শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

সাবেক এমপি বাহারের বিরুদ্ধে আর এক মামলায় আসামি হলেন যারা

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৪, ৯:৫২ এএম
সাবেক এমপি বাহারের বিরুদ্ধে আর এক মামলায় আসামি হলেন যারা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে গত ৩ আগস্ট বিকালে কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় শিক্ষার্থীদের মিছিলে সশস্ত্র হামলা ও গুলির অভিযোগে সদর আসনের সাবেক এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারসহ ১৬৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের নবম ব্যাচের ছাত্র আবু রায়হান। তিনি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার শ্রীপদ্দী গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে।

এ মামলায় সাবেক এমপি বাহার ছাড়াও আরও যাদের আসামি করা হয় তারা হলেন,  ১। আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার (সাবেক এম.পি) (৬৫), পিতাঃ মৃতঃ মোঃ আব্দুস সালাম, ঠিকানাঃ মুন্সেফ বাড়ী, আদর্শ সদর, কুমিল্লা, ২। তাহসীন বাহার সূচনা (সাবেক মেয়র কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন) (৪০), পিতাঃ হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার ঠিকানাঃ মুন্সেফ বাড়ী, আদর্শ সদর, কুমিল্লা,৩ । মাহাবুব আলম (অস্ত্রধারী) (৫০), পিতাঃ মৃতঃ রতন মিয়া, সাং- উজির দিঘির পাড়, ৪। আব্দুল হাই বাবলু (৫৫), পিতাঃ অজ্ঞাত, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, সদর দক্ষিণ উপজেলা, ৫। আমিনুল ইসলাম টুটুল (অস্ত্রধারী) (৫৪), পিতাঃ রফিকুল ইসলাম, ঠিকানাঃ ধর্মপুর, কোতয়ালী, সদর উপজেলা চেয়াম্যান, কুমিল্লা, ৬। আতিকুল্লাহ খোকন (৬০), মহানগর আওয়ামীলীগ সেক্রেটারী, পিতাঃ মৃতঃ নুরুল ইসলাম, ঠিকানাঃ ঝাউতলা, কোতয়ালী, কুমিল্লা, ৭। জিয়াউল হাসান চৌধুরী সোহাগ (৪০), (লুইচ্চা সোহাগ) (অস্ত্রধারী), পিতাঃ মোঃ শাহজাহান চৌধুরী, সাং-চরানল, থানাঃ বুড়িচং, বর্তমানে, গোমতী রিভারভিউ, কাপ্তানবাজার, কোতয়ালী, ৮। এ এম এম মহিন (অস্ত্রধারী) (৪২), পিতাঃ আব্দুর রশিদ, সাং- খয়রাবাদ (গঙ্গামন্ডল), থানাঃ দেবিদ্বার, বর্তমানে, আনোয়ার হাউজিং, শাসনগাছা, কোতয়ালী, ৯। মোঃ খোরশেদ আলম (৫৫), পিতাঃ মোঃ আব্দুল খালেক, সাং- শান্তিমহল, গর্জনখোলা, কোতয়ালী, ১০। রফিকুল ইসলাম হিরা (অস্ত্রধারী) (৫৫), পিতাঃ মৃতঃ মোঃ আনু মিয়া, সাং উত্তর লাকসাম,থানাঃ লাকসাম, বর্তমানে, জি-৭ কসবা হাইজ, রাণীর দিঘী উত্তর পাড়, কোতয়ালী, ১১। কাজী শাকিল উদ্দিন আহমেদ (৪৫), পিতাঃ মৃতঃ কাজী গিয়াস উদ্দিন আহমদ, সাং- সদর হাসপাতাল রোড, মনোহরপুর, কোতয়ালী, ১২। আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শহীদ ওরফে চিকা শহীদ (৪৮) (যুবলীগ আহবায়ক কুমিল্লা মহানগর), পিতাঃ মেতু মিয়া, ঠিকানাঃ মুরাদপুর,কুমিল্লা, ১৩। মোঃ জহিরুল ইসলাম রিন্টু (অস্ত্রধারী) (৪৫), স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি, পিতাঃ মৃত সিরাজুল ইসলাম, ঠিকানাঃ ইসলামপুর রোড, কুমিল্লা, ১৪। সাদিকুর রহমান পিয়াস (সেচ্ছাসেবকলীগ সেক্রেটারী) (৪০), পিতাঃ জুলু মিয়া, ঠিকানাঃ ঝাউতলা, ১৫। হাবিবুর রহমান আল আমিন সাদী (৪৫) (অস্ত্রধারী), পিতাঃ বকু মিয়া, ঠিকানাঃ ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ১৬। সালেহ আহমেদ রাসেল (অস্ত্রধারী) (৪৫), যুব ক্রিড়া সম্পাদক, পিতা ঃ মৃতঃ সেকান্দার আলী মাষ্টার, ঠিকানা ঃ সাং- জামিরা, থানাঃ লালমাই, বর্তমান সাং- ঠাকুরপাড়া (আলিফ টাওয়ার, মদিনা মসজিদ), ১৭। নাইমুল হক হিমেল (৩৫), পিতাঃ মৃতঃ আশ্রাফ কন্ট্রাক্টর, ঠিকানাঃ বাদুরতলা (মসজিদ গলি) কোতয়ালী, কুমিল্লা, ১৮। সরকার মাহমুদ জাবেদ (৪৫) (অস্ত্রধারী), পিতাঃ মৃতঃ এড.