রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

একই কর্মক্ষেত্রে ১৫ বছর বহাল তবিয়তে

দেবিদ্বার পৌরসভার আলোচিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ৮৭ দিন অফিসে অনুপস্থিত

পারভেজ সরকার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২৩ পিএম
দেবিদ্বার পৌরসভার আলোচিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ৮৭ দিন অফিসে অনুপস্থিত
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

 

কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌরসভার আলোচিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুল ইসলাম এবার ছুটি ছাড়াই টানা ৮৭ দিন অফিসে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই কর্মক্ষেত্রে টানা ১৫ বছর চাকুরীর সুবাধে পৌরসভার ভিতরে ও বাহিরে একটি বড় সিন্ডিকেট চক্র গড়ে তুলেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। দেবিদ্বারে যোগদানের পর স্থানীয় এমপি ও আওয়ামী নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে বহুবার আলোচিত হয়েছেন এই উপ-সহকারী প্রকৌশলী। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর দুর্নীতিবাজ তৎকালীন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (পৌর সচিব) মোঃ ফখরুল ইসলাম পালিয়ে গেলেও এই আলোচিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুল ইসলাম রয়েছেন বহাল তবিয়তে।
পৌর অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে ৮ নভেম্বর দেবিদ্বার পৌরসভায় যোগদান করেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুল ইসলাম। পৌরসভায় যোগদান করার পর স্থানীয় এমপি ও আওয়ামী নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন এই উপ-সহকারী প্রকৌশলী। এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সখ্যতার সুবাধে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান দিয়েছেন তিনি নিজেই। সড়ক ও ড্রেন নির্মানে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে এই ১৫ বছর, যা তদন্ত করলে উঠে আসবে বলে পৌরবাসীর দাবী। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর দুর্নীতিবাজ পৌর সভার তৎকালীন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (পৌর সচিব) মোঃ ফখরুল ইসলাম পালিয়ে গেলেও এই আলোচিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুল ইসলাম রয়েছেন বহাল তবিয়তে। পৌর সভায় টাকা ১৫ বছর চাকুরী ও বিভিন্ন দূর্নীতির বিষয়ে আলোচনা শুরু হলে কোন ছুটি না নিয়েই গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে অদ্যবধি অফিসে অনুপস্থিত রয়েছেন তিনি।
পৌরসভার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম মোর্শেদ বলেন, দুর্নীতিবাজ তৎকালীন পৌর সচিব মোঃ ফখরুল ইসলাম পালিয়েছে সেভাবে। এখন পৌর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুল ইসলাম যাচ্ছেন সেই পথে । এড়া দুর্নীতি করলেও মন্ত্রনালয়ের খুটির জোড়ে বেঁচে থাকে সব সময়। দেশের উপর এবং নিচের সকল দুর্নীতিবাজরা ঐক্য হয়েছেন।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্র নেতা সিয়াম আহম্মেদ বলেন, সরকারী নিয়ম অনুসারে একই স্থানে একজন কর্মকর্তা ৩ বছর থাকার কথা থাকলেও দেবিদ্বার পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুল ইসলাম ১৫ বছর একই কর্মক্ষেত্রে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও টাকা ১৫ বছর রয়েছেন বহাল তবিয়তে। এখন ছুটি ছাড়াই কর্মক্ষেত্রে ৮৭ দিন অনুপস্থিত রয়েছেন। তাদের মত দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা এখন সময়ের দাবি হয়ে পড়েছে।

কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে দেবিদ্বার পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি তিন মাসের ছুটিতে রয়েছি।
এ ব্যাপারে দেবিদ্বার পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ফয়সল উদ্দিন বলেন, আমি পৌরসভার দায়িত্ব গ্রহণের পর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুল ইসলামকে একদিনও পাইনি। তিনি কেন কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত রয়েছে তাকে কারন দর্শানোর নোটিশ করলেও এখনো এর জবাব পাইনি। তবে তিনি তিন মাসের একটি ছুটির আবেদন করেছেন, এখনো মন্ত্রনালয় আবেদন মঞ্জুর করে নাই।

সেলিম ভূঁইয়ার নেতৃত্বকে শক্তিশালী করতে নিলখীতে সৈকত ভান্ডারীকে চান সমর্থকেরা

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫০ পিএম
সেলিম ভূঁইয়ার নেতৃত্বকে শক্তিশালী করতে নিলখীতে সৈকত ভান্ডারীকে চান সমর্থকেরা

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার নিলখী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মোশাররফ হোসেন সৈকত ভান্ডারী। তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়ে সমর্থন জানাচ্ছেন স্থানীয় সমর্থকেরা।

স্থানীয় সমর্থকদের ভাষ্য, পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং জনসেবার মানসিকতার কারণে সৈকত ভান্ডারী চেয়ারম্যান পদে একজন সম্ভাবনাময় প্রার্থী। তাঁদের মতে, কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করতে এবং এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে তাঁর মতো তরুণ ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্ব প্রয়োজন।

