সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

লন্ডন বিলাস : সুনসান নীরবতা

বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৬:৪৬ পিএম
লন্ডন বিলাস : সুনসান নীরবতা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ব্লুমবার্গের চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশের কোনো মহলের কোন প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশের এক সাবেক মন্ত্রী লন্ডনে দুই হাজার সাতশ কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন। এই সম্পদ তিনি কী ভাবে গড়েছেন? এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ব্লুমবার্গের এই প্রতিবেদন বাংলাদেশের একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। লন্ডনের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় বিনিয়োগ করে একজন সাবেক মন্ত্রী যুক্তরাজ্যে আলোচনার ঝড় তুলেছেন। এমন খবরের পর বাংলাদেশের কোন মহল থেকে এ ব্যাপারে কোন ধরনের প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়নি।

বাংলাদেশ থেকে বৈধ ভাবে একজন ব্যক্তি বছরে ১২ হাজার নিয়ে যেতে পারে। সেখানে সাবেক ভূমিমন্ত্রী কী ভাবে যুক্তরাজ্যে দুই হাজার সাতশ কোটি টাকার সম্পদ গড়লেন সেই প্রশ্নের উত্তর কেউ দেননি। এমনকী সাবেক মন্ত্রীর পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোন আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোন বক্তব্য এখন পর্যন্ত জানানো হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া কেউ বিদেশে বিনিয়োগের জন্যও অর্থ নিয়ে যেতে পারে না। কাজেই দুই হাজার সাতশ কোটি টাকা কোন পথে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক এ সম্পর্কে অবহিত কি না? যদি অবহিত না হয়ে থাকে অবৈধ পথে যদি অর্থ যেয়ে থাকে, তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেবেন কি না? এই সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক মুখে কুলুপ এঁটেছেন।

একই রকম অবস্থা দুর্নীতি দমন কমিশনের। দুর্নীতি দমন কমিশন অর্থপাচারের অভিযোগ এর আগে একাধিক মামলা করেছিল এবং বিদেশে যারা অর্থ পাচার করেছে তাদের ব্যাপারে তথ্য অনুসন্ধানের ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু প্রভাবশালী গণমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনের পর দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোন বিবৃতি বা বক্তব্য দেখা যায়নি। অন্যান্য সময় বিশেষ করে যখন ট্যাক্স হ্যাভেন রাষ্ট্রগুলোতে বিনিয়োগের খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল, তখন দুর্নীতি দমন কমিশন সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য হলেও বলেছিল যে বিষয়টি তারা তদন্ত করবে।, তারা তালিকা যাবে। এমনকি যখন সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ রাখার খবর প্রকাশিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে, তখনও দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে, বিষয়টি তারা দেখবে এবং এই অর্থ কারা পাঠিয়েছে সে ব্যাপারে তারা তথ্য অনুসন্ধান করার চেষ্টা করবে। যদিও পরবর্তীতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কিন্তু এবার দুর্নীতি দমন কমিশনও এ ব্যাপারে কোন কথা বলছেন না।

সাবেক ভূমিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের একজন নেতা, তিনি জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যও বটে। আর সংসদ সদস্য হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগের এক ধরনের জবাবদিহিতার বিষয় আছে। এই ঘটনার পর আওয়ামী লীগের এই নেতা, সাবেক মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ কী ভাবছে, সে সম্পর্কেও আওয়ামী লীগের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

একইভাবে একজন সংসদ সদস্য যখন সংসদ সদস্য পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তখন তাকে একটি হলফনামায় স্বাক্ষর করতে হয়। সেই হলফনামায় তার সম্পদের বিবরণীতে উল্লেখ করতে হয়। এই আলোচিত সংসদ সদস্য তার হলফনামায় তার বা তার স্ত্রীর নামে যুক্তরাজ্যে এই বিপুল পরিমাণ সম্পদের কথা উল্লেখ করেননি। ভুল হলফনামা দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী ওই আলোচিত সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনও কোন কথাবার্তা বলেনি। হলফনামার সঙ্গে তার এই সম্পদের অসাঞ্জস্যতা নিয়ে তাকে কোন প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়নি নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনের পর সবাই নিশ্চুপ। শুধুমাত্র আলাপ আলোচনা হচ্ছে ফিসফাস করে গোপনে অন্তরালে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×