বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

কুমিল্লায় সাবেক রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক, সাবেক এমপি বাহার ও সূচিসহ ৪৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৯:৪১ পিএম
কুমিল্লায় সাবেক রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক, সাবেক এমপি বাহার ও সূচিসহ ৪৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র গণ আন্দোলনের সময় সশস্ত্র হামলা, গুলিতে আহত হওয়ার ঘটনায় সাবেক রেলপথমন্ত্রী ও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুল হক মুজিব, সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, তার মেয়ে সাবেক মেয়র তাহসীন বাহার সূচি, মুজিবুল হকের স্ত্রী হনুফা আক্তারসহ অন্তত ১৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৩ শ’ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কুমিল্লার আলেখারচরের আবদুল করিমের ছেলে কাজী মো: সোহেল বাদি হয়ে ৫ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় এ মামলা দায়ের করেন। কুমিল্লা কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ শিবেন বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

মামলায় অভিযোগ করা হয়, নাম উল্লেখিত আসামীরাসহ তিন শতাধিক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি যে, তারা সকলেই আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য (ককটেল), দা, ছেনি, ইট, লাঠি সোটা নিয়ে আমি ও অন্যান্য কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর ১নং ও ২নং আসামীর নির্দেশে ৩ নং আসামির নেতৃত্বে ঝাপিয়ে পড়ে। তারা বৃষ্টির মতো ককটেল ও গুলি ছুড়ে। আসামীরা আমাদের ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত তাড়া করে নিয়ে যায়। ৩৩ নং ও ৩৪ নং আসামি তাদের লাইসেন্সকৃত পিস্তল ও শর্টগান নিয়ে নিরীহ ছাত্রছাত্রীদের উপর গুলি করে। আমার মাথার চারপাশে গুলি লাগলে আমি রাস্তার লুুটাইয়া পড়ি। তখন ১২ আসামি আমাকে তার হাতে থাকা আগ্নেয়ার নিয়ে আমার বুকে ও মাথায় কয়েকটি আঘাত করে। পরে ছাত্ররা আমাকে উদ্ধার করে সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি করে। আমি সেখানে চিকিৎসা নিয়ে আমার বাসায় এসে অসুস্থ হয়ে পড়ি।

মামলায় আসামিরা হলেন,

১. মুজিবুল হক (৭৫) পিতা-মৃত রজ্জব আলী সাং- বসুয়ারা থানা- চৌদ্দগ্রাম

২. আকম বাহাউদ্দীন বাহার, পিতা- মৃত ছালাম মিয়া সাং- মুন্সেফ বাড়ি থানা। কোতয়ালি

৩. তাহসিন বাহার সূচনা (৪০) পিতা: আকম বাহাউদ্দীন বাহার, সাং- মুন্সেফবাড়ি, থানা: কোতয়ালি

৪. মামুনুর রশিদ (৫৪) পিতা: মৃত আলী আহাম্মদ সাং- তেতুইয়ার, থানা- কোতয়ালি

৫. ইকবাল হোসেন বাহালুল (৫৪) পিতা: মৃত সৈয়দ আলী, সাং- কেরানীনগর, থানা: কোতয়ালি

৬. কাজী মোজাম্মেল (৫৫) পিতা- অজ্ঞাত সাং- আমড়াতলী থানা- কোতোয়ালি

৭. চিত্ত রঞ্জন ভৌমিক (৫৬), পিতা: মৃত গোপাল ভৌমিক, সাং: লাকসামরোড কান্দিরপাড়, থানা: কোতোয়ালি

৮. রূপম মজুমদার, পিতা: গণেশ মজুমদার, সাং- ঝাউতলা নিরাময় গলি, থানা: কোতোয়ালি

৯. খালেদ মাহমুদ চঞ্চল (৫০) পিতা: আবদুর রহমান, সাং: শাকতলা থানা: সদর দক্ষিন,

১০. অলি আহাম্মেদ মজুমদার (৫৮), পিতা- অজ্ঞাত সাং- খিরুনশাল থানা- চৌদ্দগ্রাম

১১. মোস্তফা জামাল লিটন (৫৪) পিতা: আয়ুব আলী, সাং: দুতিয়া দিঘির পাড় উপজেলা: লালমাই