সৈকত ভান্ডারীর প্রয়াত পিতা আবুল হাসেম ছিলেন নিলখী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকালে তিনি স্থানীয় মানুষের পাশে থেকে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। তাঁর সেই অবদান এখনো ইউনিয়নের অনেক মানুষের স্মৃতিতে রয়েছে। বাবার রেখে যাওয়া জনসেবার ঐতিহ্য ধরে রেখে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান তাঁর ছেলে সৈকত ভান্ডারী।

স্থানীয় সমর্থকেরা মনে করেন, বিএনপি তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দিলে নিলখী ইউনিয়নে দলের সাংগঠনিক অবস্থান আরও সুসংহত হওয়ার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মান বাড়াতে তিনি ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তাঁদের প্রত্যাশা।

এদিকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন এবং নিলখী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নের প্রত্যাশা নিয়ে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন সৈকত ভান্ডারী। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশায় তাঁর সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহও বাড়ছে।
সব মিলিয়ে নিলখী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মোশাররফ হোসেন সৈকত ভান্ডারীকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

হোমনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান সেলিম ভূঁইয়ার

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
হোমনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান সেলিম ভূঁইয়ার

 

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কুমিল্লার হোমনায় রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা হলরুমে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন হোমনা-তিতাসের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া।

পরে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমিতে হোমনা উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তৎকালীন অস্থির পরিস্থিতিতে সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা দেশের ইতিহাসে নতুন বাঁক তৈরি করে। এদিন বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ৭ নভেম্বরের চেতনা জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রেরণা জোগায়। নতুন প্রজন্মের কাছে এ দিনের ইতিহাস ও তাৎপর্য তুলে ধরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে। একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশপ্রেম, সততা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে নতুন প্রজন্মকে দেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে। এ সময় তিনি রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হোমনা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাবীন, হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক (ভিপি মুকুল), সিনিয়র সহসভাপতি জাকির হাসান (জাকি), সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান মোল্লা, পৌর বিএনপির সভাপতি ছানাউল্লাহ সরকার, সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ আঃ লতিফ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহজাহান মোল্লা (চেয়ারম্যান) ও মো. সাইফুল ইসলাম (ভিপি রাজা), দপ্তর সম্পাদক মো. সেলিম মাস্টার, সহসভাপতি মো. শাহ আলম হিমেল ও শেফালি বেগম এবং নির্বাহী সদস্য মো. আলমগীর সরকারসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

দশকের অপেক্ষার অবসান! চাকরি ফিরে পেয়ে গ্রামে ফিরলেন মিরাজ, মাকে স্যালুটে আবেগঘন মুহূর্ত

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:০১ পিএম
দশকের অপেক্ষার অবসান! চাকরি ফিরে পেয়ে গ্রামে ফিরলেন মিরাজ, মাকে স্যালুটে আবেগঘন মুহূর্ত

দীর্ঘ ১৯ বছরের আইনি লড়াই, অপেক্ষা ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে অবশেষে চাকরি ফিরে পেয়েছেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের ষোলপাড়া গ্রামের সন্তান মো. মিরাজ উদ্দীন আহমেদ সরকার। চাকরিতে পুনর্বহালের পর ছয় মাসের কঠোর রিফ্রেশার ও ফিটনেস প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করে গ্রামে ফিরেছেন তিনি। তাঁর এই প্রত্যাবর্তনে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে।

মরহুম সাবেক সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার মো. রিয়াজ উদ্দীনের সন্তান মিরাজ উদ্দীনের গ্রামে ফেরাকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ছেলেকে আবারও কর্মজীবনের মর্যাদায় ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তাঁর মা। এ সময় মিরাজ উদ্দীন নিজের অর্জিত সম্মাননা ও সফলতা মায়ের চরণে উৎসর্গ করেন এবং তাঁকে স্যালুট জানান। মা-ছেলের এই আবেগঘন মুহূর্ত উপস্থিত স্বজন ও এলাকাবাসীর হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

দীর্ঘ ১৯ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর চাকরি পুনর্বহালের সুযোগ পাওয়ায় মিরাজ উদ্দীন ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, মিরাজ উদ্দীনের এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা পূরণের একটি দৃষ্টান্ত। ১৯ বছর পর তাঁর এমন প্রত্যাবর্তন ষোলপাড়া গ্রামের মানুষের জন্য গর্ব ও আনন্দের বিষয়।

পরিবারের সদস্যরা বলেন, দীর্ঘ উনিশটি বছর তাঁদের পরিবারকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। আজকের এই প্রত্যাবর্তন তাঁদের দীর্ঘদিনের কষ্ট ও অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তাঁরা কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

ছয় মাসের কঠোর প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করে পুনরায় দেশসেবায় আত্মনিয়োগের সুযোগ পেয়ে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন মিরাজ উদ্দীন আহমেদ সরকার। পাশাপাশি তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

×