শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

দেবিদ্বারে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটে ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীদের বিক্ষোভ ও অফিস ঘেরাও

দেবিদ্বার প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৫ পিএম
দেবিদ্বারে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটে ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীদের বিক্ষোভ ও অফিস ঘেরাও
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

 

কুমিল্লার দেবিদ্বারে আবাসিক লাইনে দীর্ঘদিন ধরে চলমান গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির দেবিদ্বার জোনাল অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা। রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে উপজেলা গেট থেকে কয়েকশ নারী-পুরুষ বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বের হয়ে সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে গ্যাস অফিসের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, নিয়মিত বিল পরিশোধ করেও তারা দিনের পর দিন গ্যাস পাচ্ছেন না। এতে রান্নাবান্না ও দৈনন্দিন জীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

হাসপাতালের কর্মী তাসলিমা আক্তার বলেন, সারাদিন কাজের পরে বাড়ি ফিরে গ্যাস না পেয়ে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। বাইরে থেকে খাবার কিনে খাওয়া নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষে অসম্ভব। এটি অমানবিক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

গ্রাহক হাজী নজরুল ইসলাম বলেন, নিয়মিত বিল পরিশোধ করেও সঠিক সেবা মিলছে না। অন্যদিকে সামান্য বকেয়া থাকলে লাইন কেটে দেওয়া হয় ও জরিমানাও গুনতে হয়। আগে সংকট ছিল, এখন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। দ্রুত সমাধান জরুরি।

বিক্ষোভে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সংহতি জানান।现场 উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রেজবিউল আহসান মুন্সী। মুঠোফোনে সংহতি জানান জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

বক্তারা বলেন, এই কর্মসূচি কারও বিরুদ্ধে নয়; এটি গ্রাহকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন। দ্রুত সমাধান না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ভুলু পাঠান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাজ উদ্দিন সাজু চেয়ারম্যান, পৌর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. তমিজ উদ্দিন, ব্যবসায়ী শোয়াইব আহমদ মোল্লা, ছাত্রদলের উপজেলা সদস্য সচিব নাজমুল হাসান সরকারসহ অনেকে।

দেবিদ্বার বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গ্রাহকদের দাবি ন্যায্য। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। জাতীয় পর্যায়ের সংকট হওয়ায় দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার, প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১১ পিএম
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার, প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার বিষয়ে তাঁর দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা বলেছেন, নানা আইনি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেননি। তবে তাঁর দেশে ফেরার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। বিশেষ করে ভারত থেকে তাঁকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে দুই দেশের আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা আগামী মাসে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।

শেখ হাসিনা জানান, দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার, কারাবাসসহ বিভিন্ন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা সম্পর্কে তিনি অবগত। তারপরও দেশে ফেরার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন বলে সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বাংলাদেশের সরকারের অবস্থানও স্পষ্ট হয়েছে। ৫ নভেম্বর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের জানান, তাঁকে সাধারণ পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়ার মাধ্যমে দেশে আনার পরিকল্পনা সরকারের নেই। বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাঁকে ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া ও আদালতের আদেশ রয়েছে। এ কারণে প্রচলিত আইনি ও কূটনৈতিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়েই তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।

অন্যদিকে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রত্যর্পণ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলার কথা জানানো হয়েছে। তবে তাঁকে কবে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০২৪ সালের আন্দোলন দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাকে তাঁর অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেন। শেখ হাসিনা ওই রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বিচারপ্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সব মিলিয়ে শেখ হাসিনার ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা নতুন করে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে তাঁর ঘোষিত সময়ের মধ্যে দেশে ফেরা সম্ভব হবে কি না, তা নির্ভর করছে তাঁর নিজস্ব সিদ্ধান্তের পাশাপাশি ভারত-বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট আইনি পরিস্থিতির ওপর।

সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

হোমনায় উপজেলা, পৌরসভা ও সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৪ পিএম
হোমনায় উপজেলা, পৌরসভা ও সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা

কুমিল্লার হোমনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে উপজেলা, পৌরসভা ও হোমনা সরকারি ডিগ্রি কলেজ শাখার নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছে কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদল।
জেলা ছাত্রদলের পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত হোমনা উপজেলা ছাত্রদলের তিন সদস্যবিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে জাহিদুল ইসলাম (অপু), সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফয়সাল মিয়া এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে মো. মজিবুর রহমানকে।
হোমনা পৌরসভা ছাত্রদলের তিন সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে সাইফুল হাসান সাজ্জাত, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ উল্লাহ ফাহাদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে আজিজুর রহমান (সোহান)।
অন্যদিকে, হোমনা সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের আংশিক কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে আবু হায়দার রনি, সাধারণ সম্পাদক হিমেল সরকার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে মো. ফাহিম মিয়াকে।
জেলা ছাত্রদলের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় পূর্বের হোমনা উপজেলা ছাত্রদলের ৩১ সদস্যবিশিষ্ট, পৌরসভা ছাত্রদলের ২১ সদস্যবিশিষ্ট এবং সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের ৪০ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ছাড়া নতুন উপজেলা ও পৌরসভা ছাত্রদলের কমিটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে হোমনায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করছেন নেতাকর্মীরা।

শশীদল রেলস্টেশন দিয়ে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য পাচারের অভিযোগ, প্রতিদিন যাচ্ছে বস্তাভর্তি চালান!

বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম
শশীদল রেলস্টেশন দিয়ে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য পাচারের অভিযোগ, প্রতিদিন যাচ্ছে বস্তাভর্তি চালান!

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার শশীদল রেলস্টেশনকে কেন্দ্র করে ভারতীয় পণ্য পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রতিদিন এই রেলস্টেশন দিয়ে বস্তায় বস্তায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, ট্রেন থেকে বস্তাভর্তি এসব পণ্য নামিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে পরিবহন করা হচ্ছে। এসব বস্তায় দামি মোবাইল ফোন, মোবাইল ফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, ভারতীয় মসলা এবং অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি মাদকদ্রব্যও রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, শশীদল রেলস্টেশন থেকে এসব পণ্য কুমিল্লা, ফেনী, ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য এভাবে পরিবহন হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, রেলস্টেশনকে ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের এই কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে কারা এসব পণ্য সংগ্রহ, পরিবহন ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত, কোথা থেকে এসব পণ্য আসছে এবং এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে, এসব পণ্যের মধ্যে মাদকদ্রব্য থাকার অভিযোগটি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তা মাদক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা ও দেশের প্রচলিত শুল্ক ব্যবস্থার জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অবৈধভাবে আমদানি করা পণ্য বাজারজাত হলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে।

সচেতন মহলের মতে, শশীদল রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে রেলপথে বস্তাভর্তি পণ্য পরিবহনের বিষয়টি তদন্ত করে পণ্যের উৎস, গন্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা প্রয়োজন।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রতিদিন যদি এভাবে বিপুল পরিমাণ পণ্য রেলস্টেশন দিয়ে পরিবহন হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির বাইরে কীভাবে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে?

এ বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস, বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে স্থানীয় সূত্রের দেওয়া এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

×