১২. আহাম্মেদ নিয়াজ পাভেল (৫২), পিতা: মৃত আলী মিয়া, সাং: শাসনগাছা বড়বাড়ি থানা : কোতোয়ালি

১৩. শামসুল হল (৫৮) পিতা: মৃত আলী মিয়া সাং শাসনগাছা বড় বাড়ি, থানা: কোতোয়ালি

১৪. সেলিম শিকদার (৫৫), পিতা: অজ্ঞাত সাং নোয়াপাড়া, থানা: কোতোয়ালি

১৫. আতিক উল্লাহ খোকন (৫৮) পিতা: নুরুল । ইসলাম, সাং: ঝাউতলা থানা কোতোয়ালি

১৬. ইমামুজ্জামান শামীম (৫৪) পিতা: জনাব আলী চৌধুরী, সাং: দ: ঠাকুর পাড়া থানা: কোতোয়ালি

১৭. হামিদা আক্তার মুক্তা স্বামী: দেলোয়ার হোসেন সাং: আবেদানুর কমপ্লেক্স থানা: চান্দিনা

১৮. জহিরুল কামাল, পিতা: আলী নোয়াব মিয়া সাং: দ ঠাকুর পাড়া থানা: কোতোয়ালি

১৯. রবিউল হাসান রবি (দলিল লেখক) পিতা আবদুল মতিন, সাং: বালুতুবা ফকির বাড়ি থানা: কোতোয়ালি

২০. শরিফুল (২৯) পিতা: মৃত জিল্লু মিয়া সাং হজরত পাড়া, থানা কোতোয়ালি

২১. জুয়েল মিয়া (চোরা, বাচ্‌চু) (৩২) পিতা: মৃত আবুল কাশেম সাং- হজরত পাড়া থানা: কোতোয়ালি

২২. তমাল (২৫) পিতা: নাসির মিয়া সাং- ২য় মুরাদপুর থানা: কোতোয়ালি

২৩. রিদয় (২৫) পিতা- জাহাঙ্গির মিয়া, সাং: ২য় মুরাদপুর থানা: কোতয়ালি

২৪. আবদুল আজিজ সিহানুক (৪০) পিতা- মৃত মহিউদ্দিন মিয়া সাং: মুন্সেফবাড়ি থানা: কোতোয়ালি

২৫. মিনহাজুল হাসান রাফি (২৯), পিতা মৃত আঃ মান্নান, সাং বাকশিমুল থানা- বুড়িচং

২৬. সাজ্জাদ হোসেন স্বপন, পিতা- অজ্ঞাত সা বাকশিমুল, থানা- বুড়িচং

২৭. ইসরাফিল পিয়াস (২৯), পিতা: মাসুদ রানা, সাং- মোকাম থানা: বুড়িচং

২৮. মহসিন (৪৪) পিতা- মৃত আবদুল লতিফ সাং- দৌলতপুর ফরিবাড়ি, থানা- কোতোয়ালি

২৯. আবু তৈয়ব অপি (৩৬) পিতা: মৃত আবু তাহের সাং: ঝাউতলা থানা কোতোয়ালি

৩০. ইমরান হোসেন জেকি, পিতা- ইয়াসিন সাং- গোবিন্দপুর, থানা- কোতোয়ালি

৩১. কামরুল হাসান নান্নু (৩৫) পিতা- মৃত কালু মিয়া সাং- গোবিন্দপুর থানা- কোতোয়ালি

৩২. রাশেদ (৪৫), পিতা: মৃত আব্দুর রাজ্জাক সাং- ঢুলিপাড়া থানা সদর দক্ষিণ

৩৩. হাবিবুর আল-আমিন সাদী পিতা- অজ্ঞাত সাং- মুন্সেফাড়ি থানা- কোতোয়ালি

৩৪. নাসির উদ্দিন (৪৫) পিতা: মৃত হাবিব উল্লাহ সাং- মিরাখোলা থানা-চান্দিনা

৩৫. সোহাগ (৪০), পিতা- মফিজুল ইসলাম সাং- সরাই থানা- চান্দিনা

৩৬. হেলাল (৩০) পিতা: মন্তাজ উদ্দিন সাং- মিরাখোলা থানা- চান্দিনা

৩৭. শাহ আমান সবুজ (৪০) পিতা- সামসু মিয়া সাং- ১/১ কাপরিয়াপট্টি থানা- কোতোয়ালি

৩৮. আশিক (৪৪), পিতা- আঃ রশিদ সাং- ১৭০৮ ডিগাম্বরীতলা, থানা: কোতোয়ালি

৩৯. আনোয়ার হোসেন মিঠু (৪২), পিতা: আমির হোসেন সাং- মোগলটুলি, থানা- কোতোয়ালি

৪০. জাকির হোসেন, পিতা: আমির হোসেন সাং- মোগলটুলি, থানা: কোতোয়ালি

৪১. মাহতাবুল করিম এলভিন (৪০), পিতা- রেজাউল করিম রতন, সাং- দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া থানা: কোতোয়ালি

