বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

প্রযুক্তিনির্ভর নেতৃত্বের এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের নাম তারেক রহমান

বরুড়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:৩৩ পিএম
প্রযুক্তিনির্ভর নেতৃত্বের এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের নাম তারেক রহমান
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

প্রযুক্তিনির্ভর নেতৃত্বের এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের নাম তারেক রহমান

লেখক- সাংবাদিক
ইঞ্জিনিয়ার রাজীব হাসান, লন্ডন।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রযুক্তির ব্যবহারকে কেবল আধুনিক কৌশল নয়, বরং নেতৃত্বের অন্যতম শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। লন্ডনে অবস্থান করেও তিনি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঢাকাসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেছেন। নিষেধাজ্ঞা, সরকারি বাধা কিংবা প্রচলিত গণমাধ্যমের দরজা বন্ধ থাকলেও প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে তিনি দলের কর্মী-সমর্থক ও প্রবাসীদের একত্রিত করেছেন। এভাবেই লন্ডন থেকে গড়ে উঠেছে প্রযুক্তিনির্ভর নেতৃত্বের এক যুগান্তকারী অধ্যায়।

২০১৫ সালে হাইকোর্ট বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য, বিবৃতি ও কর্মকাণ্ডের প্রচার ও প্রকাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। সরকারের ধারণা ছিল—তাঁর বার্তা সীমিত রাখা গেলে রাজনৈতিক প্রভাবও কমবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটেছে তার উল্টো। লন্ডন থেকে তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় গণআন্দোলনের আহ্বান ও গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য তুলে ধরতে থাকেন। তাঁর এই উদ্যোগ সরকারের পরিকল্পিত চাপ ও বাধাকে ব্যর্থ প্রমাণ করে।

সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নানা ধরনের বাধা, জটিল নিয়মকানুন ও কৌশল ব্যবহার করে তারেক রহমানের বার্তা সীমিত করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু তিনি এসব প্রতিবন্ধকতার বিষয় আগে থেকেই ভেবে এগিয়ে গিয়েছিলেন। সরকারি চেষ্টার পরও তাঁর নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি জনগণের কাছে পৌঁছে যায়—যা প্রমাণ করে, প্রকৃত নেতৃত্ব কোনো ভৌগোলিক বা প্রশাসনিক বাধায় থেমে থাকে না।

২০১৪ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন সরকার মূলধারার গণমাধ্যমগুলোকে কঠোরভাবে তারেক রহমানের সংবাদ প্রচার থেকে বিরত রাখার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। একই সময়ে যুক্তরাজ্যের প্রবাসী বাংলাদেশি মিডিয়াতেও সেই চাপের প্রভাব পড়ে। এ পরিস্থিতিতে বিকল্প গণমাধ্যমের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যুক্তরাজ্যে তাঁর তথ্যপ্রযুক্তি টিমের সঙ্গে পরামর্শ করে নিজস্ব অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। তারেক রহমানের সরাসরি পরামর্শে এর নামকরণ করা হয় “ইউএনএন অনলাইন টিভি”, আর স্লোগান নির্ধারণ করা হয়—“গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার কথা বলে।”

২০১৪ সালে তারেক রহমানের পরামর্শে তাঁর তথ্যপ্রযুক্তি টিম নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপের উদ্যোগ নেয়। তখনো ফেসবুক, ইউটিউব বা টিকটকের মতো লাইভ স্ট্রিমিং সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছেনি। প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার মধ্যেও “ইউএনএন অ্যাপ” চালু করে লন্ডন থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের পথ তৈরি করা হয়। এটি ছিল শুধু একটি প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নয়; বরং দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ইতালিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের চুক্তি করে, লন্ডন থেকেই অনলাইন টিভির প্ল্যাটফর্ম এবং অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অ্যাপ তৈরি করা হয়—যা ছিল যুগান্তকারী ও সাহসী পদক্ষেপ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০১৪ সালের আগে কোনো বাংলাদেশি চ্যানেল অ্যাপল অ্যাপস্টোরে ডাউনলোডের সুযোগ পায়নি। সেই সময় অ্যাপল অ্যাপে লাইভ স্ট্রিমিং চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্লেয়ার কোড নিয়ে দেশে কোনো প্রতিষ্ঠান কাজ করত না। ফলে ইউএনএন টিভির আইওএস সংস্করণের জন্য লাইভ স্ট্রিমিং প্লেয়ার কোড বাস্তবায়নের দায়িত্ব নেয় অনলাইন ভিত্তিক যুক্তরাষ্ট্রের এক আইটি বিশেষজ্ঞ। তাঁদের সহায়তায় প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান সম্ভব হয় এবং লন্ডন থেকে সরাসরি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় লাইভ সম্প্রচার নিশ্চিত করা যায়।

