সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

অশান্ত হয়ে উঠছে রাজনীতি: কি হবে পরিণতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৩, ৭:৪৫ পিএম
অশান্ত হয়ে উঠছে রাজনীতি: কি হবে পরিণতি
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

হঠাৎ করে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে উঠেছে। আজ পুরো ঢাকা শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। এরকম আশঙ্কা অনেক মহলই করেছিলেন। কিন্তু সকলেই শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশা করেছিল যে রাজনৈতিক দলগুলো সহনশীলতার পরিচয় দিবে এবং শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমেই তাদের দাবি দাওয়া আদায়ের চেষ্টা করবে। কিন্তু সেটি আর হয়নি। আজ বিএনপির সমাবেশ স্থলে শুরু থেকে ছিল মারমুখী আচরণ এবং তারা একের পর এক সহিংসতার ঘটনা ঘটাতে থাকে। এরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিএনপি হরতালের ডাক দিয়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছে, এটি সূচনা মাত্র। সামনের দিনগুলোতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এর ফলে কি হবে?

 

আগামী ৯০ দিনের মধ্যে দেশে একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু নির্বাচনের আগে এধরনের সহিংসতা কি নির্বাচনকে অনিশ্চিত করে তুলবে? একটি অনির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতায় আসার পথ করে দিবে? এই প্রশ্নটি এখন সামনে চলে এসেছে।

 

বিএনপি কিছুদিন ধরেই নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। তারা বলছে যে এই দাবি আদায় ছাড়া তারা নির্বাচনে যাবে না। কিন্তু এই দাবি পূরণের লক্ষ্যে তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করবে এমন আশ্বাসও দিয়েছিল। যদিও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মহল থেকে আশঙ্কা করা হয়েছিল যে বিএনপির কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ থাকবে না। যেকোনো সময় তারা সহিংস হয়ে উঠতে পারে। তারা শুধু খোঁজ সুযোগ খুঁজছে। আজ সেই সুযোগটি পেয়েছে বিএনপি। আর এই সুযোগ পাওয়ার পরপরই বিএনপি যে তাণ্ডব চালিয়েছে তাতে জনমনে এখন নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সামনের দিনগুলোতে কি হয় তা নিয়ে চলছে নানামুখী জল্পনা কল্পনা।

 

বিএনপি এই হরতালের মাধ্যমে সামনের দিনগুলোতে আরও বড় ধরনের সহিংস কর্মসূচি গ্রহণ করে দেবে বলে অনেকেই মনে করছেন। তবে বিভিন্ন মহল মনে করছে যে বিএনপির আজকের এই ঘটনাবলি গুলো সরকারকে কঠোর অবস্থানে নিয়ে যেতে বাধ্য করবে। সরকার হয়তো এখন বিএনপির শীর্ষ নেতাদেরকে গ্রেপ্তার এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য যা যা করা দরকার সব কিছু করবে। এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বিএনপি হয়তো আরও সহিংস এবং জ্বালা-পোড়াওয়ের দিকে যেতে পারে। সবকিছু মিলে আগামী কয়েকটা দিন রাজনীতি উত্তাপের আগুনে জ্বলবে। এটির প্রভাব নির্বাচনের ওপর পড়ে কিনা সেটাই হলো শঙ্কার কথা। কারণ এইরকম সহিংস পরিবেশ হলে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশও নষ্ট হয়ে যাবে।

 

তবে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা বলছেন তারা যেকোনো উপায়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং সংবিধানে বেঁধে দেওয়ার সময়ের মধ্যে নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর। এখন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মুখোমুখি অবস্থানে চলে গেছে। আওয়ামী লীগ যেমন নির্বাচন করতে চাইছে তেমনি বিএনপি একটি অসাংবিধানিক সরকারকে ক্ষমতায় আনতে চাইছে। আর এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের ফলে রাজনীতিতে যে সংকটের কালো মেঘ তা ঘনীভূত হওয়া শুরু করছে। বিএনপি সামনের দিনগুলোতে আরও বেশি হরতাল, অবরোধ এবং জ্বালাও-পোড়াওয়ের কর্মসূচি দেবে। অন্যদিকে জনগণের জানমাল নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য হয়তোবা সরকারও কঠোর পদক্ষেপ নেবে। এখন দেখার বিষয় এই ধরনের পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ দেশকে কোথায় নিয়ে যায় এবং সামনের দিনগুলোতে এই সহিংসতার পরিণতি কি হয়। তবে এর মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে সমঝোতার পথ আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

কুমিল্লার চান্দিনায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. মনির হোসেন (৩১) নামে ওই শিক্ষককে স্থানীয়রা আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে রাখার পর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি দোল্লাই নবাবপুর বাজারসংলগ্ন মারকাজুল নূরে মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরকে মাদ্রাসাটির দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সে মাদ্রাসাতেই থাকত। সেখানে অভিযুক্ত মনির হোসেন আরবি বিষয়ে পাঠদান করতেন।

পরিবারের ভাষ্য, গত ১১ আগস্ট দিবাগত রাত অর্থাৎ ১২ আগস্ট রাতের খাবার শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মনির হোসেন ওই কিশোরকে ডেকে নিজের খাটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শরীর ম্যাসেজ করাতে বাধ্য করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে তাকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই কক্ষে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার পর আতঙ্কে কিশোরটি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। ১২ আগস্ট বিকেলে মোবাইল ফোনে মাকে বিষয়টি জানালেও বিস্তারিত কিছু বলেনি। পরদিন তাকে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে মোবাইল ফোনে বাবাকে ঘটনার কথা জানায় সে। ১৭ আগস্ট রাতে ছেলের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন মা।

ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, ছেলের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ঘটনার পর টানা তিন দিন তার পায়ুপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। পরে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর প্রবাসী বাবা অভিযুক্ত শিক্ষক মনির হোসেনকে ফোন করেন। এ সময় মনির হোসেন বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেন। পরে পরিবারটি স্থানীয়দের বিষয়টি জানালে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এদিকে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রাম্য সালিশ বসে।

সালিশ চলাকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাটি জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হন। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চান্দিনা থানার পুলিশ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে যায় এবং অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রাম্য সালিশে বসার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, “উভয় পক্ষ আমার পরিষদে এসে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাইলে আমরা সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।”

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, “স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসিক মাদ্রাসায় থাকা শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

×