শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

জামিনে এসেই মামলা তুলে নিতে হুমকি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ১০:২৫ এএম
জামিনে এসেই মামলা তুলে নিতে হুমকি
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মো. সাজ্জাদ হোসেন (মুরাদনগর) কুমিল্লা: হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আদালত থেকে জামিনে এসে ফের মামলা তুলে নিতে বাদী ও স্বাক্ষীদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাগেরকান্দি ইকোপার্কের গেইটে এ ঘটনা ঘটে। ভূক্তভোগিরা উক্ত ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মার্চ দুপুরে ইকোপার্কের এম.ডি আবু কাউছার ও পরিচালক মাসুম সরকার হামলার শিকার হয়। ওইদিন তারা ইকোপার্কে কাজ করতেছিল। নাগেরকান্দি গ্রামের মৃত জহির উদ্দিন খানের ছেলে জমির উদ্দিন খানের নেতৃত্বে নামধারী ১১জনসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২জন পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ওই হামলা চালায়। হামলাকারিরা রামদা, ছোড়া, লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাদের মাথাসহ শরীলের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করে ও দু’টি দাত ভেঙ্গে ফেলে।

পরে লোকজন এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে মুরাদনগর ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় আবু কাউছারের স্ত্রী আম্মাতুল ফেরদৌস বাদী হয়ে নামধারী ১১জনসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২জনের বিরুদ্ধে গত ২১ মার্চ মুরাদনগর থানায় একটি মামলা করেন। পরে আসামীরা আদালত থেকে জামিনে এসে মামলা তুলে নিতে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। নিরূপায় হয়ে ভূক্তভোগিরা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

শুধু তাই নয়, আসামীরা বাদী ও স্বাক্ষীদের মালিকানাধীন দখলীয় সম্পত্তি জোরপূর্বক বে-দখল করার পাঁয়তারাও করছে। বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ করার পরও আতংক ও উৎকন্ঠার মধ্যদিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে বলে ভূক্তভোগিরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
উক্ত ঘটনায় অভিযুক্ত জমির উদ্দিন খানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।
মুরাদনগর থানার ওসি সাদেকুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। কেউ লিখিত ভাবে অবহিত করলে বিষয়টি আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখব।

পরিবার থেকেই সুন্দর সমাজ গঠনের কাজ শুরু করতে হবে: অধ্যাপক আব্দুল মতিন

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪০ পিএম
পরিবার থেকেই সুন্দর সমাজ গঠনের কাজ শুরু করতে হবে: অধ্যাপক আব্দুল মতিন

কুমিল্লার হোমনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হোমনা উপজেলা শাখার উদ্যোগে ‘রুকনদের পারিবারিক মিলনমেলা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) আয়োজিত এ মিলনমেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা জেলা উত্তরের আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি এবং হোমনা-তিতাস ও মেঘনা উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান মো. নাজিম উদ্দিন মোল্লা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার শামীম সরকার বিজ্ঞ এবং কাজী মো. ইব্রাহিম খলিল। তিনি হোমনা উপজেলা জামায়াতের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সেক্রেটারি এবং পৌর মেয়র পদপ্রার্থী।

হোমনা উপজেলা জামায়াতের আমীর ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ কাজী ছাইদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হোমনা পৌর জামায়াতের আমীর মো. জায়েদুর রহমান মজুমদারসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের রুকন ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আব্দুল মতিন বলেন, একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের কাজ পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে। সন্তানরা পরিবারের পরিবেশ থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করে। তাই মা-বাবার আচরণ ও পারস্পরিক সম্পর্কের প্রভাব সন্তানের ওপর পড়ে। স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার এবং সন্তানদের ন্যায্য অধিকার যথাযথভাবে আদায় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সন্তানদের সামনে মা-বাবার শালীন আচরণ ও সুন্দর পারিবারিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। একটি আদর্শ পরিবার গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই সুন্দর ও নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।

অনুষ্ঠানে পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করা, নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা এবং আদর্শ পরিবার গঠনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

(more…)

নববধূকে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষ*ণ, গোসল করায় মামলা নেননি ওসি!

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২০ পিএম
নববধূকে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষ*ণ, গোসল করায় মামলা নেননি ওসি!

Oplus_131072

বরিশালের বাকেরগঞ্জে বিয়ের মাত্র ১৬-১৭ দিনের মাথায় ১৭ বছর বয়সী এক নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর সৎভাই ও এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচার চাইতে থানায় গিয়ে মামলা না নেওয়া এবং উল্টো ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেনের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ অক্টোবর রাতে উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের আড়াইবেকী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন মো. ইমরান প্যাদা (৩৮) ও রাকিব প্যাদা (২৬)। ইমরান ভুক্তভোগীর স্বামীর সৎভাই এবং রাকিব তার চাচাশ্বশুর।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার কথা বলে ইমরান তাকে বাজারে নিয়ে যান। রাতে বাড়ি ফেরার পথে ইমরান ও রাকিব তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় বিচার চেয়ে গত ২৩ অক্টোবর বরিশাল জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে লিখিত অভিযোগ দেন ওই নারী। পরে লিগ্যাল এইড অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় যান তিনি।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, থানায় ওসি আদিল হোসেনের কাছে গেলে তিনি মামলা না নিয়ে উল্টো ভয়ভীতি দেখান। ধর্ষণের কোনো প্রমাণ নেই এবং গোসল করায় আলামত নষ্ট হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন ওসি। এমনকি অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে ভুক্তভোগীকেই সাত বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে বলেও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। এ সময় অভিযুক্ত ইমরানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে উপহাস করা হয় বলেও দাবি তার।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি আদিল হোসেন। তার ভাষ্য, দু-এক দিন আগে ওই নারী স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে সঙ্গে নিয়ে থানায় এসেছিলেন। তাদের কাছে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হলে কিছুক্ষণ পর জানাবেন বলে তারা থানা থেকে চলে যান।

এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইমরান ও রাকিব পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের বক্তব্য জানতে বাড়িতে গিয়েও পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীর স্বামী জীবন প্যাদা, শ্বশুর সুলতান প্যাদা ও শাশুড়ি ফাতেমা বেগম অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাসুদ হাসান বলেন, বিচার চাইতে থানায় যাওয়া একজন নারী যদি সুরক্ষার বদলে ভয়ভীতির শিকার হন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা না নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ওসি মামলা না নিয়ে থাকলে কিংবা ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৩ পিএম
জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর জেলা পর্যায়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে কুমিল্লার হোমনা কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া তাহেরিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় আজান ও কুরআন তিলাওয়াত বিভাগে অংশ নিয়ে তিন শিক্ষার্থী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১টায় কুমিল্লা জেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় আজান ‘ক’ গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করে মো. জাহিদ হাসান। কুরআন তিলাওয়াত ‘খ’ গ্রুপে দ্বিতীয় হয় মো. হাফিজুল ইসলাম এবং ‘ক’ গ্রুপে তৃতীয় স্থান অর্জন করে মো. আতাউল্লাহ বুখারী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আকতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা শাহ এবং নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উপপরিচালক আশেকুর রহমান।

মাদ্রাসার মুহতামীম মুফতি মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন আত তাহেরীর তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা এ সাফল্য অর্জন করে। তাদের এ অর্জনে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি হাজী মুহাম্মদ নূরুল ইসলামসহ পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিশু-কিশোরদের ইসলামী শিক্ষা, কুরআন তিলাওয়াত ও সাংস্কৃতিক চর্চায় আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি তাদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

×