হাসিনা সরকারের চাপ ও বাধা উপেক্ষা করে দেশের জনগণের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে লন্ডনে তারেক রহমানের একটি টিম বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করে। কিংস্টনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন—ক্যামেরা কেনা, রেকর্ডিং স্টুডিও ও নিউজরুম স্থাপন করা এবং বাংলাদেশ থেকে সংযোগ স্থাপনের কৌশল নির্ধারণ করা।

পরবর্তীতে ব্রিকলেনে একটি অফিস ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়। সরকারি দলের নজর এড়িয়ে সেই অফিস থেকে নিউজরুম, রেকর্ডিং স্টুডিও এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এর মাধ্যমে লন্ডন থেকে সরাসরি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

২০১৫ সালে যুক্তরাজ্যে বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মীসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তারেক রহমান। পুরো অনুষ্ঠানটি ইউএনএন অনলাইন টিভি সম্প্রচার করেছিল, যদিও স্থানীয় কোনো মিডিয়া সেই সময় কভার করতে আসে নি।

পরবর্তীতে এই আর্কাইভ ভিডিওটি বিএনপির প্রচারণায় অমূল্য সম্পদে পরিণত হয়। এছাড়াও, যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত আরও অনেক অনুষ্ঠান সরাসরি অনলাইনে সম্প্রচার করা হয়েছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘরে বসেই দেখতে পেরেছেন।

দেশের জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে লন্ডন থেকে তারেক রহমানের সমাবেশের বক্তব্য অনলাইন টিভির স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে ইটিভিতে সম্প্রচারিত করা হয়েছিল। এটি আওয়ামী সরকারের চোখে কাঁটার মতো ছিল, ফলে বাংলাদেশে ইটিভি হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে এই বাধা-বিপত্তি তাকে থামাতে পারেনি, বরং বিএনপির কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

তারেক রহমানের এই ডিজিটাল কৌশল কেবল দলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে রূপান্তরিত করেনি, প্রবাসী বাংলাদেশির মধ্যেও নতুন রাজনৈতিক চেতনা সৃষ্টি করেছে। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা একই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছে। তিনি অদৃশ্য এক সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন, যা ভৌগোলিক সীমা অতিক্রম করে ঐক্যের স্রোত বইয়ে দেয়।

তারেক রহমানের পরামর্শে লন্ডনে আরও একটি অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম চালু হয়, যার নাম এটিভি। এই প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রতিদিনের সংবাদ, টকশো এবং নানা ধরণের অনুষ্ঠান সম্প্রচার শুরু হয়। অত্যাধুনিক ডিভাইস ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ বিশ্বের কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় এটিভি(আন্দোলন টিভি)। শুধু সংবাদ প্রচারেই নয়, যুক্তরাজ্যে বিএনপির বিভিন্ন সমাবেশ, আলোচনা সভা এবং কর্মসূচি সরাসরি সম্প্রচার করতে শুরু করে এই প্ল্যাটফর্ম। ফলে লন্ডন থেকে আয়োজিত রাজনৈতিক কর্মসূচিগুলো তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে পৌঁছে যেতে থাকে।

 