আব্দুর রউফ, ঠিকানাঃ ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ১৯। আমিনুল ইকরাম (মাদক ব্যবসায়ী) (৪৩), পিতাঃ রেজাউল করিম ওরফে রমজান মিয়া, ঠিকানাঃ মাষ্টার ভিলা, চানপুর শুভপুর, সাবেক ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ২০। জমির উদ্দিন খান জম্পী (৬০), পিতাঃ অজ্ঞাত, ঠিকানাঃ ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ২১। গোলাম সারওয়ার শিপন (৪৫) (অস্ত্রধারী), পিতাঃ শাহীন মিয়া, ঠিকানাঃ ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ২২। সৈয়দ রায়হান (৪৫) (অস্ত্রধারী), পিতাঃ আবির আহমেদ ফটু ঠিকানাঃ মোগলটুলী, ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ২৩। বিশ্বজিৎ বল বসু (৫২), পিতাঃ মৃতঃ রনজিৎ বল বসু, সাং- গাংচর, পানপট্টি, ২৪। জহির কামাল (৫২) (মুরগী জহির) (অস্ত্রধারী), পিতাঃ মৃতঃ আলী নওয়াব মিয়া, ঠিকানাঃ দক্ষিণ ঠাকুর পাড়া, ৮নং ওয়ার্ড, ২৫। আবুল হোসেন ছোটন (৪১), , পিতাঃ আবুল কাশেম, ঠিকানাঃ বিষ্ণুপুর মৌলভী পাড়া ১নং ওয়ার্ড, ২৬। মুফাসসির হোসেন রবিন (৪০), পিতাঃ শানু মিয়া, ঠিকানাঃ বিষ্ণুপুর মধ্যমপাড়া, কুমিল্লা, ২৭। অভি (৩৫), পিতাঃ ইট কামাল, ঠিকানাঃ বিষ্ণুপুর মধ্যমপাড়া, কুমিল্লা, ২৮। আমজাদ হোসেন পাভেল ওরফে মাওরা পাভেল (৪০) (অস্ত্রধারী), পিতাঃ বাবুল মিয়া, ঠিকানাঃ চানপুর শুভপুর,কুমিল্লা, পিতাঃ ঠিকানাঃ সদর দক্ষিন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, কুমিল্লা, ২৯। রাসেল (৪৪), ঠিকানাঃ ঠাকুরপাড়া ৮নং ওয়ার্ড (মদিনা মসজিদ), ৩০। নূর মুহম্মদ সোহেল (৩৫) – ছাত্রলীগ সভাপতি কুমিল্লা মহানগর, পিতাঃ অজ্ঞাত, ঠিকানাঃ কোতয়ালী, কুমিল্লা, ৩১। মোশারফ হোসেন মুন (৩৭) – ছাত্রলীগ সেক্রেটারী, পিতাঃ আদম আলী, ঠিকানাঃ ২১ নং ওয়ার্ড, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ৩২। আব্দুল আজিজ সিহানুক (৩৭) – সাবেক ছাত্রলীগ আহবায়ক, পিতাঃ মৃতঃ হেলাল উদ্দিন, ঠিকানাঃ মুন্সেফ বাড়ী, মসজিদের পশ্চিমে,আদর্শ সদর,কুমিল্লা, ৩৩। আব্দুর সাত্তার (৪৫), পিতাঃ মন্টু মিয়া, ঠিকানাঃ কাউন্সিলর ২৬ ওয়ার্ড কুমিল্লা মহানগর, ৩৪। আবুল হাসান (অস্ত্রধারী) (৪৫), পিতাঃ আনু মিয়া, ঠিকানাঃ কাউন্সিলর সদর ২৭ ওয়ার্ড কুমিল্লা মহানগর, ৩৫। আবদুস সালাম বেগ (৫২) পিতাঃ মৃত শামছুদ্দিন, ঠিকানাঃ নুরপুর,থানাঃ আদর্শ সদর ৩৬। মুরাদ মিয়া (৪৫), পিতাঃ খলিলুর রহমান ড্রাইভার, ঠিকানাঃ কালিয়াজুরি, ৩৭। নাজমুল হাসান শাওন (৪৮), পিতাঃ মৃতঃ রতন মিয়া, ঠিকানাঃ শাকতলা, দক্ষিণ, কুমিল্লা, ৩৮। আহম্মেদ নিয়াজ পাভেল (৪৫), পিতাঃ মৃতঃ আলী মিয়া, ঠিকানাঃ সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, কুমিল্লা, ৩৯। আবু হেনা বিন মোস্তফা, পিতাঃ অজ্ঞাত, ঠিকানাঃ শাসনগাছা, কুমিল্লা, ৪০। মহব্বত আলী (৪৮) পিতাঃ মৃত আবদুল আজিজ সাং পাইকপাড়া থানাঃ লাকসাম ৪১। দিদারুল হক আকাশ, পিতাঃ অজ্ঞাত, ঠিকানাঃ দক্ষিণ চর্থা, কুমিল্লা, ৪২। শরীফুল ইসলাম-সাংগাঠনিক সম্পাদক মহানগর ছাত্রলীগ, কুমিল্লা মহানগর, ৪৩। সৈয়দ মুহাম্মদ পারভেজ ওরফে চুড়ি পারভেজ (৪০), পিতাঃ মৃতঃ আব্দুর রশিদ, ঠিকানাঃ শুভপুর (গাংগের নামা), কুমিল্লা, ৪৪। এনামুল কবির, পিতাঃ আবিদ আলী, ঠিকানাঃ বাদশা মিয়া বাজার, কুমিল্লা, ৪৫। নান্টু মল্লিক (আমিনুল ইকরামের নির্বাচনে ব্যবহৃত আগ্নোঅস্ত্র তার কছে আছে), পিতাঃ স্বপন মল্লিক, ঠিকানাঃ শুভপুর (গাংগের নামা),কুমিল্লা, ৪৬। হাসান