সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কুরিয়ার সার্ভিস থেকে দিত ইট, চাকরি দিতে নিত খালি চেক!

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জুন, ২০২৩, ২:২৫ পিএম
কুরিয়ার সার্ভিস থেকে দিত ইট, চাকরি দিতে নিত খালি চেক!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

গ্রাহকের সেবা দেওয়ার কথা এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসের। কিন্তু তা না করে প্রতিষ্ঠানটি লিপ্ত প্রতারণায়।

তাদের কাছে যারা পণ্য পরিবহনে জন্য অর্ডার করেন, তারা সঠিক বস্তুটি পান না। শুধু তাই নয়, এজেআর’র বিরুদ্ধে আছে স্বত্বাধিকারী সামসু উদ্দিন রিয়াদের বিরুদ্ধে আছে সরকারি সিল-স্বাক্ষর জালিয়াতি ও ৫ কোটি টাকার বেশি ভ্যাট ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ।

এ সংক্রান্ত মামলার আসামিও তিনি। এমনকি তিনি চাকরি দিতেন প্রত্যাশীদের কাছ থেকে খালি চেক ও স্ট্যাম্প নিয়ে।

সম্প্রতি এক গ্রাহক ঢাকা থেকে একটি মোবাইল চট্টগ্রাম পাঠাতে এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসের সেবা নেন। কিন্তু গ্রাহককে মোবাইলের পরিবর্তে ইট দেয় চট্টগ্রামের এজেআর কুরিয়ার সার্ভিস শাখা। পরবর্তীতে ওই গ্রাহক চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীন (সিএমপি) কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তারপরই উঠে আসে এজেআর’র অভিনব প্রতারণার বিষয়টি।

পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে। তারা একটি সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করে, যেখানে দেখা যায় কীভাবে মোবাইলের বাক্সে ইট দেওয়া হয়। এ ঘটনায় এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম শাখার ম্যানেজারের যোগসাজস ছিল। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

কিছুদিন আগে এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী সামসু উদ্দিন রিয়াদতে গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে সামনে মানববন্ধন করেন বেশকয়েকজন ভুক্তভোগী। এতে অংশ নেওয়াদের সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানটিতে চাকরি করতেন। তারাই অভিযোগ করেন- রিয়াদ তাদের সাথে প্রতারণা করেছেন। সরকারি সিল-সই জালিয়াতি ও ৫ কোটি টাকার বেশি ভ্যাট ফাঁকির মূল কারিগর তিনি। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা চলমান।

মানববন্ধকারীরা আরও জানান, চাকরিতে নিয়োগের সময় রিয়াদ প্রত্যাশীদের কাছ থেকে ব্যাংক চেকের খালি পাতা ও স্ট্যাম্প নিয়েছেন। পরে সেই চেকে মোটা অংক লিখে তাদের ব্ল্যাকমেইল করেন। এর মাধ্যমে তিনি বিত্তশালী হয়েছেন। এখন তিনি বিলাসবহুল ল্যান্ড ক্রুজার গাড়িতে চলাচল করেন। গ্রামে শত বিঘা জমির ওপর নির্মাণ করেছেন বিলাসবহুল বাড়ি। শত কোটি টাকার মালিক তিনি।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, এজেআর’র স্বত্বাধিকারী রিয়াদ চট্টগ্রামের একটি ট্রান্সপোর্টে কিছুদিন চাকরি করেন। পরে সেখান থেকে ঢাকায় এসে এজেআর ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি খোলেন। পরবর্তীতে এজেআর ট্রান্সপোর্ট পাল্টে হয় এজেআর কুরিয়ার সার্ভিস।

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার চাঁনপুর গ্রামে রিয়াদের বাড়ি। সেখানকার স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেও রিয়াদের প্রতারণা ও বিত্তশালী হয়ে ওঠার বিষয়টি জানা গেছে। তার প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, এলাকার গরিব-দুখীদের কোনো সাহায্য-সহযোগিতা না করলেও রাজনীতির মাঠে রিয়াদ বেশ উদার। তিনি তার অনুসারীদের পেছনে প্রচুর খরচ করেন। স্থানীয় প্রতিটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানেও মোটা অংকের টাকা দেন। আগামীতে নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনাও করছেন তিনি।

ঢাকা-চট্টগ্রামের একাধিক ব্যবসায়ীর অভিযোগ, নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, গ্রাহক হয়রানিসহ গ্রাহকদের মালামাল নষ্টের ঘটনায় তারা এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসের বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ করছেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার মিলছে না। প্রতিষ্ঠানটির অতীতের নানা অপরাধ, প্রতারণার বেশ কিছু প্রমাণ বাংলানিউজের কাছে আছে।

এজেআর ও রিয়াদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন ই-টপ ম্যাট্রেস’র কর্ণধার নাঈম। তিনি বলেন, আমাদের মালামাল পরিবহনের জন্য বেশ কয়েকদিন ধরে এজেআর কুরিয়ারকে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফরিদপুরে আমার ম্যাট্রেস পাঠানোর কথা ছিল। যা এজেআর কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠানো হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলায় সেটি নষ্ট হয়। সেভাবেই পণ্যটি তারা গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়।

আগে যদিও তারা ভালোভাবে গ্রাহকের কাছে পণ্য পৌঁছে দিতেন। কিন্তু গত কয়েকমাস ধরে তাদের সেবার অবনতি ব্যাপক। গত কয়েক অর্ডারে এজেআর আমার কোম্পানির ম্যাট্রেস নষ্ট করেছে। গত ৮ জুন সাভারে একটি ম্যাট্রেস ডেলিভারি করা হয়। সেটির অবস্থা এতটাই খারাপ করে এজেআর, গ্রাহক নিজ অর্থ খরচ করে এমন পণ্য কেনে না। এ বিষয়ে এজেআর অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু কোনো সমাধান পাইনি। রাজবাড়ীর একটি ডেলিভারিতেও তারা একই ঘটনা ঘটায়। এসব আমাদের আবার ফেরত আনাতে হয়েছে। এতে আমাদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। যেগুলো খারাপ অবস্থায় ফিরিয়ে এনেছি, সেগুলো পরিবর্তন করে কাস্টমারকে আবার দিতে হয়েছে। কিন্তু এজেআর ফের একই কাজে করে।

মিম ম্যাট্রেস অ্যান্ড ফার্নিচার নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানেরও একই অভিযোগ করে। তারা তাদের অভিযোগের বিষয়ে রিয়াদকেও জানায়। কিন্তু তিনি কোনো সুরাহা করেননি।

এসব বিষয়ে এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী সামসু উদ্দিন রিয়াদের সঙ্গে কথা বলতে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। মামলা হওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীন (সিএমপি) কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির মোবাইলের বদলে ইট দেওয়ার ঘটনায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় এজেআর কুরিয়ার সার্ভিস চট্টগ্রাম শাখার জড়িত কর্মীকে গ্রেপ্তারের বিষয়টিও তিনি নিশ্চিত করেন।

রিয়াদের বিরুদ্ধে মামলা ও তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টার বিষয়ে বাংলানিউজকে জানান উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার বাদি আমি নিজেই। মামলার কার্যক্রম চলমান। চলতি বছর ২৪ সেপ্টেম্বর আদালতে এ মামলার হাজিরা রয়েছে। তা ছাড়া আমরা রিয়াদকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×