৪২. এ.এস.এম মিজানুর ইরান (৫৬) পিতা: বজলুর রহমান সাং দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া থানা: কোতোয়ালি

৪৩. আলি মনসুর ফারুক (৫৬) পিতা: আলী আকবর, সাং- দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া থানা: কোতোয়ালি

৪৪. আলী ইকরাম তুহিন (৪৭), পিতা: আলী আকবর, সাং- দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া থানা: কোতোয়ালি

৪৫. আনিস বাকি (৫৮), পিতা: মৃত আবদুর রউফ সাং: রেইসকোর্স থানা: কোতোয়ালি

৪৬. প্রিতুল রায় পিতা: সঞ্জয় রায় সাং: পুরাতন চৌধুরী পাড়া (কালীবাড়ি), থানা: কোতোয়ালি

৪৭. খোরশেদ আলম (কৃষকলীগ), পিতা: অজ্ঞাত সাং: দৈয়ারা থানা সদর দক্ষিণ

৪৮. গোলাম মাওলা (৫৬), পিতা: গোলাম মহিউদ্দিন, সাং: ঠাকুরপাড়া যদিনা মসজিদ থানা: কোতোয়ালি

২৯. গোলাম সোহেল (৫১) পিতা: গোলাম মহিউদ্দিন সাং- ঠাকুরপাড়া মদিনা মসজিদ থানা: কোতোয়ালি

৫০. সৈয়দ নুরুর রহমান (৫৬) পিতা: সৈয়দ মিজানুর রহমান সাং- ছোটরা রাজিয়া ভিলা থানা: কোতোয়ালি

৫১. আবদুল কাইয়ুম (৫৮), পিতা: অজ্ঞাত সাং দৌলতপুর থানা কোতোয়ালি

৫২. শাহ আলম (৪) পিতা অজ্ঞাত সাং দৌলতপুর থানা কোতোয়ালি

৫৩. হাসান কাউন্সিলর ,  পিতা অজ্ঞাত সাং মাটিয়ারা, থানা- সদর

৫৪. মশিউর রহমান পিতা: বজলুর রহমান সা ঠাকুরপাড়া থানা কোতয়ালী

৫৫. কাউশির মুহুরী বাবুল (২২) পিতা অজ্ঞাত – সংরাইশ থানা কোতোয়ালি

৫৬. পলাশ (৪০) পিতা আমজাদ আলী, সা নজরুল এভিনিউ কান্দিরপাড় থানা কোতোয়ালি

৫৭. কাউন্সিল নাসির উদ্দীন নাজিম (৫২) পিতা: অজ্ঞাত, সাং কান্তান বাজার থানা কোতোয়ালি

৫৮. রায়হান হোসেন (২৫) পিতা: আকির হোসেন, মাতা জেবিন বেগম, সাং- অশোকতলা, ধान কোতোয়ালি

৫৯. রফিকুল ইসলাম ভূইয়া (২৬), পিতা: আইয়ুব আলী সাং বাগিচাগাও থানা কোতোয়ালি

৬০. সীমান্ত হাসান (২৯) পিতা আবুল কালাম আজাদ, সাং- চর্থা মাদার কেয়ার থানা কোতোয়ালি