রাফি রাজু-৫নং পাচথুবি ইউনিযন চেয়ারম্যান, পিতাঃ মৃত আব্দুল হালিম, ঠিকানাঃ ইটাল্লা, ৫নং পাচথুবি কুমিল্লা, ৪৭। মোঃ ইকবাল হোসেন মাস্টার, পিতাঃ আব্দুল ওহাব, ঠিকানাঃ পশ্চিম ইটাল্লা, পাচথুবী ইউনিয়ন, কুমিল্লা, ৪৮। ইকবাল হোসেন বাহালুল, পিতাঃ সৈয়দ আলী, ঠিকানাঃ কেরানীনগর বড়বাড়ী, পাচথুবী ইউনিয়ন, কুমিল্লা, ৪৯। কাজী রুহুল আমিন, পিতাঃ কাজী আব্দুল করিম, ঠিকানাঃ কালিকাপুর, পাচথুবী ইউনিয়ন, কুমিল্লা, ৫০ । মোঃ ফারুক, পিতাঃ মৃত নুরুল ইসলাম, ঠিকানাঃ ইরুয়াইন, লাকসাম, কুমিল্লা, ৫১। মোঃ হিরন, পিতাঃ আব্দুল আজিজ, ঠিকানাঃ সুবর্ণপুর, পাচথুবী ইউনিয়ন,কুমিল্লা, ৫২। মামুন মিয়া, পিতাঃ হাসু মিয়া, ঠিকানাঃ দক্ষিন শরীপুর মীর পাড়া পাচথুবী ইউনিয়ন,কুমিল্লা, ৫৩। মেজবাহ উদ্দিন ভূইয়া, ঠিকানাঃ সুর্বণপুর মুন্সিবাড়ি, পাচথুবী ইউনিয়ন,কুমিল্লা, ৫৪। নজরুল, পিতাঃ হাসু মিয়া, ঠিকানাঃ দক্ষিন শরীফপুর,পাচথুবী ইউনিয়ন, কুমিল্লা, ৫৫। হাফিজ মেম্বার, ৪নং ওর্য়াড, পাচথুবী ইউনিয়ন, কুমিল্লা, ৫৬। কাজী মোজ্জামেল পিতাঃ, অজ্ঞাত ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, ৫৭ । আব্দুল্লাহ আল মামুন, পিতাঃ অজ্ঞাত, ঠিকানাঃ ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, কুমিল্লা, ৫৮। শফিউল বাশার, পিতাঃ টুকু মিয়া, ঠিকানাঃ জালুয়াপাড়া, ৫৯। ফারুক, পিতাঃ অজ্ঞাত, ঠিকানাঃ কাঠেরপুল,কমিল্লা, ৬০। সম্পদ সাহা (মাদক সেবন ও ব্যবসায়ী), পিতাঃ তপন সাহা, সাং শুভপুর ৬১। মোঃ শরমিন (ওরফে দালাল শরমিন), পিতাঃ মৃতঃ সুন্দর আলী (কুটু মিয়া) সাং শুভপুর, ৬২। ইমরান, পিতাঃ অজ্ঞাত, বাদশাহ মিয়ার বাজার ৬৩। বাপ্পী, পিতাঃ মৃতঃ আবু তাহের, ঠিকানাঃ, বাগিচাগাও, কুমিল্লা। ৬৪। ইয়াছিন (৪৬), পিতাঃ সেকান্দর আলী, ঠিকানাঃ বিষ্ণুপুর মধ্যপাড়া, ৬৫। আখতার হোসেন, পিতা- মৃত আনুমিয়া, সাং- বিষ্ণুপুর মধ্যপাড়া, ৬৬। জোবায়ের হোসেন, পিতাঃ বাবুল, ঠিকানাঃ হাজী বাড়ী, ৬৭। আশিক, পিতাঃ শহীদ. ধর্মপুর, ৬৮। আব্দুল্লাহ কাইয়ুম, পিতাঃ-শানু মিয়া, ধানমন্ডি রোড, ৩ নং ওয়ার্ড, ৬৯। আব্দুল হালিম (৪৫), পিতাঃ আব্দুল মালেক, গ্রাম : কচুয়া, সদর দক্ষিণ ৭০। মনির হোসেন (৪২), পিতাঃ মৃত অছি মিয়া, গ্রামঃ কচুয়া, সদর দক্ষিণ ৭১। দুলাল হোসেন অপু (৪৫) পিতাঃ অজ্ঞাত গ্রামঃ শ্রীমন্তপুর, সদর দক্ষিণ ৭২। হানিফ মিয়া দুলাল (৪৫),পিতাঃ অহিদুর রহমান ২২ নং যুবলীগ সহসভাপতি, গ্রামঃ শ্রীভল্লবপুর, সদর দক্ষিণ ৭৩। আজাদ হোসেন (৪৮) কাউন্সিলর, গ্রামঃ শ্রীমন্তপুর, সদর দক্ষিণ ৭৪। সাদেকুর রহমান (৫২), পিতাঃ মৃত বন্দে আলী সাং শ্রীবল্লবপুর, সদর দক্ষিণ ৭৫) এমডি সুমন (৪৫) পিতাঃ মুরাদ মিয়া, ঠিকানাঃ মদনপট্টি, ৭৬। জামাল হোসাইন ভূঁইয়া (২৫) কার্যকরী সদস্য ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ৭৭। আসাদুর রহমান রিজন (৪৫) পিতাঃ বাবুল মিয়া, সাং- আমতলা, কোতয়ালী ৭৮। আলী আহাম্মদ, পিতাঃ মৃতঃ নওয়ার আলী সরকার, সাং- শুভপুর বাগান বাড়ী, ৭৯। অলক, পিতাঃ শহিদুল ইসলাম (ব্যাংকার), সাং শুভপুর ৮০। মাষ্টার নুরুন্নবী (৫০), পিতাঃ অজ্ঞাত, সাং- দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া, সর্ব কোতয়ালী, ৮১। কাজী রফিকুল হোসেন বাবুল, পিতাঃ কাজী নুরুল হোসেন, সাং- দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া, কোতয়ালী, ৮২। সামদানি, পিতাঃ অজ্ঞাত, সাং- মদিনা মসজিদ, কোতয়ালী, ৮৩। সাইফুর রহমান, পিতাঃ- মুনশী, সাং- দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া, কোতয়ালী, ৮৪। মোঃ লিটন ওরফে ড্রাইভার লিটন, পিতাঃ মৃতঃ কালা মিয়া, সাং- শমেষপুর (মোশারফের বাড়ী), থানাঃ লালমাই, ৮৫। শিহাব খান (৪৫), পিতাঃ নুরুল হক খান, সাং- গাজীমুড়া, থানাঃ লাকসাম, ৮৬। অজয় দাস, পিতাঃ অজ্ঞাত, সাং- তালপুকুরপাড়, কোতয়ালী, ৮৭। তরিকুর রহমান জুয়েল @ গুজা জুয়েল (৫৫), পিতাঃ মৃতঃ হাবিবুর রহমান, সাং দৌলতপুর, কোতয়ালী, ৮৮। গোলাম মোস্তফা, পিতাঃ মৃতঃ আলী আহাম্মদ, মসজিদের দক্ষিণ পাশের বাড়ি, দৌলতপুর, ৮৯। শাহ আলম (অগ্রধারী) (৪০), পিতাঃ মৃতঃ ছিদ্দিকুর রহমান, ৯০। আশিকুর রহমান শিমুল (অস্ত্রধারী), পিতাঃ মৃতঃ শফিকুর রহমান, উভয় সাং- দৌলতপুর কোনাবাড়ি, ৯১। রাজন মেম্বার, পিতাঃ আবুল হাশেম, সাং- দৌলতপুর গাজী বাড়ি, কোতয়ালী ৯২। গোলাম হোসেন, পিতাঃ মৃতঃ আবদুল খালেক, সাং- দপ্তরি বাড়ি, দৌলতপুর, কোতয়ালী ৯৩। রতন খান (অস্ত্রধারী), পিতাঃ মৃতঃ খালেক ডাক্তার, সাং- দৌলতপুর (পূর্বপাড়া), কোতয়ালী ৯৪। মতিউর রহমান মি (অস্ত্রধারী), পিতাঃ মৃতঃ শফিকুর রহমান, সাং- দৌলতপুর কোনাবাড়ি, ৯৫। মহিন (অস্ত্রধারী)- পিতাঃ মৃতঃ খোকন মিয়া, দৌলতপুর, পূর্বপাড়া (ডাক্তারবাড়ি), ৯৬। জিয়াউল হাসান মাহমুদ (অস্ত্রধারী), পিতাঃ খোরশেদ আলম রেনু, দৌলতপুর (পূর্বপাড়া) কোতয়ালী ৯৭। মোহাম্মদ হানিফ পিতাঃ আবুল মিয়া, দৌলতপুর, পূর্বপাড়া, ৯৮। রিফাত, পিতাঃ মৃতঃ কাশেম মিয়া, দৌলতপু (গাজিবাড়ি) কোতয়ালী ৯৯। শরিফ, পিতাঃ জামাল মিয়া, সাং-দৌলতপুর, কোনাবাড়ি, ১০০ জাবেদ রানা, পিতাঃ মনু মিয়া, সাং- শমেঘপুর (মোশারফের বাড়ী), থানাঃ লালমাই, ১০১। অপু পিতাঃ হোসেন ড্রাইভার, দৌলতপুর, কোনাবাড়ি, ১০২। সঞ্জিব, পিতাঃ রফিক ড্রাইভার, দৌলতপুর দপ্তরিবাড়ি, ১০৩। মনিরুল ইসলাম মনির, পিতাঃ মৃতঃ আবদুল মজিদ, সাং- চৌমূহনী পাশের বাড়ি ১০৪। সুজন, পিতাঃ মৃতঃ আবদুল জলিল, সাং-দৌলতপুর, কোনাবাড়ি, ১০৫। রাব্বি, পিতা ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মান্নান, দৌলতপুর, দপ্তরিবাড়ি, ১০৬। মোঃ আল আমিন অপু, পিতাঃ মো হোসেন, সাং- দৌলতপুর, ১০৭। মোঃ আনোয়ারুল হাসান খান, পিতাঃ আঃ মতিন খান, গোবিন্দপুর ১০৮। গোলাম হায়দার রনি, পিতাঃ মৃতঃ আবদুর রাজ্জাক, দৌলতপুর, ১০৯। সাকিব, পিতাঃ মৃত আনোয়ার হোসেন, চৌধুরীবাড়ি, শুভপুর, ১১০। নান্টু মল্লিক, পিতাঃ স্বপন মল্লিক, সাং-গাংচর শুভপুর, ১১১। রহিম উল্লাহ, পিতাঃ অজ্ঞাত, শুভপুর, ১১২। কামরুল হাসান, পিতাঃ আরমান হোসেন, সাং- চানপুর, ১১৩। শাহাদাত হোসেন, পিতাঃ অজ্ঞাত, সাং- চানপুর, ১১৪। জামিল পিতাঃ অজ্ঞাত, সাং- চৌধুরী মনজিল, শুভপুর, ১১৫। ইদু, পিতাঃ ওমর আলী, সাং- শুভপুর, ১১৬ শরিফ, পিতাঃ ফুল মিয়া, সাং- শুভপুর, ১১৭। ইউসুফ, পিতাঃ আঃ হাকিম, সাং- শুভপুর, ১১৮ কাজী রফিকুল হোসেন বাবুল, পিতাঃ কাজী নুরুল হোসেন, সাং- দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া, ১১৯। পলাশ, পিতাঃ আবুল মিস্ত্রী, সাং- বজ্রপুর, ১২০। খোকা, পিতাঃ বিল্লাল, সাং- বাপুর, ১২১। লিটন, পিতাঃ কালা মিয়া, সাং- বজ্রপুর, সর্ব থানাঃ আদর্শ সদর ১২২। জাহিদ হাসান শিপন, পিতাঃ সিরাজুল ইসলাম, সাং- উলুরচর, ১২৩। মিজানুর রহমান, পিতাঃ আবদুল গফুর, সাং- রায়পুর, ১২৪ আবদুল আউয়াল, পিতাঃ আবদুল গফুর, সাং- রায়পুর, ১২৫। সোহেল (অস্ত্রধারী), পিতাঃ ইয়াসিন মিয়া, সাং- লক্ষীপুর, ১২৬। মামুন চৌধুরী, পিতাঃ শাহ আলম চৌধুরী, সাং- নোয়াগাও, ১২৭। কাজী এমদাদ (অস্ত্রধারী), পিতাঃ নুরুল ইসলাম, সাং- মাটিয়ারা, ১২৮। মোসলেম উদ্দিন, পিতাঃ আলী মিয়া, সাং- কমলাপুর, ১২৮। আবদুর রশিদ, পিতাঃ অজ্ঞাত, সাং- ফুলতলী, ১২৯। মাহবুব আলম, পিতাঃ অজ্ঞাত, সাং- ফুলতলী, সর্বথানাঃ সদর দক্ষিণ, ১৩০। মনির (অস্ত্রধারী), পিতাঃ মৃতঃ খোকন মিয়া, সাং- দৌলতপুর, ১৩১) ফাহিম