সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

গোমতীর বাঁধে ঠিকাদারের গভীর খনন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নজরদারিতে গাফিলতি অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:২০ পিএম
গোমতীর বাঁধে ঠিকাদারের গভীর খনন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নজরদারিতে গাফিলতি অভিযোগ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের সমেশপুর গ্রামে গোমতীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ঘেঁষে ঠিকাদারের লোকজন গভীরভাবে মাটি কাটতে থাকায় গ্রামবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, আসন্ন বর্ষায় বাঁধ ভেঙ্গে গেলে আবারও লাখো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়বে এবং আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ অফিস, কলকারখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র তলিয়ে যাবে।

 

২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া ও কুমিল্লা সদরের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের একাধিক অংশ ভেঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ, ইউনিয়ন পরিষদ অফিস, স্থানীয় স্কুল-কলেজ, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও বাজার প্লাবিত হয়। বুড়িচংয়ের একাধিক গার্মেন্টস কারখানা ও খাদ্য গুদাম পানিতে ডুবে গিয়ে কোটি টাকার ক্ষতি হয়। হাজার হাজার একর ফসলী জমি ও গবাদি পশু ভেসে যায়। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা থেকেই স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, বাঁধের পাশে আবারও গভীরভাবে মাটি কাটলে একই ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।

 

স্থানীয় কৃষক রুহুল আমিন বলেন, “গতবার বাঁধ ভেঙ্গে আমাদের ফসল, গবাদি পশু সবকিছু পানিতে ভেসে গিয়েছিল। এবারও যদি বাঁধ ভেঙ্গে যায়, আমরা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবো না।” কৃষক দেলোয়ার জানান, “আমরা নিজেরা স্বেচ্ছাশ্রমে বস্তায় মাটি ভরে বাঁধ রক্ষা করেছি। কিন্তু এবার ঠিকাদারের লোকজন বাঁধের কোল ঘেঁষে ২৫-৩০ ফুট গভীর মাটি কেটে নিচ্ছে। এতে বাঁধ ভেঙ্গে গেলে আমাদের জীবন-জীবিকা ধ্বংস হয়ে যাবে।”

 

কৃষক আলী আহম্মেদ বলেন, “আমরা চাই বাঁধের এক/দেড়’শ গজ ভিতর থেকে মাটি কেটে সংস্কার করা হোক। কিন্তু বাঁধের কোল ঘেঁষে মাটি কাটার বিষয়টি রহস্যজনক।” প্রতিবাদে অংশ নেওয়া অনেকেই হুমকির ভয়ে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। তারা অভিযোগ করেন, বাঁধ সংস্কারের নামে চর থেকে খনন করা মাটির একটি অংশ বাইরে বিক্রি করছে ঠিকাদারের লোকজন।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয়দের আলোচনায় কাঁঠালিয়া এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য সরকারি জমি থেকে ৫ ফুট গভীরতায় মাটি কাটার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে ঠিকাদার প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয়দের পাত্তা না দিয়ে ২৫-৩০ ফুট গভীর করে মাটি কেটে নিচ্ছে।

 

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী শরিফুল হক মোল্লা বলেন, “কাঁঠালিয়ায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য সরকারি ব্যয় কমিয়ে আমাদের সরকারি জমি থেকে ৫ ফুট মাটি কাটার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ঠিকাদাররা নিয়ম ভেঙ্গে গভীরভাবে মাটি কাটছে। আমি এখনই লোক পাঠিয়ে কাজ বন্ধ রাখার ব্যবস্থা নিচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম মুখস্থ নেই। তবে কুষ্টিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের নামে কাজ চলছে এবং স্থানীয় ঠিকাদাররা তা বাস্তবায়ন করছে।”

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আশরাফ বলেন, “এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। আসন্ন বন্যার আগেই কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি খুঁজ খবর নেওয়ার জন্য একজন আইনজীবী ও মুহুরি সহ সর্দার মাতব্বরদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে ৫ ফুটের বেশি মাটি না কাটা হয়। স্থানীয়রা যদি বাঁধা দেন, আমরা ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবো। তবুও আমি ওই এলাকায় অফিস থেকে লোক পাঠিয়ে বিষয়টি দেখছি।”

 

গ্রামবাসীর দাবি, আসন্ন বর্ষায় বাঁধ ভেঙ্গে গেলে আবারও লাখো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়বে এবং কুমিল্লার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যাবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

×