সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

তুচ্ছ ঘটনায় মারামারিতে জড়িয়ে পড়ছে কুবি ছাত্রলীগ

কুবি প্রতিনিধি :, প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২২, ২:০১ পিএম
তুচ্ছ ঘটনায় মারামারিতে জড়িয়ে পড়ছে কুবি ছাত্রলীগ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মেয়ে ঘটিত, মেসেঞ্জার গ্রুপে কথা কাটাকাটি, জুনিয়রদের সামনে নিজেদের উপস্থাপনের মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বার বার মারামারিতে জড়িয়ে পড়ছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। গত একমাসে ৫ বার মারামারিতে জড়িয়েছে নেতাকর্মীরা। ফলে বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত কর্মকান্ডে গণমাধ্যমের শিরোনাম হচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের শাখাটি।
খোজঁ নিয়ে জানা যায়, সর্বশেষ গত ১০ এপ্রিল ব্যাচের মেসেঞ্জার গ্রুপে বান্ধবীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির জের ধরে সংঘর্ষে জড়ায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিক্ষার্থীরা। ঘন্টাব্যাপী দফায় দফায় এ মারধরের ঘটনা ঘটে। এসময় ছাত্রলীগের বিভিন্ন হল ও অনুষদ শাখার নেতাদের মধ্যে উচ্চবাচ্য ও হাতাহাতি হয়। মেসেঞ্জার গ্রুপে কথা কাটাকাটির সূত্র ধরে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী কাউসার হোসেন আপনকে থাপ্পড় মারেন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল ছাত্রলীগের উপ-শিক্ষা পাঠচক্র সম্পাদক রবিন হোসেন ও উপ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আলভির ভূইঁয়া। এঘটনায় সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দত্ত হল ছাত্রলীগ নেতা রবিন, আলভির, শরীফ, শাহিন, সবুজ, জামিল, ইয়াসিনের সাথে সংঘর্ষে জড়ায় বঙ্গবন্ধু হল ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক সেলিম আহমেদ, ছাত্রলীগকর্মী আরিফ, গালিবসহ কয়েকজন। পরে দুই গ্রুপকে হলে ফিরে যেতে বললে গোল চত্ত্বর ও মুক্তমঞ্চে ফের হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ প্রক্টরিয়াল টিম উপস্থিত হয়ে উভয় গ্রুপকে হলে পাঠিয়ে দেয়। এঘটনায় দুই হলের নেতারা একে অপরকে দোষারূপ করেন।
কুবি শাখা ছাত্রলীগ গত একমাসে ৫ বার মারামারিতে জড়িয়েছে। গত ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় ছাত্রলীগের পার্টি অফিসে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ছাত্রলীগের এক নেতাকে পিঠে চাপড়ে খবর জানতে চাওয়ায় মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল ও কাজী নজরুল ইসলাম হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ২২ মার্চ শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াকিল আহমেদকে চিনতে না পেরে ‘তুমি’ সম্বোধন করায় মারধরের শিকার হয় মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আনিছুর রহমান। এতে তার বা’চোখে গুরুত্বর জখম হয়। এঘটনায় শাখা ছাত্রলীগ থেকে ওয়াকিলকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এছাড়া বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত করছে। ১৭ মার্চ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক ছাত্রদল নেতা মারধর করেন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল শাখার সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খাইরুল বাশার সাকিব, ছাত্রলীগ নেতা ইমতিয়াজসহ নেতাকর্মী। এছাড়া গত ৩ মার্চ মার্কেটিং বিভাগে নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সামনে নিজেদের উপস্থাপনকে কেন্দ্র করে হল গ্রুপ এবং মেস গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ছাত্রলীগের একাধিক নেতা বলেন, যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় বারবার মারামারিতে জড়িয়ে পড়ছে নেতাকর্মীরা।
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন বারবার এমন ঘটনা ঘটছে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, বিভাগের, ক্লাসের তুচ্ছ ঘটনায় হলের নেতাকর্মীরা জড়িয়ে পড়ছে বলে এমনটা ঘটছে। যখনি কোন সমস্যা দেখছি আমরা সাথেসাথে মীমাংসা করে দিচ্ছি। ঈদের পরে হল কমিটিগুলো শক্তিশালী করে কিভাবে বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো কমানো যায় সেদিকে নজর দিব। হল প্রশাসনের সাথে নিয়ে ছাত্রদের কাউন্সিলিং করব।
প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, ‘যখনি কোন ঘটনা ঘটছে সাথেসাথে ছাত্রনেতাদের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা করছি। তবে কেউ অভিযোগ না করলে তো কিছু করতে পারব না। যখনি অভিযোগ পাচ্ছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

×