শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

হোমনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান সেলিম ভূঁইয়ার

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
হোমনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান সেলিম ভূঁইয়ার
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

 

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কুমিল্লার হোমনায় রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা হলরুমে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন হোমনা-তিতাসের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া।

পরে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমিতে হোমনা উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তৎকালীন অস্থির পরিস্থিতিতে সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা দেশের ইতিহাসে নতুন বাঁক তৈরি করে। এদিন বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ৭ নভেম্বরের চেতনা জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রেরণা জোগায়। নতুন প্রজন্মের কাছে এ দিনের ইতিহাস ও তাৎপর্য তুলে ধরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে। একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশপ্রেম, সততা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে নতুন প্রজন্মকে দেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে। এ সময় তিনি রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হোমনা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাবীন, হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক (ভিপি মুকুল), সিনিয়র সহসভাপতি জাকির হাসান (জাকি), সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান মোল্লা, পৌর বিএনপির সভাপতি ছানাউল্লাহ সরকার, সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ আঃ লতিফ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহজাহান মোল্লা (চেয়ারম্যান) ও মো. সাইফুল ইসলাম (ভিপি রাজা), দপ্তর সম্পাদক মো. সেলিম মাস্টার, সহসভাপতি মো. শাহ আলম হিমেল ও শেফালি বেগম এবং নির্বাহী সদস্য মো. আলমগীর সরকারসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সেলিম ভূঁইয়ার নেতৃত্বকে শক্তিশালী করতে নিলখীতে সৈকত ভান্ডারীকে চান সমর্থকেরা

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫০ পিএম
সেলিম ভূঁইয়ার নেতৃত্বকে শক্তিশালী করতে নিলখীতে সৈকত ভান্ডারীকে চান সমর্থকেরা

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার নিলখী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মোশাররফ হোসেন সৈকত ভান্ডারী। তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়ে সমর্থন জানাচ্ছেন স্থানীয় সমর্থকেরা।

স্থানীয় সমর্থকদের ভাষ্য, পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং জনসেবার মানসিকতার কারণে সৈকত ভান্ডারী চেয়ারম্যান পদে একজন সম্ভাবনাময় প্রার্থী। তাঁদের মতে, কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করতে এবং এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে তাঁর মতো তরুণ ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্ব প্রয়োজন।

সৈকত ভান্ডারীর প্রয়াত পিতা আবুল হাসেম ছিলেন নিলখী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকালে তিনি স্থানীয় মানুষের পাশে থেকে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। তাঁর সেই অবদান এখনো ইউনিয়নের অনেক মানুষের স্মৃতিতে রয়েছে। বাবার রেখে যাওয়া জনসেবার ঐতিহ্য ধরে রেখে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান তাঁর ছেলে সৈকত ভান্ডারী।

স্থানীয় সমর্থকেরা মনে করেন, বিএনপি তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দিলে নিলখী ইউনিয়নে দলের সাংগঠনিক অবস্থান আরও সুসংহত হওয়ার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মান বাড়াতে তিনি ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তাঁদের প্রত্যাশা।

এদিকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন এবং নিলখী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নের প্রত্যাশা নিয়ে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন সৈকত ভান্ডারী। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশায় তাঁর সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহও বাড়ছে।
সব মিলিয়ে নিলখী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মোশাররফ হোসেন সৈকত ভান্ডারীকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

দশকের অপেক্ষার অবসান! চাকরি ফিরে পেয়ে গ্রামে ফিরলেন মিরাজ, মাকে স্যালুটে আবেগঘন মুহূর্ত

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:০১ পিএম
দশকের অপেক্ষার অবসান! চাকরি ফিরে পেয়ে গ্রামে ফিরলেন মিরাজ, মাকে স্যালুটে আবেগঘন মুহূর্ত

দীর্ঘ ১৯ বছরের আইনি লড়াই, অপেক্ষা ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে অবশেষে চাকরি ফিরে পেয়েছেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের ষোলপাড়া গ্রামের সন্তান মো. মিরাজ উদ্দীন আহমেদ সরকার। চাকরিতে পুনর্বহালের পর ছয় মাসের কঠোর রিফ্রেশার ও ফিটনেস প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করে গ্রামে ফিরেছেন তিনি। তাঁর এই প্রত্যাবর্তনে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে।

