মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ফুটপাত আবারো অবৈধ দোকানিদের নিয়ন্ত্রনে

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২২, ৫:১৪ পিএম
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ফুটপাত আবারো অবৈধ দোকানিদের নিয়ন্ত্রনে

সংগৃহিত ছবি।

google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় এবং এমজিএস প্রজেক্টের মাধ্যমে কুমিল্লা নগরীর ফুটপাতগুলো নান্দনিক হয়ে উঠলেও পথচারীদের নির্বিঘ্নে ও ঝুঁকিমুক্ত চলাচলের সুযোগ নেই। হকারদের দোকানপাট পথচারীদের সহজে চলাচলের জায়গায় থাবা বসিয়ে দুর্ভোগের মাত্রা বাড়িয়েছে। কেবল তাই নয়, ফুটপাতের জায়গা নিয়ে হকারদের কাছে চাঁদাবাজির বাণিজ্যও এখন ওপেন সিক্রেট হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ফুটপাতে দখল করে গড়ে উঠা অবৈধ দোকানপাটে নগরীর সৌন্দর্যও নষ্ট হচ্ছে।

দিনদিন কুমিল্লা নগরীতে বাড়ছে লোকসংখ্যা, নির্মাণ হচ্ছে বহুতল ভবন আর সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটছে। আর তাই কর্মব্যস্ত নগরীতে লোকজনের স্বস্তিতে চলাচলের মাধ্যমই হলো ফুটপাত। যা নাগরিক সুযোগ-সুবিধার একটি অন্যতম অংশ। ফুটপাতে হকারদের দোকানদারির পাশাপাশি নতুন ভবন নির্মাণের কাজে ব্যবহৃত নির্মাণ সামগ্রী রাখার কারণে লোকজনের হাটাচলা দায় হয়ে পড়েছে। এক সময় নগরীর চকবাজার থেকে শাসনগাছা পর্যন্ত ফুটপাতের বেহালদশা ঘিরে পথচারীদের দুর্ভোগের অন্ত ছিল না।

নগরীর কিছু ফুটপাত সংস্কার না করায় মিশে গিয়েছিল রাস্তার সাথে। নগরীর চকবাজার, ছাতিপট্টি, রাজগঞ্জ, পোস্ট অফিস, সার্কিট হাউজ, ফৌজদারি মোড়, জেলা পরিষদ, পুলিশ লাইন, ঝাউতলা, বাদুরতলা এলাকার ফুটপাত দৃষ্টিনন্দন করে সংস্কারের উদ্যোগ নেয় সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ। কুমিল্লা সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর দিক-নির্দেশনায় নগরীর ফুটপাতগুলো প্রাণ পেতে শুরু করে। ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় মিউনিসিপাল্ট গভর্নেন্ট এন্ড সার্ভিসেস প্রজেক্টের (এমজিএসপি) আওতায় সিটি কর্পোরেশন ওইসব এলাকার ফুটপাত সংস্কারের কাজ বাস্তবায়ন করেছে। মিরপুর সিরামিকের ইট ও টাইলসের সমন্বয়ে সংস্কারকৃত ফুটপাতের বর্তমান দৃশ্য নগরবাসীর নজরও কেড়েছে। কিন্তু নান্দনিক ফুটপাতে নির্বিঘ্নে চলাচলের সুযোগ নেই পথচারীদের।

সম্প্রতি ব্যস্ততম এলাকা কান্দিরপাড়ের ড্রেনের ওপর থেকে হকারদের স্থাপনা অপসারণ করে সেখানেও নির্মাণ করা হয়েছে কিছুটা উঁচু ফুটপাত। এসএস পাইপের রেলিংসহ টাইলস বসানো হয়েছে। আরও কিছু কাজ বাকি রয়েছে। কান্দিরপাড়ের হকারদের বসার বিকল্প ব্যবস্থা করে দেয়ায় হয়তো এই ফুটপাতটি দখলমুক্ত থাকবে। কিন্তু নগরীর অন্যসব ফুটপাতগুলো কি বছরের পর বছর হকারদের দখলে থাকবে? এমন প্রশ্ন নগরবাসীর। অন্যদিকে নগরীর কিছু এলাকায় ড্রেনের উন্নয়ন কাজের অংশ হিসেবে স্লাবে টাইলস বসিয়ে তাও ফুটপাত হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। ড্রেনের উপরের এসব ফুটপাত, পান-সিগারেট ও চা দোকান দিয়ে দখল হয়ে গেছে।