খান অহী ১৩২) ফুয়াদ খান অকিব, উভয় পিতাঃ জমির উদ্দিন খান জম্পি ৩০২/১ বাগিছাগাঁও ১৩৩) নয়ন পিতাঃ আবদুল ওয়াদুদ সাং বাগিছাগাও (নতুন চৌধুরী পাড়া) ১৩৪) ইকবাল ইবু পিতাঃ অজ্ঞাত সাং বাগিছাগাঁও ১৩৫) হালিম পিতাঃ দ্বীন মোহাম্মদ ১৩৬) খন্দকার আফসার অধীন পিতাঃ লিটন ১৩৭) আজাদ পিতাঃ মিজান সর্ব সাং ঠাকুরপাড়া সর্ব থানাঃ আদর্শ সদর, কুমিল্লা ১৩৮) জাহাংগীর আলম পিতাঃ মমিন আলী সাং গাজীমুড়া ১৩৯) শাহআলম পিতাঃ কালা মিয়া সাং পশ্চিমগাঁও উভয় থানাঃ লাকসাম ১৪০) আশিকুর রহমান শিমুল (৩৫), ১৪১) মিঠু (৩০) উভয় পিতাঃ সফিক মিয়া ১৪২) আবদুল্লাহ আল মামুন (৪০) পিতাঃ আবদুল বারী ১৪৩) মিজান (৫৫) পিতাঃ আব্দুল কাদের মোল্লা, ঠিকানাঃ রিয়াজ উদ্দিন এর পাশের গলি, ১৪৪) সাগর (৫৫) প্রাক্তন ওয়ার্ড কাউন্সিলর। পিতাঃ ছেরু মিয়া। ঠিকানাঃ শিকদার গলি, থানাঃ সদর দক্ষিণ ১৪৫) ফয়েজ আহম্মদ বুলু (৪৪) পিতাঃ হারুন মিয়া ১৪৬) ইব্রাহীম (৪২) পিতাঃ ফজর আলী ১৪৭ ) হুমায়ুন (৪৪) পিতাঃ মৃত নুর আহম্মদ সর্ব সাং লক্ষীপুর, ১৪৮) সৈয়দ নাঈম (৬০) পিতা এস এ হামিদ। ঠিকানা : লালাপুকুর পার, ১৪৯) সৈয়দ রায়হান আহমেদ (৪৮) পিতা সৈয়দ আবির আহমেদ ফটু। ঠিকানা: হাইস্কুলের পিছনে, ১৫০) নিজাম মিঞা (৭০) পিতা: আব্দুল জলিল, ঠিকানা: হাইস্কুলের পিছনের গলি, ১৫১) শেখ ফরিদ (৫৫) পিতা: আব্দুল করিম। ঠিকানাঃ পুরাতন চৌধুরি পারা, ১৫২) আখতার মিঞা (৬০) পিতা: আব্দুল গফুর, ঠিকানা: শাহসুজা মসজিদ রোড, ১৫৩) ইয়াহিয়া মজুমদার (৫০) পিতা: ইউছুফ আলি, ঠিকানাঃ শিকদার গলি, ১৫৪) লিটন শিকদার (৫০) পিতাঃ এফ কে শিকদার, ঠিকানাঃ সাহ্ সুজা মসজিদ এর সামনে, ১৫৫) এম ডি রাজীব (৪০) পিতাঃ মুরাদ মিঞা, ঠিকানাঃ প্রিয়াজন ভবন, সাহসুজা মসজিদ রোড, ১৫৬) বারেক মিয়া (৪৮) পিতাঃ মুনসুর আলী, ঠিকানাঃ শিকদার গলি, ১৫৭) কালট স্বপন (৪৫) মাতাঃ মঞ্জু বেগম, ঠিকানাঃ উত্তর গাংচর, ১৫৮ ) মোঃ জুথি (৪২) পিতাঃ মন্টু মিঞা, ঠিকানাঃ হাফেজ বাড়ি সংলগ্ন, ১৫৯) মোঃ সাহেদ (৪০) পিতাঃ তাজুল ইসলাম, ঠিকানাঃ সাহ্ সুজা মসজিদ রোড, ১৬০ ) মহসিন (৪০) পিতাঃ শুক্কুর ড্রাইভার, ঠিকানাঃ সাহসুজা মসজিদ রোড, ১৬১) আব্দুল কুদ্দুছ (৬০) পিতাঃ শুক্কুর ড্রাইভার, ঠিকানাঃ সাহসুজা মসজিদ রোড, ১৬২) আশিক (৪৫) পিতাঃ আব্দুল কুদ্দুস, ঠিকানাঃ গাংচর সাহসুজা মসজিদ রোড, ১৬৩) রাজিব (৪২) পিতাঃ আব্দুল কুদ্দুস, ঠিকানাঃ সাহসুজা মসজিদ রোড, ১৬৪) সজিব (৩৮) পিতাঃ মতিন কমিশনার ঠিকানাঃ সাহসুজা মসজিদ রোড, ১৬৫) বাইট্টা রাজু(৩৩), সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ৫নং ওয়ার্ড, ঠিকানাঃ হাফেজ বাড়ি, ১৬৬) রকি (৩৭) পিতাঃ নান্নু মিয়া, ঠিকানাঃ মদনপট্টি, ১৬৭) বাচ্চু (10) পিতাঃ আব্দুল জলিল, ঠিকানাঃ মদনপট্টি, ১৬৮) চাপা শুভ (৩৮) পিতাঃ বাচ্চু মিয়া, মদনপট্টি, সর্ব জেলাঃ কুমিল্লা সহ আরো অজ্ঞাত নামা ২৫০-৩০০ জন।

কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফিরোজ হোসেন বলেন, মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা সকলেই আত্মগোপনে আছেন, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী খিড়াই নদী

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২২ পিএম
অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী খিড়াই নদী

