সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

দেবিদ্বারে এসিল্যান্ড অফিস ম্যানেজ করে চলে অর্ধশত অবৈধ ড্রেজার মেশিন

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৬:৫০ এএম
দেবিদ্বারে এসিল্যান্ড অফিস ম্যানেজ করে চলে অর্ধশত অবৈধ ড্রেজার মেশিন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস ম্যানেজ করে, প্রায় অর্ধশত অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে ফসলি জমি থেকে মাটি উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, দেবিদ্বারে ফসলি জমি রক্ষা ও অবৈধ ড্রেজার মেশিনের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার সুযোগ করে দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড রায়হানুল ইসলাম। একাধিক বার অবগত করেও কেউ কোন প্রতিকার পায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ড্রেজার মালিক জানান, এসিল্যান্ড অফিসের সুমন নামের একজন ব্যাক্তি তাদের কাছ থেকে এসিল্যান্ডের নামে টাকা নিয়ে যায়, এতে করে তারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড কতৃক বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকেন। যখন অভিযান হয় আধাঘন্টা আগেই তাদের সতর্ক হুঁশিয়ারি সংকেত দেওয়া হয়, তখন তারা ড্রেজার মেশিন বন্ধ করে দুরে কোথাও অবস্থান করেন, এরপর এসিল্যান্ড এসে লোক দেখানো অভিযানে দুই একটি পাইপ ভেঙে চলে যায়। তিনি চলে গেলে আবার ড্রেজার মেশিন চালিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া সাংবাদিক, পুলিশকেও তারা টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে থাকেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নিরীহ কৃষক বলেন, রাজামেহার গ্রামের ইব্রাহীম পাঠান সফু, মনির হোসেন, শাহরিয়ারের ড্রেজারের পাশেই আমার বাড়ি, আগে ড্রেজার গুলো শুধু দিনের বেলায় চলতো, এখন দিন রাত ২৪ ঘন্টা চালায়। প্রচন্ড শব্দে আমরা ঘুমাতে পারিনা। ভয়ে কিছু বলতেও পারছিনা। এরা টাকার জন্য মানুষ খুন করতেও দ্বিধা করবে না। প্রশাসন ড্রেজার মেশিন ও পাইপ যদি ভালো ভাবে ভাঙ্গতো বা বিনষ্ট করতো দ্বিতীয়বার কেউ এ ব্যবসা করার সাহস পেত না। প্রশাসনের সাথে লিয়াজো থাকায় ড্রেজার মেশিন ও পাইপ নামমাত্র ভাঙ্গে। যার ফলে আমাদের কৃষি জমি নদীতে পরিনত হচ্ছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, উপজেলা প্রশাসন জেল জরিমানাসহ মেশিন জব্দ বা বিনষ্ট না করে লোক দেখানো অভিযানে ড্রেজার মেশিন বন্ধ ও ফসলি জমি রক্ষা করা সম্ভব নয়। এছাড়াও, গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের দক্ষিণ পাশে মোবারক মিয়ার ড্রেজার মেশিন, ভানী ইউপির সাইতলা উওর পাড়া লিলার বাড়ীর উওরে মাটি ব্যবসায়ী আজিজ ডাক্তারের নেতৃত্বে এবং ভানী গ্রামের মাটি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে রাজামেহার ইউপি’র মরিচা ভূইয়া বাড়ীর দক্ষিণ পাশে ও সইলানা হিন্দু বাড়ীর দক্ষিণ পাশে মরিচা নোয়াপাড়ার হান্নানের তিনটি ড্রেজার মেশিন, সূর্যপুরের পাঁচরঙ্গীর রশিদ মাস্টারের বাড়ির পাশে মাটি ব্যবসায়ী সূর্যপুরের বাবু,ইউনুছ,পাঁচরঙ্গীর সালামসহ আরো কয়েকজনের নেতৃত্বে পান হোসেন মিয়ার ২ টি ড্রেজার মেশিন গত ছয় মাস যাবৎ চলছে দিন রাত অনায়াসে।

এ দিকে কৃষি জমির মালিকরা বলেছেন, প্রশাসনের দৃশ্যমান ভূমিকা ও ভূমিখেকো ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা, জেল জরিমানা না দেওয়ার কারণে স্থায়ী ভাবে ড্রেজার ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে না। আবার অনেক গ্রামে কৃষকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নামমাত্র মুল্যে তাদের কাছ থেকে ৩ ফসলি কৃষি জমি ছিনিয়ে নিচ্ছে ড্রেজার ব্যবসায়ীরা। কিছু রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার দালাল প্রকৃতির লোকদের ছত্রছায়ায় ভূমি খেকো চক্রটি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। যার ফলে নিরীহ কৃষকরা বাধাঁ দিলেও হুমকি ধমকির শিকার হচ্ছেন। অনেকে আবার মনে করেন, প্রশাসন ড্রেজার ব্যবসায়ীদের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে। অথবা প্রশাসনের চোর-পুলিশ খেলার কারণে কোন ভাবেই অবৈধ ড্রেজার বন্ধ করা যাচ্ছে না।

এ ব্যপারে জানতে চাইলে দেবিদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রায়হানুল ইসলাম একটি বাক্যই জানিয়ে দেন বিষয়টি আমি দেখতেছি, এ-যেন দেখেই চলছে অবৈধ ড্রেজার মেশিন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কবিরুল আলম জানান ফসলি জমি রক্ষা করতে, অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক তৎপর। আমি নিজেও এসিল্যান্ডকে অবগত করেছি, কেন বারবার বলার পরেও ব্যবস্থা নেয়নি আমি এখনই মুঠোফোনে কল করে জানবো।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

কুমিল্লার চান্দিনায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. মনির হোসেন (৩১) নামে ওই শিক্ষককে স্থানীয়রা আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে রাখার পর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি দোল্লাই নবাবপুর বাজারসংলগ্ন মারকাজুল নূরে মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরকে মাদ্রাসাটির দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সে মাদ্রাসাতেই থাকত। সেখানে অভিযুক্ত মনির হোসেন আরবি বিষয়ে পাঠদান করতেন।

পরিবারের ভাষ্য, গত ১১ আগস্ট দিবাগত রাত অর্থাৎ ১২ আগস্ট রাতের খাবার শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মনির হোসেন ওই কিশোরকে ডেকে নিজের খাটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শরীর ম্যাসেজ করাতে বাধ্য করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে তাকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই কক্ষে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার পর আতঙ্কে কিশোরটি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। ১২ আগস্ট বিকেলে মোবাইল ফোনে মাকে বিষয়টি জানালেও বিস্তারিত কিছু বলেনি। পরদিন তাকে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে মোবাইল ফোনে বাবাকে ঘটনার কথা জানায় সে। ১৭ আগস্ট রাতে ছেলের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন মা।

ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, ছেলের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ঘটনার পর টানা তিন দিন তার পায়ুপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। পরে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর প্রবাসী বাবা অভিযুক্ত শিক্ষক মনির হোসেনকে ফোন করেন। এ সময় মনির হোসেন বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেন। পরে পরিবারটি স্থানীয়দের বিষয়টি জানালে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এদিকে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রাম্য সালিশ বসে।

সালিশ চলাকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাটি জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হন। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চান্দিনা থানার পুলিশ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে যায় এবং অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রাম্য সালিশে বসার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, “উভয় পক্ষ আমার পরিষদে এসে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাইলে আমরা সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।”

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, “স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসিক মাদ্রাসায় থাকা শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

×