মেটা ও ইউটিউব লাইভ চালু হওয়ার পর তাঁর এই বৈশ্বিক যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হয়। প্রতিটি সভা, সমাবেশ ও আলোচনা তিনি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিচালনা করেন। তাঁর নেতৃত্ব প্রমাণ করে—যেখানে প্রচলিত গণমাধ্যমের দরজা বন্ধ, সেখানে বিকল্প পথ খুঁজে নেওয়ার সাহসই প্রকৃত নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য।

আজও তিনি জুমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দলের কেন্দ্রীয় ও প্রবাসী নেতৃত্বকে সক্রিয় রাখছেন। প্রযুক্তিকে হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগিয়ে তিনি শুধু রাজনীতি পরিচালনা করছেন না, নতুন প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করছেন—যে কোনো পরিস্থিতিতে দেশ ও দলের প্রতি দায়িত্বশীল থাকা সম্ভব।

তারেক রহমান শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্বেই নয়, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের ক্ষেত্রেও দূরদর্শী পরিকল্পনাকারী। ২০০১–২০০৫ সালের বিএনপি সরকারের সময় তিনি দেশের প্রযুক্তি উন্নয়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে শক্তিশালী করার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র সফরে তিনি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান, যা দেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে ওঠে।

বিল গেটসের সেই সফর বাংলাদেশের জন্য ছিল এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। বিল গেটস বিশেষভাবে তরুণ প্রজন্মকে আইসিটি শিক্ষায় অগ্রসর হওয়ার পরামর্শ দেন এবং বাংলাদেশে ডিজিটাল প্রযুক্তির সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

তারেক রহমানের এই দূরদর্শী উদ্যোগ প্রমাণ করে, তিনি শুধু রাজনীতির ময়দানে সীমাবদ্ধ ছিলেন না; বরং প্রযুক্তি, আধুনিকায়ন ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের কথা ভেবেছিলেন। আজকের বাংলাদেশে প্রযুক্তি খাত যেভাবে বিকশিত হচ্ছে, তার মূল প্রেরণা নিহিত রয়েছে সেই সময়কার পরিকল্পনা ও উদ্যোগের ভেতরে।

২০০৪ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি অনলাইন কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল তৎকালীন বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির অবকাঠামোগত উন্নয়নকে বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করা। এ আয়োজনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন তারেক রহমান।

এই কনফারেন্সটি আয়োজন করেছিল ওয়েবভিত্তিক সংগঠন “কবিতা ও গান ডটকম”। তারা প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে প্রথম অনলাইন বৈঠকের ব্যবস্থা করে। নিউইয়র্কে বসে সংগঠনটির পক্ষ থেকে নানা প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করা হয় তারেক রহমানকে, আর তিনি বনানীতে চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে সরাসরি প্রশ্নগুলোর উত্তর দেন। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তৎকালীন বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির বার্তা প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তখনো সোশ্যাল মিডিয়া, জুম কিংবা ইউটিউবের মতো আধুনিক প্ল্যাটফর্মগুলো চালু হয়নি। সুতরাং, সেই সময়ের এই উদ্যোগ ছিল নিঃসন্দেহে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যা প্রমাণ করে—তারেক রহমান সবসময় সময়ের চেয়ে এগিয়ে ভাবতে পারতেন।

২০০৫ সালে জেলা পর্যায়ে প্রোগ্রামারদের উৎসাহিত করতে এবং অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে প্রসারিত করতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সেই সময়ের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হলো “মাই পাবনা ডটকম”, যা ছিল পাবনা জেলার একটি অনলাইন সংবাদ ও তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট।

 

এটি বাংলাদেশের প্রাথমিক অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলোর একটি, যার মাধ্যমে জেলা পর্যায়ের খবর, তথ্য ও স্থানীয় প্রোগ্রামারদের কাজ তুলে ধরা হতো। তারেক রহমানের অনুপ্রেরণা এবং প্রযুক্তি-সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি এই ধরনের উদ্যোগকে গতিশীল করেছিল। ফলে, ডিজিটাল গণমাধ্যমের চর্চা শুধু রাজধানী নির্ভর না থেকে ধীরে ধীরে জেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে , শুধু তাই নয়, তারেক রহমান নিজে উপস্থিত হয়ে মাই পাবনা ডট কম এর উদ্বোধন করেন, যা স্থানীয় যুব সমাজকে অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ ও ডিজিটাল প্রজন্মের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দেয়।

