সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

বিএনপি কি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আসবে?

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৩, ৩:৪৭ পিএম
বিএনপি কি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আসবে?
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। তফসিল ঘোষণার আগে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সিনিয়র রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছিলেন যে এই তফসিল একটি প্রহসন। একতরফা নির্বাচন করে আবার ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য সরকার টার অনুগত নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করছে। স্বভাবতই এই তফসিলের অধীনে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না, এটাই তাদের অবস্থান। তফসিল ঘোষণা করা হচ্ছে এমন এক সময়ে যখন বিএনপি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ডাকছে। এই হরতালের প্রথম দিনের অপরাহ্নে প্রধান নির্বাচন কমিশনের তফসিলের পর স্বাভাবিকভাবে বিএনপি নির্বাচনের তফসিল প্রত্যাখ্যান করেছে।

তবে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর চাপ এবং বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে শেষ পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনের ব্যাপারে নাটকীয় সিদ্ধান্ত নিতেও পারে। তবে সেক্ষেত্রে বিএনপির প্রধান শর্ত হবে এই তফসিল পেছানো। বিএনপির বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে দিনভর কথা বলে দেখা গেছে যে, তারা কিছু একটা অর্জন করতে চান এবং সরকারের কাছ থেকে কিছু একটা আদায় হয়েছে এটা দৃশ্যমান করতে চান। আর এই কারণেই সন্ধ্যায় ঘোষিত নির্বাচনের তফসিলের বিএনপি যে যাবে না এটা মোটামুটি নিশ্চিত।

তবে এখন সকলে তাকিয়ে আছে কূটনীতিক তৎপরতার দিকে। কূটনীতিক মহল শেষপর্যন্ত তাদের ভাষায় একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অর্থাৎ যে নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে সে রকম একটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য কি ধরনের তৎপরতা গ্রহণ করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা দেশগুলো নিশ্চিতভাবেই চাইবে যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করুক এবং এজন্য তারা তাদের তৎপরতা আরও দৃশ্যমান করবে। এখন দেখার বিষয় যে বিএনপিকে কতোটুকু ছাড় সরকার দিতে পারে এবং কোন কোন শর্তের বিনিময়ে বিএনপিকে নির্বাচনে আনা যেতে পারে।

তবে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে যে বিএনপিকে নির্বাচনে আনা বা না আনা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব না। এটা বিএনপির একান্তই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। কোন রাজনৈতিক দল নির্বাচনে আসবে, কোন রাজনৈতিক দল নির্বাচনে আসবে না সেটা তাদের তাদের দলীয় ব্যাপার। এখানে আওয়ামী লীগ বা অন্য কারও কোনো কিছু করার নেই। আওয়ামী লীগ এখন একটা ব্যাপারে খুবই অবিচল থাকবে, অটল থাকবে তা হল যে নির্বাচনের তফসিল যেন কোনও ভাবেই পিছানো না হয়। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতারা আজ বলেছেন যে নির্বাচন কমিশন যে তফসিল করবে সেখান থেকে পিছিয়ে আসার কোনও উপায় নেই।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন যে, এখন হয়তো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং সমঝোতার চেষ্টার জন্য চেষ্টা করবে। সমঝোতার চেষ্টার প্রথম শর্ত হতে পারে নির্বাচনের তফসিল টাকে পুনঃনির্ধারণ করা, আলাপ আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধান তৈরি করা। কিন্তু সেই ফাঁদে আওয়ামী লীগ পা দেবে না।

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেছেন যে এখন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে দেশ প্রবেশ করেছে। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন করা এবং শূন্য আসনগুলোতে নির্বাচনের পরে যদি কোনও আসনে গোলযোগ হয়, সংঘাত হয়, সেখানে পুনর্নির্বাচনের ব্যবস্থা করা, গেজেট প্রকাশ করা, সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়া এবং একটি নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ আগামী ২৯ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। তাই নির্বাচনের তফসিল পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। এখন দেখার বিষয় যে বিএনপিকে নির্বাচনে আনার জন্য কে কী করবে?

তবে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল মহলগুলো বলছে যে, আওয়ামী লীগ এখন বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে আগ্রহী নয়। বিএনপি যদি নিজেদের রাজনৈতিক কৌশলে নির্বাচনে আসতে চায় সেটা ভিন্ন ব্যাপার। এখন বিএনপি তার রাজনৈতিক কৌশল বিবেচনা করে নির্বাচনে আসবে কি না সেটাই দেখার বিষয়।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

কুমিল্লার চান্দিনায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. মনির হোসেন (৩১) নামে ওই শিক্ষককে স্থানীয়রা আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে রাখার পর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি দোল্লাই নবাবপুর বাজারসংলগ্ন মারকাজুল নূরে মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরকে মাদ্রাসাটির দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সে মাদ্রাসাতেই থাকত। সেখানে অভিযুক্ত মনির হোসেন আরবি বিষয়ে পাঠদান করতেন।

পরিবারের ভাষ্য, গত ১১ আগস্ট দিবাগত রাত অর্থাৎ ১২ আগস্ট রাতের খাবার শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মনির হোসেন ওই কিশোরকে ডেকে নিজের খাটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শরীর ম্যাসেজ করাতে বাধ্য করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে তাকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই কক্ষে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার পর আতঙ্কে কিশোরটি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। ১২ আগস্ট বিকেলে মোবাইল ফোনে মাকে বিষয়টি জানালেও বিস্তারিত কিছু বলেনি। পরদিন তাকে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে মোবাইল ফোনে বাবাকে ঘটনার কথা জানায় সে। ১৭ আগস্ট রাতে ছেলের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন মা।

ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, ছেলের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ঘটনার পর টানা তিন দিন তার পায়ুপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। পরে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর প্রবাসী বাবা অভিযুক্ত শিক্ষক মনির হোসেনকে ফোন করেন। এ সময় মনির হোসেন বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেন। পরে পরিবারটি স্থানীয়দের বিষয়টি জানালে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এদিকে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রাম্য সালিশ বসে।

সালিশ চলাকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাটি জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হন। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চান্দিনা থানার পুলিশ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে যায় এবং অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রাম্য সালিশে বসার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, “উভয় পক্ষ আমার পরিষদে এসে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাইলে আমরা সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।”

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, “স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসিক মাদ্রাসায় থাকা শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

×