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের বিরবাগ গোয়ালী ও দুর্গাপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী খিড়াই নদী কচুরিপানা ও আবর্জনায় প্রায় সম্পূর্ণ ঢেকে গেছে। নদীর বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে কচুরিপানা ও বর্জ্য জমে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে স্থানীয় পরিবেশ ও জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। নদীটি দূষণমুক্ত করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে স্থানীয় জনগণ, প্রশাসন ও পরিবেশকর্মীদের সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাপা দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান তালুকদার খিড়াই নদীর বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। নদী ও জলাধারকে কচুরিপানা ও বর্জ্যমুক্ত করে পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সুধী সমাবেশ ও আলোচনা সভা আয়োজনের স্থান নির্ধারণ করতেই এ পরিদর্শন করা হয়।

বাপা কেন্দ্রীয় কমিটির আজীবন সদস্য, কুমিল্লা জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দাউদকান্দি উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা পরিবেশবিদ অধ্যাপক মতিন সৈকত এবং উপজেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম স্বপনের পরামর্শক্রমে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

পরিদর্শনকালে নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দা, নৈয়াইর সাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক এবং বাপা দাউদকান্দি শাখার উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন সিকদারের সঙ্গে বাপা নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় করেন। এ সময় নদীর বর্তমান অবস্থা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দ্রুত কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

বাপা দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান তালুকদার বলেন, নদী শুধু জলপ্রবাহ নয়; এটি প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। খিড়াই নদীকে বাঁচাতে নিয়মিত পরিচর্যা, নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ এবং দ্রুত কচুরিপানা পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য ও নির্মল পরিবেশ গড়ে তুলতে দল-মতনির্বিশেষে স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশকর্মীরা আশা করছেন, প্রশাসনিক সহায়তা ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে খিড়াই নদী থেকে কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণ করে এর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ, বসতবাড়ি ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম
পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ, বসতবাড়ি ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়ির টিনের বেড়া ও জানালার থাই গ্লাস ভাঙচুর, ভবনের পাশে মাটি কেটে ঝুঁকি তৈরি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন। উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের জগমোহনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শীতলিয়া মৌজায় আব্দুল কুদ্দুছের বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে ভাগ-বণ্টনের পর তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ অংশ ভোগদখল করে আসছেন। তবে সম্পত্তির একটি অংশ নিয়ে তাঁর সৎ ভাই আব্দুল ওয়াদুদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আদালতে একটি মামলাও চলমান রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে আব্দুল ওয়াদুদসহ কয়েকজন ব্যক্তি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জন বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে