মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

হোমনায় ফেসবুক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত রুবেল হাসপাতালে ভর্তি

তানভীর ইসলাম আলিফ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:০৬ পিএম
হোমনায় ফেসবুক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত রুবেল হাসপাতালে ভর্তি
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

 

কুমিল্লার হোমনায় ফেসবুকে মন্তব্য নিয়ে উত্তেজনা ও পূর্ব শত্রুতার জেরে দুলালপুর কাশিপুর গ্রামে এক হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হিমেল মিয়ার বাড়ির সামনে এ হামলার শিকার হন মো. রুবেল (৩৫)।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা জানান—রুবেলের মাথার পেছনে ধারালো অস্ত্রের গভীর জখম হয়েছে এবং তাকে ছয়টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত।

আহত রুবেল হোমনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ফেসবুকে মন্তব্য নিয়ে বিরোধের জেরে এলাকার মুশফিকুর রহমান মেহেদী, শামীম, সজিব, আরিফ, জুলহাস, ইমরান, জীবন, অলি ও জালালসহ ১৫–১৬ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাকে ঘিরে ফেলে। পরে লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। এ সময় শামীম নামে এক ব্যক্তি ধারালো দা দিয়ে তার মাথার পেছনে কোপ মারেন।

হামলার বাধা দিতে গেলে সাক্ষী মাহিন ও হিমেলও হামলাকারীদের হাতে মারধরের শিকার হন। অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে—হামলাকারীরা রুবেলের পকেট থেকে ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং হিমেলের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতি করে।

ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে যাচাই করা হচ্ছে। এসআই জীবন বিশ্বাসকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় ‘রোহিঙ্গাকে’ জন্মনিবন্ধন দেওয়ার অভিযোগে নতুন মোড়, অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪০ এএম
কুমিল্লায় ‘রোহিঙ্গাকে’ জন্মনিবন্ধন দেওয়ার অভিযোগে নতুন মোড়, অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন তথ্য

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে রোহিঙ্গা নাগরিককে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের অনুসন্ধানে ভিন্ন চিত্র পাওয়া গেছে। জন্মনিবন্ধন নিয়ে তদন্ত হওয়া তিন ব্যক্তি—মুবিনা খাতুন, হাফিছা ও সাইমুন ইসলাম সাজ্জাদ—রোহিঙ্গা নন; তারা জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধি ও তাদের স্বজনরা।

 

এ ঘটনায় একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হলেও অনুসন্ধানে ওই প্রতিবেদনটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের তদন্তে ওই তিন ব্যক্তির ইউনিয়নে স্থায়ী বসবাসের তথ্য না পাওয়ায় তৎকালীন ইউপি সচিব মো. নজরুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।

অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, ফতেহাবাদ ইউনিয়ন থেকে জন্মনিবন্ধন নেওয়া ওই তিন ব্যক্তিকে রোহিঙ্গা হিসেবে প্রচারের বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। তারা কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা এবং জন্মসূত্রে বাংলাদেশি নাগরিক—এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

 

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, মুবিনা খাতুন, হাফিছা ও সাইমুন ইসলাম সাজ্জাদ ছাড়াও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি বয়স বা নাম সংশোধনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্মনিবন্ধন সনদ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু হেনা সিদ্দিকী ইশমাম, জুনাইরা আফরিন আঁখি, নূর মামিন ও মাজেদ।

 

মুবিনা খাতুনের জন্মনিবন্ধন সনদে তার স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের টেকনাফ সদর উল্লেখ রয়েছে। তার জন্মনিবন্ধন নম্বর ১৯৭৮১৯১৪০৪৭১৩০১০১। বাবার মৃত্যু সনদে তাকে শনাক্ত করা না গেলেও তার মায়ের ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য অনুযায়ী, মা নুরজাহান বেগম কক্সবাজার সদর উপজেলার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা।

মুবিনা খাতুনের মা নুরজাহান বেগম বলেন, তার সাবেক স্বামী আবুল কাশেম অনেক বছর আগে মারা গেছেন। তার মেয়ে মুবিনাও সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। তিনি দাবি করেন, তারা মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা নন। তার জন্ম কক্সবাজার সদরে এবং তার বাবা, ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশের নাগরিক। মুবিনাও জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক।

অন্যদিকে, হাফিছার জন্মনিবন্ধন সনদে তার স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড উল্লেখ রয়েছে। তার জন্মনিবন্ধন নম্বর ২০০৫১৯১৪০৪৭১৩০১২। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন এবং সেখানেই বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।

 

ভারুয়াখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল আমিন কাজল বলেন, হাফিছা, আবু হেনা সিদ্দিকী ইশমাম ও জুনাইরা আফরিন আঁখি তার প্রতিবেশী এবং তারা তার ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা। চেয়ারম্যান না থাকায় এলাকায় সাধারণ নাগরিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে অন্য এলাকা থেকে নাগরিক সনদ বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে সমস্যার সমাধান করছেন।

 

তৃতীয় ব্যক্তি সাইমুন ইসলাম সাজ্জাদের জন্মনিবন্ধন সনদে তার স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার পোয়ানক ইউনিয়নের রছুয়ারগুনা গ্রাম উল্লেখ রয়েছে। তার জন্মনিবন্ধন নম্বর ১৯৯৮১৯১৪০৪৭১৩০১০৫। বর্তমানে তিনি আবুধাবিতে প্রবাসে রয়েছেন।

