বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কুমেক হাসপাতালের প্রধান সহকারি এখনও বহাল তবিয়তে!

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪, ৯:২৩ এএম
দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কুমেক হাসপাতালের প্রধান সহকারি এখনও বহাল তবিয়তে!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

#অবৈধ পদোন্নতি, আধিপত্য, দুর্নীতি-অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের প্রধান সহকারি দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এমপি বাহাউদ্দিন বাহারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত দেলোয়ার, বিগত সরকারের আমলে তার প্রভাব খাটিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
দেলোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি নিজের পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিতে আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতেন, যা কখনোই পাঠকের হাতে পৌঁছাতো না। এই পদ্ধতিতে তিনি কমিশনের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দিতেন এবং অন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে কাজ নিয়ে নিজেই সেই কাজ করতেন। কুমেকের প্রধান হিসাবরক্ষক হিসেবে তিনি সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জিম্মি করে রেখেছিলেন।
বর্তমানে, দেলোয়ার এখনও সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাদের কাজ পাইয়ে দিতে ব্যস্ত রয়েছেন। তার অফিসে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ভীড় লক্ষণীয়। বিএনপির নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ জানানোর পর, দেলোয়ার কৌশল পাল্টে অফিসের বাইরে নিরাপদ স্থানে মিটিং করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের বিরুদ্ধে অর্থ যোগান ও সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
দেলোয়ারের অবৈধ পদোন্নতির বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করা হলেও, এখনো পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন একই স্থানে চাকরির সুযোগে তিনি নামে-বেনামে অঢেল সম্পদ ও অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন। ভুক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
দেলোয়ার হোসেন ১৯৯২ সালে কুমেক হাসপাতালে ক্যাশিয়ার পদে চাকরিতে যোগদান করেন। চাকরিবিধি অনুযায়ী এ পদ থেকে তার অন্য কোনো পদে পদোন্নতির সুযোগ নেই। তবে, প্রভাব খাটিয়ে তিনি প্রধান সহকারি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।
২০১৪ সালের ১৩ নভেম্বর, চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে তাকে ক্যাশিয়ার পদ থেকে প্রধান সহকারি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। প্রধান সহকারি হলেও, তিনি প্রভাব খাটিয়ে অঘোষিতভাবে হাসপাতালের হিসাবরক্ষক ও ক্যাশিয়ার পদে দায়িত্ব পালন করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রায় পাঁচ বছর হাসপাতালের ডক্টরস কোয়ার্টার ব্যবহার করেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্তে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
২০১৯ সালের ১৭ নভেম্বর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) স্বাক্ষরিত বিভাগীয় মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দেলোয়ার হোসেন ১৯৮৫ সনের নিয়োগবিধি লঙ্ঘন করে প্রধান সহকারি পদে পদোন্নতি পান। প্রতি অর্থ বছরে বিভিন্ন খাত হতে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে তিনি প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। তিনি হাসপাতালের কফি হাউজের বিদ্যুৎ বিলের টাকাসহ সিসি ক্যামেরা, এসি, কম্পিউটার ও ইন্টারকম মেরামত বাবদ লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। এ সময়ে তিনি প্রধান সহকারি হয়ে বিল ভাউচার তৈরী করা, হিসাবরক্ষক হয়ে ভাউচার পাশ করা ও ক্যাশিয়ার হয়ে টাকা উত্তোলন করাসহ তিনটি পদের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও বিভিন্ন খাতে তিনি প্রায় ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।
২০২০ সালের ২২ অক্টোবর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রশাসন-১ অধিশাখার উপসচিব কর্তৃক প্রেরিত এক চিঠিতে দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় অথবা ফৌজদারি মামলা দায়েরসহ হাসপাতালের প্রশাসনিক ও আর্থিক কর্মকাণ্ড থেকে তাকে বিরত রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। একই বছরে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তার অনিয়ম-দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পেয়ে ১ মার্চ তাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে যোগদান করতে ৩ কার্যদিবস সময় বেঁধে দেন। এতে দেলোয়ার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করে বদলির আদেশ স্থগিত করেন। ওই সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি।
দীর্ঘ ২২ বছর একই প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগে দুর্নীতির মাধ্যমে তার নিজ জেলা শরিয়তপুর ও কুমিল্লার চাঁপাপুর এলাকায় ৯টি দলিলে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। এছাড়া হাউজিং এস্টেট এলাকায় দুদক কার্যালয়ের সন্নিকটে তার একটি বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে।
কুমেক হাসপাতালের হিসাবরক্ষক আবুল খায়ের জানান, ‘আমাকে নানাভাবে হয়রানির মাধ্যমে দেলোয়ার হোসেন হিসাবরক্ষকের পদটি দীর্ঘদিন ধরে আঁকড়ে রেখেছিলেন। এতে আমি বিগত ৩১ মার্চ তার অবৈধ পদোন্নতির বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করে প্রতিকার চেয়েছিলাম। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন) শাখা-১ কর্তৃক গত ২৭ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালককে (প্রশাসন) জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে কুমেক হাসপাতালের প্রধান সহকারি দেলোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাকে হয়রানির উদ্দেশ্যে ব্যক্তিস্বার্থে চার-পাঁচ বছর আগে নামে-বেনামে এসব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছিল। বিভাগীয় ও অন্যান্য সংস্থার তদন্তে এসব অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় সুরাহা হয়ে গেছে।’ অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজের মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৩ পিএম
জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর জেলা পর্যায়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে কুমিল্লার হোমনা কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া তাহেরিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় আজান ও কুরআন তিলাওয়াত বিভাগে অংশ নিয়ে তিন শিক্ষার্থী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১টায় কুমিল্লা জেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় আজান ‘ক’ গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করে মো. জাহিদ হাসান। কুরআন তিলাওয়াত ‘খ’ গ্রুপে দ্বিতীয় হয় মো. হাফিজুল ইসলাম এবং ‘ক’ গ্রুপে তৃতীয় স্থান অর্জন করে মো. আতাউল্লাহ বুখারী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আকতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা শাহ এবং নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উপপরিচালক আশেকুর রহমান।

