক্ষিপ্ত হয়ে তার অপর দুই ভাই সোহাগ ও মাইন উদ্দিনসহ তাদের আরো কয়েকজন সহযোগী দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে মমিনুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা মমিনুলকে উদ্ধার করে প্রথমে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি ঘটলে পরে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলার পরপরই শাহআলমের তিন ছেলে ও হামলাকারী আত্মীয়-স্বজনরা নিজ গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শাহআলমকে আটক করে। এক ঘণ্টা পর স্থানীয় একজনের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রবাসী মমিনুল ইসলামের পরিবার জানায়, কয়েক বছর আগে নাঈমকে দুবাইয়ে কাজের সুযোগ দিয়েছিলেন মমিনুল। সেখানে দোকানে কাজ করার সময় নাঈম কয়েক ভরি স্বর্ণ চুরি করে পালানোর চেষ্টা করলে মমিনুল অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে স্বর্ণ ফেরত দিয়ে সেখানেই বিষয়টির মীমাংশা করা হয়। এতে শাহআলমের পরিবার মমিনুলের পরিবারের উপর ক্ষুব্ধ হয়। কিছুদিন আগে মমিনুল ইসলাম দেশে আসলে বিষয়টি নতুন করে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ সময় শাহআলমের পরিবার মমিনুলকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। এ ঘটনার জের দিনদিন বাড়ছিলো। বিষয়টি নিয়ে শনিবারে শালিস অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শাহআলমের ছেলে নাঈমের অশোভন আচরণের প্রতিবাদ করায় তারা পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ী মমিনুলের উপর হামলা করে। মমিনুলের পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই শনিবারের শালিস বৈঠকের সময় তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। আমরা এ হামলায় জড়িতদের দ্রæত আইনের আওতায় এনে তাদের বিচার নিশ্চিতের জোর দাবি জানাচ্ছি। এর আগে অভিযুক্ত নাঈম কর্তৃক হুমকি-ধমকির ঘটনায় গত বুধবার ভুক্তভোগি প্রবাসী মমিনুল ইসলাম জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।

এ বিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত শাহআলম বলেন, বিদেশে আমার ছেলে নাঈমের সাথে ভিসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ওইদিন বিচার বসে। মমিনুল আমার ছেলের সাথে অন্যায় করেছে। সমাধান হওয়ার একপর্যায়ে সে আমাদেরকে হুমকি দিলে আমরা তার উপর হামলা করতে বাধ্য হই। এখন তারা আইনের আশ্রয় নিয়েছে। আমি আইনীভাবে তা মোকাবেলা করবো। সামাজিকভাবে মীমাংশার জন্য আমি প্রস্তুত।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিলাল উদ্দিন বলেন, সামাজিক শালিসে প্রবাসীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আটক শাহআলমকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, শাহআলম বয়োবৃদ্ধ একজন মানুষ। তিনি প্রস্রাবে ইনফেকশন জনিত সমস্যাসহ শারীরিক নানান সমস্যায় ভুগছেন। মানবিক দিক বিবেচনায় স্থানীয় একজনের জিম্মায় তাকে সাময়িকভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

নববধূকে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষ*ণ, গোসল করায় মামলা নেননি ওসি!

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২০ পিএম
নববধূকে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষ*ণ, গোসল করায় মামলা নেননি ওসি!

Oplus_131072

বরিশালের বাকেরগঞ্জে বিয়ের মাত্র ১৬-১৭ দিনের মাথায় ১৭ বছর বয়সী এক নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর সৎভাই ও এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচার চাইতে থানায় গিয়ে মামলা না নেওয়া এবং উল্টো ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেনের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ অক্টোবর রাতে উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের আড়াইবেকী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন মো. ইমরান প্যাদা (৩৮) ও রাকিব প্যাদা (২৬)। ইমরান ভুক্তভোগীর স্বামীর সৎভাই এবং রাকিব তার চাচাশ্বশুর।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার কথা বলে ইমরান তাকে বাজারে নিয়ে যান। রাতে বাড়ি ফেরার পথে ইমরান ও রাকিব তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় বিচার চেয়ে গত ২৩ অক্টোবর বরিশাল জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে লিখিত অভিযোগ দেন ওই নারী। পরে লিগ্যাল এইড অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় যান তিনি।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, থানায় ওসি আদিল হোসেনের কাছে গেলে তিনি মামলা না নিয়ে উল্টো ভয়ভীতি দেখান। ধর্ষণের কোনো প্রমাণ নেই এবং গোসল করায় আলামত নষ্ট হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন ওসি। এমনকি অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে ভুক্তভোগীকেই সাত বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে বলেও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। এ সময় অভিযুক্ত ইমরানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে উপহাস করা হয় বলেও দাবি তার।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি আদিল হোসেন। তার ভাষ্য, দু-এক দিন আগে ওই নারী স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে সঙ্গে নিয়ে থানায় এসেছিলেন। তাদের কাছে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হলে কিছুক্ষণ পর জানাবেন বলে তারা থানা থেকে চলে যান।

এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইমরান ও রাকিব পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের বক্তব্য জানতে বাড়িতে গিয়েও পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীর স্বামী জীবন প্যাদা, শ্বশুর সুলতান প্যাদা ও শাশুড়ি ফাতেমা বেগম অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাসুদ হাসান বলেন, বিচার চাইতে থানায় যাওয়া একজন নারী যদি সুরক্ষার বদলে ভয়ভীতির শিকার হন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা না নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ওসি মামলা না নিয়ে থাকলে কিংবা ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৩ পিএম
জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর জেলা পর্যায়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে কুমিল্লার হোমনা কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া তাহেরিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় আজান ও কুরআন তিলাওয়াত বিভাগে অংশ নিয়ে তিন শিক্ষার্থী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১টায় কুমিল্লা জেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় আজান ‘ক’ গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করে মো. জাহিদ হাসান। কুরআন তিলাওয়াত ‘খ’ গ্রুপে দ্বিতীয় হয় মো. হাফিজুল ইসলাম এবং ‘ক’ গ্রুপে তৃতীয় স্থান অর্জন করে মো. আতাউল্লাহ বুখারী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আকতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা শাহ এবং নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উপপরিচালক আশেকুর রহমান।

মাদ্রাসার মুহতামীম মুফতি মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন আত তাহেরীর তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা এ সাফল্য অর্জন করে। তাদের এ অর্জনে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি হাজী মুহাম্মদ নূরুল ইসলামসহ পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিশু-কিশোরদের ইসলামী শিক্ষা, কুরআন তিলাওয়াত ও সাংস্কৃতিক চর্চায় আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি তাদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১১ পিএম
দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতি দমন এবং জননিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায় এসব বিষয় গুরুত্ব পায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।

সভায় মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন দাউদকান্দি-চান্দিনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক নাহিদ আহমেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, দাউদকান্দি মডেল থানার প্রতিনিধি, দাউদকান্দি পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. মোখলেসুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিগার সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বায়জিদ আহমেদ এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন চৌধুরী।

এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান আবুল হাসেম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ কে শামসুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সভায় উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

×