রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সমিতি (বিপ্রাছাস) পূর্ণঃকমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৮ মে, ২০২৩, ৪:৩০ পিএম
বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সমিতি (বিপ্রাছাস) পূর্ণঃকমিটি গঠন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সমিতি(বিপ্রাছাস) মোঃ আবুল কাশেম আহবায়ক ও মোঃ মনছুর আহমেদ জীবনকে সদস্য সচিব করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট পুর্নঃকমিটি গঠন করা হয়।

সংগঠনটি একটি সার্বজনীন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান ১৯৫৮ ইংরেজি সালে মরহুম জয়নাল আবেদীন সাহেবের কল্যাণে তৎকালীন জ্ঞানী গুণী ব্যক্তিত্ব জনাব আলী আকবর চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠা অর্জন করে। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে আরো অনেকেই প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সহায়তা করেন।

উল্লেখযোগ্য, মরহুম জনাব আলী আকবর চেয়ারম্যান, মরহুম জনাব হাজী নুর মিয়া, মরহুম আব্দুর রহমান মজুমদারসহ অনেকে এই প্রতিষ্ঠানে ভূমি দান করেন। এছাড়া আরো অনেকেই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন।

এই স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে পরবর্তী পর্যায়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে ব্যক্তি জীবনে এবং সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক জীবনে সফলকাম এবং অনেকেই আছেন যারা আমাদের উত্তরসূরী – ভবিষ্যতে সফলকাম হবেন।

বি-প্রাছাস একটি কল্যাণকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৯২ সালে মরহুম জনাব জাকির হোসেন এবং জনাব আবুল বাশার, ডাক্তার ইসহাকসহ অনেকে মিলে প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেই সময় স্কুলের বিভিন্ন সমস্যায় উনারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন, যেটা ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল এবং স্কুলেরও অনেক সমস্যার সমাধান করে দিয়েছেন।

এ সংগঠনটি কয়েক বছর কাজ করার পরে হঠাৎ নিষ্প্রাণ হয়ে পরে। এর পিছনের কারণগুলো মূলত অনেকের ব্যক্তিগত অথবা অন্য যেকোনো কারণে কার্যক্রম গুলো সফল করতে পারেন নি। দীর্ঘ ৩০ বছর পরে কয়েকজনে এই সংগঠনকে পুনরায় উজ্জীবিত করার জন্য কাজ করে করেছেন। আবুল বাশার সাহেব/সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং ডাক্তার ইসহাকসহ আরো অনেক বিজ্ঞ প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের উৎসাহে পুনরায় সংগঠন দাঁড় করানোর জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন।

বাইয়ারা গ্রামের হাই স্কুলটি একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে বৃহত্তর জোডডা ইউনিয়নের এমন কোন গ্রাম নাই, যেই গ্রামের সন্তানেরা এই স্কুলে পড়েন নাই। এখনো যদিও অনেক গ্রামে যেহেতু এটা একটা ছাত্রদের কল্যাণকর এবং অনেকের পুরনো স্মৃতি বিজড়িত রয়েছে। তাই সকলের চিন্তা চেতনায় এই যে, স্কুলের এই প্রতিষ্ঠান থেকে সবাই মিলে “বি-প্রাছাস”কে একটি কল্যাণকর সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে আগের মতো সেই উচ্ছ্বাস জাগিয়ে সম্মিলিতভাবে অত্র ইউনিয়নের ছাত্রদের জন্য কল্যানকর, আধুনিক শিক্ষায় উৎসাহিত করার এই প্রতিষ্ঠানকে সংযুক্ত সহযোগিতা করবেন।

প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে মজবুত ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়ে পরবর্তীতে সংগঠনটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের উপরে দাঁড়িয়ে কাজ করতে পারে এবং সমাজের বৃত্তবান জ্ঞানীগুণীসহ সকল স্তরের, সকল স্তরের মানুষের , প্রাক্তন ছাত্রদের উচ্ছ্বাসকে সাথে নিয়ে ভালো কাজের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে, সেই লক্ষ্যে বর্তমান আহবায়ক কমিটি কাজ করে যাচ্ছে। স্বল্প পরিসরের আয়োজনে সভার সভাপতি/ উপদেষ্টা এবং “বি-প্রাছাস” এর সাধারণ সম্পাদক প্রাক্তন ছাত্রদের উপস্থিতিতে অনুমোদিত এই কমিটিতে বিভিন্ন গ্রামের অনেকেই যুক্ত আছেন।

“বি-প্রাছাস” বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রিক একটি স্বতন্ত্র সংগঠন এবং যেকোনো প্রতিষ্ঠানের তন ছাত্র সংগঠন শুধুমাত্র প্রাক্তন ছাত্ররাই পরিচালনা করে সেহেতু এখানে কোন ব্যক্তি বিশেষের বা কোন নির্দিষ্ট ভাবে সমাজের জন্য বা কোন গোষ্ঠী বা মহলের জন্য বিশেষভাবে কাজ করার অবকাশ নেই।