৬১. আফতাব খান শিমুল (২৮), পিতা মনসুর খান, সাং: বলরামপুর, থানা কোতোয়ালি

৩২. দিদারুল হক আকাশ (২৯), পিতা মৃত নিজাম – দক্ষিণ চর্থা, থানা কোতোয়ালি

৩৩. আতিকুর রহমান পিন্টু (৪৪), পিতা- মৃত ফিরোজ খান, সাং: অশোকতলা থানা কোতোয়ালি

৬৪. সৈয়দ কবির তুষার (২৪) পিতা মাসুম সা ঠাকুরপাড়া থানা কোতোয়ালি

৬৫. রফিকুল ইসলাম জোবায়ের (২৯) পিতা বাবুল মিয়া সা: ধর্মপুর থানা কোতোয়ালি

৬৬ শাহের জীবন (২৮) পিতা- অজ্ঞাত গাং ইটা থানা- কোতোয়ালি

৬৭. স্বপন সাহা (৪৪) পিতা মৃত শংকর সাহা, সাং- ছাটিপতি থানা। কোতোয়ালি

৬৮. আবদুল কাদের (৪২) পিতা- কলিমুল্লাহ সাঃ- মুরাদপুর থানা কোতোয়ালি

৬৯. তানভিরুল ইসলাম (৩৫) পিতা- তালু ইসলাম সাং- তালপুকুপার থানা- কোতোয়ালি

৭০. মোঃ ইয়াসিন (৩৬) পিতা আলকাস মিয়া সাং- বাগিচাগাও ফায়ার সার্ভিস থানা কোতোয়া

৭১. মোঃ সাদেক (৪৫) পিতা মৃত আলী আহ সাং- ইয়ামি রেস্টুরেন্ট কান্দিরপাড় থানা- কোতোয়ালি

২. তাজউদ্দিম ভূইয়া সৈকত (৪০) পিতা মৃত দীনাং জিলা স্কুল রোড বারেক মনশন থানা কোতোয়ালি

৭৩. মালেক (৫০) পিতা মৃত আলী আহম্মদ সাং কান্দিরপাড় ইয়ামি রেস্টুরেন্ট থানা- কোতোয়ালি

৭৪. শাহদাদ হোসেন (৩৫) পিতা নয়ন চেয়ারম্যান সাং- ঠাকুরপাড়া থানা কোতোয়ালি

৭৫. ডালিম (৪৬) পিতা আবীদ আলী সাং-গোবিন্দপুর থানা কোতোয়ালি

৭৬. কাউসার (৪৪) পিতা আবীদ আলী, সাং গোবিন্দপুর থানা কোতোয়ালি

৭৭. নাজমুল হাসান সোহাগ (পার্ক সোহাগ) (৩২) পিতা আকির হোসেন সাং- ধর্মসাগর পশ্চিমপাড় থানা কোতোয়ালি

৭৮. নাজমুল হাসান রুবেল (৩৩) পিতা শামসুল হক মাস্টার সাং পূর্ব বাগিচাগাও থানা কোতোয়ালি

৭৯ জমির উদ্দিন খান জম্পি (কাউন্সিলর) (৫৮) পিতা মৃত সিরাজুর হক, সাং বাগিচাগাও থানা কোতোয়ালি

৮০ ফাহিম যান আহি (২২) সাং বাগিচাগাও থানা: কোতোয়ালি

৮১ সোহেল হায়দার (৫৬) পিতা: মৃত জুলফিকার হায়দার সাং ধর্ম সাগরপাড় থানা: কোতোয়াি

৮২. হাসান আরিফ জয় (৫৫) পিতা মফিজুর রহমান বাবলু, সাং মুন্সেফবাড়ি থানা কোতোয়ালি

৮৩. হনুফা আক্তার (৪৫), স্বামী মুজিবুল হক সাং বসুয়ারা, থানা-চৌদ্দগ্রাম

৮৪, ইব্রাহিম আলিম (৩৫) পিতা: মিলু মিয়া মিলন মিয়া, সাং: নূরপুর দক্ষিণ পাড়া, থানা: কোতোয়ালি

৮৫. হাবিবুর রহমান (৪০) পিতা: সেলিম মিয়া সাং- পাথুরিয়া পাড়া (রখরোড) থানা: কোতোয়ালি

৮৬, ফুয়াদ খান আকিব (২০) পিতা: জমির উদ্দিন খান জম্পি সাং: বাগিচাগাও থানা কোতোয়ালি

