বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

ব্রাহ্মণপাড়ায় হামলা : প্রতিবন্ধীসহ আহত তিন—মামলার বদলে ওসি নিলেন জিডি!

মিজানুর রহমান প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:১৮ পিএম
ব্রাহ্মণপাড়ায় হামলা : প্রতিবন্ধীসহ আহত তিন—মামলার বদলে ওসি নিলেন জিডি!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

 

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে একের পর এক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে আব্দুল মালেক ও তার দুই ছেলে ইয়ামিন ও ইয়াছিন মিলে রিমা ও তার শিশু প্রিয়ার উপর নির্মম হামলা চালায়। রিমার পিঠে গভীর আঘাত, শিশুর চোখে অশ্রু, আর ঘরের ভেতর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ভাঙা আসবাব সব মিলিয়ে এক ভয়াবহ দৃশ্য তৈরি হয়।

এর আগে গত সপ্তাহেও একই গোষ্ঠী প্রতিবন্ধী আমির ইসলামের বসতঘরে ভাঙচুর চালায়। সেই ঘটনার ভিডিওসহ থানায় অভিযোগ করা হলেও পুলিশ কোনো মামলা নেয়নি। বরং সর্বশেষ হামলার পরও ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম মামলার পরিবর্তে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) গ্রহণ করেন।

আহত রিমার স্বামী আমির ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একটা প্রতিবন্ধী পরিবারকে টার্গেট করে বারবার হামলা হচ্ছে, অথচ পুলিশ শুধু বলে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে। অভিযোগ তো আগেই দেওয়া হয়েছে, তাহলে ব্যবস্থা কোথায়?”

ওসির এই ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা বলছে, সন্ত্রাসীরা দিনের আলোয় হামলা চালায়, নারী-শিশুকে রক্তাক্ত করে, ঘরবাড়ি ভাঙে, তবু পুলিশের কোনো তৎপরতা নেই। মামলার বদলে জিডি গ্রহণ করায় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে পুলিশ কি ব্যর্থ, নাকি সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোপন আঁতাত রয়েছে?

মনোহরপুরের মানুষ এখন সরাসরি প্রশ্ন করছে: প্রশাসনের এই নীরবতা কি দায়িত্বহীনতা, নাকি সুবিধার বিনিময়ে আঁতাত?।

কুমিল্লায় ২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের মা*ম*লা*য় দুই আসামির ৭ বছর করে কা*রা*দ*ণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৭ পিএম
কুমিল্লায় ২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের মা*ম*লা*য় দুই আসামির ৭ বছর করে কা*রা*দ*ণ্ড

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মাদক মামলায় দুই আসামিকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাদের।

 

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) দুপুরে কুমিল্লার বিশেষ দায়রা জজ আদালত ও পারিবারিক আপিল আদালতের বিচারক এবং জেলা ও দায়রা জজ সাউদ হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন চট্টগ্রামের ভুজপুর থানাধীন মোহাম্মদপুর গ্রামের মো. হারেজ মিয়ার ছেলে মো. সুমন এবং কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল থানাধীন ঝিমংখালী গুনাপাড়ার মৃত উলা মিয়ার ছেলে মো. শাহজাহান। রায় ঘোষণার সময় তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। বর্তমানে দুজনই পলাতক রয়েছেন।

 

যেভাবে উদ্ধার হয় দুই হাজার পিস ইয়াবা

 

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় একটি পিকআপ ভ্যান থেকে দুই হাজার পিস লালচে রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার মোট ওজন ছিল ২০০ গ্রাম। ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান ও স্কচটেপও জব্দ করা হয়।

 

এ ঘটনায় মো. সুমন ও মো. শাহজাহানকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মো. আবদুল হামিদ নামে আরও একজনের নাম উঠে আসে। পরে দাউদকান্দি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়।

 

মামলার তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ১৫ মার্চ সুমন ও শাহজাহানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। অপর আসামি আবদুল হামিদের সঠিক নাম-ঠিকানা পাওয়া না যাওয়ায় তাকে অভিযোগপত্রে ‘নট সেন্ট আপ’ দেখানো হয়।

 

পরবর্তী সময়ে মামলাটি বিচারের জন্য আদালতে এলে ২০১৯ সালের ১৬ জানুয়ারি দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

 

পাঁচ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রায়

 

বিচার চলাকালে দুই আসামি পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কেউ উপস্থিত ছিলেন না। রাষ্ট্রপক্ষে মোট পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। পরে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

 