যেকোন প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন সবসময় তাদেরকে নিয়ে পরিচালিত হয়। এখানে স্মৃতির টানে, নাড়ীর টানে সবাই একসাথে আনন্দদায়ক এবং কল্যাণকর কাজে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করার প্রয়াসে মিলিত হয়। এ মিলন মেলায় সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি, জ্ঞানী গুণী বা জনহিতকর কাজে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত রেখেছেন তাদেরকে দাওয়াত দেওয়া হয়।

এই সংগঠনের মাধ্যমে সত্যিকারের মানুষ হওয়ার জন্য, মানব কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখার জন্য, বড় স্বপ্ন দেখানোর জন্য আলোচনা হয় এবং উজ্জীবিত করা হয়।

এটি সম্পূর্ণরূপে একটি অরাজনৈতিক মানবিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংগঠন, এতে সমাজে অবস্থানরত ভিন্নমতের মানুষের প্রাধান্য থাকে না।

এটি সার্বিকভাবে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য এখানে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থের হাসিলের জন্য আসবে না। এখানে প্রত্যেকটা কাজে নিয়ম এবং গঠনতন্ত্রের মধ্য দিয়ে হবে এবং ভবিষ্যতে ভোটাধিকার প্রয়োগে এই প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী পরিষদের গঠিত হবে এবং এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা চেষ্টা করছি এবং নতুনভাবে উজ্জীবিত হচ্ছি।

এই হঠাৎ করে আবির্ভাব হয়তো সমাজের অনেকেই বিভিন্ন চোখে দেখেছেন এবং অনেকেই আছেন যারা হয়তো বা এই প্রতিষ্ঠানের এই সংগঠনের সাথে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন না বা না পারার কারণে নিজেরা নিজেদের উদ্যোগে অন্য কোন ছাত্র সংগঠন করার ব্যক্ত করে কাজ করেছেন। এটা অত্যন্ত আনন্দের ব্যাপার যে কোন ভাল কাজে উৎসাহ প্রদান করা এটা একটা মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং মনে করেন, বাইয়ারা গ্রামে হঠাৎ এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেখে অনেকে উৎসাহিত হয়ে ভিন্ন নামে তাৎক্ষণিক ভাবে কাজ করার চিন্তা করছেন। এ ধরনের উদ্যোগকে সবাই সাধুবাদ জানায় এবং এতে বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্র সমিতি (বি-প্রাছাস) কমিটির এবং সকল সাধারণ সদস্যদের উপর কোনরকম প্রতিক্রিয়া প্রভাব পড়বে না বলে সবাই মনে করেন।

সকলে আশা করেন, এই সংগঠনের সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী যারা বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক রাজনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে, অর্থনীতিকভাবে অনেক উচ্চ পর্যায়ে আছেন তারা পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তাদের সহযোগিতায় “বি-প্রাছাস” তার নতুনত্ব ফিরে পাবে এখানে দলগত বা ব্যক্তিগত ভাবে কোন ব্যক্তির স্বার্থ হাসিলের কোন সুযোগ নেই। তাই এই মহৎ উদ্যোগের পিছনে সাড়া দেওয়ায় সকল প্রাক্তন ছাত্রদের ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা জানান।
সবাই বিশ্বাস করেন, নতুন কমিটির পরিধি আরও বড় হবে এবং বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন গ্রামের সকল প্রাক্তন ছাত্রীদের সন্নিবেশিত করে নতুন করে এগিয়ে যাবে(ইনশাল্লাহ)।

অতঃপর যেকোন প্রতিকূলতাকে সকলের সমন্বয়ে একটি সুন্দর পরিবেশ তথা আগামীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করার অঙ্গীকারবদ্ধ।

কুমিল্লায় ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৬ পিএম
কুমিল্লায় ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন কর্মসূচি জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুমিল্লায় ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাসুম হাসান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. এস. এম. তৌহিদুর রহমান সুমন, সভাপতি, কুমিল্লা মহানগর ড্যাব (স্থগিত) এবং সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ড্যাব (স্থগিত)।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জাকিরুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ও বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. শাহ মু. সেলিম, অধ্যাপক ডা. মো. আজিজুল হক, অনকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. খোরশেদ আলম, সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. মাহফুজুর রহমান সোহাগ, সহযোগী অধ্যাপক ও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির প্রশিক্ষণবিষয়ক সহসম্পাদক দেবাশীষ চক্রবর্তী।

আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাইন উদ্দিন হোসেন পিংকু, সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মইনুল ইসলাম ওয়াসিক, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. পিযুষ কর্মকার, সহকারী অধ্যাপক ডা. আসরাফুল আলম সিদ্দিক, সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. শওকত হোসেন ভূঁইয়া এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. ইফরানুল আলম মিশু।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. মো. সফিকুর ইসলাম, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি ডা. মো. রবিউল হোসেন পাটোয়ারী রবি, ডা. জাহিদুর হাসান রনি, ডা. ফয়সাল আহমেদ, ডা. মো. আবু মুসা, ডা. কামরুল হাসান রায়হান, ডা. মো. মুনীফুল ইসলাম ইনান এবং ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ডা. সৈয়দ মো. হাফিজুর রহমান তুহিনসহ কলেজের শিক্ষক, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