৮৭. নয়ন (২২) পিতা- আবদুল ওয়াদুদ সাং বাগিচাগাও থানা কোতোয়ালি

৮৮. টগর (৪০) পিতা- অজ্ঞাত, মাতা: হালিমা সাং মোগলটুলি থানা- কোতোয়ালি

৮৯. শহিদুল্লাহ (৫০) পিতা, অজ্ঞাত, সাং নিউ শহিদ টিম্বার গাংচর, থানা: কোতোয়ালি

৯০. জামিল আহাম্মেদ (৪৪) পিতা নেছার আহাম্মেদ সাং- মোগলটুলি থানা- কোতোয়ালি

৯১. ফয়েজ আহাম্মেদ (৩৪) পিতা: সিদ্দিক মিয়া মাতা: মনোয়ারা বেগম সাং- মোগলটুলি, থানা: কোতোয়ালি

৯২. আবদুল হান্নান চৌধুরী অপু (৩৬) পিতা: মৃত আঃ মান্নান চৌধুরী, সাং: চৌধুরী পাড়া মোগলটুলি, থানা: কোতোয়ালি

৯৩. আবদুল হামিদ চৌধুরী পিন্টু (৪৭) পিতা: আঃ মান্নান চৌধুরী, সাং- চৌধুরীপাড়া মোগলটুলি, থানা- কোতোয়ালি

৯৪. আবু ইউসুফ বাবু (৫৬), পিতা মৃত মোঃ আলী সাং- মোগলটুলি থানা- কোতোয়ালি

৯৫. রাসেল সিকদার (৪৮) পিতা: এফ কে সিকদার সাং: মোগলটুলি থানা- কোতোয়ালি

৯৬. হাবিবুর রহমান বাচ্চু (৬০), পিতা: আ: জলি সাং- মোগলটুলি থানা- কোতোয়ালি

৯৭. শাহিন (৩৮) পিতা- শম্ভু মিয়া সাং- মোগলটুলি থানা- কোতোয়ালি

৯৮. রাহিম (২৮) পিতা: সাহাবুদ্দিন সাং- মোগলটুলি, থানা কোতোয়ালি

১৯. আদিল (৪২) পিতা- মন্নান মিয়া, সাং মোগলটুলি, থানা: কোতোয়ালি

১০০. মোঃ সেলিম মিয়া (৫৬) পিতাঃ গোলাম মাওলা সরকার, সাং: টিক্কাচর থানা- কোতোয়ালি

১০১. সারমিন আওয়াল পারভেজ বাপি (৪৪) পিতা- সাদিকুর রহমান, সাং- বাগিচাগাও কোতয়ালি থান কোতোয়ালি

১০২. মোরশেদুল আলম (৫৫) পিতাঃ ডা: আওয়াল সাং-নানুয়া দিঘীর পাড় থানা- কোতোয়ালি

১০৩. আশিকুল নবী বাসি (৪৭) পিতা: আর হক সাং- পূর্ব চাদপুর থানা: কোতোয়ালি

১০৪. দুলাল রেজা (৫৯) পিতা। অজ্ঞাত সাং- মনোহরপুর উজির দিঘীর পাড়, থানা: কোতোয়ালি

১০৫. জিয়াউল হাসান চৌধুরী সোহাগ (৪০) সাং- কাপ্তানবাজার থানা- কোতোয়ালি

১০৬. এস এম মাহিন (৩৮) পিতা: আবদুর রশিদ সাং- বায়রাবাদ থানা: দেবিদ্বার

১০৭. রাহিক (২৮) পিতা: আবুল কালাম আজাদ সাং: চানপুর থানা: কোতোয়ালি

১০৮. আমজাদ হোসেন পাভেল (৩৫) পিতা: বাবুল মিয়া সাং: চানপুর থানা কোতোয়ালি

১০৯. মোঃ ইউসুফ (৩৬) পিতা: আবদুল হাকিম সাং: শুভপুর বাগান বিলাশ, থানা কোতোয়ালি

১১০. নজরুল (ওয়ার্ড মাস্টার) পিতা: অজ্ঞাত সাং সদর হাসপাতাল, থানা: কোতোয়ালি

১১১. আনিস শ্রমিকলীগ (৪৪) পিতা: অজ্ঞাত, সাং ধর্মসাগর পাড় থানা: কোতোয়ালি

১১২, আবুল কালাম আজাদ হাসেম কাউন্সিলর (৫৮) পিতা: অজ্ঞাত, সাং মুরাদপুর থানা: কোতোয়ালি

