বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মূল ফটকে অটোস্ট্যান্ড : রোগীদের দুর্ভোগ চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:৪০ পিএম
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মূল ফটকে অটোস্ট্যান্ড : রোগীদের দুর্ভোগ চরমে
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সামনের রাস্তাটি খানা খন্দে ভরা। ফুটপাতগুলো দখল করে আছে ছোট ছোট দোকানিরা। এই হাসপাতালের দুই ফটকের মূল ফটক সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বন্ধ থাকে। অটোরিক্সা চালকরা মূল ফটকটিকে অটোস্ট্যান্ড বানিয়ে রেখেছে। শুধুমাত্র নতুন ফটকটি ব্যবহার করতে পারে রোগী ও রোগীর স্বজনরা। মূল ফটক দিয়ে প্রবেশ করতে বিরম্বনায় পরতে হয়। হন ভোগান্তির শিকার। বুধবার (৩০ অক্টোবর) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এ দৃশ্য চোখে পড়ে।
হাসপাতালের পরিচালক জানান, হাসপাতালের বাহিরে রাস্তার পাশে খানাখন্দ আর ফুটপাত দখলের বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহীর সাথে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন। জানা যায়, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি এখন আগের চেয়ে সেবার দিক দিয়ে অনেক উন্নত। উন্নত এমআরআই মেশিন, ডিজিটাল এক্সরে মেশিন, উন্নত প্যাথলজি বিভাগ, আল্ট্রাসাউন্ড, ইসিজিসহ সকল প্রকার পরীক্ষা নিরীক্ষা এখন হাসপাতালের ভেতরেই করা যায়। যে কোন পরীক্ষার জন্য আগের মত এখন আর বাহিরে যেতে হয় না। এখানে সার্বক্ষণিক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পাওয়া যায় এই আশায় সাধারণ মানুষ স্বল্প মূল্যে চিকিৎসা নিতে আসেন। কুমিল্লা জেলার ১৬টি উপজেলাসহ আশেপাশের জেলাগুলোর বাসিন্দারাও এই হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ৫০০ শয্যার এই হাসপাতালটিতে প্রতিদিন রোগী ভর্তি থাকে হাজারের অধিক। তাছাড়া বহির্বিভাগে সেবা গ্রহীতার সংখ্যা দেড় হাজারের অধিক। একজন রোগীর সাথে আসেন চার থেকে পাঁচজন রোগীর স্বজন। সব মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় আট থেকে দশ হাজারের অধিক রোগী ও রোগীর স্বজন এই হাসপাতাল চত্ত্বরে যাতায়াত করে। কিন্তু এই ব্যক্তিরা হাসপাতাল চত্ত্বরে চলাফেরা করতে গিয়ে পরেন বিড়ম্বনায়, হচ্ছেন হয়রানির শিকার। রোগী নিয়ে হাসপাতাল চত্ত্বরে প্রবেশ করতে চাইলে মূল ফটকে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালের সামনে অধিকাংশ সময় যানজট লেগে থাকে। হাসপাতালের মূল ফটকটি বন্ধ থাকায় হাসপাতালের ফটকজুড়ে থাকে সারি সারি অটোরিক্সা। তাছাড়া ময়লা আবর্জনার কারণে হাসপাতালে প্রবেশের সময় উৎকট গন্ধের কারণে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আওতার বাইরে হলেও সিটি কর্পোরেশন হাসপাতালটিকে নানা কাজে সহযোগিতা করে থাকে। পূর্বের কুমিল্লা পৌরসভা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ পৌরসভাকে নিয়ে ২০১১ সালে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন পায়। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের পূর্বে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত করার সুপারিশ করা হলেও উদ্যোগের অভাবে এটি আর করা সম্ভব হয়নি। যার কারণে কুমিল্লা জেলার এই টারসিয়ারি হাসপাতালটি এখনো সিটি কর্পোরেশনের আওতার বাইরে রয়ে গিয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আবু সায়েম ভূইয়া মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে জানান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আওতার বাইরে। হাসপাতালের সামনের রাস্তাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতায় এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। এই হাসপাতালটি সিটি কর্পোরেশনের আওতার বাইরে হলেও আমরা হাসপাতালের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করে আসছি। হাসপাতালটি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আনার জন্য একটি মাস্টার প্লান করা আছে। মাস্টার প্লানটি স্থানীয় সরকার বিভাগে দাখিল করা আছে। মাস্টার প্লান অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের ১৫০ ফুটের এলাকা গুলো সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরো যোগ করেন, পূর্বে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আনা হয়নি উদ্যোগের অভাবে। সকলে সমন্বিতভাবে উদ্যোগ নিলে জেলা পর্যায়ের এই হাসপাতালটি সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আনা সম্ভব।
এই পরিস্থিতি দ্রুত সমাধানের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। হাসপাতালের সামনের রাস্তা ও ফুটপাতের অবস্থা উন্নত করা এবং যানজট নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগ কমাতে মূল ফটকটি সবসময় খোলা রাখা এবং অটোরিক্সা স্ট্যান্ড সরিয়ে নেওয়া উচিত।
এছাড়া, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নিয়মিত ময়লা আবর্জনা অপসারণের ব্যবস্থা করা উচিত। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হলে, হাসপাতালের সামগ্রিক সেবা ও ব্যবস্থাপনায় আরও উন্নতি হবে বলে আশা করা যায়।

জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৩ পিএম
জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর জেলা পর্যায়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে কুমিল্লার হোমনা কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া তাহেরিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় আজান ও কুরআন তিলাওয়াত বিভাগে অংশ নিয়ে তিন শিক্ষার্থী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১টায় কুমিল্লা জেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় আজান ‘ক’ গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করে মো. জাহিদ হাসান। কুরআন তিলাওয়াত ‘খ’ গ্রুপে দ্বিতীয় হয় মো. হাফিজুল ইসলাম এবং ‘ক’ গ্রুপে তৃতীয় স্থান অর্জন করে মো. আতাউল্লাহ বুখারী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আকতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা শাহ এবং নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উপপরিচালক আশেকুর রহমান।

মাদ্রাসার মুহতামীম মুফতি মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন আত তাহেরীর তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা এ সাফল্য অর্জন করে। তাদের এ অর্জনে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি হাজী মুহাম্মদ নূরুল ইসলামসহ পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিশু-কিশোরদের ইসলামী শিক্ষা, কুরআন তিলাওয়াত ও সাংস্কৃতিক চর্চায় আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি তাদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১১ পিএম
দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতি দমন এবং জননিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায় এসব বিষয় গুরুত্ব পায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।

সভায় মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন দাউদকান্দি-চান্দিনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক নাহিদ আহমেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, দাউদকান্দি মডেল থানার প্রতিনিধি, দাউদকান্দি পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. মোখলেসুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিগার সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বায়জিদ আহমেদ এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন চৌধুরী।

এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান আবুল হাসেম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ কে শামসুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সভায় উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

দেবীদ্বারে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন

মো: বিল্লাল হোসেন: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৯ পিএম
দেবীদ্বারে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বাংলাদেশ- এর দেবীদ্বার উপজেলা শাখার ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দৈনিক আজকালের খবরের প্রতিনিধি আহমেদ হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি শফিউল আলম রাজীবের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার দেবীদ্বারে উপজেলা প্রশাসনের সভা কক্ষে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি,বাংলাদেশ-এর উপজেলা শাখা গঠন উপলক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম আতিকুর রহমান বাশার-এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার অশোক বিক্রম চাকমা। দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজী, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ- এর কুমিল্লা জেলা শাখা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক ও কেন্দ্রীয় নেতা মেহেদী হাসান।

কমিটির অন‍্যান‍্য সদস‍্যরা হলেন, সহ সভাপতি – ময়নাল হোসেন ( ভিপি) দৈনিক মুক্ত খবর। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: রুহুল আমিন হাজারী-দৈনিক জবাবদিহি। সাংগঠনিক সম্পাদক: জনি ফারুক, দৈনিক ইনকিলাব। সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক: এম এ হালিম দৈনিক বাংলার আলোড়ন। দপ্তর সম্পাদক: মনির মোশাররফ, দৈনিক নাগরিক ভাবনা। অর্থ বিষয়ক সম্পাদক: ডা. মো. শাহিন। প্রচার এবং প্রকাশনা সম্পাদক: এ কে এম মিজানুর রহমান (কাউছার) দৈনিক ঢাকা নিউজ। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: শিক্ষক মো. শাখাওয়াত হোসেন। আইন বিষয়ক সম্পাদক: এডভোকেট, মো আনিছুর রহমান খান । সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: ডা. শাহ জালাল।শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: মো. রুহুল আমিন- সহকারী প্রধান শিক্ষক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: আবুল কালাম আজাদ। দৈনিক দিন প্রতিদিন। মামলা ও নির্যাতন মনিটরিং সেল: মো: বিল্লাল হোসেন, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার। জরুরী সহায়তা ও চিকিৎসা বিষয়ক ডা. মাসুদ হাছান। নির্বাহী সদস্য: আব্দুল আউয়াল, দৈনিক আমার প্রানের বাংলাদেশ। আব্দুল আলিম ফেইস দ্যা পিপলস নিউজ। সাধারণ সদস্য: এমজে মামুন, দৈনিক নাগরিক ভাবনা। রাসেল সরকার দৈনিক মানব জমিন। মামুনুর রশীদ, দৈনিক খবরের আয়না। ডাঃ প্রতিনিধি মাসুদ হাসান, শিক্ষক প্রতিনিধি রুহুল আমিন।

অন‍্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা শাখার সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন, মোঃ আব্দুল আউয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী মাহমুদ হৃদয়, আমাদের দেবীদ্বার পএিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এটিএম সাইফুল ইসলাম মাসুম। বিজয় টিভির দেবীদ্বার প্রতিনিধি এনামুল হক।
এছাড়াও পোগ্রামের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন জাহিদ হাজারী, গিতা পাঠ করেন ভজন সাহা। এসময় সম্মিলিত ভাবে জাতীয় সংগীত ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির দলীয় সংগীত প্রদর্শিত হয়।

×