 

সাইমুনের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, তার ছেলে বর্তমানে আবুধাবিতে থাকেন। জরুরি প্রয়োজনে ডিজিটাল জন্মসনদের প্রয়োজন হওয়ায় পরিচিত একজনের মাধ্যমে তিনি জন্মসনদ তৈরি করেন। তাদের পরিবার মিয়ানমারের নাগরিক নয় দাবি করে তিনি বলেন, তাদের পূর্বপুরুষরা জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক।

 

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, নতুন করে জন্মনিবন্ধন নেওয়া অনেকের নিজ নিজ এলাকায় আগের জন্মনিবন্ধন থাকলেও বয়স সংশোধনসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান না হওয়ায় দালালের মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে নতুন জন্মনিবন্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও তাদের জন্মনিবন্ধন তৈরি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ডিজিটাল সেন্টারের সাবেক উদ্যোক্তা আসাদুজ্জামান রাজিব তাকে জিম্মি করে জোরপূর্বক কাজ করিয়ে নিতেন। তিনি ছুটিতে থাকা অবস্থায় রাজিব নাগরিকদের সমস্যার কথা বলে বিভিন্ন সময় তার কাছ থেকে OTP নিয়ে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের জন্মসনদ দিয়েছেন, যা পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি আইন অনুযায়ী দায়ীদের শাস্তির দাবি করেন।

 

সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দিন রুহুল বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করলেও জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনার ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পান ২০ জানুয়ারি ২০২৫ সালে। অথচ আলোচিত জন্মনিবন্ধনগুলো তৈরি হয়েছে ৪ জানুয়ারি ২০২৫। অর্থাৎ তিনি ইউজার এক্সেস পাওয়ার আগেই সনদগুলো তৈরি করা হয়েছে। কারা, কীভাবে এবং কোন আইডি ব্যবহার করে এসব জন্মনিবন্ধন তৈরি করেছে, তা তার জানা নেই।

 

এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজি আক্তারের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইস্যু করা জন্মনিবন্ধন সনদ কোনো রোহিঙ্গাকে দেওয়া হয়েছে কি না, তা তদন্ত চলছে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-রেফারি কমিশনে কুমিল্লার সেন্‌সি জুবায়ের ইসলাম খালিদ

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৫ এএম
চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-রেফারি কমিশনে কুমিল্লার সেন্‌সি জুবায়ের ইসলাম খালিদ

বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের (BKF) উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-রেফারি কমিশন গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এ কমিশনে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন কুমিল্লার কারাতে প্রশিক্ষক ও সংগঠক সেন্‌সি মো: জুবায়ের ইসলাম খালিদ।
চট্টগ্রাম বিভাগের কারাতে অঙ্গনে দায়িত্বশীল এ কমিশনে কুমিল্লার একজন কারাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অন্তর্ভুক্তিকে জেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন ও সম্মানের বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে সেন্‌সি মো: জুবায়ের ইসলাম খালিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এটি কুমিল্লার জন্য এবং চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য অত্যন্ত সম্মানের ও দায়িত্বের একটি বিষয়। মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি এবং বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
তিনি আরও বলেন, অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি কারাতে অঙ্গনের সিনিয়র, শিক্ষক, সহকর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
কারাতে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-রেফারি কমিশনে সেন্‌সি মো: জুবায়ের ইসলাম খালিদের অন্তর্ভুক্তি কুমিল্লার কারাতে অঙ্গনের জন্য একটি ইতিবাচক স্বীকৃতি এবং ভবিষ্যতে এ অঞ্চলের কারাতে কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আজম মেম্বারের গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিএনপির নির্বাচিত এমপির কাছে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির আবেদন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৫ পিএম
আজম মেম্বারের গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিএনপির নির্বাচিত এমপির কাছে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির আবেদন

কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের বিএনপির মনোনীত নির্বাচিত এমপিআবুল কালামের কাছে সাহাব উদ্দিন আজম মেম্বারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও তাঁর মুক্তির দাবিতে আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সাহাব উদ্দিন আজম মেম্বারের বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে ২ নম্বর সরসপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রুদ্রপুর গ্রামে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাহাব উদ্দিন আজম মেম্বার ২ নম্বর সরসপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রুদ্রপুর গ্রামের সন্তান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। রাজনৈতিক কারণে তাঁকে বিভিন্ন সময় নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। বক্তাদের দাবি, রাজনৈতিক হয়রানির কারণে আজম মেম্বার ও তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতেও পারেননি।

বক্তারা আরও বলেন, কালাম ভাইয়ের নেতৃত্বে রাজনীতি করতে গিয়ে আজম মেম্বারকে বহু প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এমনকি রাজনৈতিক কারণে তাঁকে নিজের বাড়িতেও নিয়মিত থাকতে পারেননি বলে দাবি করেন তারা। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটিকেও তারা ষড়যন্ত্রমূলক ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করছেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের বিএনপির নির্বাচিত এমপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আজম মেম্বারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তাঁর পাশে দাঁড়াতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় বক্তারা অবিলম্বে আজম মেম্বারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, হয়রানি বন্ধ এবং তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হলে দ্রুত মুক্তির ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

মানববন্ধন শেষে স্থানীয় নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এমপির কাছে লিখিত আবেদন জানান এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেন।

×