বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

বুড়িচংয়ে মাদক আর অবৈধ অস্ত্রের অভয়ারণ্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি

বুড়িচং প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মে, ২০২২, ২:২৫ পিএম
বুড়িচংয়ে মাদক আর অবৈধ অস্ত্রের অভয়ারণ্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি

ছবি সংগৃহিত।

google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা জেলার ভারত সীমান্তবর্তী উপজেলা বুড়িচং, এই উপজেলাটি যে মাদক পাচার, কারবার ও সেবীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠছে দিনদিন। অবৈধ মাদকের টাকা, আগ্নেয়াস্ত্র ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে পরেছে মাদক কারবারি সিন্ডিকেট।
সীমান্ত এলাকার ওপর দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও সিলেট-কুমিল্লা- ঢাকা মহাসড়ক ও রেলপথের একটি বিশাল অংশ। মাদকের প্রধান বাজার রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত। বহিরাগত মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীরা তো আছেই সেই সাথে সীমান্তবর্তী এ উপজেলার তরুণ, কিশাের-কিশােরী ও যুবকরা দিন দিনই মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। সহজলভ্য হওয়ায় জড়িয়ে পরছে মাদক কারবারেও।

বিশেষ করে উপজেলার সীমান্তবর্তী পাঁচোড়া, চড়ানল, জগৎপুর, শংকুচাইল, বারেশ্বর ও লড়িবাগ, আনন্দপুর, ঘিলাতলী, নজুপুড়া, জামতলা সহ বিভিন্ন গ্রামে নিত্য নতুন মাদক ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছে প্রতিদিনই। এরা বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন কায়দায় মদ, গাঁজা, স্কার্প, বিয়ার, ফেন্সিডিলের পাশাপাশি দেদারে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা।

বুড়িচংয়ে ভারতীয় সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রতিদিনই নদীর স্রোতের মত প্রবেশ করছে মাদক। মাদকের ডিলার ও ব্যবসায়ীরা এক শ্রেণীর অসাধু সীমান্তরক্ষী ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ম্যানেজ করে মদ, গাঁজা, বিয়ার, ইয়াবা, ফেন্সিডিলসহ নানা প্রকার মাদক ও ভারতীয় অবৈধ পণ্য ওপাড় থেকে এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছে। ফলে যুব ও তরুণ সমাজ মাদকের নীল নেশায় আসক্ত হয়ে দিন দিন ধ্বংসের দিকে পতিত হচ্ছে।

সেই সাথে ঘটছে খুন, ডাকাতি, ছিনতাই সহ নানা অপ্রিয়কর ঘটনাও। ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত জেলার বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল ও রাজাপুর ইউনিয়নের প্রায় ১৫ কিলােমিটার অংশ জুড়ে রয়েছে ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা। এর মধ্যে ভারতী সীমান্ত লাগোয়া আনন্দপুর, জঙ্গলবাড়ি, পাহাড়পুর, কোদালিয়া, মিরপুর, শঙ্কুচাইল, হায়দ্রাবাদ, পাঁচোরা, চড়ানল, নবিয়াবাদ এসমস্ত গ্রামের ওপড় দিয়ে ভারত থেকে আসা মাদকের চালান প্রতিদিন পৌঁছে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

মাদক পাচারে নিত্য নতুন কৌশল এবং নারী মাদক কারবারির সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে অনেকাংশে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এর সামান্য কিছু আটক হলেও বেশীর ভাগ মাদকের চালান গোপনে পৌঁছে যাচ্ছে গন্তব্যে। চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত মাদক কারবারিদের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন মাদক ও চোরা কারবারি। এদের মাধ্যমেই দেশে আসছে ইয়াবা সহ নানা জাতের মরন নেশা।

বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য জাচাই বাছাই করে জানা যায়, সীমান্ত গলিয়ে এপাড়ে আসা মাদকের বড় চালান উপজেলার কংশনগর, জগৎপুর, ময়নামতি সহ বিভিন্ন এলাকায় জড়ো করা হয়। পরে সময় সুযোগ বুঝে এম্বুলেন্স, বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, সিএনজি, পিকাপ সহ নানা পরিবহন পাঠানো হয় রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে।

প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে গেলে সীমান্তের চিহ্নিত মাদক কারবারিরা ঢা-ঢাকা দিয়ে থাকে অথবা সীমান্ত পেড়িয়ে অবস্থান করে ভারতে। সীমান্ত এলাকার বড় বড় মাদক ডিলাদের অধিকাংশই ভারত বাংলাদেশের দৈত নাগরিক হওয়ায় তাদের গ্রেফতার করাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য কষ্টস্বাধ্য হয়ে পরেছে।

