মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

৮০ বছর বয়সে খালেদা জিয়া সাতটি বছর জেল খেটেছেন: আবুল কালাম

আরিফ আজগর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
৮০ বছর বয়সে খালেদা জিয়া সাতটি বছর জেল খেটেছেন: আবুল কালাম
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

 

কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম বলেছেন, ৮০ বছর বয়সে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সাত- সাতটি বছর জেল খেটেছেন, কিন্তু তিনি অন্যায়ের সাথে কখনো আপোষ করেননি। উনাকে বহুবার প্রেশার দেওয়া হয়েছিল বিদেশে পাঠিয়ে দিতে, আমাদের নেত্রী বলেছিলেন বিদেশে আমার কোন ঠিকানা নাই। ছয়বার নিশ্চিত মৃত্যুর থেকে আল্লাহ উনাকে বাঁচিয়েছেন।

শনিবার (১৮ নভেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার নাথেরপেটুয়া ইউনিয়নের ভৌগই উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত উঠান বৈঠকের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, গতকাল শেখ হাসিনার রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা এই ন্যায়বিচারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখব। বিচারবিভাগ স্বাধীন থাকবে। আমরা যদি নির্বাচিত হই বিচারবিভাগকে স্বাধীন রাখা হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের উপর যেভাবে চেপে বসেছিল। দীর্ঘদিন আপন লোকদের জানাজায় যেতে পারিনি। তাদের দোয়ায় অংশ নিতে পারিনি। আমরা এসব ভুলে যাবো না।দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৮০ বছর বয়সে সাত-সাতটি বছর জেল খেটেছেন। আমরা এসব ভুলে যাবো না। আগামী নির্বাচনে খালেদা জিয়ার তিন তিনটি আসনে মনোনয়ন নিয়েছেন। তার সম্মানার্থে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে হবে।

আবুল কালাম বলেন, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান আমাকে লাকসাম এবং মনোহরগঞ্জের মনোনয়ন দিয়েছেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের বিগত সময়ের নির্যাতন, মামলা-হামলার কথা বিবেচনা করেই আমার দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। আমাকে আমার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান বলেছেন, ভোগই হাই স্কুল মাঠে গিয়ে আমার সালাম দাও, ধানের শীষের সালাম দাও। আমি জনাব তারেক রহমানের পক্ষে আপনাদেরকে সালাম দেওয়ার জন্য এখানে এসেছি। আপনারা তারেক রহমানকে আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বানাবেন এটা আশা করি।

এ সময় মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরোয়ার জাহান দোলনসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

দৈনিক ইনকিলাবের সাংবাদিক মুন্সি কামাল আতাতুর্ক মিশেল আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৬ এএম
দৈনিক ইনকিলাবের সাংবাদিক মুন্সি কামাল আতাতুর্ক মিশেল আর নেই

Oplus_131072

দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সাংবাদিক মুন্সি কামাল আতাতুর্ক মিশেল আর নেই। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ঢাকার ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালে স্ট্রোকজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুম মুন্সি কামাল আতাতুর্ক মিশেলের জানাজা নামাজ বাদ আছর তাঁর নিজ বাড়ি ইলিয়টগঞ্জ বাজারে অনুষ্ঠিত হবে।

তাঁর মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজ ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত মুন্সি কামাল আতাতুর্ক মিশেলের মৃত্যুতে তাঁর সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্বজনরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

 

দৈনিক কুমিল্লার ডাক পরিবারের শোক

সাংবাদিক মুন্সি কামাল আতাতুর্ক মিশেলের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে দৈনিক কুমিল্লার ডাক পরিবার।

 

এক শোকবার্তায় দৈনিক কুমিল্লার ডাকের সম্পাদক ও প্রকাশক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় বলা হয়, একজন সাংবাদিক ও সহকর্মী হিসেবে মুন্সি কামাল আতাতুর্ক মিশেলের মৃত্যু সাংবাদিকতা অঙ্গনে অপূরণীয় ক্ষতি। মহান আল্লাহ তাঁর জীবনের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন—আমিন।

ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

কুমিল্লায় ‘রোহিঙ্গাকে’ জন্মনিবন্ধন দেওয়ার অভিযোগে নতুন মোড়, অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪০ এএম
কুমিল্লায় ‘রোহিঙ্গাকে’ জন্মনিবন্ধন দেওয়ার অভিযোগে নতুন মোড়, অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন তথ্য

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে রোহিঙ্গা নাগরিককে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের অনুসন্ধানে ভিন্ন চিত্র পাওয়া গেছে। জন্মনিবন্ধন নিয়ে তদন্ত হওয়া তিন ব্যক্তি—মুবিনা খাতুন, হাফিছা ও সাইমুন ইসলাম সাজ্জাদ—রোহিঙ্গা নন; তারা জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধি ও তাদের স্বজনরা।

 

এ ঘটনায় একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হলেও অনুসন্ধানে ওই প্রতিবেদনটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের তদন্তে ওই তিন ব্যক্তির ইউনিয়নে স্থায়ী বসবাসের তথ্য না পাওয়ায় তৎকালীন ইউপি সচিব মো. নজরুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।

অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, ফতেহাবাদ ইউনিয়ন থেকে জন্মনিবন্ধন নেওয়া ওই তিন ব্যক্তিকে রোহিঙ্গা হিসেবে প্রচারের বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। তারা কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা এবং জন্মসূত্রে বাংলাদেশি নাগরিক—এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

 

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, মুবিনা খাতুন, হাফিছা ও সাইমুন ইসলাম সাজ্জাদ ছাড়াও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি বয়স বা নাম সংশোধনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্মনিবন্ধন সনদ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু হেনা সিদ্দিকী ইশমাম, জুনাইরা আফরিন আঁখি, নূর মামিন ও মাজেদ।