লন্ডন থেকে প্রযুক্তিনির্ভর নেতৃত্ব দিয়ে তারেক রহমান প্রমাণ করেছেন, প্রকৃত নেতৃত্ব কোনো ভৌগোলিক সীমারেখায় আবদ্ধ থাকে না। তিনি বিএনপিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের একত্রিত করছেন এবং তরুণদের রাজনীতিতে সক্রিয় হতে উদ্বুদ্ধ করছেন। নিঃসন্দেহে, তারেক রহমানের এই দৃষ্টান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। এছাড়া বিশ্লেষকরা মনে করেন, লন্ডন থেকে প্রযুক্তিনির্ভর নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে তারেক রহমান যে উদাহরণ স্থাপন করেছেন, তা ভবিষ্যতের বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করবে।

অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী খিড়াই নদী

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২২ পিএম
অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী খিড়াই নদী

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের বিরবাগ গোয়ালী ও দুর্গাপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী খিড়াই নদী কচুরিপানা ও আবর্জনায় প্রায় সম্পূর্ণ ঢেকে গেছে। নদীর বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে কচুরিপানা ও বর্জ্য জমে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে স্থানীয় পরিবেশ ও জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। নদীটি দূষণমুক্ত করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে স্থানীয় জনগণ, প্রশাসন ও পরিবেশকর্মীদের সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাপা দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান তালুকদার খিড়াই নদীর বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। নদী ও জলাধারকে কচুরিপানা ও বর্জ্যমুক্ত করে পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সুধী সমাবেশ ও আলোচনা সভা আয়োজনের স্থান নির্ধারণ করতেই এ পরিদর্শন করা হয়।

বাপা কেন্দ্রীয় কমিটির আজীবন সদস্য, কুমিল্লা জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দাউদকান্দি উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা পরিবেশবিদ অধ্যাপক মতিন সৈকত এবং উপজেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম স্বপনের পরামর্শক্রমে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

পরিদর্শনকালে নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দা, নৈয়াইর সাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক এবং বাপা দাউদকান্দি শাখার উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন সিকদারের সঙ্গে বাপা নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় করেন। এ সময় নদীর বর্তমান অবস্থা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দ্রুত কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