গিয়ে আব্দুল কুদ্দুছের বসতবাড়ির চারপাশের টিনের বেড়া ও জানালার থাই গ্লাস ভাঙচুর করেন। এ সময় পাকা বসতঘরের পূর্ব পাশে মাটি কেটে নেওয়া হয়। এতে দোতলা ভবনটি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিযোগকারী। বাধা দিতে গেলে তাঁকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, বিরোধপূর্ণ সম্পত্তি সুষ্ঠুভাবে ভাগ-বণ্টন করে যার যার অংশ বুঝে নেওয়ার জন্য তিনি একাধিকবার অনুরোধ করেছেন। তাঁর দাবি, সৎ ভাই নিজের অংশ অন্য মৌজায় নিয়ে প্রায় ২০ বছর আগে বিক্রি করেছেন। অন্যদিকে, তিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে এই জমি ভোগদখল করে আসছেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে নিয়মিত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, তিনি তাঁর বাবার প্রথম সংসানের ছেলে। তাঁর দাদা মারা যাওয়ার আগেই বাবা মারা যান। এরপর সৎ ভাই-বোনসহ ১০ জনের সংসারের খরচ তিনি কষ্ট করে চালিয়েছেন। বণ্টন অনুযায়ী ওই জমিতে তাঁর অংশ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, ভাইয়েরা নিজেদের অংশে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। ২০২৩ সালে আর্থিক সংকটের কারণে নিজের অংশের জমি খারিজ খতিয়ান করে বিক্রি করেছেন। জমি নিয়ে তাঁর ভাইয়েরাই ঝামেলা করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভেকু দিয়ে মাটি কাটার বিষয়ে ফারুক বলেন, নিজের পৈতৃক সম্পত্তিতে বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য মাটি কেটে ভরাট করছেন তিনি। কুদ্দুছের ঘরের পেছনে প্রায় ১০ ফুট জায়গা রেখে মাটি কাটা হচ্ছে। ভবনের ক্ষতি করার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য তাঁর নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, উজিরপুর ইউনিয়নের শীতলিয়া এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেবীদ্বারে ন্যায় বিচারের দাবীতে মানববন্ধন; ওসি ও এসআই অজয়ের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

মো: বিল্লাল হোসেন: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৫ এএম
দেবীদ্বারে ন্যায় বিচারের দাবীতে মানববন্ধন; ওসি ও এসআই অজয়ের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

আমি আমার স্ত্রী হত্যার বিচার চাই। পুলিশি হয়রানির আতঙ্কে আমার স্ত্রী হাসনা বেগম (৫৬) হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। অর্থের অভাবে আমার স্ত্রীর উন্নত চিকিৎসা করাতে পারি নাই। প্রতিপক্ষের টাকার গরমে থানা পুলিশ আমাদের মামলা নেয় নাই। আসামীরা সহজে জামিন পেতে এবং মামলা থেকে খালাস পেতে নিলাফুলা-জখম দেখিয়ে নিজ মনগড়া এজাহার লিখে আমার ছেলের স্বাক্ষর নিয়ে মামলা রুজু করে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার নিউমার্কেট মুক্তিযোদ্ধা চত্বরের স্বাধীনতা স্তম্ভের সংলগ্ন সড়কে আয়োজিত মানববন্ধন চলাকালে নিহত হাসনা বেগমের স্বামী আব্দুল আজিজ এসব কথা বলেন।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে মাছ ধরার সময় তর্কাতর্কি কেন্দ্র করে দেবীদ্বার পৌরসভার ভোষণা গ্রামের আব্দুল আজিজের বাড়িতে ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নবী নেওয়াজ সহ বহিরাগত সন্ত্রাসী হামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারপূর্বক বিচারের দাবিতে এবং একই ঘটনায় থানা পুলিশের যোগসাজশে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এলাকাবাসীর আয়োজনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে আব্দুল আজিজ আরো বলেন, প্রতিপক্ষের মামলা গ্রহণ করে আমাদের হয়রানি করে। ওই মামলার তদন্তে ৬ অক্টোবর তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্রী অজয় চক্রবর্তী বাড়িতে এসে আমার ছেলে (মামলার বাদী) আল আমিন ভ্যান চালিয়ে মামলা চালাতে পারবে না বলে, মামলা তুলে নিয়ে মিমাংসায় চলে যেতে চাপ দিতে থাকেন, বয়স হলে দাত এমনিতেই পড়ে যাবে, তাদের কথা-বার্তায় আমার স্ত্রী সন্তানদের গ্রেফতার আতঙ্কে হার্ট এটাকে ৩ দিন চিকিৎসাধীন থেকে ৯ অক্টোবর কু.মে.ক হাসপাতালে মারা যান।