নগরীর ঈদগাহের উত্তর দিকে নির্মিত ড্রেনের উপরের ফুটপাত ইতোমধ্যে ভাসমান দোকানিদের দখলে চলে গেছে। লোকজনের চলাচলের কোন সুযোগ নেই। এছাড়াও নগরীর আরেক ব্যস্ততম এলাকা রাজগঞ্জের ট্রাফিক পয়েন্টের দক্ষিণ দিক থেকে শুরু হওয়া ফুটপাত চকবাজার ফয়সাল হাসপাতাল পর্যন্ত অংশ ফুটপাত সংলগ্ন দোকানিরা তাদের মালামাল রাখছে।

আবার বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে হকাররাও দখলে নিয়েছে। ফৌজদারি সড়কের অ্যাডভোকেট নেয়ামত উল্লাহর বাড়ির সামনে থেকে সাব রেজিস্ট্রি অফিস পর্যন্ত ফুটপাতে চলে যানবাহন মেরামতের কাজ। সশস্ত্র বাহিনীর অফিস থেকে সমাজকল্যাণ অফিস পর্যন্ত ফুটপাত থাকে মৌসুমি ফল বিক্রেতাদের দখলে। এদিকে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ফুটপাত হকাররা দখলে নিয়ে যে যার মতো বাঁশ, কাঠ, রেক্সিন বা পলিথিন দিয়ে স্থাপনা তৈরি করে নানা পণ্যের পসরা খুলে বসছে।

যেখানে নগরীর সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ জোরেশোরে চলছে সেখানে ফুটপাতের এসব দোকান নগর সৌন্দর্যকে ম্লান করে দিচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্যবসায়িক কাজে ফুটপাত ব্যবহার নিয়েও চলে ব্যাপক চাঁদাবাজি। হকারদের কেউ কেউ প্রতিদিন কেউবা সপ্তাহ হারে একটি মহলকে চাঁদা দেয়। এ চাঁদা আদায়ের জন্য লাইনম্যান নিয়োগ দেয়া হয়। কারা চাঁদা নেয় তা বলতে নারাজ সব হকাররাই। তবে বিকেল থেকে লাইনম্যানরা চাঁদা তোলা শুরু করে।

কুমিল্লায় চোলাই মদের রমরমা কারবার, ধ্বংস হচ্ছে দরিদ্র পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
কুমিল্লায় চোলাই মদের রমরমা কারবার, ধ্বংস হচ্ছে দরিদ্র পরিবার

শাসনগাছা ও টিক্কাচর হাড্ডিখোলায় মদ তৈরির অভিযোগ, নেশার ছোবলে বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি

অভাবের সংসার, দিনমজুরের সামান্য আয়, স্ত্রী-সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার সংগ্রাম—তারপরও সেই আয়ের একটি অংশ চলে যাচ্ছে নেশার পেছনে। চোলাই মদ পান করে কেউ হারাচ্ছেন কর্মক্ষমতা, কেউ জড়িয়ে পড়ছেন পারিবারিক কলহে, আবার কারও মদ্যপ আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা। এমন পরিস্থিতিতে কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা ও টিক্কাচর এলাকার হাড্ডিখোলায় চোলাই মদ তৈরি ও বিক্রির অভিযোগ ঘিরে জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

স্থানীয় বাস্তবতায় দেখা যায়, মদ্যপ অবস্থায় কিছু ব্যক্তি স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবা ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দ, চিৎকার-চেঁচামেচি এবং পারিবারিক অশান্তির কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে শিশুদের ওপরও। যে পরিবারগুলো এমনিতেই আর্থিক সংকটে দিন কাটায়, তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দেয় নেশার এই অভ্যাস।