বাপা দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান তালুকদার বলেন, নদী শুধু জলপ্রবাহ নয়; এটি প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। খিড়াই নদীকে বাঁচাতে নিয়মিত পরিচর্যা, নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ এবং দ্রুত কচুরিপানা পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য ও নির্মল পরিবেশ গড়ে তুলতে দল-মতনির্বিশেষে স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশকর্মীরা আশা করছেন, প্রশাসনিক সহায়তা ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে খিড়াই নদী থেকে কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণ করে এর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ, বসতবাড়ি ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম
পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ, বসতবাড়ি ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়ির টিনের বেড়া ও জানালার থাই গ্লাস ভাঙচুর, ভবনের পাশে মাটি কেটে ঝুঁকি তৈরি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন। উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের জগমোহনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শীতলিয়া মৌজায় আব্দুল কুদ্দুছের বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে ভাগ-বণ্টনের পর তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ অংশ ভোগদখল করে আসছেন। তবে সম্পত্তির একটি অংশ নিয়ে তাঁর সৎ ভাই আব্দুল ওয়াদুদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আদালতে একটি মামলাও চলমান রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে আব্দুল ওয়াদুদসহ কয়েকজন ব্যক্তি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জন বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে গিয়ে আব্দুল কুদ্দুছের বসতবাড়ির চারপাশের টিনের বেড়া ও জানালার থাই গ্লাস ভাঙচুর করেন। এ সময় পাকা বসতঘরের পূর্ব পাশে মাটি কেটে নেওয়া হয়। এতে দোতলা ভবনটি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিযোগকারী। বাধা দিতে গেলে তাঁকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, বিরোধপূর্ণ সম্পত্তি সুষ্ঠুভাবে ভাগ-বণ্টন করে যার যার অংশ বুঝে নেওয়ার জন্য তিনি একাধিকবার অনুরোধ করেছেন। তাঁর দাবি, সৎ ভাই নিজের অংশ অন্য মৌজায় নিয়ে প্রায় ২০ বছর আগে বিক্রি করেছেন। অন্যদিকে, তিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে এই জমি ভোগদখল করে আসছেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে নিয়মিত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, তিনি তাঁর বাবার প্রথম সংসানের ছেলে। তাঁর দাদা মারা যাওয়ার আগেই বাবা মারা যান। এরপর সৎ ভাই-বোনসহ ১০ জনের সংসারের খরচ তিনি কষ্ট করে চালিয়েছেন। বণ্টন অনুযায়ী ওই জমিতে তাঁর অংশ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, ভাইয়েরা নিজেদের অংশে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। ২০২৩ সালে আর্থিক সংকটের কারণে নিজের অংশের জমি খারিজ খতিয়ান করে বিক্রি করেছেন। জমি নিয়ে তাঁর ভাইয়েরাই ঝামেলা করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভেকু দিয়ে মাটি কাটার বিষয়ে ফারুক বলেন, নিজের পৈতৃক সম্পত্তিতে বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য মাটি কেটে ভরাট করছেন তিনি। কুদ্দুছের ঘরের পেছনে প্রায় ১০ ফুট জায়গা রেখে মাটি কাটা হচ্ছে। ভবনের ক্ষতি করার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য তাঁর নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, উজিরপুর ইউনিয়নের শীতলিয়া এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেবীদ্বারে ন্যায় বিচারের দাবীতে মানববন্ধন; ওসি ও এসআই অজয়ের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

মো: বিল্লাল হোসেন: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৫ এএম
দেবীদ্বারে ন্যায় বিচারের দাবীতে মানববন্ধন; ওসি ও এসআই অজয়ের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

আমি আমার স্ত্রী হত্যার বিচার চাই। পুলিশি হয়রানির আতঙ্কে আমার স্ত্রী হাসনা বেগম (৫৬) হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। অর্থের অভাবে আমার স্ত্রীর উন্নত চিকিৎসা করাতে পারি নাই। প্রতিপক্ষের টাকার গরমে থানা পুলিশ আমাদের মামলা নেয় নাই। আসামীরা সহজে জামিন পেতে এবং মামলা থেকে খালাস পেতে নিলাফুলা-জখম দেখিয়ে নিজ মনগড়া এজাহার লিখে আমার ছেলের স্বাক্ষর নিয়ে মামলা রুজু করে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার নিউমার্কেট মুক্তিযোদ্ধা চত্বরের স্বাধীনতা স্তম্ভের সংলগ্ন সড়কে আয়োজিত মানববন্ধন চলাকালে নিহত হাসনা বেগমের স্বামী আব্দুল আজিজ এসব কথা বলেন।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে মাছ ধরার সময় তর্কাতর্কি কেন্দ্র করে দেবীদ্বার পৌরসভার ভোষণা গ্রামের আব্দুল আজিজের বাড়িতে ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নবী নেওয়াজ সহ বহিরাগত সন্ত্রাসী হামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারপূর্বক বিচারের দাবিতে এবং একই ঘটনায় থানা পুলিশের যোগসাজশে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এলাকাবাসীর আয়োজনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে আব্দুল আজিজ আরো বলেন, প্রতিপক্ষের মামলা গ্রহণ করে আমাদের হয়রানি করে। ওই মামলার তদন্তে ৬ অক্টোবর তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্রী অজয় চক্রবর্তী বাড়িতে এসে আমার ছেলে (মামলার বাদী) আল আমিন ভ্যান চালিয়ে মামলা চালাতে পারবে না বলে, মামলা তুলে নিয়ে মিমাংসায় চলে যেতে চাপ দিতে থাকেন, বয়স হলে দাত এমনিতেই পড়ে যাবে, তাদের কথা-বার্তায় আমার স্ত্রী সন্তানদের গ্রেফতার আতঙ্কে হার্ট এটাকে ৩ দিন চিকিৎসাধীন থেকে ৯ অক্টোবর কু.মে.ক হাসপাতালে মারা যান।