 

মুবিনা খাতুনের জন্মনিবন্ধন সনদে তার স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের টেকনাফ সদর উল্লেখ রয়েছে। তার জন্মনিবন্ধন নম্বর ১৯৭৮১৯১৪০৪৭১৩০১০১। বাবার মৃত্যু সনদে তাকে শনাক্ত করা না গেলেও তার মায়ের ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য অনুযায়ী, মা নুরজাহান বেগম কক্সবাজার সদর উপজেলার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা।

মুবিনা খাতুনের মা নুরজাহান বেগম বলেন, তার সাবেক স্বামী আবুল কাশেম অনেক বছর আগে মারা গেছেন। তার মেয়ে মুবিনাও সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। তিনি দাবি করেন, তারা মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা নন। তার জন্ম কক্সবাজার সদরে এবং তার বাবা, ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশের নাগরিক। মুবিনাও জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক।

অন্যদিকে, হাফিছার জন্মনিবন্ধন সনদে তার স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড উল্লেখ রয়েছে। তার জন্মনিবন্ধন নম্বর ২০০৫১৯১৪০৪৭১৩০১২। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন এবং সেখানেই বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।

 

ভারুয়াখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল আমিন কাজল বলেন, হাফিছা, আবু হেনা সিদ্দিকী ইশমাম ও জুনাইরা আফরিন আঁখি তার প্রতিবেশী এবং তারা তার ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা। চেয়ারম্যান না থাকায় এলাকায় সাধারণ নাগরিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে অন্য এলাকা থেকে নাগরিক সনদ বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে সমস্যার সমাধান করছেন।

 

তৃতীয় ব্যক্তি সাইমুন ইসলাম সাজ্জাদের জন্মনিবন্ধন সনদে তার স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার পোয়ানক ইউনিয়নের রছুয়ারগুনা গ্রাম উল্লেখ রয়েছে। তার জন্মনিবন্ধন নম্বর ১৯৯৮১৯১৪০৪৭১৩০১০৫। বর্তমানে তিনি আবুধাবিতে প্রবাসে রয়েছেন।

 

সাইমুনের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, তার ছেলে বর্তমানে আবুধাবিতে থাকেন। জরুরি প্রয়োজনে ডিজিটাল জন্মসনদের প্রয়োজন হওয়ায় পরিচিত একজনের মাধ্যমে তিনি জন্মসনদ তৈরি করেন। তাদের পরিবার মিয়ানমারের নাগরিক নয় দাবি করে তিনি বলেন, তাদের পূর্বপুরুষরা জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক।

 

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, নতুন করে জন্মনিবন্ধন নেওয়া অনেকের নিজ নিজ এলাকায় আগের জন্মনিবন্ধন থাকলেও বয়স সংশোধনসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান না হওয়ায় দালালের মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে নতুন জন্মনিবন্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও তাদের জন্মনিবন্ধন তৈরি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ডিজিটাল সেন্টারের সাবেক উদ্যোক্তা আসাদুজ্জামান রাজিব তাকে জিম্মি করে জোরপূর্বক কাজ করিয়ে নিতেন। তিনি ছুটিতে থাকা অবস্থায় রাজিব নাগরিকদের সমস্যার কথা বলে বিভিন্ন সময় তার কাছ থেকে OTP নিয়ে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের জন্মসনদ দিয়েছেন, যা পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি আইন অনুযায়ী দায়ীদের শাস্তির দাবি করেন।

 

সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দিন রুহুল বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করলেও জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনার ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পান ২০ জানুয়ারি ২০২৫ সালে। অথচ আলোচিত জন্মনিবন্ধনগুলো তৈরি হয়েছে ৪ জানুয়ারি ২০২৫। অর্থাৎ তিনি ইউজার এক্সেস পাওয়ার আগেই সনদগুলো তৈরি করা হয়েছে। কারা, কীভাবে এবং কোন আইডি ব্যবহার করে এসব জন্মনিবন্ধন তৈরি করেছে, তা তার জানা নেই।

 

এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজি আক্তারের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইস্যু করা জন্মনিবন্ধন সনদ কোনো রোহিঙ্গাকে দেওয়া হয়েছে কি না, তা তদন্ত চলছে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-রেফারি কমিশনে কুমিল্লার সেন্‌সি জুবায়ের ইসলাম খালিদ

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৫ এএম
চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-রেফারি কমিশনে কুমিল্লার সেন্‌সি জুবায়ের ইসলাম খালিদ

বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের (BKF) উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-রেফারি কমিশন গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এ কমিশনে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন কুমিল্লার কারাতে প্রশিক্ষক ও সংগঠক সেন্‌সি মো: জুবায়ের ইসলাম খালিদ।
চট্টগ্রাম বিভাগের কারাতে অঙ্গনে দায়িত্বশীল এ কমিশনে কুমিল্লার একজন কারাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অন্তর্ভুক্তিকে জেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন ও সম্মানের বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে সেন্‌সি মো: জুবায়ের ইসলাম খালিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এটি কুমিল্লার জন্য এবং চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য অত্যন্ত সম্মানের ও দায়িত্বের একটি বিষয়। মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি এবং বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
তিনি আরও বলেন, অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি কারাতে অঙ্গনের সিনিয়র, শিক্ষক, সহকর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
কারাতে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-রেফারি কমিশনে সেন্‌সি মো: জুবায়ের ইসলাম খালিদের অন্তর্ভুক্তি কুমিল্লার কারাতে অঙ্গনের জন্য একটি ইতিবাচক স্বীকৃতি এবং ভবিষ্যতে এ অঞ্চলের কারাতে কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×