১১৩. হেলাল কমিশনার (৫৯) পিতা: অজ্ঞাত, সাং বাদুরতলা থানা কোতোয়ালি

১১৪. মঞ্জুরুল কাদের মনি কাউন্সিলর (৫৫) পিতা: অজ্ঞাত সাং: ধর্মসাগরপাড় থানা: কোতোয়ালি

১১৫, আবদুস সোবহান খন্দকার সেলিম (৪২) পিতা: খন্দকার আবদুস সালাম সাং- কালিয়াজুরি, থানা: কোতোয়ালি

১১৬. তানভির হাসান এলিন (৪০) পিতা: মৃত দেলোয়ার মিয়া, সাং: উত্তর চর্চ্চা, থানা: কোতোয়ালি

১১৭ মহসিনুর রহমান (৪৪) পিতা: মৃত সাদিকুর রহমান সাং: ধর্মপুর সাজেদা মঞ্জিল থানা: কোতোয়ালি

১১৮. লুৎফুর রহমান (৫৬) পিতা: মৃত সাদিকুর রহমান সাং: ধর্মপুর সাজেদা মঞ্জিল থানা: কোতয়ালি

১১৯. সায়েরীন সায়েব (৫৬) পিতা: অজ্ঞাত সাং মুন্সেফবাড়ি, থানা: কোতোয়ালি

১২০, কাউসারা বেগম সুমি (৪৫) স্বামী: অজ্ঞাত, সাং: কালিয়াজুরি ধানা: কোতোয়ালি

১২১. মুরাদ (৫২), পিতা: অজ্ঞাত সাং: কালিয়াজুরি থানা: কোতোয়ালি

১২২. নাসির উদ্দীন নাজিম (৫৭) পিতা: অজ্ঞাত, সাং: কাপ্তানবাজার, থানা: কোতোয়ালি

১২৩. আবদুল কাদের (৫২), পিতা: কলিমুল্লাহ, সাং মুরাদপুর চৌমুহনী থানা: কোতয়ালি

১২৪. দেবু (৫৪), পিতা- শিব প্রসাদ, সা: ডিগাম্বরিতলা, থানা: কোতয়ালি

১২৫. অজয় (৪৫) পিতা: মনোরনজন কর্মকার, সাং: ডিগাম্বরীতলা থানা কোতয়ালি

১২৬, সবুজ (৩৮) পিতা: সামসু মিয়া সাং কাপুরিয়া পটি, থানা: কোতয়ালি

১২৭. রেজাউল করিম ভুলু (৬৫) পিতা: শফিউদ্দিন, সাং: তেলিয়াপুকুর পাড় উত্তর চর্থা, থানা: কোতয়ালি

১২৮. আলী আফজল (৫৬) পিতা: আলি আকবর, সাং: উত্তর চর্থা, থানা: কোতয়ালি

১২৯. ইকরাম (৪৫) পিতা: আবু তাহের সাং- মসজিদ গলি উত্তর চর্চা, থানা: কোতয়ালি

১৩০. প্রদিপ কুমার নন্দী (৫৪) পিতা: নিখিল নন্দী সাং- ঠাকুর পাড়া থানা, থানা- কোতোয়ালি

১৩১. সিবু প্রসাদ রায় (৫৮) পিতা: মৃত মুকুল রায় সাং- কান্দির পাড় থানা: কোতোয়ালি

১৩২ আব্দুস ছালাম বেগ (৫২) পিতা: অজ্ঞাত সাং সোনাইশার থানা বুড়িচং

১৩৩, আমিনুর রহমান রাব্বি (বেকহাম রাবি) (২৬) পিতা- অজ্ঞাত সাং- ঝাউতলা মুন হসপিটাল রোড থানা: কোতয়ালি, সর্ব জেলা-কুমিল্লা।

দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১১ পিএম
দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতি দমন এবং জননিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায় এসব বিষয় গুরুত্ব পায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।

সভায় মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন দাউদকান্দি-চান্দিনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক নাহিদ আহমেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, দাউদকান্দি মডেল থানার প্রতিনিধি, দাউদকান্দি পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. মোখলেসুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিগার সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বায়জিদ আহমেদ এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন চৌধুরী।

এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান আবুল হাসেম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ কে শামসুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সভায় উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