মরহুম সাবেক সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার মো. রিয়াজ উদ্দীনের সন্তান মিরাজ উদ্দীনের গ্রামে ফেরাকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ছেলেকে আবারও কর্মজীবনের মর্যাদায় ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তাঁর মা। এ সময় মিরাজ উদ্দীন নিজের অর্জিত সম্মাননা ও সফলতা মায়ের চরণে উৎসর্গ করেন এবং তাঁকে স্যালুট জানান। মা-ছেলের এই আবেগঘন মুহূর্ত উপস্থিত স্বজন ও এলাকাবাসীর হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

দীর্ঘ ১৯ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর চাকরি পুনর্বহালের সুযোগ পাওয়ায় মিরাজ উদ্দীন ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, মিরাজ উদ্দীনের এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা পূরণের একটি দৃষ্টান্ত। ১৯ বছর পর তাঁর এমন প্রত্যাবর্তন ষোলপাড়া গ্রামের মানুষের জন্য গর্ব ও আনন্দের বিষয়।

পরিবারের সদস্যরা বলেন, দীর্ঘ উনিশটি বছর তাঁদের পরিবারকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। আজকের এই প্রত্যাবর্তন তাঁদের দীর্ঘদিনের কষ্ট ও অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তাঁরা কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

ছয় মাসের কঠোর প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করে পুনরায় দেশসেবায় আত্মনিয়োগের সুযোগ পেয়ে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন মিরাজ উদ্দীন আহমেদ সরকার। পাশাপাশি তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

আনন্দযাত্রা থামল মৃত্যুর মিছিলে, কুমিল্লার বাস দুর্ঘটনায় নি*হ*ত ২

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী : প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
আনন্দযাত্রা থামল মৃত্যুর মিছিলে, কুমিল্লার বাস দুর্ঘটনায় নি*হ*ত ২

আনন্দ আর উচ্ছ্বাস নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিলেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও তাঁদের স্বজনেরা। কারও চোখে ছিল সমুদ্র দেখার স্বপ্ন, কারও মনে ছিল শিক্ষা সফরের আনন্দ। কিন্তু সেই আনন্দযাত্রা মুহূর্তেই পরিণত হলো বিষাদে। চট্টগ্রামের কেরানীহাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায় কুমিল্লার বুড়িচংয়ের একটি মাদরাসার শিক্ষা সফরের বাস। মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় মাদরাসার সহকারী অধ্যাপকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বাসচালকসহ অন্তত ৩০ জন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারী।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে চট্টগ্রামের কেরানীহাটের নবনির্মিত রেলক্রসিং সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল সুন্নিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক সোহানা আফরোজ (৪৫) এবং মাদরাসাটির অধ্যাপক নাদিরা আফরোজ মেঘলার স্বামী ও দৈনিক রূপসী বাংলা পত্রিকার ম্যানেজার মো. ইসরাফিল আলম (৫৫)।

মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. মফিজুল ইসলাম ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষক মো. জাকির হোসেন দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে বার্ষিক শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে দুটি বাসে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা কক্সবাজারের পথে রওনা হন। বাস দুটি বুড়িচং সদর থেকে যাত্রা শুরু করে। শনিবার ভোরে কেরানীহাটের নবনির্মিত রেলক্রসিং এলাকায় পৌঁছালে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। আহত হন অন্তত ৩০ জন।

দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁরা উদ্ধারকাজে অংশ নিয়ে বাসের ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের বের করে আনেন। পরে আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন মাদরাসার অধ্যাপক নাদিরা আফরোজ মেঘলা, শিক্ষক মাওলানা তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া ও তাঁর স্ত্রী-সন্তান, আইসিটি বিভাগের শিক্ষক মো. জাকির হোসেন, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে সামিয়া আক্তার নিহা, শিক্ষক আতিকুর রহমান, অধ্যাপক রাসেল, অফিস সহকারী আলাউদ্দিন, তাঁর স্ত্রী সুইটি আক্তার ও মেয়ে, দপ্তরি শাহজালাল, আয়া সেলিনা আক্তার এবং শিক্ষক রুনা লায়লা ও তাঁর স্বামীসহ ৩০ জন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারী।

এদিকে দুর্ঘটনার খবর বুড়িচংয়ের বাকশীমূল এলাকায় পৌঁছানোর পর মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। যে শিক্ষা সফর ঘিরে ছিল আনন্দ ও প্রত্যাশা, সেই সফরেই এমন প্রাণহানির ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আবছার দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ওসি আরও জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি মহাসড়ক থেকে সরিয়ে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পুলিশ বিভিন্ন হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিচ্ছে এবং নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে।

তবে কী কারণে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

দৈনিক কুমিল্লার ডাক পরিবারের পক্ষ থেকে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হচ্ছে। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

×