ডা. ফেরদৌসের নেতৃত্বে ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শেখ রাসেল ফাউন্ডেশনের শ্রদ্ধা
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ‘মানবিক চিকিৎসক খ্যাত’ ডা. ফেরদৌস খন্দকারের নেতৃত্বে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে শেখ রাসেল ফাউন্ডেশনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক’শ মানুষজন। এঁদের মধ্যে দুই শতাধিক ছিলেন নারী।
শনিবার সকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত আওয়ামী লীগ, দলটির অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষক, কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার, শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন দেবিদ্বার শাখার সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দেকে নিয়ে এই পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় শেখ রাসেল ফাউন্ডেশনের ইউএসএ শাখার সভাপতি ডা ফেরদৌস খন্দকার- বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতির সামনে নেতাকর্মীদের শপথ করান। এ সময় সকলে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার প্রশ্নে আপোষহীন থাকা এবং রাজাকারেরর শাবকদের বাংলার মাটিতে ঠাঁই হবে না বলে শপথ নেন।
ডাক্তার ফেরদৌসের সঙ্গে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মতিন মুন্সী, শেখ রাসেল ফাউন্ডেশনের দেবিদ্বার শাখার আহবায়ক রাশেদা আক্তার, সদস্য সচিব আব্দুর রহমান ভূঁইয়া, দেবিদ্বার উপজেলা মহিলা শ্রমিকলীগের সভাপতি শাহিনুর লিপি, কৃষক লীগের যুগ্ম আহবায়ক মনিরুল ইসলাম প্রমুখ। এই শ্রদ্ধা নিবেদন আয়োজনটির সমন্বয়ক ছিলেন ভানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া ও ফাউন্ডেশনের সদস্য শামীমা আক্তার রিমা।
এ প্রসঙ্গে ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার বলেন, বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের লালিত স্বপ্ন ছিল বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা। তিনি আমাদেরকে দেশ দিয়েছেন। আমাদেরকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে বাঁচার স্বাধীন ভূখণ্ড দিয়েছেন তিনি। কিন্তু যেই বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি হানাদাররা হত্যার সাহস করেনি; সেই বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীন বাংলায় সপরিবারে খুন করেছে ঘাতকরা। ভাগ্যক্রমে আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় সেদিন বেঁচে গিয়েছিলেন। ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে কেড়ে নিলেও তার আদর্শকে কেড়ে নিতে পারেনি। আমাদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ চিরবহমান থাকবে।

তিনি আরো বলেন, আজকে আমরা সকলে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে এসে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানতে পেরে ভালো লাগছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার প্রশ্নে সকলে আপোষহীন থাকবেন বলে শপথ নিয়েছি। আমরা ওয়াদা করেছি- আগামী দিনগুলোতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সকলে একসঙ্গে কাজ করবো। তাহলেই আমরা চূড়ান্ত বিজয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে যাব। আমরা বিজয় না নিয়ে ঘরে ফিরব না।
প্রসঙ্গত, ডা. ফেরদৌস খন্দকার এরই মধ্যে নিজের উপজেলা দেবিদ্বারের প্রতিটি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছেন। তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী বলে জানা গেছে।