মো. শাহজালাল বলেন, আক্তার হোসেনের ছেলে শুভ বাড়ির পাশে আমাদের একটি গর্ত সিচে মাছ ধরছিল, ঐসময় একই বাড়ির মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে ট্রাক্টর চালক নবী নেওয়াজ (৩৮) শুভর মাছগুলো ফেলে দেয়। এ নিয়ে শুভ ও নবী নেওয়াজের মধ‍্যে বাগবিতন্ডা ও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনায় ২০ অক্টোবর বিকেলে নবী নেওয়াজ ৬টি সিএনজি যোগে বহিরাগত ভাড়াটে সন্ত্রাসী প্রায় ৫০/৬০ জন নিয়ে তাদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা, ভাংচুর, লুটপাট চালায়।
আবদুল আজিজের ছেলে গুরুতর আহত আক্তার হোসেনের স্ত্রী শাহিনা বেগম বলেন, আমার স্বামী তাদের কাছে হাত জোর করে-আব্বা ডেকেও রক্ষা পায়নি, আমার ছেলে শুভ তার বাবাকে আর না মারতে প্রাণ ভিক্ষা চায়, তাকেও কুপিয়ে গুরতর আহত করে, আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকেও মারে, আমি আমার স্বামী ও সন্তানের প্রাণ ভিক্ষা চাইতে গেলে ওরা আমাকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আমার স্বামী তাদের মারধরে ঘরে পয়খানা- প্রশ্রাব করে দেয়। তারা আমার স্বামীর নিচের চোয়ালের তিনটি দাত ভেঙ্গে ফেলে, কুপিয়ে গুরুতর জখম করে মৃত ভেবে ফেলে যায়। আমার স্বামীর পায়ের অংশে কাটায় ৩৮ টি সেলাই দিতে হয়, ৩টি দাত ফেলে দিলেও এসব কথা মামলায় উল্লেখ করেনি। মামলায় ফুলা জখম দেখিয়েছে। অর্থাভাবে স্বামীর চিকিৎসা করতে পারছিনা, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম অসুস্থ‍ স্বামী কাজে যেতে পারছেনা, তাই আজ প্রায় একমাস আমরা মানুষের সহায়তায় অর্ধাহার অনাহারে আছি। ভবিষ‍্যৎ কি হবে জানিনা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কাজী লোকমান হোসাইন, মোঃ আউয়াল খাঁন, মোঃ শাহজালাল, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ভুক্তভোগী পরিবার থেকে আব্দুল আজিজ, শাহিনা বেগম, কামরুল হাসান প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, মাছ ধরা নিয়ে হাতাহাতি ও বাকবিতন্ডায় বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে একটি দরিদ্র পরিবারকে মারধর, হামলা ও ঘরবাড়ি ভাংচুর এবং লুটপাট করে নিঃস্ব করে দিয়েছে নবী নেওয়াজ, আব্দুল কাদের,দুলাল মিয়া, রাকিব@সাগর ও মো: ওমরসহ তার ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা। অতি দ্রুত আসামী পক্ষের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানান। তাদের দাবী না মানা হলে পরবর্তীতে বৃহৎ আন্দোলনের হুশিয়ার দেন।

এবিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, মামলার এজাহার ওনারা লিখে এনেছেন। আমরা মামলা রেকর্ড পূর্বক আসামী আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছি, বিজ্ঞ আদালত যদি আসামীকে জামিন দেয় সেক্ষেত্রে আমাদের কিছুই করার নেই। মামলার এজাহারে যদি দাঁত পরার বিষয় বা অন্য কোন গুরুতর জখমের কথা বাদ পরে থাকে তদন্তে এড করে দেওয়া যাবে সমস্যা নেই। তাছাড়া মারামারির ঘটনায় কাউন্টার মামলা হয়, যা অপর পক্ষ করেছে।

×