দেবীদ্বারে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন

মো: বিল্লাল হোসেন: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৯ পিএম
দেবীদ্বারে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বাংলাদেশ- এর দেবীদ্বার উপজেলা শাখার ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দৈনিক আজকালের খবরের প্রতিনিধি আহমেদ হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি শফিউল আলম রাজীবের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার দেবীদ্বারে উপজেলা প্রশাসনের সভা কক্ষে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি,বাংলাদেশ-এর উপজেলা শাখা গঠন উপলক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম আতিকুর রহমান বাশার-এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার অশোক বিক্রম চাকমা। দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজী, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ- এর কুমিল্লা জেলা শাখা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক ও কেন্দ্রীয় নেতা মেহেদী হাসান।

কমিটির অন‍্যান‍্য সদস‍্যরা হলেন, সহ সভাপতি – ময়নাল হোসেন ( ভিপি) দৈনিক মুক্ত খবর। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: রুহুল আমিন হাজারী-দৈনিক জবাবদিহি। সাংগঠনিক সম্পাদক: জনি ফারুক, দৈনিক ইনকিলাব। সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক: এম এ হালিম দৈনিক বাংলার আলোড়ন। দপ্তর সম্পাদক: মনির মোশাররফ, দৈনিক নাগরিক ভাবনা। অর্থ বিষয়ক সম্পাদক: ডা. মো. শাহিন। প্রচার এবং প্রকাশনা সম্পাদক: এ কে এম মিজানুর রহমান (কাউছার) দৈনিক ঢাকা নিউজ। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: শিক্ষক মো. শাখাওয়াত হোসেন। আইন বিষয়ক সম্পাদক: এডভোকেট, মো আনিছুর রহমান খান । সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: ডা. শাহ জালাল।শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: মো. রুহুল আমিন- সহকারী প্রধান শিক্ষক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: আবুল কালাম আজাদ। দৈনিক দিন প্রতিদিন। মামলা ও নির্যাতন মনিটরিং সেল: মো: বিল্লাল হোসেন, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার। জরুরী সহায়তা ও চিকিৎসা বিষয়ক ডা. মাসুদ হাছান। নির্বাহী সদস্য: আব্দুল আউয়াল, দৈনিক আমার প্রানের বাংলাদেশ। আব্দুল আলিম ফেইস দ্যা পিপলস নিউজ। সাধারণ সদস্য: এমজে মামুন, দৈনিক নাগরিক ভাবনা। রাসেল সরকার দৈনিক মানব জমিন। মামুনুর রশীদ, দৈনিক খবরের আয়না। ডাঃ প্রতিনিধি মাসুদ হাসান, শিক্ষক প্রতিনিধি রুহুল আমিন।

অন‍্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা শাখার সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন, মোঃ আব্দুল আউয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী মাহমুদ হৃদয়, আমাদের দেবীদ্বার পএিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এটিএম সাইফুল ইসলাম মাসুম। বিজয় টিভির দেবীদ্বার প্রতিনিধি এনামুল হক।
এছাড়াও পোগ্রামের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন জাহিদ হাজারী, গিতা পাঠ করেন ভজন সাহা। এসময় সম্মিলিত ভাবে জাতীয় সংগীত ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির দলীয় সংগীত প্রদর্শিত হয়।

কুমিল্লায় চোলাই মদের রমরমা কারবার, ধ্বংস হচ্ছে দরিদ্র পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
কুমিল্লায় চোলাই মদের রমরমা কারবার, ধ্বংস হচ্ছে দরিদ্র পরিবার

শাসনগাছা ও টিক্কাচর হাড্ডিখোলায় মদ তৈরির অভিযোগ, নেশার ছোবলে বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি

অভাবের সংসার, দিনমজুরের সামান্য আয়, স্ত্রী-সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার সংগ্রাম—তারপরও সেই আয়ের একটি অংশ চলে যাচ্ছে নেশার পেছনে। চোলাই মদ পান করে কেউ হারাচ্ছেন কর্মক্ষমতা, কেউ জড়িয়ে পড়ছেন পারিবারিক কলহে, আবার কারও মদ্যপ আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা। এমন পরিস্থিতিতে কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা ও টিক্কাচর এলাকার হাড্ডিখোলায় চোলাই মদ তৈরি ও বিক্রির অভিযোগ ঘিরে জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