মো. শাহজালাল বলেন, আক্তার হোসেনের ছেলে শুভ বাড়ির পাশে আমাদের একটি গর্ত সিচে মাছ ধরছিল, ঐসময় একই বাড়ির মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে ট্রাক্টর চালক নবী নেওয়াজ (৩৮) শুভর মাছগুলো ফেলে দেয়। এ নিয়ে শুভ ও নবী নেওয়াজের মধ‍্যে বাগবিতন্ডা ও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনায় ২০ অক্টোবর বিকেলে নবী নেওয়াজ ৬টি সিএনজি যোগে বহিরাগত ভাড়াটে সন্ত্রাসী প্রায় ৫০/৬০ জন নিয়ে তাদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা, ভাংচুর, লুটপাট চালায়।
আবদুল আজিজের ছেলে গুরুতর আহত আক্তার হোসেনের স্ত্রী শাহিনা বেগম বলেন, আমার স্বামী তাদের কাছে হাত জোর করে-আব্বা ডেকেও রক্ষা পায়নি, আমার ছেলে শুভ তার বাবাকে আর না মারতে প্রাণ ভিক্ষা চায়, তাকেও কুপিয়ে গুরতর আহত করে, আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকেও মারে, আমি আমার স্বামী ও সন্তানের প্রাণ ভিক্ষা চাইতে গেলে ওরা আমাকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আমার স্বামী তাদের মারধরে ঘরে পয়খানা- প্রশ্রাব করে দেয়। তারা আমার স্বামীর নিচের চোয়ালের তিনটি দাত ভেঙ্গে ফেলে, কুপিয়ে গুরুতর জখম করে মৃত ভেবে ফেলে যায়। আমার স্বামীর পায়ের অংশে কাটায় ৩৮ টি সেলাই দিতে হয়, ৩টি দাত ফেলে দিলেও এসব কথা মামলায় উল্লেখ করেনি। মামলায় ফুলা জখম দেখিয়েছে। অর্থাভাবে স্বামীর চিকিৎসা করতে পারছিনা, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম অসুস্থ‍ স্বামী কাজে যেতে পারছেনা, তাই আজ প্রায় একমাস আমরা মানুষের সহায়তায় অর্ধাহার অনাহারে আছি। ভবিষ‍্যৎ কি হবে জানিনা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কাজী লোকমান হোসাইন, মোঃ আউয়াল খাঁন, মোঃ শাহজালাল, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ভুক্তভোগী পরিবার থেকে আব্দুল আজিজ, শাহিনা বেগম, কামরুল হাসান প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, মাছ ধরা নিয়ে হাতাহাতি ও বাকবিতন্ডায় বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে একটি দরিদ্র পরিবারকে মারধর, হামলা ও ঘরবাড়ি ভাংচুর এবং লুটপাট করে নিঃস্ব করে দিয়েছে নবী নেওয়াজ, আব্দুল কাদের,দুলাল মিয়া, রাকিব@সাগর ও মো: ওমরসহ তার ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা। অতি দ্রুত আসামী পক্ষের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানান। তাদের দাবী না মানা হলে পরবর্তীতে বৃহৎ আন্দোলনের হুশিয়ার দেন।

এবিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, মামলার এজাহার ওনারা লিখে এনেছেন। আমরা মামলা রেকর্ড পূর্বক আসামী আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছি, বিজ্ঞ আদালত যদি আসামীকে জামিন দেয় সেক্ষেত্রে আমাদের কিছুই করার নেই। মামলার এজাহারে যদি দাঁত পরার বিষয় বা অন্য কোন গুরুতর জখমের কথা বাদ পরে থাকে তদন্তে এড করে দেওয়া যাবে সমস্যা নেই। তাছাড়া মারামারির ঘটনায় কাউন্টার মামলা হয়, যা অপর পক্ষ করেছে।

×