মাদ্রাসার মুহতামীম মুফতি মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন আত তাহেরীর তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা এ সাফল্য অর্জন করে। তাদের এ অর্জনে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি হাজী মুহাম্মদ নূরুল ইসলামসহ পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিশু-কিশোরদের ইসলামী শিক্ষা, কুরআন তিলাওয়াত ও সাংস্কৃতিক চর্চায় আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি তাদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১১ পিএম
দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতি দমন এবং জননিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায় এসব বিষয় গুরুত্ব পায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।

সভায় মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন দাউদকান্দি-চান্দিনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক নাহিদ আহমেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, দাউদকান্দি মডেল থানার প্রতিনিধি, দাউদকান্দি পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. মোখলেসুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিগার সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বায়জিদ আহমেদ এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন চৌধুরী।

এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান আবুল হাসেম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ কে শামসুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সভায় উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

দেবীদ্বারে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন

মো: বিল্লাল হোসেন: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৯ পিএম
দেবীদ্বারে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বাংলাদেশ- এর দেবীদ্বার উপজেলা শাখার ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দৈনিক আজকালের খবরের প্রতিনিধি আহমেদ হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি শফিউল আলম রাজীবের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার দেবীদ্বারে উপজেলা প্রশাসনের সভা কক্ষে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি,বাংলাদেশ-এর উপজেলা শাখা গঠন উপলক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম আতিকুর রহমান বাশার-এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার অশোক বিক্রম চাকমা। দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজী, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ- এর কুমিল্লা জেলা শাখা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক ও কেন্দ্রীয় নেতা মেহেদী হাসান।

কমিটির অন‍্যান‍্য সদস‍্যরা হলেন, সহ সভাপতি – ময়নাল হোসেন ( ভিপি) দৈনিক মুক্ত খবর। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: রুহুল আমিন হাজারী-দৈনিক জবাবদিহি। সাংগঠনিক সম্পাদক: জনি ফারুক, দৈনিক ইনকিলাব। সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক: এম এ হালিম দৈনিক বাংলার আলোড়ন। দপ্তর সম্পাদক: মনির মোশাররফ, দৈনিক নাগরিক ভাবনা। অর্থ বিষয়ক সম্পাদক: ডা. মো. শাহিন। প্রচার এবং প্রকাশনা সম্পাদক: এ কে এম মিজানুর রহমান (কাউছার) দৈনিক ঢাকা নিউজ। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: শিক্ষক মো. শাখাওয়াত হোসেন। আইন বিষয়ক সম্পাদক: এডভোকেট, মো আনিছুর রহমান খান । সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: ডা. শাহ জালাল।শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: মো. রুহুল আমিন- সহকারী প্রধান শিক্ষক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: আবুল কালাম আজাদ। দৈনিক দিন প্রতিদিন। মামলা ও নির্যাতন মনিটরিং সেল: মো: বিল্লাল হোসেন, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার। জরুরী সহায়তা ও চিকিৎসা বিষয়ক ডা. মাসুদ হাছান। নির্বাহী সদস্য: আব্দুল আউয়াল, দৈনিক আমার প্রানের বাংলাদেশ। আব্দুল আলিম ফেইস দ্যা পিপলস নিউজ। সাধারণ সদস্য: এমজে মামুন, দৈনিক নাগরিক ভাবনা। রাসেল সরকার দৈনিক মানব জমিন। মামুনুর রশীদ, দৈনিক খবরের আয়না। ডাঃ প্রতিনিধি মাসুদ হাসান, শিক্ষক প্রতিনিধি রুহুল আমিন।

অন‍্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা শাখার সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন, মোঃ আব্দুল আউয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী মাহমুদ হৃদয়, আমাদের দেবীদ্বার পএিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এটিএম সাইফুল ইসলাম মাসুম। বিজয় টিভির দেবীদ্বার প্রতিনিধি এনামুল হক।
এছাড়াও পোগ্রামের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন জাহিদ হাজারী, গিতা পাঠ করেন ভজন সাহা। এসময় সম্মিলিত ভাবে জাতীয় সংগীত ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির দলীয় সংগীত প্রদর্শিত হয়।

×