স্থানীয় বাস্তবতায় দেখা যায়, মদ্যপ অবস্থায় কিছু ব্যক্তি স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবা ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দ, চিৎকার-চেঁচামেচি এবং পারিবারিক অশান্তির কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে শিশুদের ওপরও। যে পরিবারগুলো এমনিতেই আর্থিক সংকটে দিন কাটায়, তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দেয় নেশার এই অভ্যাস।

 

নিজেরা পান, আবার বিক্রিও করেন

 

স্থানীয়ভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শাসনগাছা ও টিক্কাচর হাড্ডিখোলা এলাকায় চোলাই মদ তৈরির কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ নিজেদের ব্যবহারের জন্য মদ তৈরি করলেও অন্য একটি অংশ তা বিক্রির উদ্দেশ্যে বাজারজাত করে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, ব্যক্তিগত ব্যবহারের কথা বলে তৈরি করা মদের পাশাপাশি বিক্রির জন্যও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে মদ প্রস্তুত করা হচ্ছে। এসব মদের উপাদান ও উৎপাদনপ্রক্রিয়া কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন হচ্ছে বলেও স্থানীয়ভাবে দাবি করা হয়। তবে উৎপাদন ও বিক্রির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণের মতো নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান নেই।

 

অল্প টাকার নেশা, বড় ক্ষতি সংসারে

 

চোলাই মদের সহজলভ্যতা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বিশেষ উদ্বেগের বিষয়। অল্প টাকায় মদ কিনে পান করার পর অনেকে কর্মক্ষেত্রে স্বাভাবিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন বলে অভিযোগ রয়েছে। কেউ কাজে যেতে পারেন না, কেউ উপার্জিত অর্থ পরিবারের প্রয়োজনের বদলে নেশায় ব্যয় করেন। এর ফলে সংসারে অভাব বাড়ে, সন্তানদের পড়াশোনা ব্যাহত হয় এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।

একজন মানুষের নেশার কারণে যখন স্ত্রী-সন্তান, বৃদ্ধ মা-বাবা ও প্রতিবেশীদের প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তখন সেটি আর ব্যক্তিগত অভ্যাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা সামাজিক সমস্যায় পরিণত হয়।

 

অপরিচ্ছন্ন মদে মৃত্যুঝুঁকি

 

চোলাই মদে বিষাক্ত মিথানল বা অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান থাকলে তা অন্ধত্ব, গুরুতর অঙ্গহানি এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি হওয়া মদ নিরাপদ—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। শুধু গন্ধ, স্বাদ বা রং দেখে মদের বিষাক্ততা নির্ধারণ করা যায় না।

স্থানীয়ভাবে চোলাই মদ পান করে অসুস্থ হওয়ার ঘটনাও উদ্বেগের কারণ। হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মদপানের পর অসুস্থ হয়ে বিভিন্ন সময়ে মানুষ চিকিৎসা নিতে আসছেন; তাঁদের মধ্যে অসচ্ছল ব্যক্তিও রয়েছেন। তবে কতজন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন, তার নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জরুরি।

 

বন্ধ হবে কবে এই অবৈধ কারবার?

 

এলাকাবাসীর উদ্বেগ হলো, চোলাই মদ তৈরি ও বিক্রি চলতে থাকলে একদিকে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়বে, অন্যদিকে পারিবারিক অশান্তি ও সামাজিক বিশৃঙ্খলাও চলতে থাকবে। এ পরিস্থিতিতে শুধু মদ পানকারীকে দোষারোপ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; এর উৎপাদন ও বিক্রির উৎসও শনাক্ত করা প্রয়োজন।

শাসনগাছা ও টিক্কাচর হাড্ডিখোলায় চোলাই মদ তৈরি ও বিক্রির অভিযোগ তদন্ত করে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। কোথায় মদ তৈরি হচ্ছে, কীভাবে তা বিক্রি হচ্ছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত—এসব বিষয় যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

পাশাপাশি মদে আসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা, পরামর্শ ও পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। কারণ নেশার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা যেমন জরুরি, তেমনি তাঁদের পরিবার ও প্রতিবেশীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

চোলাই মদের কারবার বন্ধ করা শুধু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়; এটি দরিদ্র মানুষের জীবন রক্ষা, পরিবারের শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নেশার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচানোর লড়াই। এখন প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ, নিয়মিত নজরদারি ও সামাজিক সচেতনতা।

×