রায়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০-এর ১৯(১) ধারার টেবিল ৯(খ)/২৫ ধারায় দুই আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি ১৯(৪) ধারায় প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

তবে একই আইনের ৩৩ ধারায় আনা অভিযোগ সাক্ষ্য-প্রমাণে প্রমাণিত না হওয়ায় ওই অভিযোগ থেকে দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

 

গ্রেপ্তার অথবা আত্মসমর্পণের পর কার্যকর হবে সাজা

 

আদালতের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পলাতক দুই আসামি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলে অথবা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদের সাজা কার্যকর হবে। মামলার বিচারাধীন সময়ে হাজতে থাকার কোনো সময় থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারা অনুযায়ী তা সাজা থেকে বাদ যাবে।

 

এ ছাড়া মামলায় জব্দ করা আলামত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। জব্দ করা পিকআপ ভ্যানের বিষয়ে আগে দেওয়া জিম্মানামা জিম্মাগ্রহণকারীর অনুকূলে চূড়ান্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এম এ মতিন মোল্লা। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. জসীম উদ্দিন চৌধুরী।

হোমনায় যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ, গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্য

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০৫ পিএম
হোমনায় যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ, গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্য

স্বামীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

কুমিল্লার হোমনায় যৌতুকের দাবিতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে তাহমিনা আক্তার (২৮) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে উপজেলার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের দরিচর গ্রামে স্বামীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

নিহত তাহমিনা আক্তার উপজেলার নূরালাপুর গ্রামের মো. আবদুল বাতেন মিয়ার মেয়ে এবং দরিচর গ্রামের মো. সুমন মিয়ার স্ত্রী। তাদের সংসারে চার বছর বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে পারিবারিকভাবে তাহমিনার সঙ্গে সুমনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বাবার বাড়ি থেকে বিভিন্ন সময়ে টাকা এনে দেওয়ার জন্য তাহমিনাকে চাপ দেওয়া হতো। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ পরিবারের। এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধ মীমাংসায় স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।

পরিবারের অভিযোগ, সর্বশেষ গত ২৭ অক্টোবর তাহমিনার ভাইদের কাছে আবারও টাকা দাবি করেন সুমন। তবে ভাইয়েরা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাহমিনার ওপর মানসিক চাপ আরও বেড়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে তিনি কীটনাশকজাতীয় ট্যাবলেট সেবন করেন বলে পরিবারের দাবি।

বিষয়টি জানতে পেরে স্বামীর বাড়ির লোকজন রাত পৌনে ১১টার দিকে তাকে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে অভিযোগ রয়েছে, সেখানে না নিয়ে তাকে স্থানীয় এক হাতুড়ে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরে সোমবার মধ্যরাতে তাহমিনার বাবার বাড়িতে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পুলিশ খবর পেয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে তাহমিনার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার বিকেলে আসরের নামাজের পর নূরালাপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এ বিষয়ে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদনে শরীরে বাহ্যিক কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক অশান্তির জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী সুমন আত্মগোপনে রয়েছেন বলে পরিবারের দাবি। তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

চার দিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব, আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান পেট্রোবাংলার

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:০৪ পিএম
চার দিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব, আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান পেট্রোবাংলার

আগামী চার দিন সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন তথ্যকে গুজব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পেট্রোবাংলার জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক তারিকুল ইসলাম খানের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে—এমন দাবি করে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের আদলে ফটোকার্ড তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। বিষয়টি পেট্রোবাংলার নজরে এসেছে। এ ধরনের প্রচারণাকে বিভ্রান্তিকর ও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

পেট্রোবাংলা জানায়, কক্সবাজারের মহেশখালীর দুটি এলএনজি টার্মিনালের একটি সামিট এলএনজি টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের কারণে সাময়িকভাবে রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ফলে আগামী চার দিন জাতীয় গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ২ হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ২ হাজার ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসতে পারে।

তবে এতে সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোনো বিষয় নেই। বরং সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে কোনো কোনো এলাকায় গ্যাসের চাপ সাময়িকভাবে কম থাকতে পারে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, গ্যাস সরবরাহে সাময়িক এই ঘাটতির বিষয়টি বাস্তব হলেও সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার প্রচারণা সঠিক নয়। তাই যাচাই না করে কোনো তথ্য, ফটোকার্ড কিংবা সংবাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের কারণে ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কথা রয়েছে। এ সময়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় স্বল্পচাপের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

জনসাধারণকে প্রকৃত তথ্য জেনে সচেতন থাকার এবং গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।

×