কর্মসূচিতে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি হাম ও ডেঙ্গুর লক্ষণ, প্রতিরোধের উপায় এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে সাধারণ মানুষের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা এবং উপস্থিত থেকে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা জোগানোর জন্য অতিথিবৃন্দ, শিক্ষক, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ডা. সৈয়দ মো. হাফিজুর রহমান তুহিন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠান আয়োজন ও বাস্তবায়নে ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি ডা. মো. নাজমুল হাসান বিশেষ আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন। তাঁর এ সহযোগিতার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ডা. মো. মেহেদী হাসানের নবজাতক সন্তানের সুস্থতা কামনা করে দোয়া প্রার্থনা করা হয়। বর্তমানে শিশুটি ভারতের চেন্নাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার দ্রুত সুস্থতা ও রোগমুক্তির জন্য উপস্থিত সবার কাছে দোয়া কামনা করেন আয়োজকরা।

কুমিল্লায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের মাসিক পাঠক আড্ডা অনুষ্ঠিত

অন্ত মাহমুদ : প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৫ পিএম
কুমিল্লায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের মাসিক পাঠক আড্ডা অনুষ্ঠিত

বই পড়া, সাহিত্যচর্চা ও মননশীল সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি ইউনিটের মাসিক পাঠক আড্ডা।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি, কুমিল্লা ইউনিটের পাঠক ফোরামের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। এতে বইপ্রেমী, সাহিত্যঅনুরাগী ও সংস্কৃতিমনা মানুষের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।

পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, তরুণ প্রজন্মকে সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং পাঠকদের মধ্যে পারস্পরিক ভাববিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যেই নিয়মিত এ পাঠক আড্ডার আয়োজন করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মালেকা মমতাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাবিলা হালিম, দি মিরর টুডের সাব-এডিটর হোসেন মাহমুদ, কুমিল্লা গিটার একাডেমির পরিচালক ও প্রশিক্ষক ইকবাল হোসেন জুয়েল এবং ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম।

বক্তারা বলেন, বই মানুষের জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি চিন্তা, মনন ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একটি আলোকিত ও মননশীল সমাজ গঠনে নিয়মিত বই পড়া ও সাহিত্যচর্চার বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা এবং সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে গ্রন্থ আলোচনা করেন প্রীতম বণিক। তিনি আলোচ্য বইয়ের বিষয়বস্তু ও তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি পাঠকদের সঙ্গে বইটির বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন। পরে শিশু-কিশোরদের কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশনায় অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি, কুমিল্লা ইউনিটের লাইব্রেরি ইনচার্জ মো. মাসুদ আলম।

এ ছাড়া চিত্রাঙ্কন, গল্প বলা, আবৃত্তি, সংগীত ও পাঠ কার্যক্রমের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার হিসেবে বই তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন হুমায়রা আক্তার, নুরাইজ ইশফাক, নাফিজা আক্তার উর্মি, আয়াত, আফসারুল, হুমায়রা, স্পন্দন ও নাফিসা মেহেরিন।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার আন্দোলনকে আরও গতিশীল করতে পাঠক ফোরামের এ ধরনের নিয়মিত আয়োজন বই পড়ার আগ্রহ বৃদ্ধি, সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

পরিবার থেকেই সুন্দর সমাজ গঠনের কাজ শুরু করতে হবে: অধ্যাপক আব্দুল মতিন

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪০ পিএম
পরিবার থেকেই সুন্দর সমাজ গঠনের কাজ শুরু করতে হবে: অধ্যাপক আব্দুল মতিন

কুমিল্লার হোমনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হোমনা উপজেলা শাখার উদ্যোগে ‘রুকনদের পারিবারিক মিলনমেলা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) আয়োজিত এ মিলনমেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা জেলা উত্তরের আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি এবং হোমনা-তিতাস ও মেঘনা উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান মো. নাজিম উদ্দিন মোল্লা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার শামীম সরকার বিজ্ঞ এবং কাজী মো. ইব্রাহিম খলিল। তিনি হোমনা উপজেলা জামায়াতের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সেক্রেটারি এবং পৌর মেয়র পদপ্রার্থী।

হোমনা উপজেলা জামায়াতের আমীর ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ কাজী ছাইদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হোমনা পৌর জামায়াতের আমীর মো. জায়েদুর রহমান মজুমদারসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের রুকন ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আব্দুল মতিন বলেন, একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের কাজ পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে। সন্তানরা পরিবারের পরিবেশ থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করে। তাই মা-বাবার আচরণ ও পারস্পরিক সম্পর্কের প্রভাব সন্তানের ওপর পড়ে। স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার এবং সন্তানদের ন্যায্য অধিকার যথাযথভাবে আদায় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সন্তানদের সামনে মা-বাবার শালীন আচরণ ও সুন্দর পারিবারিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। একটি আদর্শ পরিবার গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই সুন্দর ও নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।

অনুষ্ঠানে পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করা, নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা এবং আদর্শ পরিবার গঠনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

(more…)

×