 

নিজেরা পান, আবার বিক্রিও করেন

 

স্থানীয়ভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শাসনগাছা ও টিক্কাচর হাড্ডিখোলা এলাকায় চোলাই মদ তৈরির কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ নিজেদের ব্যবহারের জন্য মদ তৈরি করলেও অন্য একটি অংশ তা বিক্রির উদ্দেশ্যে বাজারজাত করে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, ব্যক্তিগত ব্যবহারের কথা বলে তৈরি করা মদের পাশাপাশি বিক্রির জন্যও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে মদ প্রস্তুত করা হচ্ছে। এসব মদের উপাদান ও উৎপাদনপ্রক্রিয়া কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন হচ্ছে বলেও স্থানীয়ভাবে দাবি করা হয়। তবে উৎপাদন ও বিক্রির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণের মতো নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান নেই।

 

অল্প টাকার নেশা, বড় ক্ষতি সংসারে

 

চোলাই মদের সহজলভ্যতা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বিশেষ উদ্বেগের বিষয়। অল্প টাকায় মদ কিনে পান করার পর অনেকে কর্মক্ষেত্রে স্বাভাবিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন বলে অভিযোগ রয়েছে। কেউ কাজে যেতে পারেন না, কেউ উপার্জিত অর্থ পরিবারের প্রয়োজনের বদলে নেশায় ব্যয় করেন। এর ফলে সংসারে অভাব বাড়ে, সন্তানদের পড়াশোনা ব্যাহত হয় এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।

একজন মানুষের নেশার কারণে যখন স্ত্রী-সন্তান, বৃদ্ধ মা-বাবা ও প্রতিবেশীদের প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তখন সেটি আর ব্যক্তিগত অভ্যাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা সামাজিক সমস্যায় পরিণত হয়।

 

অপরিচ্ছন্ন মদে মৃত্যুঝুঁকি

 

চোলাই মদে বিষাক্ত মিথানল বা অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান থাকলে তা অন্ধত্ব, গুরুতর অঙ্গহানি এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি হওয়া মদ নিরাপদ—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। শুধু গন্ধ, স্বাদ বা রং দেখে মদের বিষাক্ততা নির্ধারণ করা যায় না।

স্থানীয়ভাবে চোলাই মদ পান করে অসুস্থ হওয়ার ঘটনাও উদ্বেগের কারণ। হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মদপানের পর অসুস্থ হয়ে বিভিন্ন সময়ে মানুষ চিকিৎসা নিতে আসছেন; তাঁদের মধ্যে অসচ্ছল ব্যক্তিও রয়েছেন। তবে কতজন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন, তার নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জরুরি।

 

বন্ধ হবে কবে এই অবৈধ কারবার?

 

এলাকাবাসীর উদ্বেগ হলো, চোলাই মদ তৈরি ও বিক্রি চলতে থাকলে একদিকে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়বে, অন্যদিকে পারিবারিক অশান্তি ও সামাজিক বিশৃঙ্খলাও চলতে থাকবে। এ পরিস্থিতিতে শুধু মদ পানকারীকে দোষারোপ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; এর উৎপাদন ও বিক্রির উৎসও শনাক্ত করা প্রয়োজন।

শাসনগাছা ও টিক্কাচর হাড্ডিখোলায় চোলাই মদ তৈরি ও বিক্রির অভিযোগ তদন্ত করে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। কোথায় মদ তৈরি হচ্ছে, কীভাবে তা বিক্রি হচ্ছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত—এসব বিষয় যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

পাশাপাশি মদে আসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা, পরামর্শ ও পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। কারণ নেশার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা যেমন জরুরি, তেমনি তাঁদের পরিবার ও প্রতিবেশীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

