রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১২ এএম
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। একই সঙ্গে মহানগর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদকে তাঁর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনা ও উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর ধারার ৩ নম্বর উপধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে ৬৩ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সংগঠন ও ইমারাত বিলুপ্ত করা হয়েছে। এখন থেকে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

কুমিল্লা মহানগর সংগঠনের কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমকে।

ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি

কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কার্যালয়ে বুধবারের ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। কমিটির সদস্যরা হলেন জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান।

গঠিত তদন্ত কমিটিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

জরুরি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত মেনে কার্যক্রম পরিচালনার কথা জানালেন কাজী দ্বীন মোহাম্মদ

এ বিষয়ে শুক্রবার রাতে সদ্য বিলুপ্ত কুমিল্লা মহানগর কমিটির আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বিষয়টি তিনি ইতিমধ্যে জানতে পেরেছেন। এখন থেকে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুসারে কুমিল্লায় দলের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিদ্ধান্ত

প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে কুমিল্লা নগরীর গাংচর এলাকার ফারুকী হাউসে জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর আমির নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক সভা চলাকালে নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের সামনে রাখা মহানগর সেক্রেটারি মো. মাহাবুবুর রহমানের একটি গাড়ি ভাঙচুর এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, আমিরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি এবং তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ।

নেত্রকোনার সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে চৌদ্দগ্রাম সাংবাদিক সমিতির মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫০ পিএম
নেত্রকোনার সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে চৌদ্দগ্রাম সাংবাদিক সমিতির মানববন্ধন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে আইপিটিভি ‘রূপসী বাংলা’ এর প্রতিনিধি সাংবাদিক মো. লুৎফুজ্জামান ফকির আলিলকে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে ও দ্রুত খুনিদের গ্রেফতার ও সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচারের দাবিতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শাখার উদ্যোগে প্রতিবাদ র‌্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ পূবালী ব্যাংক সংলগ্ন উপজেলা সাংবাদিক সমিতির অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় সাংবাদিকরা তাদের বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিকরা দেশের জন্য আয়না স্বরূপ এবং একটি আদর্শ রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে। তারা সমাজের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সহ অপরাধমূলক কর্মকান্ডের তথ্যগুলো জনস্বার্থে মানুষের সামনে তুলে ধরেন। একজন পেশাদার সাংবাদিককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনা সাংবাদিক সমাজ তথা দেশের জন্য বেশ উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। এ ধরনের ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। মানববন্ধন থেকে আমরা এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে সাংবাদিক আলিফ হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে দ্রুত বিচার আদালতের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং বিভিন্ন প্রকার হয়রানি বন্ধে কার্যকর আইন সহ সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের জন্য সরকারের কাছে উদাত্ত আহবান জানান বক্তারা।

বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শাখার সভাপতি ও দৈনিক রূপসী বাংলার উপজেলা প্রতিনিধি মো. এমরান হোসেন বাপ্পি’র সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দৈনিক কালের কন্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি মো. আবুল বাশার রানা, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক দেশ রূপান্তর ও এনটিভি’র মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি মো. মনোয়ার হোসেন, চৌদ্দগ্রাম টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক ও আনন্দ টিভি’র উপজেলা প্রতিনিধি মো. কামাল হোসেন নয়ন।

বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সকালের সময় এবং ভোরের সূর্যোদয় এর উপজেলা প্রতিনিধি মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন এর পরিচালনায় মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি মো. মিজানুর রহমান মিনু, সাংবাদিক ইয়াছিন ভূঁইয়া, আতাউর রহমান রিপন, মো. মাইন উদ্দীন মাসুদ, মো. মাছুম, আশিকুর রহমান মজুমদার, এম এ নোমান, সাইদুল হক, আবদুর রহিম মজুমদার সোহেল, সাকিবুল হাসান মিয়াজী, মো. নাজিম উদ্দিন প্রমুখ। এ সময় চৌদ্দগ্রামে বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৫ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরের তেলনজিয়া এলাকায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফকে গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বত্তরা। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শালিস ও মাদক বিরোধী নানা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জের ধরে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সহ তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনার পরপরই সারাদেশে সংবাদটি ভাইরাল হয় এবং হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের জোর দাবি জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠন।

মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন যুবদল নেতা

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৩ পিএম
মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন যুবদল নেতা

কুমিল্লার দেবিদ্বারে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ তুলে পুলিশের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি আবদুল হাই কায়সার। তাঁর অভিযোগ, পূর্ববিরোধের জেরে পুলিশের এক সোর্সের পরিকল্পনায় তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক এবং তাঁদের স্বীকারোক্তির পরিপ্রেক্ষিতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত সাজা দিয়েছেন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টায় দেবিদ্বার রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন আবদুল হাই কায়সার।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টার দিকে দেবিদ্বার থানার এসআই মো. ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ দেবিদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামে তাঁর ফার্ম হাউসের কার্যালয়ে প্রবেশ করে। ওই সময় তিনি কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির সঙ্গে একটি সালিশি বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন। পুলিশের উপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তাঁকে জানানো হয়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে গেছে।

আবদুল হাই কায়সারের অভিযোগ, তাঁর ছোট ভাই পুলিশের কার্যক্রমের ভিডিও ধারণ করতে গেলে এসআই ইসমাইল উপস্থিত ব্যক্তিদের মোবাইল ফোন নিয়ে নেন এবং দরজার ছিটকিনি আটকে দেন। দীর্ঘ সময় পর দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তাঁদের সঙ্গে থাকা এক স্থানীয় বিএনপি নেতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, যথাযথ কারণ ছাড়াই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে সাত দিনের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় ওসির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত কাইয়ুমের সম্পৃক্ততার অভিযোগও করেন তিনি। আবদুল হাই কায়সারের দাবি, কাইয়ুমের সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে তাঁকে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

সাবেক এই যুবদল নেতা বলেন, পুলিশের অভিযানের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়াই তাঁকে দলীয় পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এতে তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আবদুল হাই কায়সার ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া দলীয় বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের আবেদন করেন। ভবিষ্যতে যেন অন্য কেউ এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার না হন, সে জন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি। এ ঘটনায় দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের হেডকোয়ার্টার্সের অভিযোগ সেলে লিখিত অভিযোগ করবেন বলেও জানান তিনি।

পুলিশের বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীপুর গ্রামের একটি মুরগির খামার থেকে কাউছারসহ তিনজনকে আটক করা হয়। তাঁদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত শাস্তি প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৯ সেপ্টেম্বর মাদক সেবনের অভিযোগে আবদুল হাই কায়সারকে ভ্রাম্যমাণ আদালত সাত দিনের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তাঁকে কারাগারে পাঠানোর পর ওই রাতেই জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়।

চৌদ্দগ্রামে ২২টি পূজা মন্ডপে ১৩ হাজার ২শ’ কেজি চাল বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ২২টি পূজা মন্ডপে ১৩ হাজার ২শ’ কেজি চাল বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ২২টি পূজা মণ্ডপের অনুকূলে প্রতিটিতে ৬০০ কেজি করে মোট ১৩ হাজার ২শ কেজি চাল বিতরণ করা হয়েছে।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধিনস্থ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এর অর্থায়নে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সকল পূজা মন্ডপের সভাপতিদের মাঝে অনুদানের এ চাল বিতরণ করা হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহাদাৎ হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা সভাপতি জিএম তাহের পলাশী।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহায়তায় চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. লতিফুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার তাহমিদ শাকিল, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু প্রমোদ রঞ্জন চক্রবর্তী, সেক্রেটারি মাস্টার অনীল চন্দ্র দেবনাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক বলরাম কর্মকার সহ উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপের নেতৃবৃন্দ।

×