এ উপজেলার সীমান্ত সহ বিভিন্ন এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারিদের মাঝে রয়েছে, রাজাপুর ইউনিয়নের চড়ানল গ্রামের মহসীন, পাঁচোড়া গ্রামের এমরান আলীর ছেলে মোঃ হোসেন, শঙ্কুচাইল এলাকার ফরিদ মিয়ার ছেলে বিল্লাল, মোস্তফার ছেলে সাইফুল, মাদক সম্রাট নরু মিয়া, তার ভাই রবি নুরু মিয়ার ছেলে মাসুদ, মহরম আলীর ছেলে শিরাজ, রতন মাস্টারের ছেলে মাহমুদুল হাসান সজীব, শঙ্কুচাইল উত্তর পাড়ার সুমন, মুমিন, ও তার মামা শশুর রিপন, সাগর (২৮), নগর ভারত সীমান্ত, মোঃ এমেলী হায়দ্রাবাদ নগর সীমান্তের দৈত নাগরিক, কাউছার, (২৬) হায়দ্রাবাদ, (নগর) সীমান্তে, সুজন খান (২৬), শঙ্কুচাইল, খান বাড়ি,
স্বপণ খান, শঙ্কুচাইল (খান বাড়ি), জসিম (৩৫) পাইকোডা দক্ষিণগ্রাম, পাবেল খান শঙ্কুচাইল খান বাড়ি, ফিরোজ মিয়া উত্তর গ্রাম (বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন) শঙ্কুচাইল, সুমন মিয়া শঙ্কুচাইল খান বাড়ি, মোঃ সাকি উত্তর গ্রাম শঙ্কুচাইল, আনোয়ার দক্ষিণ গ্রাম, মাদক সম্রাট মনির পিতা-আয়েত আলী ঘিলাতলা নজুমুড়া সীমান্ত ভারত দৈত নাগরিক। নাছির, পিতা- আলম ছয়গ্রাম, গাংপাড়ের মৃত হাকিমের ছেলে ফারুক মিয়া, বাৱেশ্বর গাছপাড়ের অবঃ সৈনিক আবুল হাসেমের ছেলে মিজান মিয়া, বারেশ্বর রহমত আলী বাড়ীর শিখন মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া, বারেশ্বর সাধু মেম্বার বাড়ির সানু মিয়ার ছেলে বাদল মিয়া, বাৱেশ্বর কাইমুদ্দি হাজীর বাড়ির ছবির ও তারিই ভাই মনির হােসেন, বারেশ্বর গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার ছেলে মানিক ওরফে ফেন্সি মানিক, বারেশ্বর গ্রামের লাহাউন্দির বাড়ির অহন মিয়ার ছেলে মনির হোসেন, বারেশ্বর পশ্চিম পাড়ার চৌধূরী বাড়ী সংলগ্ন জমসু মিয়ার ছেলে কবির হােসেন, বারেশ্বর পশ্চিম পাড়া চৌধুরী বাড়ী সংলগ্ন চারু মিয়ার ছেলে নুরুল ইসলাম তারি ভাই রমজান, বাৱেশ্বর পশ্চিম পাড়ার বারেশ্বর খন্দকার উত্তর বাড়ীর অহিদুর রহমান খন্দকারের ছেলে মাসুক
খন্দকার ও ইদ্রিস খন্দকারের ছেলে নজরুল, বারেশ্বর পশ্চিম পাড়া হাজী জন্তু মিয়ার ছেলে মানি মিয়া, বারেশ্বর পশ্চিম পাড়া আবুল হাসেমের ছেলে মােঃ হানিফ, মৃতঃ মফিজ পুলিশের ছেলে সম্রাট মিয়া। জগতপুর গ্রামের কামাল হােসেন ওরফে ফেন্সি কামাল, আনন্দপুর গ্রামের আবদুর রহমান, শঙ্কুইলের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী কাজল খান। ছাড়াও উপজেলার ভারেল্লা দক্ষিণ ও উত্তর ইউনিয়ন এলাকায় রয়েছে প্রায় ডজন খানেক মাদকের ডিলার। ময়নামতি ও মোকাম ইউনিয়ন এলাকায় রয়েছে আন্তর্জাতিক ইয়াবা ডিলার সহ মাদক সম্রাটদের আস্তানা।তুলনামূলক ভাবে উপজেলার সবচেয়ে বড় মাদক কারবারি ও কারবারের ট্রানজিট পয়েন্ট হলো উপজেলার এই দুই ইউনিয়ন। বৃহৎ পাইকারি বাজারের অন্তরালে সীমান্ত থেকে আসা মাদকের বড় বড় চালান পৌঁছে যায় ঢাকা সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে। মাদক বিক্রির অবৈধ কালো টাকা ব্যবহার করে সরকার দলীয় সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় ভিন্ন ও বৈধ ব্যবসার।♥

জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৩ পিএম
জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর জেলা পর্যায়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে কুমিল্লার হোমনা কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া তাহেরিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় আজান ও কুরআন তিলাওয়াত বিভাগে অংশ নিয়ে তিন শিক্ষার্থী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১টায় কুমিল্লা জেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় আজান ‘ক’ গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করে মো. জাহিদ হাসান। কুরআন তিলাওয়াত ‘খ’ গ্রুপে দ্বিতীয় হয় মো. হাফিজুল ইসলাম এবং ‘ক’ গ্রুপে তৃতীয় স্থান অর্জন করে মো. আতাউল্লাহ বুখারী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আকতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা শাহ এবং নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উপপরিচালক আশেকুর রহমান।

মাদ্রাসার মুহতামীম মুফতি মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন আত তাহেরীর তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা এ সাফল্য অর্জন করে। তাদের এ অর্জনে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি হাজী মুহাম্মদ নূরুল ইসলামসহ পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিশু-কিশোরদের ইসলামী শিক্ষা, কুরআন তিলাওয়াত ও সাংস্কৃতিক চর্চায় আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি তাদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১১ পিএম
দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতি দমন এবং জননিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায় এসব বিষয় গুরুত্ব পায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।

সভায় মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন দাউদকান্দি-চান্দিনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক নাহিদ আহমেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, দাউদকান্দি মডেল থানার প্রতিনিধি, দাউদকান্দি পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. মোখলেসুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিগার সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বায়জিদ আহমেদ এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন চৌধুরী।

এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান আবুল হাসেম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ কে শামসুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সভায় উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

দেবীদ্বারে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন

মো: বিল্লাল হোসেন: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৯ পিএম
দেবীদ্বারে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বাংলাদেশ- এর দেবীদ্বার উপজেলা শাখার ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দৈনিক আজকালের খবরের প্রতিনিধি আহমেদ হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি শফিউল আলম রাজীবের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার দেবীদ্বারে উপজেলা প্রশাসনের সভা কক্ষে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি,বাংলাদেশ-এর উপজেলা শাখা গঠন উপলক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম আতিকুর রহমান বাশার-এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার অশোক বিক্রম চাকমা। দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজী, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ- এর কুমিল্লা জেলা শাখা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক ও কেন্দ্রীয় নেতা মেহেদী হাসান।

কমিটির অন‍্যান‍্য সদস‍্যরা হলেন, সহ সভাপতি – ময়নাল হোসেন ( ভিপি) দৈনিক মুক্ত খবর। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: রুহুল আমিন হাজারী-দৈনিক জবাবদিহি। সাংগঠনিক সম্পাদক: জনি ফারুক, দৈনিক ইনকিলাব। সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক: এম এ হালিম দৈনিক বাংলার আলোড়ন। দপ্তর সম্পাদক: মনির মোশাররফ, দৈনিক নাগরিক ভাবনা। অর্থ বিষয়ক সম্পাদক: ডা. মো. শাহিন। প্রচার এবং প্রকাশনা সম্পাদক: এ কে এম মিজানুর রহমান (কাউছার) দৈনিক ঢাকা নিউজ। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: শিক্ষক মো. শাখাওয়াত হোসেন। আইন বিষয়ক সম্পাদক: এডভোকেট, মো আনিছুর রহমান খান । সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: ডা. শাহ জালাল।শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: মো. রুহুল আমিন- সহকারী প্রধান শিক্ষক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: আবুল কালাম আজাদ। দৈনিক দিন প্রতিদিন। মামলা ও নির্যাতন মনিটরিং সেল: মো: বিল্লাল হোসেন, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার। জরুরী সহায়তা ও চিকিৎসা বিষয়ক ডা. মাসুদ হাছান। নির্বাহী সদস্য: আব্দুল আউয়াল, দৈনিক আমার প্রানের বাংলাদেশ। আব্দুল আলিম ফেইস দ্যা পিপলস নিউজ। সাধারণ সদস্য: এমজে মামুন, দৈনিক নাগরিক ভাবনা। রাসেল সরকার দৈনিক মানব জমিন। মামুনুর রশীদ, দৈনিক খবরের আয়না। ডাঃ প্রতিনিধি মাসুদ হাসান, শিক্ষক প্রতিনিধি রুহুল আমিন।

অন‍্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা শাখার সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন, মোঃ আব্দুল আউয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী মাহমুদ হৃদয়, আমাদের দেবীদ্বার পএিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এটিএম সাইফুল ইসলাম মাসুম। বিজয় টিভির দেবীদ্বার প্রতিনিধি এনামুল হক।
এছাড়াও পোগ্রামের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন জাহিদ হাজারী, গিতা পাঠ করেন ভজন সাহা। এসময় সম্মিলিত ভাবে জাতীয় সংগীত ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির দলীয় সংগীত প্রদর্শিত হয়।

×