চোলাই মদের কারবার বন্ধ করা শুধু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়; এটি দরিদ্র মানুষের জীবন রক্ষা, পরিবারের শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নেশার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচানোর লড়াই। এখন প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ, নিয়মিত নজরদারি ও সামাজিক সচেতনতা।

শুধু কথার ফুলঝুরি ছড়িয়ে সাংবাদিকতা পেশার উন্নয়ন সম্ভব নয় প্রয়োজন ঐক্য – আহমেদ আবু জাফর

মো: বিল্লাল হোসেন: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৩ পিএম
শুধু কথার ফুলঝুরি ছড়িয়ে সাংবাদিকতা পেশার উন্নয়ন সম্ভব নয় প্রয়োজন ঐক্য – আহমেদ আবু জাফর

“শুধুমাত্র কথার ফুলঝুরি ছড়িয়ে সাংবাদিকতা পেশার উন্নয়ন সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন বাস্তব উদ্যোগ,ঐক্য ও দায়িত্বশীল ভূমিকা।”

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার দেবীদ্বারে উপজেলা প্রশাসনের সভা কক্ষে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি,বাংলাদেশ-এর উপজেলা শাখা গঠন উপলক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব‍্যে- বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি,বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর ওই বক্তব‍্য দেন।

তিনি বলেন, “ শুধুমাত্র কথার ফুলঝুরি ছড়িয়ে সাংবাদিকতা পেশার উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন বাস্তব উদ্যোগ, ঐক্য ও দায়িত্বশীল ভূমিকা।” আমাদের সবাইকে নতুন করে দেশ প্রেমে উজ্জীবিত হতে হবে। দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে গণমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার, পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকর্মীদের ঐক্যবদ্ধের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম আতিকুর রহমান বাশার-এর সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক শফিউল আলম রাজীবের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজী, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ- এর কুমিল্লা জেলা শাখা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক ও কেন্দ্রীয় নেতা মেহেদী হাসান।

অন‍্যান্যদের মধ‍্যে বক্তব‍্য রাখেন, সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন, মোঃ আব্দুল আউয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী মাহমুদ হৃদয়। দৈনিক আজকালের খবর পত্রিকার দেবীদ্বার প্রতিনিধি, এ আর আহমেদ হোসাইন, দৈনিক আজকের পত্রিকার দেবীদ্বার প্রতিনিধি শফিউল আলম রাজীব, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার দেবীদ্বার প্রতিনিধি ফারুক হোসাইন জনি, ঢাকা নিউজের দেবীদ্বার প্রতিনিধি একেএম মিজানুর রহমান কাউছার, ডাঃ প্রতিনিধি মাসুদ হাসান, শিক্ষক প্রতিনিধি রুহুল আমিন, এডভোকেট আনিসুর রহমান।

এছাড়াও পোগ্রামের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন জাহিদ হাজারী, গিতা পাঠ করেন ভজন সাহা। এসময় সম্মিলিত ভাবে জাতীয় সংগীত ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির দলীয় সংগীত প্রদর্শিত হয়।

সভায় দেবীদ্বার উপজেলা শাখা গঠন, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নির্যাতন ও হয়রানি প্রতিরোধ এবং সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার রক্ষায় সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভা শেষে জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক ২১ সদস্যবিশিষ্ট দেবীদ্বার উপজেলা শাখার কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দৈনিক আজকালের খবরের প্রতিনিধি আহমেদ হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি শফিউল আলম রাজীবের নাম ঘোষণা করা হয়।

পরিত্যক্ত বস্তায় বিদেশি পিস্তল ও দুটি ম্যাগজিন

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৩ পিএম
পরিত্যক্ত বস্তায় বিদেশি পিস্তল ও দুটি ম্যাগজিন

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুটি ম্যাগজিন উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার কটকবাজার এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিবিরবাজার বিওপির আওতাধীন শাহাপুর পোস্টের একটি টহল দল সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কটকবাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় একটি পুরোনো প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিদেশি পিস্তল ও দুটি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্র ও ম্যাগজিনের বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে সেগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

×